Trade Licence Renewal
Trade Licence Renewal fee 10686 tk. Paid 4200 tk more as bribe.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Trade Licence Renewal fee 10686 tk. Paid 4200 tk more as bribe.
During the Eid festival time, we have to pay this amount to BEPZA, adamjee EPz office as a bonus. No way, otherwise many issues will arise creating by the culprits.
উপজেলা ভূমি অফিসে দাগের অংশ সংশোধনের জন্য মিস কেস করি। সেটা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হস্তান্তর করে। ছয় মাস পেড়িয়ে যাচ্ছে দেখে আমি সেটার খোঁজ নিতে উপজেলা অফিসে যাই সেখান থেকে জানানো হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট এখনও আসেনি আমি যেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করি। আমি যথারীতি তাদের কথা মত ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে গেলে সেখান থেকে নায়েব আমার কাছে বিস্তারিত শুনে ফাইল বের করেন এবং বলেন তিনি নাকি প্রতিদিন ফাইলটা দেখেন কিন্তু ফাইলের লোককে খুঁজে পান না যদিও ফাইলে আমার ফোন নম্বরসহ ঠিকানা উল্লেখ ছিলো। তারপর আমি বলি এখন তো ফাইলের লোক কে খুঁজে পেলেন কাজ টা কতদিন হবে তখন আমাকে জানানো হলো আগামীকাল রোজা তাই আজকে দিনের মধ্যে পাঁচ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে আজকের মধ্যেই কাজ টা হবে।
নাম জারি করতে প্রয়োজন ১১৫০ টাকা, সেখানে আমার কাছ থেকে অন্যান্য সবাইকে(এসি ল্যান্ড) ম্যানেজের কথা বলে, বেশি অর্থ দাবি করে-x নামে একটা ছেলে,পরে দিতে বাধ্য হয়েছি
প্রথমে আমার মোটরসাইকেল টাটকা তারপর ওদের কার্যালয়ে গিয়ে আমার থেকে ১২০০০ টাকা নিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেলটা ছেড়ে দেয়
সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও বলে মামলা দিব, এরপর বলে ৫০০ টাকা দে
বিদেশে যাওয়া সময় আমি বাংলাদেশ থেকে ৫ কারটন সিগারেট নিয়ে আসতে চেয়েছিলোম জা বাংলাদেশে অনুমতি আছে কিন্তু আমি যা দেখলাম আমাকে ইমিগ্রেশন বিভাগের একজন আন্সার আটকে দিয়েছে কারণ আমি একটু দামী সিগারেট এনেছিলাম এ কারণে তারা আমার কাছে টাকা দাবী করে আমি এবং তারা আমাকে হুমকি দিয়ে বলে টাকা না দিলে আমাকে বিদেশ আসতে দিবে না আর তারা সবার থেকেই দামী সিগারেট রেখে দেয় এবং বাহিরের দোকানে তা বিক্রি করে আমি নিজে দেখেছি আর তারা সস্তা সিগারেট সরকারি কোশাগারে জমা দেয় জা তারাই কিনে এনে রাখে আমি খুবই লজ্জিত তাদের কারণে এবং হ্মতিগ্রস্ত আমরা এর বিচার চাই
আমার জন্ম নিবন্ধনে বাবার মায়ের নাম ছিল ভুল সংশোধন করার জন্য।নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি পৌরসভা এখান থেকে জানাইলো মাইজদিডিসি অফিসে যাওয়ার জন্য। মাইজদী ডিসি অফিস থেকে বলল স্থানীয় সরকারের আন্ডারে স্থানীয় সরকার আন্ডার আবার অনেকেই গোপনে নাম্বার দেয় তাদের সাথে কন্টাক্ট করার জন্য স্থানীয় সরকার বলল এটা বিশাল বড় এক সমস্যা উপজেলাতে যাওয়ার জন্য উপজেলাতে কেউ কথা বলতেই রাজি হয় না যাইহোক অনেক কিছুর পর একজনকে যখন পেলাম সে বলে পৌরসভাতে যাওয়ার জন্য সোনাইমুড়ি পৌরসভা পৌরসভা তে আসলে অনেক ঘুরাফুরি করে বলল যে কন্টাকে আসুন ১৭ হাজার টাকা একটা কথা সত্য মনে হচ্ছে দ্বিতীয়বার জন্ম নিলে হয়তো এত কষ্ট হতো না সরকারি অফিসগুলোতে যার সাথে কথা বলি আগের টাকা ঘুশের রাজ্জ্য বাংলাদেশ
আমার ষোল সালে মিউটেশন করা। দীর্ঘদিন হতে এখন সরকারি খাজনা দিতে গেলে আমাকে তামিল করতে হবে। তার জন্য অনলাইনে হোল্ডিং নাম্বার বসানো বাব আমার নিকটে 5000 টাকা দাবি করে।
Dhaka Shaheed Suhrawardy hospital e operation er por dressing er jonno jawa hoto, protidin dressing korar pore bolto cha panir jonno den... Na dile porer bar dressing korte oniha prokash korto er por theke 50-100 dewa legeche...patient er oboshta dekhe.
পাসপোর্ট তৈরী করতে গিয়ে সব তথ্য সঠিক থাকার পরও দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন ওনার পক্ষে এই আবেদন গ্রহণ করা সম্ভব না। পরে পাশে এক দালাল কে ২০০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে জমা করি।
এই অফিসে রাজস্ব আদায় হয় কিনা জানি না,তবে ঘুষ আদায় হয় রীতিমত। নোয়াখালীতে যত ব্যবসায়ী আছে, তারা রাজস্ব দেন বা না দেন তাকে প্রতিমাসে ৩৫০০ টাকা ঘুষ দিতেই হবে। না হলে ব্যবসা বন্ধের হুমকি, আইনে জটিলতা ফেলানোর হুমকি দিচ্ছে সরাসরি।এখন ব্যবসায়ীরা ঝামেলায় জড়াতে চান না তাই,অনুরোধ করে ৫০০ কমে বা বেশি দিয়ে আসতে বাধ্য হয়। বিশ্বাস না হলে আয়কর অফিস ভিজিট করতে পারেন।তাদের ঘুষের রেঞ্জ দেখলে আপনি ব্যক্কল হতে বাধ্য হবেন।
কিছুদিন আগে আমার পরিবার চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণ করছিল। তারা তখন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত যাওয়ার সময় সরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রথম সারির ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে, যে ব্যাংকটি আখাউড়া স্থলবন্দর এর সাথে সংযুক্ত। ব্যাংকের নিজস্ব কোন শাখা না থাকলেও, সেখানে ব্যাংকটির দুইজন প্রতিনিধি সার্বক্ষণিক থাকেন চালান করার জন্য। আমার জানামতে তারা ব্যাংকের সিনিয়র কর্মকর্তা।
আমরা একটি চাকুরির মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্সে ট্রেনিং একাডেমিতে আসি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, ক্লাসে সততা শৃঙ্খলা নিয়মানুবর্তিতা বজায় রাখার পাশাপাশি পাশের জন্য কোন ধরনের আর্থিক লেনদেন, অসদুপায়, ও বিশেষ সুবিধা পাওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে নিষেধ করা হয় এবং আমরা সবাই সেভাবেই চলছিলাম কিন্তু ফাইনাল পরীক্ষার কিছুদিন আগে থেকে কেন জানি স্যারদের মেজাজ গরম থাকে, আমাদের নানা দোষত্রুটি ধরা হয়, পান থেকে চুন খসলেই নোটিশ দেওয়া হয়, পরীক্ষায় ফেল করানোর গল্প শোনানো হয়। এক পর্যায়ে তারা ইঙ্গিতে টাকা দাবী করে নতুবা ফেল করানোর ইঙ্গিত দেয়। দাবী পূরণ সাপেক্ষে সবাই পাশ করে।
A foreign EPZ is being asked for this during the official visit of customs people. I was present there, they asked for the money to our commercial team. Then it's negotiated after 2 weeks of pursuing upon the permission from Germany owner. Our everything is ok. We don't sell outside in BD anything. Don't over invoicing or under invoicing of the company. Asset also perfect on BD RSM audit and indian team audit by SAP also. Now you see where we are living.
জমির পরিমাণ ২১ শতাংশ। ২০২২ সালে প্রথম ধাপে জরিপের কাজ করে জমি রেকর্ড করে খতিয়ান স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০ টাকা নিয়েছিল। ২য় ধাপে বর্তমানে আবার কাজ চলমান আছে। ঐ খতিয়ানের অরিজিনাল কপিতে ২য় বার স্বাক্ষর করাতে হয় এটাই নিয়ম। ২য় বার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার দিয়ে স্বাক্ষর করতে ২০০০০.০০(বিশ হাজার) টাকা দিয়েছি। টাকা না দিলে কাগজ ঠিক নাই বলে তালবাহানা করে। ### প্রতি বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সহকারী স্যাটেলমেন্ট অফিসার ঢাকা/সাভার থেকে আসেন। অফিসে গোপনে অবজারভেশন করলে সহজেই ধরা যাবে।
আমি আমার পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়েছিল বিধায় পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য নিজ থেকেই আবেদন সাবমিট করি। পরে অফিসে জমা দিতে গেল বলে আমার এনআইডিতে বাংলায় বাবার নামের শব্দে একটা স্পেস আছে কিন্তু আমি আবেদন এ তা দেই নি কেন। যেহেতু আমার সার্টিফিকেট কোন স্পেস ছিল না এবং পুরাতন পাসপোর্টেও কোন স্পেস ছিল না তাই দেই নি। তাই ওনারা বলে আগে আমার এনআইডি কারেকশন করা ছাড়া সম্ভব না । যেহেতু এনআইডি কারেকশন সম্ভব না তাই আমি বাইরে বের হবো এমন সময় এক দালাল এসে বলে যদি ১৫০০ টাকা দেই তাহলে করে দিবে। পরে আমি কোন উপয়ান্তর না পেয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই। পরে যিনারা কিছুক্ষণ আগে আমার ফাইল নেই নি তারাই টাকা পেয়ে ফাইলটা নিল। যেটা নাকি কখনোই হবে না সে কাজটাই তারা টাকা পেয়ে করে দিতে পারলো। এই হচ্ছে পাসপোর্ট অফিসের ভোগান্তি।
টাকা দিলে আবেদন হতে শুরু করে সব কাজ করে দিবে। আর টাকা না দিলে নানান বাহানায় আবেদন বাতিল করে দেয়।
জমি নাম জারি করতে গেলে তারা বলে এটা সমস্যা আছে,টাকা লাগবে।
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে আমার নিকট ফি ব্যতিরেকে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবী করে।