জন্ম নিবন্ধন
একরকম প্রকাশ্যে টাকা চাওয়া হয়েছিলো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১৫৯ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
একরকম প্রকাশ্যে টাকা চাওয়া হয়েছিলো।
কাশিয়ানী একাউন্ট অফিস GPF opening এর জন্যে ১৫০০ টাকা চেয়েছে
টিটি টাকা নেয় কিন্তু টিকেট দেয় না, যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া থেকে ১০/২০ টাকা কম দেয় সেহ্মেত্রে টিটি মহা খুশি। সরকার প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে লহ্ম টাকা। সুপারিশ হচ্ছে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।
আমি একজন সিংগাপুর প্রবাসী বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করতে গেলে।তারা আমাকে বলে আমি সিংগাপুরে আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছিলাম।সেই ৫বছর আগের পাসপোর্ট এর রিনিউ করছিলাম।সেই সময় আমকে একটা রিনিউ সিলিপ দিয়েছিলো।সেই কপি এখন চাইতাছে সেই কপি ছাড়া নাকি পাসপোর্ট রিনিউ হবে না। আচ্ছা ৫বছর আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছি সেই রিনিউ পেপার কি কারো কাছে থাকার কথা বলেন।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসসে আমর বাবা জমির নামজারি করতে গেছিলো, বললো একেকটা দলিলের জন্য 15000 টাকা করে দিতে হবে মোট ১১৫০০০ টাকা দাবি করে বাবা দিতেও রাজি হয় কারন এখানে সবাই টাকা দিয়েই কাজ করছে, টাকা ছারা কাজ ধরেই না। বাবা তহসিলদার কে ৭৫০০০ টাকা দিলো, তহসিলদার কাজ নিজে না করে আমাদের স্তানীয় সার্ভেয়ারকে কাজ দেয়, আমাদেরটাও তাকে দিলে যার সাথে আমাদের পূর্ব মনেমালিন্য ছিলো,। বাকি ৪০০০০ টাকা সার্ভেয়ার নিলো কাজ করলো কিন্তু আমদের দুইটা খতিয়ানে উনি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল করে রাখছে। পরে বাবা জিজ্ঞেস করলো এমন করলো কেন বললো সমস্যা নেই, কিন্তু সমস্যাটা গুরুতর। উল্লেখ্য ঐ অফিসে যত নতুন তহসিলদার আসে সবাইকে ঐ সার্ভেয়ার বাড়িতে এনে ভালোমন্দ আপ্যায়ন করে,
আমরা পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন এর প্রশিক্ষণ প্রার্থী ছিলাম। আমাদের ট্রেইনিং ব্যাচ এ ২০ জন ছিল। আমাদের দুপুরের খাবার এর বরাদ্দ ছিলো। এটার জন্য জনপ্রতি বরাদ্দ ছিলো ৩৪০ টাকা। অথচ হালকা নাস্তা দিয়ে আমাদের বিদায় করে দেওয়া হয়। আবার নিম্ন মানের ব্যাগ সরবরাহ করা হয়।
পার্সপোর্ট বানানোর জন্য বেশ কয়েকদিন ঘোরাঘুরি করি, মায়ের নামে বানানে একটু সমস্যা। সেটা সংশোধন এর জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে তারা ২০০০০ টাকা দিলে আসংশোধন করে দেবে বলে। এরপর পার্সপোর্ট অফিসের সাম্নের এক ফটোকপির দোকানে এক দালালের সাথে পরিচয় হয়, তাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে ২৫ দিনের মধ্যে পার্সপোর্ট হাতে পেয়েছি।
আমি ভোটের ডিউটির জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে, আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়, দাবি করে — এবং — নামের ২ জন আনসার সদস্য
নামজারি করতে, তাড়শ সদর ইউনিয়ন এর — আমার কাছে টাকা নেয় 6000 হাজার। টাকা না দিলে কাজ হয় না। আমি দিয়েছি
আমি যখন অনলাইন আবেদন করে জমির কড় অনুমোদন করাতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই তখন তারা আমাকে 30000 টাকার কড় দিতে বলে তবে পরবর্তীতে তারা আমাকে বলে এই কর সমঝোতার মাধ্যমে ১০০০০ টাকা করা যাবে তাদেরকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে
সেবাটি ছিলো ভূমি নামজারি। ভূমি অফিস থেকে অনলাইনে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাবমিট করে, আশুলিয়া ভূমি অফিসের কানুনগো এর কাছে শুনানি করলেও, ৭ দিন পরে তিনি বলেন যে, সার্ভার থেকে নাকি সেসমস্ত ডকুমেন্ট দেখা যাচ্ছে নাহ। অথচ, ৭ দিন আগেই তিনি শুনানি করে তার ধাপটুকু এপ্রুভ করে (ট্র্যাকিং এ অগ্রগতি ছিলো ৮৩.৩৩%), সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট পাঠিয়েছিলেন। এরপর সহকারী কমিশনার ভূমি আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার নামজারি আবেদনটি নামঞ্জুর করে দেন শুধুমাত্র তাদের সার্ভারে সেটি নেই বলে। আমার ১১৭০ টাকা এবং প্রায় ২ মাসের প্রচেষ্টা এখানে পরাজিত হয়। কিন্তু, এই একই অফিসে ৮০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আমার প্রতিবেশী মাত্র ৫ দিনে নামজারি করিয়ে নিয়েছেন।
নামজারির করার জন্য টাকা দাবী করে না হলে নামজারি হবে না, বাধ্য হয়ে টাকা দেই
ভূমি অফিসে নিজে নিজে নামজারি এর আবেদন করলে কোন না কোন কারন দেখিয়ে আবেদন বাতিল করে। ৫ টা দলিলের নামজারি করতে ২০২৬ সালের জুন মাসে ৩৫০০ টাকা চেয়েছিল, প্রথমে দেইনি। এরপর আগস্টে আবার গেলে প্রতি দলিলে ৩৫০০ করে চেয়েছিল। শেষমেষ মোট ১৩০০০ হাজারে নামজারি করে দিবে বলেছে। সব টাকা এখনো দেইনি।
নকল তোলার জন্য গেলে সেখানে সরকারি ফিস বাদেও তাদেরকে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা দিতে হবে নয়তো নকল ( দলিলের ডুপ্লিকেট কপি) দেওয়া সম্ভব না এই ১০০০ টাকা কে তারা আদর করে শেরেস্তা নামে ডাকে।
Bank loan niye group loan ar shesh kistir jonno punoray mortgage power korar somoy
নামজারী + দাগ নাম্বার কারেকশন।
Nam jari korte sob thik thakar por 50000 taka dabi kore amar wife pokhkhan korse
যেকোনো সেবা নিতে হলে টাকা ছাড়া তারা সহযোগিতা করতে চায় না এমন ভাব দেখায় কি আর বলার প্রতি নতুন মিটারের জন্য তারা ১৫০০০ টাকা করে চায় মিটারের কোন কিছু পরিবর্তন বা কিলো বাড়ানোর জন্য টাকা চায় মিটার প্রতি সাত হাজার টাকা করে আমার মাথায় এটাই বুঝা হলো না যে সবকিছু থাকা সত্ত্বেও অনলাইন থাকা সত্ত্বেও সেখানে গেলে বিভিন্ন ধরনের কাগজ সাবমিটের হ্যারেজমেন্ট এর শিকার হতে হয় এগুলা সমাধান করা উচিত জনগণ এর মতে যেমন আমার একটি পুরনো মিটারের নাম এবং ছিল বাড়ানোর জন্য গিয়েছিলাম সব ডিটেলস তাদের কাছে থাকা সত্ত্বেও আমাকে অনেক পেপারস এর জন্য হ্যারেজমেন্ট করানো হয়েছে যখন আমি বললাম যে আমার তো পুরনো মিটার এখানে নাম ঠিকানা সবকিছুই দেওয়া আছে তাহলে এখন এত কাগজ লাগবে কেন তখন আর কোন কথা বলে না এর মধ্যে একজন এসে আমাকে
আর্জেন্ট পাসপোর্ট করাতে চেয়েছি, সেই টাকাও ব্যাংকে জমা দিয়েছি। এরপর ভেতর থেকে ছবি তোলার সময় ওখানকার একজন ফটোগ্রাফার বললেন যে, এখানে আর্জেন্ট কোন কাজ হয় না। আমাকে ৫০০০ দেন, ৩/৪ দিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন।
তফসিল অফিসে নামজারির আবেদন করি।তফসিলদার কারণ দেখিয়ে বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এক কর্মচারী টাকা দিয়ে করে দিবে বলে। কিন্তু কাজ করে দেয় নাই।মোবাইল রের্কড আমার কাছে আছে।