মৌজা নকশা উত্তোলন
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৯৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদন হয় না। উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার শর্তে অনুমোদন হয়। সম্পর্কে আত্নীয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হলেও দিতে হয়েছে। তাছাড়া ওই ভূমি অফিসে — ও — নামে দুইজন সক্রিয় দালাল রয়েছে। ওদের মাধ্যমে ডিল করতে হয়। না হলে কাজ হয় না।
আমি নিজে পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন করি এবং ৮,০০০ টাকা দিয়ে ভুলবসত জন্ম নিবন্ধন দিয়ে চালান তৈরি করি। পরবর্তীতে ওয়ার্ড নম্বর না দেওয়ায় ত্রুটি দেখিয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে আবেদন বাতিল করতে বলা হয়, যা বাতিল হতেই প্রায় এক মাস লেগে যায়। এরপর চালানটি সচল রাখা ও ঝামেলা এড়াতে এলাকার এক দালালকে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দিই। দালাল নতুন আবেদন ফর্মে মায়ের নাম ভুল করলেও পাসপোর্ট অফিসের বিশেষ সিলের সৌজন্যে কোনো সমস্যা হয়নি; বায়োমেট্রিকের সময় নাম ঠিক করে দেওয়া হয় এবং মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই। আরও কিছু বলতে চাইছিলাম কিন্তু বলতে পারিনি এখানে লেখার লিমিট থাকার জন্য।
This bribe payment was for zonal LUC documents, and the payment was received at the RAJUK Gulshan office. I am an employee of a known company and assigned for that task. No one helps resolve problems at the RAJUK office. Instead, if any dispute arises regarding a building’s documents, people are often asked for bribes through local agents.
যখনই আমি NGOAB-এর অনুমোদনের জন্য কোনো ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি, তারা ঘুষ দাবি করেছে। প্রতিটি কাজের জন্য আমাদের ১০,০০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে। গত দুই বছরে বিভিন্ন সেবার জন্য আমরা প্রায় ৩,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, তাদের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই ঘুষখোর।
বিদেশি ডিগ্রি সার্টিফিকেট গুলো দিয়ে দেশে সরকারি চাকরিতে আবেদন করা যায়না আবার অনেক প্রাইভেট সেক্টরেও। এই সার্টিফিকেট ছাড়া দেশেও কোনো ইউনিভার্সিটিতে সেটা সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক কোনোটাতেই আবেদন করা যায়না। তার জন্যে দেশে UGC থেকে Equivalent certificate নিতে হয়। এখানে পদে পদে টাকার খেলা। একেকজন একেক টাকা দাবি করে। আগে এমনটা ছিলনা। এখন অনলাইনে সব করতে হয় সেই সুবাধে একজন — নামে অফিসার সবার ফাইল আটকাই রাখে। বিশেষ করে আমেরিকা কানাডা অস্ট্রেলিয়া থেকে পিএইচডি করা স্টুডেন্ট কেউ ১-২ বছর করে ঘুরায় এই — নামে লোকটা। একজন শিক্ষার্থী কেনইবা দেশে আসবে যদি তার ক্যারিয়ার গ্যাপ ইচ্ছাকৃত করা হলে?
আমি জমির খারিজ করতে গিয়েছি দুই শতাংশ জমি খারিজ করার জন্য আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে তখন আমি আর খারিজ করি নাই আমি বাসায় চলে আসছি সরকারকে টাকা দিব ট্যাক্স দিবো খারিজ করব পঞ্চাশ হাজার টাকা আমার ঘুষ দিতে হবে তাহলে সরকার কিভাবে টাকা পাবে।।।।
বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানায় হাটকড়ই ডিগ্রী কলেজের ল্যাব এসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ ছাড়া হয় নিয়োগ ২০ লাখ টাকা প্রতি পদে দাবি করা হয় এবং ওই টাকা যারা দিতে সক্ষম তাদের শুধু চাকরি দেয়া হয় যেখানে চাকরির বেতন ১২ হাজার টাকা
আমার জমির বিআরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য আমি ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করি দীর্ঘ ৩ বছর পর আদালত আমার পক্ষে আদেশ দেন। ডিগ্রির আদেশ পাওয়া জন্য পেসকার কে ডিগ্রির আদেশের জন্য ১৫০০০/= টাকা ঘুস দিয়ে আদেশ পাই। অতপর নামজারি জন্য আবেদন করি তসিলদার, কানোনগো, এসিল্যান্ড সবাই মিলে আমার কাছ থেকে ৩০,০০০/= টাকা ঘুস নেয়। হায়রে বাংলাদেশ এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুস লেনদন হয় না।
করোনাকালীন সময়ে দারিদ্র্য বিমোচন ও অতিদরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পিকেএসএফ (PKSF) প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা অনুদান পায়। অভিযোগ রয়েছে, সংস্থাটি সেই পুরো টাকা দরিদ্রদের মাঝে বণ্টন না করে বিভিন্ন ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রেখে ধীরগতি নীতি অবলম্বন করে। পরবর্তীতে এই টাকা তারা নিজেরা বিনাসুদে ঋণ হিসেবে গ্রহণ করে এবং অফিসের কর্মকর্তাদের বেতন-বোনাস হিসেবে বণ্টন করে। এমনকি করোনার বহু পরে নারীদের প্রশিক্ষণের নামে এই অর্থ নিজেদের সিন্ডিকেটের সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এমনকি অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সংস্থাটির একজন পিয়ন পর্যন্ত অবসরকালীন প্রভিডেন্ট ফান্ড, আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) ও অন্যান্য সুবিধা মিলিয়ে প্রায় ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত গ্রহণ করেছেন।
একটি খতিয়ানের খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে করনিক ভূল দেখিয়ে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরাই আবেদন করে অফিসের যোগাযোগ করলে 1500 টাকার বিনিময়ে তারা আবেদনটি সমন্বয় করে দেয়।
একটি নৌকার লাইন্সেন নবায়নের সরকারি ফি ৩০ টাকা কিন্তু চাঁদপাই দিতে হচ্ছে ৮০০ টাকা।
আনসার ভিডিপি কার্যালয় কিশোরগঞ্জ গত এক বছরে যতগুলো বদলি হয়েছে সবগুলো বদলি টাকার বিনিময়ে আনসার যেখানে যেতে চায় সেখানে হয়েছে বিশেষ করে পাসপোর্টে আপনি একটু গোপনে বিষয়টি দেখবেন যতগুলো বদলি হয়েছে এই গত এক বছরে সবগুলো ব্যাংকে অথবা বিভিন্ন ঘুষ বাণিজ্য জায়গায়।
নামজারি উদ্ভট কারণে দিচ্ছে না। টাকা দিলে অনেক পূর্বে হয়ে যেত।
আমার ৩জন এমপিও ফাইল অধিদপ্তরের জমা দিয়েছিলাম। ৭দিনপর কল দিয়ে টাকা দাবি করে। একে একে ৩জনকে কল দেয়। আমার কলিগ ৫হাজার টাকায় দিতে রাজি হয় কিন্তু আমাকে কল দিলে প্রচুর গালাগালি করি এবং বলি ফাইল ড্রেনে ফেলে দিতে। পরে কল দিয়ে সরি বলে এবং বিষয়টি কাউকে না বলতে নিষেধ করে। যদিও অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি। অবশেষে, ২জনের এমপিও হয়ে যায় কিন্তু ১জনের ফাইল আটকিয়ে প্রায় ৩০হাজার(আনুমানিক) টাকা ঘুষের মাধ্যমে এমপিও দিয়েছে। এটা শিক্ষাখাতের জন্য চরম আপত্তিকর ঘটনা। যা প্রতিনিয়ত ঘটছে।
এক শতাংশ জমি খালিশ করতে আট হাজার টাকা চেয়েছিল।
আমি একটি রিটেল বিজনেসে একাউন্টে চাকরি করি, তো আমাদের মাসে কয়েক কোটি টাকার ভ্যাট আসে | এখন ভ্যাট অফিসের লোকেরা আমাদেরকে প্রস্তাব দেয় যে তাদের কর্মকর্তাদের মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হবে | তাহলে আমরা যেভাবে ভ্যাট সাবমিট করব সেভাবে তারা রিসিভ করবে আর না হলে আমাদের সাথে সমস্যা করবে | আমার জানামতে ঢাকা শহরে যতগুলো কোম্পানি আছে বেশিরভাগ কোম্পানি ভ্যাট অফিসের সাথে চুক্তি আছে মাসিক | তাহলে চিন্তা করেন সরকারের কত কোটি কোটি টাকা ভ্যাট কর্মকর্তারা ঘুষ খাচ্ছে আর সরকার কত কোটি কোটি টাকা রেভিনিউ হারাইতেছে | আপনি যদি খেয়াল করে দেখেন যে ভ্যাট অফিসের ছোটখাটো কর্মচারীর কয়েকটা বাড়ি, গাড়ি, কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স আছে |
জমি নামজারী করার জন্য কাইতলা ভূমি অফিসে গেলে উনি ৭,০০০/- দাবী করে যার সরকারী ফি ১১৭০/- আমি তা প্রত্যাখান করেছি কিন্ত উক্ত ইউনিয়নের সবাই এই দামেই নামজারী করছে বাধ্য হয়ে
উলিপুর অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্রের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু আমাকে দীর্ঘদিন দেবে ঘোরানো হয়েছে। সবগুলো কাগজ থাকার পরও হয়রানি করে ১০০০টাকা দাবি করে। দরদাম করে ৯০০ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি। ঘুষ গ্রহীতা উলিপুর নির্বাচন অফিসে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কর্মচারী, যিনি পূর্বে হলুদ সাংবাদিক ছিলেন এখনও হলুদ সাংবাদিকতা করেন
উপজেলা মাধ্যমিক এ্কাডেমিক সুপারভাইজার ভিজিটে আসেন। তার সহকারী ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন। না দিলে সরকারি বই পেতে অসু্বিধা হবে হবে। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও ৪০০০ টাকা ঘুষ দেয়া হয়।