জর্জ কোর্ট লক্ষীপুর
লিগ্যাল এইড অফিসে নোটিশ জারির জন্য টাকা না দ্য়োয় ৩ ডেট ঘুরায়। পরে ৫০০/ টাকা ঘুষ নিয়ে একটা ডেট দেয় এরং বলে সে ডেটে জারি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়ে দিবে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
লিগ্যাল এইড অফিসে নোটিশ জারির জন্য টাকা না দ্য়োয় ৩ ডেট ঘুরায়। পরে ৫০০/ টাকা ঘুষ নিয়ে একটা ডেট দেয় এরং বলে সে ডেটে জারি দেখিয়ে রিপোর্ট দিয়ে দিবে।
আসসালামু আলাইকুম , আমি একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাগরিক , আমি যখন আমার নিজের জন্য একটি নতুন ইপাসপোর্ট করতে যায় , আমি নিজে নিজে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি . যে পরিমান এর ডাটা দেওয়া দরকার আমি সব কিছু দিয়ে ফাইনাল সাবমিট করি , ১ দিন পর আমার পাসপোর্ট অফিস এ ফিঙ্গার এর সিডিউল আসে , যখন আমি ভেরিফিকিশন রুম এ যায় তারা আমাকে নানা রকম ভুল আছে বলে ফাইল জমা নেই নাই , তার পর আমাকে বলা হয় আমি যেন AD স্যার এর রুম যায় গেলাম সেই খানে যাওয়ার পর অনি আমার ফাইল দেখে বলে এই ফাইল সমস্যা আছে , আমাকে ফেরত দেওয়া হল । আমি যখন বাহিরে আসি ঐ খান এক আনসার আমাকে বলে কি সমস্যা আমি সব কিছু বিস্তারিত বলার পর সে আমাকে একটা নাম্বার দিয়ে বল ঐ খানে যান তারা সব কিছু করে দিলে কাজ এখন এই হয়ে যাবে .
ফ্যামিলি কার্ড সুমারি ও কার্ড বিতরণের জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনানুষ্ঠানিক অর্থ (ঘুষ) দাবি এবং আদায় করা হচ্ছে। সরকারি সেবার আওতায় এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও সাধারণ মানুষের থেকে অন্যায়ভাবে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।— ১ নং ইউসুফপুর কারিগর পাড়া,চারঘাট, রাজশাহী এবং ইউসুফপুর ইউনিয়নের বিএনপি'র সভাপতি সে।
আমাদের বিয়ের দশম গ্রেড/বেতন-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে নির্ধারিত নিয়মে অনলাইনে আবেদন দাখিল করা হয়। আবেদন দাখিলের পর সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে আবেদনটি যাচাই করে যথাসময়ে মূল সার্ভারে ফরওয়ার্ড করা সংশ্লিষ্ট অফিসের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, আমরা ১ তারিখে অনলাইনে আবেদন দাখিল করার পরও ৮ তারিখ পর্যন্ত আমাদের আবেদনটি ফরওয়ার্ড করা হয়নি। এর ফলে আবেদনটি যথাসময়ে পরবর্তী ধাপে না যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক এক মাসের প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অন্যদিকে, আমাদের কাছে বিভিন্ন মাধ্যমে এমন তথ্য আসে যে, অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর কিছু আবেদনকারীকে দ্রুত ফরওয়ার্ড করে দেওয়ার জন্য 2000/3000
আমি জানতাম না যে সরকারি খরচ এত কম মাত্র ১১৫০৳ । ওরা বলল এ ছাড়া হবে না আর আমি দিয়েই কাজ করালাম।
লাউকাঠি ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত আছে এবং লাউকাঠি বাজারে তার দোকান আছে, সেখানে তিনি এসব কাজকর্ম করেন, তার কাছে ঘুষ দাবি করা বা গ্রহণ করা যেন মামুলি বিষয়
Police asked for bribe to send report to court for a fraud case of which arrest warrent had been issued
২০২২ সালে নতুন সরকারিতে চাকরিতে জয়েন করার পর বেতন চালু করতে হাটহাজারী উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস কতৃক এই অর্থ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ১৫০০ টাকার বিনিময়ে আড়াই মাস পর থেকে বেতন পাওয়া শুরু হয়।
নামজারি প্রস্তাব পাঠানোর জন্য।
জন্ম নিবন্ধন, জাতীয়তা সনদ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার এলাকার সকল মানুষ, 14 নং লালখান বাজার ওয়ার্ডের এই অবস্থা, ওয়ার্ড সচিব, জন্ম নিবন্ধন সহকারি, রাজনিতীর নাম ভাঙিয়ে বসা কম্পিউটার অপারেট যার নিয়োগের কোনো কাগজপত্র নেই
প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন দিতে গেলে সবার কাছে ১০০০ বা তারও বেশি টাকা চায়। না দিলে বিভিন্ন ধরণের মামলার ভয় ভীতি দেখায়।
আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিছেলাম সকুল ডকুমেন্টস নিয়ে অন্য মন্ত্রনালয়ে ভাইভা পরীক্ষার অনাপত্তিপত্র এর জন্য। আমাকে ১০০০ টাকা চাইলো, আমি বললাম স্যার এত পারবো না, আমার কাছে এত টাকা নেই। আপনি ৫০০ টাকা রাখুন। কিছু দিন যখন ডকুমেন্টস আনতে গেলাম, তখন আমাকে আসার সময় ডাক দিয়ে আবার ৫০০ টাকা নিলো।। আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি....
সিট পেতে অসুবিধা। দেইনি টাকা
শুধু ঘুষ কেন, বিভিন্ন সরকারী অফিসের কার্যক্রম বিষয়ক কিছু থাকা উচিত ছিল, যেমন- কর্মকর্তা ও কর্মচারি তাদের কার্যক্রম কেমন চলে, এ রকম আরো কিছু বিষয় এড করা উচিত। তাহলে আরো অনেক কিছুই উঠে আসবে আর সংশোধন এর সুযোগ থাকবে।
২০২৩ সালের আগষ্টে বাবাকে ফৌজদারী মামলায় আটক করেছিল এসআই —। ওই সময় রিমান্ডে কম শাস্তি দেয়ার কথা বলে থানা পুকুর পাড়ের দক্ষিণ পাশের ২য় তলায় বসে আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা গুণে নেন। আলহামদুলিল্লাহ, পুলিশ অফিসারটি সৎ ছিল, এক লাখ টাকা দাবি করলেও ৫০ হাজারে খুশি হয়েছিলেন।
দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিগুলোতে আপনি দেখবেন যে পরিমাণ ঘুস লেনদেন হয় অবাক হয়ে যাবেন।
সাইতোর বোয়ালমারী সাইতর খ ভূমি অফিসে — নিয়মিত ঘুষ নিচ্ছে, চাকরি না থাকা পর ও
আমার দুই সন্তানের জন্য পাসপোর্ট করাতে গিয়েছিলাম। তাদের দুজনের বয়সই ৫ বছরের কম ছিল। ভেরিফিকেশনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আমাকে ফোন দিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করে। তা না হলে আটকিয়ে দেবে।
টাকা না দিলে তারা যদি কেউ পরিক্ষায় পাশ তাহলেও তাকে ফেল করে দেয়। টাকা তারা সরাসরি চায় না বাহিরে থাকা বড় দালল ও জেলার বিভিন্ন প্রানেত থাকা ছোট দালালের মাধ্যমে টাকা আদায় করে। দাললের পরিচয়ে গেলে কোনো সমস্যা ছাড়াই ড্রাইভিং লাইসেন্স হাতে পাওয়া যায়।
HSC পরীক্ষা চলাকালীন ছোট ভাইয়ের পা ভেঙ্গে যায়। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে।ঐদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছায়। ছুটির দিন ছিল। ইমারজেন্সি যে পৌঁছানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে প্লাস্টার করতে বলে। দায়িত্বরত সহকারীরা কাজ করার পর চা খেতে টাকা চাই। ১০০ টাকা দেয়। তাতে তারা সন্তুষ্ট না হলেও আমি আর দিতে অস্বীকার করি।