Export import
Ami license renewal thaka start kora each and every activity ta Tk chara kono kaj kora jai nah. Tk nea o Onok time a kaj complete kora nah .
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Ami license renewal thaka start kora each and every activity ta Tk chara kono kaj kora jai nah. Tk nea o Onok time a kaj complete kora nah .
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার একটি ইউনিয়ন কপিলমুনি।এখানে আমাদের ১শতক ২০ পয়েন্ট যায়গা আছে ।যার উপর দোকান ঘর করে ভাড়া দোওয়া আছে যেটি আমরা বংশ পরমপরায় ১৯৭৪ সাল থেকে দখল করছি।যেটি আমাদের নিজেদের মধ্যে কয়েকবার হাতবদল হয়েছে ।তার দলিল সহ সকল কাগজ সহ অনলাইন খাজনা রশিদ রয়েছে ।গত ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই সম্পত্তির অর্ধেক আমার খালার নামে ছিল সেটি আমার নামে রেজিস্টি করে দেয়।হঠাৎ করে গত প্রায় ২ মাস আগে আমার নাম সহ আর সাত জনের নামে একটি নোটিশ আছে যেটি উপজেলা নির্বাহী ভুমি কর্মকর্তা পাঠিয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট ডেটে উপস্থিত হতে বলেছে ।আমি উপস্থিত হয়ে সকল কাগজ দেখিয়েছি তারপর ও বারবার ডেট দেয় পরবর্তীতে বলে সব ঠিক হয়ে যাবে ব্যক্তিগত আমার কাছে ৫০০০০০ টাকা ঘুস দাবী করে এবং না দেওয়ায় খারিজ করে দেয়।
বিএড স্কেলের আবেদন করেছি, আমার প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে ফোন দিয়ে টাকা দাবি করেছেন।
শিক্ষা ভবন এর এক অফিস সহায়ক আমার কাছে টাকা দাবি করেছে, তা না হলে কোন ভাবেই আমাকে লাইসেন্স দিবে না, সে আমি যত ভালো ভাবেই ফাইল গুছিয়ে দেই না কেনো। পরে আমি সে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার দখলীয় জমি তে ভূমি দশ্যূদের উৎপাতের কারনে ইউনিয়ন পরিষদে মামলা করি। মামলার শুনানি তে পেকুয়া প্যানেল চেয়ারম্যান — (বর্তমান বিএনপি নেতা) আমার থেকে টাকা নিয়েছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার সহ প্রায় সবাই আমার থেকে টাকা নিয়েছে।
২০২২ সালের জুন মাসে রেলওয়ে সিআরবি অফিসে সাপ্লাইয়ার বিল নিয়ে সহকারি এফএএন্ডসিএও এর কাছে ১০লক্ষ টাকার বিল দিলে ওনি বলেন বিলে সমস্যা আছে দপ্তরে নিয়ে গিয়ে ঠিক করে আনতে হবে। এর মধ্যে আমি যখন ওনার এসিসটেন্ট এর সাথে কথা বলে ওনাকে টাকা দেয়ার জন্য রাজি হই তখনই ওনি সব বিলে সাইন দিয়ে ছেড়ে দেন।
গাড়ির ট্যাক্স টোকেন ১০ দিন ফেল করেছিল। ট্রাফিক পুলিশ আট হাজার টাকার মামলা দেয়ার দাবি করে সেখানে ৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মিউচুয়াল করা হয়।
উত্তরা ৩য় ফেজ একই নামে দুইবার খারিজ করতে , এক বার ২ হাজার পনের সালে এখন আর একবার করতে হবে
মামলার নামে বাতিল করার জন্য টাকা চাওয়া হয়ে ছিল।
এভাবে চললে কিভাবে সম্ভব?
ফায়ার লাইসেন্সের আবেেন করা হয়। লাইসেন্স ডিজিটালি ভিজিট রিপোর্ট সাবমিশনের জন্য মিস্টি খেতে চাওয়া হয়। প্রথমে গুরুত্ব কম দেয়া বা সরাসরি টাকা না দেয়ায় মাসেরও বেশি সময় রিপোর্ট ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে ৬৫০০০ টাকায় সেটেল করা হয় ও পরবর্তি ২ সপ্তাহের মধ্যে লাইসেন্সও পেয়ে যাই।
আমি গত 08-03-2026 ইং তারিখে ভুমি অধিগ্রহন মামলার একটি কাগজ উঠানোর জন্য নির্ধারিত কোর্ড ফি দিয়ে আবেদন করি। তারপর জিজ্ঞেস করি কত দিনের মধ্যে কাগজটা পাব তখণ অফিসের লোক বলে 1000 এক হাজার টাকা দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে পাবেন আর টাকা না দিলে কবে নাগাদ পাবেন বলতে পারবো না। আজ 27-08-2026 তারিখ এখনো কাগজটা পাইনি। এখন বলছে টাকা দিলে আজকেই পাবেন।
আমি প্রবাসী, এম,ফিল করছি স্কলারশিপে মালেয়শিয়ার একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে, আমার রিসার্চ প্রায় শেষ এবং ইতিমধ্যে পি,এইচ,ডির প্রিপারেশন নিচ্ছি। একটা প্রয়োজনে আমার আনমেরিড সার্টিফিকেট দরকার তাই আমার হয়ে আমার ছোট বোন আমাদের নরসিংদী ডি,সি অফিসে যথাযত নিয়ম মেনে গত আগষ্টের শুরুতে আবেদন করে। এরপর যিনি আবেদন গ্রহন করেন তিনি আমার ছোট বোনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবী করেন, এইসব কাজের জন্য নাকি ২০ হাজারের নিচে কোন কাজ হয় না, এরপর আমার ছোট বোন দুই ধাপে ওই মহিলাকে ৬ হাজার টাকা পরিশোধ করে, কিন্তু আমি এখনো আমার সার্টিফিকেট হাতে পাইনি। যদিও এস,বি অফিস থেকে আমার রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু ওনি এখন বলছেন এ,ডি,সি সাহেব সাইন করে নাই এখনো, সময় লাগবে সাইনের জন্য।
টাকা না দিলে নামজারী করা যায়না ভূমি অফিসে প্রস্তাব দিতে 200000 টাকা পরিশোধ করেছি এবং উপজেলা এসিলেন্ড স্যার — এর জন্যা 30000 টাকা পরিশোধ করি। টাকা না দিলে কোন কাজ হয় না। 2বার টাকা ছাড় চেষ্ঠা করি কিন্তু কোন লাভ হয়না কিন্তু ভূমি অফিস এর লোক বা দালাল ধরলে কাজ হয়ে যায় আবেদন কারীর যাওয়ার লাগেনা। কী ভাবে সম্ভব ।
২০১৮সালে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সাক্রোলারে নিয়োগের সময়।আমার চাহিদা অনুযায়ী স্কুলে যেতে চাইলে ২০০০০ টাকা দাবি করে।চাহিদা অনুযায়ী নিয়োগ না দেওয়ার কারনে দুর্গম এলাকায় নিয়োগ দেয়।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলাম এই কাগজ সেই কাগজ লাগবে বাড়িতে না থেকে রাজশাহী কেন আছি এইসব প্রমান নাকি দিতে হবে আমি একজন ফ্রিল্যান্সার পরে জানলাম সবাইকেই এটাই বলতেছে টাকা ২০০০ ঘুষ দেয়া লাগবে তাইলেই হবে উপায় না দেখে দিতে হয়েছে
আমি আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমাদের ইউনিয়ন পরিষদে , ওনারা আমার কাছ থেকে ৩৫০ টাকা দাবি করে কাজটি করে দিতে। আমি যখন তাদের সরকারি ফি ৫০ টাকার এর কথা বলি তখন তারা বলে যারা বলেছে তাদের থেকে করে নিয়ে আসেন। শুধু তাই নয় ওনারা নামের অখহর ভুল করেছে যার কারনে আবার ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি অভিযোগ করতে গেলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ না করে ফেরৎ আসতে চাইলে তিনি ভূল ভাল বুঝিয়ে টাকা এবং অভিযোগ দুটোই রাখেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হয়েছে ১০৫০০ টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে নাহলে তারা ড্রাইভিং টেস্টে ফেল করে দেয়
খতিয়ান হতে কিছু ব্যাক্তি বের হয়ে আলাদা নামজারি করেছে। এখন আমরা অনলাইন আপডেট চাচ্ছি কর দেয়ার জন্য। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে আপডেট করছে না ফলে আমরা ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারছি না। এই পরযন্ত 3 বার গেলাম একাগজ ঔকাগজ যেটাই নিয়ে আসি আরো 2 টা অজুহাত দেখায় ... কি আর বলব