দেওয়ানী মামলা
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একটি দেওয়ানি মামলা চিটি পৌঁছানোর খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানা দেওয়ানি আদালত।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
আমার আব্বু নৌবাহিনীতে চাকরি করতেন। আব্বুর রেশনের টাকা বৃদ্ধির আবেদনের সময় এই ঘটনাটি ঘটে। সবার রেশনের টাকা বাড়ে কিন্তু আব্বুর বাড়ি নি। তারপর যখন যোগাযোগ করা হয়,তখন বলা হয় ৫০০০ টাকা ঘুষ না দিলে উনারা আবেদনপত্র গ্রহণ করবে না। আমরা খুবই মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ, বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা জোগাড় করে এবং যিনি ঘুষ দাবি করেন তিনি একজন মহিলা। সেই টাকা তাকে বিকাশে পাঠাতে হয়েছিল।
আসসালামু আলাইকুম আমার বাসা কুমিল্লা জুন মাসের ২২ তারিখে আমার সৌদি আরবের ভিসা হয় এর পর ম্যানপাওয়ারের জন্য আবেদন করে আমি এজেন্সির মাধ্যমে যাচ্ছি সরকারি ফ্রী সম্ভবত ৭ হাজার টাকা বা তার একটু বেশি আজ ৩ সেপ্টেম্বর আমার ভিসার মেয়াদ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখন পর্যন্ত ম্যানপাওয়ার বাহির হয় নাই কারণ ম্যানপাওয়ারের জন্য সরকারি ফ্রী এর থেকে অধিক টাকা চাওয়া হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা আমার এজেন্সির থেকে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেছে
আমি প্রবাসী বাংলাদেশী। কষ্টে একটা বাড়ি করেছি। বাড়ীর পৌর কর দিতে ফাইল রেডি করতে সাহেব দাবি করে ৯০০০০/=। পরিশোধ করে আমি এখন সরকার কে ২৫০০০/=pay করি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর আওতাভুক্ত ফায়ার সেফটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা। প্রথমে সরকারি নির্ধারিত ফ্রি ব্যাংকে পরিশোধ করা হয়, পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানে দুইজন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা বা ট্রেইনার উপস্থিত হন এবং শ্রমিকদের এবং কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেন প্রশিক্ষণ শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন এমন তো অবস্থায় প্রত্যাশা পূরণ বাবদ ৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয় এভাবে দুইদিন প্রশিক্ষণ শেষে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হয় তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী।
আমার বাবার পৈতৃক সম্পদ আমাদের ভাই দের নামে আলাদা নামে নামজারি বা খতিয়ান তৈরি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সরকারি নির্ধারিত অনলাইনে নামজারি বাবদ ফি প্রতিজনে ১১৫০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও মাধাইয়া ভূমি অফিস ( চান্দিনা ভূমি অফিসের একটা শাখা) সেখানে দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। এবং এটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা কোনো কাজ করতে পারবে না সরাসরি জানিয়ে দেন। তাদের ব্যবহার খুবই জঘন্য। এমন কোনো কাজ নেই তারা ঘুষ না নিয়ে করেছে। সরকারি ফি র কথা বললে তারা বলে সরকারের ঘর থেকে গিয়ে করে আনতে। তারা যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের সকল ভাইদের ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের চা- নাস্তার জন্য।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বার্ষিক বয়লার নবায়ন ফি ব্যাংকে পরিশোধ করি তার কিছুদিন পর একজন বয়লার পরিদর্শক আমাদের প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব রত প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করে এবং একটি তারিখ নির্ধারণ করে জানানো হয় যে তিনি বয়লার পরিদর্শন করতে আসবেন এবার উনি এসে বয়লার খুব ভালোভাবে পরিদর্শন করেন তারপর উনি উল্লেখযোগ্য ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারেননি এবং উনি পরিদর্শন শেষে কিছু অর্থ প্রত্যাশা করেন অতি গোপনে প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা থাকার কারণে পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানের বাহিরে গিয়ে একটি খাম আমাদের কাছ থেকে গ্রহণ করেন এই খামের মধ্যে ছিল দশ হাজার টাকা, যদি টাকাটা না দেওয়া হতো তাহলে হয়তোবা লাইসেন্স নবায়ন সার্টিফিকেট প্রদান করবেন না অযথা হয়রানি করবেন কিছু না ভেবেই তাই বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা ওনাকে ঘুষ ।
যেকোনো চাকরিজীবীর হিসাব রক্ষন অফিসে গেলে টাকা লাগে
ফেনী বিআরটিএ অফিসে দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ ফেনী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজে আবেদন করে নিয়ম অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অন্যদিকে, দালালের মাধ্যমে কাজ করালে সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এর জন্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী বিআরটিএ অফিসের আশপাশে দালালদের নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
আমরা মূলত আমাদের বাসার জমির খারিজ করার জন্য আবেদন করেছিলাম, তো আবেদন করার পর দেখি আমাদের যে দাগ নাম্বার এই দাগে অন্য আরেকজনের সাড়ে চার শতাংশ জমি খারিজ দেখাচ্ছে, তারপর আমাদেরকে একজন পরামর্শ দিল যার নামে আপনার জমিতে খারিজ দেখাচ্ছে তার বিরুদ্ধে খারিজ বাতিলের আবেদন করতে হবে এসি ল্যান্ড অফিসে, তারপর আমরা হারিস বাতিলের আবেদন করি, আবেদন করার পর উনারা বাদী-বিবাদী দুইজনকেই চিঠি প্রদান করে, পরবর্তীতে নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী আমরা বাদী বিবাদী উভয়ে হাজির হই, তখন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা নাজির সাথে আরো ১-২ জন মিলে আমাদেরকে জানায় এই কাগজ লাগবে সেই কাগজ লাগবে, তারা আমাদেরকে বলে আপনারা কন্টাকে আসেন, সব মিলে ২০ হাজার টাকা লাগবে, তাহলে এই খারিজ বাতিল হবে, আমরা রাজি হই নাই, চলে এসেছি, এখন ভাবতেছি কি করা যায়
জন্মসনদের আর বোটার আইডির জন্মসাল পরিবর্তন করতে গেছি সালায় আমারে বলে যে চা খাওয়ার পয়সা দিলে ভালো হইতো বাতিজা, নজরে থাকতো আমি জিগাস করলাম যে কত দিমু 🙄 কয় দাও ২ হাজার হইলেই হইবো যাতে তুমি পাসপোর্ট বানাইবা জলদি কইরা দিমু😂
ভুমি অধিগ্রহনের টাকা উত্তেলন করতে বগুড়া ডিসি অফিসের এল এ শাখাতে দিতে হয় লাখে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা এবং ট্রেজারী অফিসে চেক স্বাক্ষর করতে দিতে হয় লাখে ৩০০ তিন শত টাকা । যে টাকা দিতে পারেনা তার টাকা উত্তেলন হয় না, এই ভাবে চলছে বগুড়া ডিসি অফিসে "এল এ" শাখায় ঘুষ বানিজ্য,
মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাতে পাস করা সত্ত্বেও আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য ৳3000 এক্সট্রা নিয়েছে।
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানোর সময় সিট পেতে হলে টাকা দিতে হয় দালালকে, অন্যথায় মেঝেতে শুতে হয়।
আমি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাস বিষয় নিয়ে অনার্স শেষ করেছি। ইমপ্রুভ দেওয়ার কারনে আমার সার্টিফিকেট কলেজে আসে নি। ইতিহাস ডিপার্টমেন্ট এ অনেক ঘুরাঘুরির (২ মাস) পর একটা সমাধান হয়। পরে আবেদন ফর্ম পূরন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র শুধু মাএ সত্যায়িত করতে ক্লার্ক আমার কাছে ১০০০ টাকা ঘুষ নেয়। পরে ঐ সকল কাগজপএ নিয়ে জাতীয় বিদ্যালয় গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট উওোলন করতে হয়। এ রকম হাজারো শিক্ষার্থী কত না হয়রানির শিকার হয়েছে, এ রকম অমানুষদের কারনে।
Parents birth certificate was old they didn't allow children birth certificate without money
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay
আমার ফিক্স ডিপোজিট করা ছিল টাকা এটা উঠানোর জন্য আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয়।
সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিবে বলে এলাকার মেম্বার ঘুষ চায় এক দরিদ্র মহিলার কাছ থেকে।