জমি খারিজ
টাকা ছাড়া ছয় মাস সময় লাগবে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা ছাড়া ছয় মাস সময় লাগবে
- আমাকে 4 দিন গুরাইছে , পার্সপোট আবেদন বাতিল করেছে 1 বার
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য ২০০০০ টাকা ঘুস দেওয়া লাগে এটা না দিলে ঠিক মতো ব্যাবসা করতে দিবে না অনেক জালাতন করবে। প্রতিটা BIN নাম্বার ধারি প্রতিস্টান মাসিক চুক্তিতে বিভন্ন এমাউন্ট এ ঘুস দেয় তাদের কাছে
চলতি বছরের মার্চ মাসের ২য় সপ্তাহে আমার স্থানিয় বিদ্যুৎ অফিসে বৈদ্যুতিক খুঁটি সহ নতুন মিটারের আবেদন করি।আবেদন জমা করার ১ মাস পরেও তাদের কোন রেসপন্স না পেয়ে তাদের সাথে স্বশরীরে যোগাযোগ করি। তখন তারা বলে যে আবেদন পত্র সামনে সপ্তাহে জেলা শহরের অফিসে পাঠাবে। কিন্তু কিছু খরচ দিতে হবে। ১৫০০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ করে নি।গেলেই বলে যে দরখাস্ত পাঠিয়েছি আমরা।আপনাকে জানাবো।এই ভাবে ঘুরতে ঘুরতে ৬মাস ঘুরিয়েছে।পরবর্তী তে সলংগা বিদ্যুৎ অফিসের সাথে জড়িত দালালের মাধ্যম নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিটার দিয়ে গেছে। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা নিজেরা যে সরকারি প্রসিডিউ ফলো করে আবেদন করলাম তার কোনো রেজাল্ট পেলাম না, বরং ৬ মাস হয়রানি করা হয়েছে । তার কারণ কি এটাই যে আমরা দালালের সরনাপন্ন হয়নি এজন্য।
আমার ৫শতক জমি নামজারি করার বিনিময়ে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে। টাকা কম দেয়ার প্রস্তাবে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে। আমি এর আগে জমি ক্রয় করি নাই তাই ঝামেলা করবে ভাবিয়া দাবিকৃত টাকা দিতে বাধ্য হই🥹🥹😥😥
যেহেতু এটা প্রাইমারি ডিপার্টমেন্ট সরকারি শিক্ষক প্রধান শিক্ষককে হেনস্ত হতে হয় অফিসে গেলে প্রত্যয়ন বাবদ ২০০ টাকা চিকিৎসার ভাতা আবেদন করা বাবদ ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা। কাগজের যে কোন সমস্যা সমাধান করতে গেলে ওদের সাথে টাকা ছাড়া কথা বলা যায় না। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কোন ফাইলে হাত দেয় না। আগে টাকা তারপরে কথা কাজ।
পৌরসভার চাকরি, রিটার্ন ও ভাইবা ভালো হওয়ার পরেও টাকা চায়,আমি টাকা না দেয়ায় চাকরিটা আমার হইনাই, আমার টাকা দেয়ার সামর্থ নেই, বাংলাদেশে যোগ্যতার কোন মুল্য নাই।
আমি মোট চারবার রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অফিস ভিজিট করেছিলাম কিন্তু এতে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে চা খাইয়ে আপ্যায়ন ও করেছেন । কাজটা ছিল খুবই সোজা আমার পুরনো খাজনা রশিদের উপরে নতুন অনলাইন নাম্বার টা বসিয়ে দেওয়া এতোটুকুই এই কাজটা পরবর্তীতে আমার ড্রাইভার চার হাজার পাঁচশ টাকা দিয়ে করিয়ে নিয়েছিল আমার সামনেই। ওই কর্মকর্তা বুঝতে পারেননি তিনি আমার কাজটাই করছেন।
জমির সব কিছু ঠিক থাকার পরও, অতিরিক্ত টাকা আদায় করে
আমি নতুন ভোটার হতে লালবাগ ইসি অফিসে গিয়েছি তবে সকল কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার এই ভুল সেই ভুল দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছে যা সরকারি সেবা গ্রহণে বাধা।
15000 BDT for passport renewal for any passport which has some issues, eg lost previous passport or do not have all the documents required.
আমি আমার ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য জমা দেই। যথারীতি আমি অনলাইনে সকল ফি পরিশোধ করি এবং কাগজপত্র সহ দায়িত্ব রত কর্মকর্তার কাছে জমা দেই। তিনি এক সপ্তাহ পর নবায়ন হলে বলে জানিয়ে দেন। চার থেকে পাঁচ দিন পর ফোন দিয়ে জানান আপনার নবায়ন হয়ে গেছে এসে নিয়ে যান। আমি আনতে গেলে হাজার টাকা দাবি করেন। আমি বললাম কিসের টাকা? বললেন এটা সবাই দেয়। আমি প্রথমে পাঁচশত টাকা দিয়েছি কিন্তু উনার চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত এক হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার বোন ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য ভিসা প্রসেসিং করছিল। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য নাটোরের নলডাঙ্গা থানার একজন পুলিশ উপ-পরিদর্শক আমার কাছে থেকে 5000 টাকা দাবি করে। আমি দিতে অসম্মতি জানাই। কিন্তু সে বলে ইউরোপ আমেরিকার বিষয় তো ৫০০০ টাকা খুবই সামান্য। এগুলো দিতে হয়।
নোটিশ জারিকারক মামলার নোটিশ জারি করবে, তাই জারির খরচ বাবদ ৫০০০ টাকা নাকি দিতে হবে। টাকা দেইনি বলে ১ বছর হলো মামলার নোটিশ জারি করে না।আজকেও আবার ফোন দিছিল খরচের জন্য, আমি না করে দিয়েছি।বলছি নোটিশ জারি করা আপনাদের দায়িত্ব। এ কথা শুনে ফোন কেটে দিছে।
ব্যাবসার অফিস পরিবর্তনের পরে ভিন আইডিতে স্থান পরিবর্তন করতে গিয়ে এই ঘুষ দাবি করে। এই দেশে ডকুমেন্টের পিছনে ঘুষ দিতে দিতে টাকা শেষ হয়ে যায় আর উদ্দোক্তা তৈরি হওয়া প্রায় অসম্বব ৷ ট্রেড লাইসেন্স থেকে শুরু করে সব যায়গায় একই অবস্থা। এসব সরকারী কর্মকর্তাদের টাকার পরিমান গুনে শেষ করার মতো না৷
২০২৪ সালে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে ১০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিলো পুলিশ কর্মকর্তা তারপর বললাম আমার কাছে কোনো টাকা নাই ৫০০ আছে বলে ৭০০ টাকা না দিলে হবে না তারপর ৭০০ টাকা দিতে বাধ্য হই
টাকা না দিলে কাজনকরবে না
সরকারি চাকরিতে 10 বছর পূর্তিতে উচচতর গ্রেড পাওয়ার আইন আছে। তাই আবেদন পাঠানোর পর, সিলেটের দায়িত্বপ্রাপ্ত মা. উ. শি কর্মকর্তা প্রতি ফাইল প্রতি2000/=করে, সিলেটের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের 21 জন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রায় 45000/=টাকা নেন এবং ফাইল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাঠান।
প্রথমে গেলাম সার্টিফিকেট অফ অরিজিন ফর্ম ২য় তলায় নিতে ফি দিয়ে তখন একজন বললো ২০০ টাকা দেন। তারপর গেলাম লিফটের-৪ ফর্ম সাইন করাতে উনি সাইন শেষে বললো ১০০ টাকা দেন। তারপর গেলাম পাশেই একজন নাম্বারিং করছে উনিও নিলো ১০০ টাকা। আর একজন রেকড রেজিষ্ট্রেশন করছে উনি নিলো ২০০ টাকা। ব্যাংকে সরকারি নির্ধারিত ফি পেমেন্ট করেছি এই স্লিপ উঠাতে ৫০ টাকা নিলো আবার বের হওয়ার সময় পিওন নিলো ৫০ টাকা
আমার বাবার নামে একটা জমির নামজারী করার জন্য তারা ৩০০০ টাকা দাবি করেছি অথচ সরকারি নামজারী ফি ১১৫০ টাকা।আমি না বুঝে তাকে ৩০০০ টাকাই দিয়েছিলাম ভুমি অফিস ঠাকুরাকোনা,নেএকোনা