নামজারী
নামজারীর আসল ফি এর পরিমান 1170.00 কিন্তু ভুমি অফিসের দাবী 70,000.00 টাকা না দিলে নামজারী করতে পারবে না।এখনো এই বিষয়ে আমি সুরাহা করতে পারি নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারীর আসল ফি এর পরিমান 1170.00 কিন্তু ভুমি অফিসের দাবী 70,000.00 টাকা না দিলে নামজারী করতে পারবে না।এখনো এই বিষয়ে আমি সুরাহা করতে পারি নাই।
নাগরীক সনদ সাক্ষ্যর করার জন্য
বাংলাদেশ ট্রাফিক পুলিশআগেও নিত বিট মানে টাকা এখনো ন্যায় বিট টাকা না দিলেই মামলা এটার সাক্ষী বাংলাদেশের পুরো গাড়ি ডিপার্টমেন্ট টাকা দিলে সব ঠিক না দিলে সব ভুল
স্হায়ী করনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও অফিস সহায়ক
অনলাইনে এপ্লিকেশন করার পর বার বার থানা থেকে রিজেক্ট করে। থানায় গিয়ে চা খাওয় বাবদ ৫০০ টাকা দেওয়াতে দ্রুত ফাইল এক্সেপ্ট করে এবং অ্যাপ্রুভ করে
জমি রেজিস্ট্রি করার পরে নামজারি বা খারিজ করার জন্য টাকা দাবি করে ১৪ হাজার টাকা এবং নতুন সরকারি জরিপ বি আর এস জমি রেকর্ড মুক্ত করানোর জন্য ৬০০০ টাকা দাবি করেন।
ট্রাফিক পুলিশ আমার কাছ থেকে কাগজ ঠিক থাকার পরেও টাকা নেয়। যিনি নেন নাম —। শাহজালাল তদন্ত কেন্দের ইনচাজ। তার দায়িত্ত না হলেও তিনি ট্রাফিক এ কাজ করেন।
আমার একটি মামলার কাগজ আদালতে পাঠানোর জন্য ২০২৩ সালে ফুলপুর থানার এস এই আমার কাছে ১০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তীতে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দিলে সে মামলার কাগজ দেই।
টিকিট থাকার পরেও বলা হয় টিকিট নেই ডাবল অংকের টাকা দিলে তারপরে টিকিট দেয়
ফাইল ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রাখা হয়েছে ।
সহকারী প্রাইমারী শিক্ষক, লিখিত পরীক্ষা পাশ করার পর ভাইভার আগে চাওয়া হয়েছে। দেইনি।চাকরি ও হয় নি।
মশার লার্ভা নষ্ট করার জন্য যারা স্প্রে করতে আসে তাদের কি সিটি কর্পোরশন বেতন দেয়না? দিলে আবার বকশিশ কেনো নেয়? বকশিশ না দিলে ডেঙ্গু মশার লার্ভা নিয়ে রিপোর্ট করার হুমকি দেয়।
ভোটার তালিকাভুক্ত করার সময় মূলত একটা স্লিপ দেয় সেই স্লিকে আমি হারিয়ে ফেলি কিন্তু আমার কাছে বক্স আইডি এবং বাকি ডকুমেন্ট সবকিছু আছে তারপরও নাকি আমাকে ২৩০ টাকা দিতে হবে, নাহলে নাকি তারা আমাকে এটা দিবে না, আর এটা কি সরকারি অফিস না অন্য কিছু এটা আমার বুঝে আসেনা কারণ অফিসে বাকি কেউ নেই । বাইরে যিনি বসে থাকি ওনার কাছে তথ্য নিলাম যে উনারা নাকি কেউ আসেনি আজকে । পুরাই লউরা
আমার বন্ধুর বাইক সেনাবাহিনীর ,নতুন বাইক কেনা হয়েছে রেজিস্ট্রেশন ও করা হয়েছে কিন্তু রেজিস্ট্রেশন Smart কার্ড এখনো আসে নাই স্লিপ রয়েছে । বেরিবাঁধ মোড়ে ট্রাফিক বক্সের পাশে Ti স্যার আমাদের কাছে কাগজ দেখতে চান আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স, ট্যাক্স টোকেন এবং রেজিস্ট্রেশন স্লিপের ফোটোকপি দেখাই , কারন রেজিস্ট্রেশন স্লিপের অরজিনিয়াল ভিজে নষ্ট হতে পারে তাই মূল কপি বাসায় রাখা হয় । কিন্তু ট্যাক্স টোকেন এবং ড্রাইভিং ঠিকঠাক ছিল । তো উনি রেজিঃ এর ফটোকপি থাকার জন্য আমাদের গাড়ি ডাম্পিং করতে চান । ওনার কনষ্টেবল আমাদের সাইডে আসতে বলেন এবং ১০০০ টাকা চায়।আমাদের পরে আরেকটা বাইকের hard কপি ছিল না কিন্তু বিআরটিএ online Qr দেয়া ডকুমেন্ট ওনার মোবাইলে ছিল এর পরেও ওই গাড়ি ডাম্পিং এ দেয়া হয় ,অযথা হয়রানি করা হয়।
মোংলা পৌরসভার পানি বিভাগে, পানির লাইনের জন্য কথা বলেছি, তারা বললো এ মুহুর্তে অফিসিয়াল ভাবে সংযোগ পাবেন না, তবে ৩০০০০ টাকা দিলে দু এক দিনের ভিতরে পানির সংযোগ দিবে, এবং একথা কাউকে বলা যাবে না।
৩.৫ শতক জমি কিনতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন খরচ হিসেবে প্রায় ৪৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে। এরপর সেই জমির নামজারি করতে বলা হচ্ছে আরও ২০,০০০ টাকা। এর বাইরে তো নানা অজুহাতে হয়রানি আছেই—“এই কাগজ নেই, ওটা তুলতে হবে”, “ফটোকপি করতে এত টাকা”, “এই কাগজ আনতে হবে”—এভাবে প্রতিটি ধাপেই যেন বাড়তি খরচের বোঝা। একজন সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? আমাদের মতো মানুষ অনেক কষ্ট করে, বছরের পর বছর অল্প অল্প করে টাকা জমিয়ে সামান্য একটু জমি কেনার স্বপ্ন দেখি। জমির মূল্য পরিশোধ করতেই যখন হিমশিম খেতে হয়, তখন তার ওপর যদি সরকারি দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মচারীর ঘুষ ও হয়রানির শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? সরকারি হিসাব অনুযায়ী নামজারির নির্ধারিত খরচ যেখানে মাত্র প্রায় ১,১৭০ টাকা, সেখানে বাস্তবে একজন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কেন ১
HSC পরীক্ষা চলাকালীন ছোট ভাইয়ের পা ভেঙ্গে যায়। জুলাই মাসের ১৭ তারিখে।ঐদিন সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পৌঁছায়। ছুটির দিন ছিল। ইমারজেন্সি যে পৌঁছানোর পর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে প্লাস্টার করতে বলে। দায়িত্বরত সহকারীরা কাজ করার পর চা খেতে টাকা চাই। ১০০ টাকা দেয়। তাতে তারা সন্তুষ্ট না হলেও আমি আর দিতে অস্বীকার করি।
একটি অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ করেছিলাম থানায়। আমার আবেদন ছিল আসামীর সচল মোবাইল নাম্বার থেকে লোকেশন ট্র্যকিং করে আসামীর অবস্থান সনাক্ত করা। সব তথ্য প্রমাণ থাকা স্বত্তেও গড়িমসি করছিল। বলছিল 3 মাস লাগবে লোকেশন বের করতে। পরে উনি 2000 টাকা দাবী করেন। টাকা দিলে 1 সপ্তাহের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি । কথোপেকথন ভিডিও প্রমান সহ আছে আমার কাছে।
সার্টিফিকেটে নাম ভুল ঠিক করার জন্য তারা মিষ্টি খাওয়ার নামে টাকা দাবি করে। এছাড়া কোনো উপায় ছিলোনা
অফিস খরচের জন্য সরসরি চেয়েছে, তাহলেই লোন পাশ হবে।