নামজারী
জমির কাগজে সমস্যা আছে। কি সমস্যা? জবাব নাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির কাগজে সমস্যা আছে। কি সমস্যা? জবাব নাই।
আমি ৪৮শতক জমির নামজারি করতে কয়েক দফায় ১২০,০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কাজটি এখনও পেন্ডিং
My father die in 2024. And we got my father pension to my mother name in 2026. We make our all papers works. Then we go to the Rajshahi account office and submit our paper. And officer chake our paper . Than that officer call me out and he said to me if i give him 50000 thousand . But I give him 40000 thousand .
আমার পূর্বের নিবন্ধন করা ছিল ওনারাই করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে যখন আমি জন্মনিবন্ধর অনলাইন করার জন্য ওখানে যাই এক পর্যায়ে টাকা দিয়ে কাজ করার কথা বললে। কিছু টাকা দিয়ে কাজটি করতে বলি কিন্তু তারা করেনা এভাবে দেড় বছর ঘোরানোর পর ও কাজ করেনা পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে টাকা নিয়ে কাজটি করে দেয় টাকার পরিমাণ ১০০০ টাকা। যেখানে সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্ছার জন্ম নিবন্ধন ফ্রিতে করার কথা সেখানেও 150 টাকা না হলে কাজ করে না বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করে নাওয়া লাগছে। যে কোন কাজ করতে গেলেই টাকা লাগবে ফ্রীতে কোনো কাজ হবেনা।
আমার অভিজ্ঞতায়, রোগী বহন/স্থানান্তরের জন্য ১০০ টাকা, বেডের জন্য ৮০০ টাকা, রোগী এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেওয়ার জন্য ১০০ টাকা এবং রিং (স্টেন্ট) পরানোর ক্ষেত্রে চিকিৎসককে প্রায় ২০,০০০ টাকা দিতে হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া লোকজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার ক্ষেত্রেও ৩০০ টাকা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। এসব অর্থ সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে নেওয়া হচ্ছে তা তদন্ত করে দেখা এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
রোগী দেখার জন্য ওয়ার্ডে ঢুকতে বাধা দেয়। নলে সময় শেষ। তারপর অনেক তর্কের পর বলে চা-নাস্তার টাকা দিলে দেখতে দিবে। কত টাকা দিব জিজ্ঞেস করলে বলে ১০০ টাকা। বললাম এতো টাকা। বলে আমি একা ভাগ পাবোনা, আরো অনেককে দিতে হবে। তাই ১০০ টাকা দিতে হবে।
কলেজে ssc সার্টিকেট এবং মার্কশিট জমা দিয়েছিলাম, আমার কলেজে পড়া শেষ হয়ে যায়, তা যখন উঠাতে চাই, আমার কাছে ১০০০ টাকা ঘুষ চাই, আমি দীপক স্বীকৃতি জানা নাই আমার কাগজপত্র দেয়নি আমাকে, পরবর্তীতে নিতে গেলে বলে মার্কশিট হারিয়ে ফেলেছে। প্রতিষ্ঠানের নাম : চকউলি ডিগ্রী কলেজ, ঘুষ দাবি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ
আমি একজন গ্রাহক , আমি খাজনার আবেদন যখন করি তখন দেখাচ্ছে ১৯০০ টাকা তারপর যখন নায়েব সাহেবের কাছে যাওয়া হয় ভূমি অফিসে তখন সে করে দিয়েছে 50000 টাকা তখন সে বলে আমাকে ফিফটি পার্সেন্ট দিতে হবে ফিফটি পার্সেন্ট দিলে তারপরে আমি অর্ধেক করে দিব তারপর সে ১১ হাজার টাকা করে দিয়েছে সেটাই হলো প্রমাণ।
আমার এখানে যখন ভিসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন নোটিস অফিস আছে তখন তারা আমাকে কল দিয়ে তাহলে আসতে বলে এবং আমি যখন থানায় যাই তারা আমার কছে তিন হাজার টাকা চায় যদি আমি না দেয় তবে তারা ভেরিফিকেশন করবে না বলে এবং উল্টাপাল্টা কিছু লিখে বাতিল করে দিবে তখন আমাকে বাদ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করতে হয়
সমাধান না দিয়ে হয়রানি করেছিল
লালবাগ থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে স্কুল থেকে পাঠানো যে কোনো এম পি ও ফাইলের অনুমোদন এর জন্য , অর্থাৎ থানা থেকে জেলা অফিসে ফাইল ট্র্যান্সফারের জন্য ফাইল প্রতি মিনিমাম ২০০০ টাকা না পেলে উনি ফাইল এপ্রুভ করেন না। নানা রকম টালবাহানা করে। ক্ষেত্রবিশেষ এ আরও বেশি দাবী করেন।
জমি রেজিস্ট্রুিকালে অতিরিক্ত অর্থ দাবী করা হয়েছিল।
আমি আমার মালিকানাধীন/প্রাপ্য ভূমির মালিকানা পরিবর্তন/নামজারি সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে ইতোমধ্যে দুইবার আবেদন করেছি। নামজারি/ভূমির মালিকানা সংশোধন সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। নামজারির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য প্রদান করে আবেদন করার পরও আমাকে বারবার অফিসে যেতে হচ্ছে এবং বিভিন্ন কারণে আবেদনটি দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে রাখা হচ্ছে। বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও সন্তোষজনক সমাধান পাওয়া যায়নি। এছাড়া, নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ঘুষ/অবৈধ অর্থ প্রদানের জন্য চাপ বা দাবি করা হয়েছে/হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়েছে। সরকারি সেবা গ্রহণের জন্য এখন আমাকে ৫০০০ টাকা দিতে হবে । AC Land Sir ফোনে টাকা চেয়েছে , তিনি বলেন ৫ হাজার টাকা দিলে কাজ হয়ে
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম পাসপোর্ট অফিসে বিভিন্ন রকম কাগজ চেয়েছিল যেখানে আমার উপযুক্ত কাগজপত্র ছিল পাসপোর্ট করার জন্য । এরপরেও আননেসেসারি কিছু ডকুমেন্ট চেয়েছিল যেগুলোর প্রয়োজন ছিল না । তারপরেও আমি সেগুলো সংগ্রহ করে গিয়েছিলাম ইভেন যাওয়ার পরেও আরো বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছিল, এক কথাই বলতে গেলে ওয়ান কাইন্ড অফ হারাসমেন্ট করছিল আমাকে ৷ পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করার জন্য একটি দোকান রয়েছে একদম পাসপোর্ট অফিসের সামনেই । যেখানে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করেছিল বলেছিল কোন কাগজপত্র লাগবে না, যেগুলোর কথা অফিসে বলেছিল । আপনি আমাকে টাকা দেন এতেই হয়ে যাবে। আর কোন কাগজপত্র লাগবেনা ৷ এভাবেই হ্যারাসমেন্ট এড়াতে বাধ্য হয়েছি টাকা দিতে হয়েছে, এরপর টাকা নেওয়ার পর সরাসরি আমাকে পাসপোর্ট অফিসে ছবি তোলা রুমে দিয় আসে
আমি ৫০০০ হাজার দিয়া বাকিটাকা কাজ হওয়ার পর দেব।
মুকসুদপুর থানায় ভুমি অফিসে ৭৫ শতক ভুমি ক্রয় বাবদ রেজিস্টার করতে গেলে লেখক সাবরেজিস্টারের খরচ বাবদ. ৫ ℅ চুক্তি করে নগদ নিয়ে নিলো এবং বল্ল মুকসুদপুর ভুমি অফিসে আগে সাবরেজিস্টার ১% নিত এখন আমাদের. ৫% ছার দিয়েছে। বাধ্য হয়েই ৪৫০০০ টাকা ঘুস দিতে বাধ্য হলাম
ব্যাংক থেকে লোন নিতে গিয়েছিলাম আমার কাছ থেকে টাকা চেয়েছে টাকা ছাড়া লোন হবে না সরকারের নিয়মে তারা লোন দেয় না বলতে আছে সরকারের নিয়ম আছে কোন ডকুমেন্ট তারা দলিল নিয়ে টাকা দেয ।।।।
আমি ৭ম গনবিজ্ঞপ্তিতে বাগেরহাটের একটি মাদ্রাসায় প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি প্রায় ২৮০ কি.মি. দূর থেকে।কিন্তু আমার থেকে এখানের প্রিন্সিপাল ৩০০০০ টাকা দাবি করে। আমি ২৫০০০ টাকা দিয়েছি। বর্তমানে উনি সাবেক প্রিন্সিপাল উনার বিরুদ্ধে এলাকায় প্রচুর অভিযোগ। শুধু আমি না আমার আগে আমার আরো ৫ কলিকের থেকে ১০০০০০ টাকা নিয়েছে।তার আগে অনেকের থেকে ৮০/৫০ হাজার টাকা নিয়েছে।
একই প্রকার দাবী অন্য উপজেলা ছাড় করলেও আমাদের দাবী পেন্ডিং রেখেছে।
Acquire er tk neyar somoy