TA/DA Allowance
TA/DA এর ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রতি ১০০০০ টাকায় ১ হাজার টাকা ঘুষ নেয় Army FC Pay-1
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
TA/DA এর ক্লিয়ারেন্স এর জন্য প্রতি ১০০০০ টাকায় ১ হাজার টাকা ঘুষ নেয় Army FC Pay-1
Govt job er police verification e basay ese taka demand kore 10000, ami 3000 payment kori jeno police kono jhamela na kore sejonne.
সরকারি হিসেবে জমি নাম জারি বা মিউটেশন করতে মাত্র ১১৭০ টাকা লাগে। কিন্তু এই টাকা দিয়ে আবাদন করলে তা রিজেক্ট হয় কিংবা মাসের পর মাস ফাইল জমা পড়ে থাকে, নামজারি বা মিউটেশন হয় না কিছুতেই । তাই নিরুপাই হয়ে ভূমি অফিস এর কম্পিউটার অপারেটর এর মাধ্যমে সেই নাম জারি বা মিউটেশন কাজের জন্য ১২০০০ টাকায় চুক্তি/কনটাক্ট হয়েছে । এখন ফাইনালি সেই ঘুষের বিনিময়ে জমির মিউটেশন সফল হয়েছে।
আর হারানো মোবাইল উদ্ধার করার জন্য জিডি করেছিলাম থানায় । পরবর্তীতে মোবাইল উদ্ধারের পর কিন্তু মোবাইল না দিয়ে আমার কাছে ৪০০০ টাকা চা খাওয়ার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তীতে আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে মোবাইলটি নিয়ে আসি।
আমি আমার মোট ১৭৭ শতক জমির খাজনা পরিশোধের জন্য ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে সেখানকার দায়িত্বরত একজন অফিসার আমাকে বলে নিয়ম অনুযায়ী আপনার খাজনা আসে ৬০০০০ টাকা।এবং আমাকে বলে আপনি যদি আমাদের সাথে নেগোসিয়েশন করেন ৩০০০০ টাকা দিলে হবে।আমি যখন ওনাকে বললাম আমাকে কোন রিসিভ দিবে কিনা।তখন ওনি বললেন টাকা দিতে হবে ৩০০০০। আমি পরে দরকষাকষির এক পর্যায়ে আমি ২৫০০০ টাকা দিতে সম্মত হয়।পরে পরিশোধের পর আমি রিসিভ চাওলে আমাকে রিসিভ দেয় প্রায় ২০০০ টাকার।আমি ওনাকে প্রশ্ন করলে আর বাকি টাকাগুলো কোথায়।তখন ওনি আমাকে বলে বাকি টাকাগুলোর রিসিভ দেওয়া হবে না। আসলে আমরা সাধারণ মানুষ এইসব সরকারি অফিসের কাছে জিম্মি।
পাসপোর্ট এর সকল কাগজ রেডি করে সকাল ৮:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত দাড় করিয়ে রাখা হয়েছিল সার্ভার ডাউন বলে। এরপরে আলাদা ভাবে অফিসের একজন জানায় এইভাবে নাকি হবে না। কিছু টাকা দিলে তারা করে দিতে পারবে। পরে রাজি হই এবং সকল কাগজপত্র তারা রেখে দেয় অফিসের ২য় তালার একটা রুমে। এরপর পরের দিন সকালে অফিস খোলার আগে সকাল ৭ টার সময় ছবি তোলার জন্যে ডাকে। পরের দিন সকাল ৭ টার আগে চলে গেলে, পিছনের গেট দিয়ে ঢুকিয়ে ছবি তুলা হয়, সাইন নেওয়া হয়, এরপর ১৫০০ টাকা দিয়ে চলে আসি।
কুমিল্লা পিডিবির উপ প্রকৌশলী আইয়ুব আলী প্রিপেইড মিটারের ভুলের কারনে রিসার্চ নিচ্চিলো না কয়েক মাস অন্য মিটারের লাইন চালানো হয় পরবর্তীতে ওরা এইটা চেক করে ১ লক্ষ টাকা দাবী করে ৪০০০০ এ দেনা দরবার এর পর লাইন ক্লিয়ার করে মামলার ভয় দেখিয়ে ওরে নিয়ে স্থানীর নিউজ এ রিপোর্ট ও হয় কিন্তু কোন সাজা হয় নি
বাচ্চার জন্ম সনদ তৈরি করানোর জন্য কম্পিউটার দোকান থেকে নির্ভুল ভাবে করিয়েছি। সব ডকুমেন্টস দিয়েছি। কিন্তু এখন নাকি কাউন্সিলর নেই , জেলা প্রশাসক করেন তাই ১০০০ দিতে হবে বলে অনেক আবদার করে। দিয়েছি। কাজ ১ সপ্তাহের মধ্যে করে দিয়েছে।
পাসপোর্টের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট অফিসে গেলে কোনো দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ বা কমিশন না দেওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সরাসরি দালাল ধরতে বলা না হলেও বারবার “এটা হবে না”, “ওটা লাগবে”, “কাগজ ঠিক নেই” ইত্যাদি অজুহাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমাকে দীর্ঘ সময় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘোরানো হয়। বিপরীতে, দালালের মাধ্যমে আসা আবেদনকারীদের তুলনামূলক দ্রুত ও গুরুত্ব দিয়ে সেবা দিতে দেখা যায়। একই সরকারি সেবায় সবার জন্য সমান নিয়ম ও আচরণ নিশ্চিত করা উচিত। দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ প্রদানকারীরা অগ্রাধিকার পেলে এবং সাধারণ আবেদনকারীরা হয়রানির শিকার হলে তা সেবার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে। আমার আশঙ্কা, আর্থিক সুবিধার উদ্দেশ্যে সাধারণ
দাখিলা কাটার জন্য নায়েবের সংগে সাক্ষাত করতে চাইলে নায়েব বাজে ব্যবহার করে বাইরে দুজন দালালকে দেখিয়ে দেয় এবং তাদের সাথে আলাপ করতে বলে। ওই দুজনের সাথে আলাপ কালে তার দাখিরা কাটিয়ে দেয়ার নামে ১০০০০ হাজার টাকা দাবি করে,তখন তাদের দরকষাকষি করে ৮৫০০ টাকায় ঠিক হয়। এবং ৮৫০০ টাকা দিলে তারা আমার দাখিলা কেটে দেয়। কিন্তু রসিদে ৭৪২ টাকা লেখা দেখলে তাদের কাছে জানতে চাই তাহলে আমার কাছ থেকে এত টাকা নিলেন কেন। তারা উত্তর না দিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। বিঃদ্রঃ টাকা নেয়ার সময় আমার সামনেই একজন সিসি ক্যমেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিছু বলতে পারি নাই কারন দালাল আর অফিসের নায়েব মিলেই একটা সিন্ডিকেট।
আমার একটা কাপড়ের শোরুম আছে মিরপুরে । মিরপুর ভেট অফিসার এসে আমার কাছে ঘুস চাইছে ৫লাখ টাকা। আমি বলেছি দিবো না, যা করার করেন। আমার টেক্স, ভেট সব ক্লিয়ার । তাও হয়রানি করতেছে।
নতুন হোল্ডিং নাম্বার ও টেক্স পরিশোধ করার জন্য ফিল্ড অফিসার ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করেন
আমি ফায়ার সার্ভিসের জব করি চাকুরী হতে,,বিভিন্ন ট্রেনিং কোর্স করলে নিজের টাকা খরচ করতে হয় সেটার বিল সাবমিট করতে হয় অনলাইনে,,,তো আমার এরকম ৭ টা বিল ছিলো,,,২০২৩, ২৪,২৫ মিলে,,সেগুলো নিজের দপ্তর ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি দপ্তর মানে নওগাঁ দিতে হইছে ১৬% সেটা আবার উপজেলা হিসাব রক্ষক অফিসে দিতে হয়েছে ১০% এই রকম ঘুস দিতে হয়
জন্ম নিবন্ধন ইংরেজি ছিলোনা, পাসপোর্ট করতে বাংলা ইংরেজি দুইটাই লাগবে তাই পউরসবায় আবেদন করেছিলাম। সর্বসাকুল্যে ১৩০০ টাকা দিতে হয়েছে। It is supposed to be free of cost.
টাকা না ফেলদেয় ড্রাইভিং টেস্ট এ
খরচার টাকা ছাড়া হবে সুচী সংশোধন না, সার্বেয়ার কে দিতে হবে, আমার অল্প কিছু থাকবে
সমাজ সেবা অধিদপ্তর এ প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য আবেদন করার পর। প্রতিবন্ধী কাড করার জন্য। গিয়েছিলাম সেখানে দাইত্ত রত বেক্তি সরাসরি বলে তাকে ১০০০ টাকা না দিলে সে কাড করে দিবে না। এবং ২০২৬ এর বাজেটে যে ভাতা আসছে সটা পেতে হলে তাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না
আমাদের বড়ভাই ঘোগাদহ ইউনিয়ন কাউন্সিল এর মেম্বার আমাদের বাবার নামে রেকর্ডীয় সম্পত্তি ওয়ারিশ সনদপত্র জাল করে আমাদের নাম বাদ দিয়ে তার একক নামে খারিজ করতে গিয়ে এসিলেন অফিসে ধরা পরচে কয়েকমাস পর তহসিলদারের সাথে যোগসাজশ করে 25000 টাকা ঘুষ দিয়ে পুনরায় খারিজ করে নিছে। আগের আবেদন নাম্বার —, এখনকার আবেদন নাম্বার-— (তহসিলদার করে দিছে)
যে কক্ষে এই সার্ভিসটি দেওয়া হয় সেখান লোকেরা টাকা দাবির করেছে। টাকা না দিলে কাজ হবে না এমনকি এ কাজে দীর্ঘদিন লাগতে পারে।
আমার বড় চাচা আমার আব্বু সহ তার আরো দুই ভায়ের নামে কিছু জমি লিখে দেন ২০০০ সালের আগে। কিন্তু আমার আব্বু বা অন্য চাচারা কেউ ই সেই জমি মিউটেশন করেন নি। এখন আমার আব্বু সহ আমার অন্য চাচারা সবাই মারা গেছেন। কিছুদিন আগে আমি আমার সেই দুই চাচার ওয়ারিশদের কাছে থেকে সেই জমি ক্রয় করি কিন্তু জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় সেই জমি আমার আব্বু ও চাচাদের নামে মিউটেশন করার প্রয়োজনে আমার শশুরকে ( আমার শশুর একজন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক) বললে তিনি ভুমি অফিসে কথা বলেন। তখন আমার শশুরের কাছে এসি ল্যান্ডের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। সেটি না দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি। অনলাইনের আবেদনের তারিখে হাজির হলে এসি ল্যান্ড পুলিশ ডেকে দালাল আক্ষা দিয়ে আমার শশুরকে ধরিয়ে দেন। বিষয়টি আমার এবং আমার পরিবারের জন্য কতটা লজ্জার ছিল?....