ফিটনেস সনদ
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে সরকারী চাকরিতে যোগদানের কাগজ দেওয়ার সময় মেডিকেল সনদ নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারী ঘুষ দাবি করে এবং সবাই সেই টাকা দিতে বাধ্য হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৮৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে সরকারী চাকরিতে যোগদানের কাগজ দেওয়ার সময় মেডিকেল সনদ নিতে গেলে সেখানকার কর্মচারী ঘুষ দাবি করে এবং সবাই সেই টাকা দিতে বাধ্য হয়।
আমি মোহাম্মদপুর পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম,, সেখানে আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও তারা ফিরিয়ে দিয়েছিল,, বাহিরে আসার পরে এক লোক আমাকে বলতেছে কিছু টাকার বিনিময়ে সে পাসপোর্টটি করে দিতে পারবে, তারপর আমি নিরুপায় হয়ে তাকে তিন হাজার পাঁচশত টাকা দিয়ে এবং সে তোমার পাসপোর্ট ঠিক করে দেয়
আমি সৌদি থাকি,আমার ই পাসপোর্ট সাথে,জন্ম নিবন্ধন বয়স মিল নেই,তাই আমার ইউনিয়ন মানিকগঞ্জ,সদর,পুটাইল ইউনিয়ন।আমার বাবা কে পাঠাই, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য,কিন্তু ইউনিয়ন থেকে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য,10,000 টাকা দাবি করে।
kono ghush dainee, kintu khajnar taka nayna. bolay system operate kora na. sarkarer ki khajna dorkar nai. chor saklan. ki chai era. kono ghuse dai ne . chay nee .
ami nije nije amar passport apply kori, korar por ami joma dite jai , oikhane proffesion diyechilam privet service sobai etai dey, uni amk jigges korlen ki koro ami bole chilam student uni oita mark kore diye bolen eta thik kore asun. kintu amar ager joner o same privet service likha cilo oi chele ssame kotha bolce student or file nice amar file ne nai karon ami dalal dore jai nai ,tokon dalal der sign chilo sottayito joonno seal mara hoto oi nam er seal tai bujaito eta kon dalal theke asce, pore jokhn dalal dore aslam same kagoj diyai joma disilam.
দৌলতপুর তফসিল অফিস, যা খুলনায় অবস্থিত এখানে নামজারি করতে হলে অবশ্যই এই পরিমাণ অর্থ দিতে হয় অন্যথায় ভোগান্তি এবং বারবার তা ক্যান্সেল করা হয়।
বিদেশ যাবার জন্য মাধবপুর থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করেছিলাম
আমার নাম ভুল হয়েছিল। তাছাড়া ঐখানে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল কিন্তু বাড়ি ছিল না এই জন্য
আমাকে বলল আবাদিজমি কিন্তু শ্রেণি ভিটা আছে ১ একর খাজনা পরবে ৪২ হাজার,১০০০০ টাকায় সেই খাজনা হলো ৪৫০০
জাতীয় পঙ্গু হাসপাতাল ( নিটোর)৷ আমার মামার আটো-সিএনজি সংঘর্ষে হাত তিনখানা ভেঙে যায়৷ আমরা চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে (নিটোর) হাসপাতালে ভর্তি হই৷ সেখানে রোগীদের এক্স-রে করার পর রিপোর্ট সংগ্রহ করতে গেলে ভিতরে ডেকে নিয়ে বখশিশ দাবি করে এবং প্রতি রোগ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে৷ হাসপাতালে নিয়োজিত আনসারগণ সিরিয়াল আগে এনে দিবে বলে বখশিশ চায় এবং ১০০ টাকার কমে নিতে চায় না৷ অপারেশন করার পর আবজারবেশনে রাখার সময় দায়িত্বরত নার্স ১০০ টাকা চায়৷ রোগীর ছাড়পত্রের ফাইল সংগ্রহ করতে টিন শেডে গেলে সেখানে ৫০ টাকা বখশিশ দিতে হয়৷ এগুলো প্রতি মুহূর্তে ঘটে চলেছে৷
১৩০০০০০ টাকা পরিশোধ করেছি, আরো কত টাকা লাগে জানি না। ইউনিয়ন ভুমি অফিস, উপজেলা ভুমি অফিস, ডিসি, এডিসি রেভিনিও, বিভাগীয় কমিশনারের অফিস পর্যন্ত এত টাকা খরচ হয়েছে। যা আরো চলমান রয়েছে। কত টাকা যাবে এখন ও জানিনা। এখন ও কোন সমাধান পাইনি।আল্লা ভালো জানে।
জন্ম নিবন্ধন করতে সরকারী ফি ব্যাতিত ঘুষ দাবি করে। সবাই দিয়ে আসতেছে। কারও জন্য ছাড় নেই।
আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষা দিতে যাই, প্র্যাকটিক্যাল পরিক্ষায় ফেল করলে সেখানে থাকা বিআরটিএ কর্মচারী আমাকে এসে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু আমি তা প্রত্যাখ্যান করি , পরবর্তী পরিক্ষায় পাশ করি। একইভাবে আমার বন্ধু কাছ থেকে ৫০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয় ।
ইনস্টিটিউট অফ মেরিন টেকনোলজি মুন্সিগঞ্জ এর দপ্তরি — Sicip সরকারি ফ্রি কোর্সের জন্য ফর্ম তুলতে ১০০ করে টাকা নিয়েছে। যেটা সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়ার কথা ছিল। ফর্ম জমা দেওয়ার সময় আরো ২০ টাকা করে দাবি করে।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম।খতিয়ান সার্টিফাইড কপি লাগবে বলে ।এর জন্য আবেদন ফরম দিয়ে আবেদন করি।কিন্তু কেউ সাহায্য করে না।বলে যে এটা দেয় সে নাই। কিছুক্ষণ পরে একজন মোবাইল নম্বর নেয় এবং ১০০০ টাকা দিতে বলে এবং ১ সাপ্তাহ এর মধ্যে দিবে বলে । আমি ট্যাকনিক্যালি বের হয়ে চলে আসি।
এমবিবিএস শেষ করে ১ বছর ইন্টার্নিশিপ করার পর বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন করা লাগে। এক্ষেত্রে ঘুস না দিলে অনেকদিন সময় নেয় রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দিতে আর ঘুরায়। আর ঘুস দিলে ১ দিনের মধ্যে দিয়ে দেয়। ওখানকার কর্মচারী আমার থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়েছিল। এরকম আরও অনেকেই আছে ওখানে। সামান্য ক্লার্ক ঢাকায় দামী বাড়ি, গাড়ি। কয়েক দিন পর পর বিদেশ সফর দেয়।।
আমার প্রাপ্ত ওয়ারিশান সম্পত্তি আমার ভাইয়েরা খারিজ করে নিলে, ভূমি অফিস সদরে এক মিসকেস দায়ের করি৷ আমার মিসকেস অকারনেই মাসের পর মাস ঘুরিয়ে আমাকে ঘুষের অফার করে । আমি উপায়ন্তর না পেয়ে ২৫০০০০ ( আড়াই লক্ষটাকা) ঘুষ দিই। ঘুস নেওয়ার পরও আমাকে ঘুরাচ্ছে।আরও চাই ঘুষ। কিন্তু আমি অপারগ।
আমি কোন দালাল ছাড়াই সরাসরি পাসপোর্ট আবেদন করি আমার পরিবারের জন্য। অনলাইনে পেমেন্ট করায় তারা আমার চালান কপি নিয়ে ভুল ধরে। বলে চালান কপি অন্য রকম হওয়ার কথা। যদিও ওয়েবসাইটে ভেরিফাই করা যাচ্ছিল তবু তারা আমার এপ্লিকেশন গ্রহণ না করে ফিরিয়ে দেয়। পরে দালাল ধরে ৬ হাজার টাকা দেওয়ার পরে সেই একই ব্যক্তিগণ বিনা বাক্যে এপ্লিকেশন জমা নেয়, যেন কোনো সমস্যাই নেই।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পেনশনের ফাইলে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন শিক্ষক নেতার মাধ্যরম। আমার কাছে প্রথমে ২০ হাজার দাবি করলে পরে ৮ হাজার টাকায় দফা হয়। আমি টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু আমার কাজটি এখনও শেষ হয়নি।
গাজীপুর পাসপোর্ট অফিস দালালের আখড়া। আমার স্থায়ী ঠিকানা সিলেট, বর্তমান ঠিকানা গাজীপুর। অফিস থেকে বলছে গাজীপুর পাসপোর্ট করা যাবেনা। শত চেষ্টা করেও জমা দিতে পারিনি। বাইরে দালাল ১৫০০০ টাকা দাবি করে। পরে ১০০০০ দেই। আগের কাগজেই জমা হয়