মোটরবাইক এর লাইসেন্স
এটি সকল মোটর বাইকওয়ালা পরিষদ করতে বাধ্য। কারণ তারা লাইসেন্স এর কাগজ শোরুমের মাধ্যমে জমা নেই। সকল ডিম শোরুমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
এটি সকল মোটর বাইকওয়ালা পরিষদ করতে বাধ্য। কারণ তারা লাইসেন্স এর কাগজ শোরুমের মাধ্যমে জমা নেই। সকল ডিম শোরুমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হয়।
ফতেপুর ইউনিয় ভূমি অফিসে আমি দশ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার প্রকৃত জমি খারিজ বা নামজারি করিয়েছি
আমি একটি ম্যারিজ সার্টিফিকেট ই এপোস্টেলের জন্য আবেদন করেছি স্ট্যাটাস দেখাচ্ছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস মুন্সিগঞ্জ। অনেক দিন হয়ে যাওয়াতে যোগাযোগ করি রেজিস্ট্রার অফিসের এক কর্মচারির সাথে সে জানায় এখানে কোনো কাজ হয় না যা করবে কাজি কাজির নাম্বার নিয়ে কাজিকে কল করলে কাজি জানায় হাদিয়া বাবদ ২০০০ টাকা দিতে হবে এবং সে বিকাশ নাম্বার দেয় এ বিষয় নিয়ে তর্ক হলে সে পরবর্তীতে ২০ হাজার টাকা দাবি করে ইতোমধ্যে ৩৩৩ ও লিগ্যাল এইড সেবা নাম্বারে কল করলে তারা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে লিখিত অভিযোগ করতে জানায় এখনো চলমান অভিযোগ কম্পোজ করে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে ঘুরছি এক সপ্তাহ ধরে জানিনা পরবর্তীতে কি হবে।
বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের আপার গ্রেড এর ফাইল সুপারিশের জন্য ১০০০০ টাকা দাবি করেছিল। টাকা না দেওয়ার জন্য আগে ২ বার ফাইল রিজেক্ট করেছে। কারণ হিসাবে insufficient papers বা others লিখে দেয়। পরে ৫০০০ টাকা দিয়ে ফাইল ছাড় করাতে হয়েছে। দু:খের বিষয় এই যে, আমার পরবর্তী স্কেল পেতে ৬ মাস পিছিয়ে যেতে হলো।
শেষ মুহুর্তে জমি রেজিষ্ট্রেশন আটকে দিয়ে ছিলো। সব ঠিক থাকার পরো
No Ghush no work my file pending till today without Ghush it will not gonna move at all.
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের লাইসেন্সের প্রেক্ষিতে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন হয়। এখানে পাসপোর্ট বা অন্য কোন ধরনের বিদেশ গমনের ইসু ছিল না। তবুও পুলিশ আমার থেকে ঘুষ চায় এবং ঘুষ না দিলে কাজ ভালো হবে না বলেও ভয় দেখায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ঘুষ দেবার পরেও আমার রিপোর্ট যথাস্থানে পৌঁছায়নি। পরবর্তীতে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে সে আমাকে জানায় এসপি স্যার নাকি সাইন করেনি। তাকে বিষয়টি দেখার জন্য পুনরায় কল করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
একটি জয়েন্ট স্টক রেজিস্টার্ড লিঃ কোম্পানিকে প্রতি বছর রিটার্ন দাখিল করতে হয় যা আমার জানা ছিল না । ২ বছর পর ২০২২ সালে আমি জানার পর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে আমাকে আরজেএসসি অফিস থেকে বলা হল ২ বছরের রিটার্ন দাখিল করতে ১৫,০০০ × ২=৩০,০০০/= লাগবে, তবে প্রথমে হাইকোর্ট থেকে পার্মিশন এনে দিতে হবে । হাইকোর্ট এর পার্মিশনের জন্য উকিল সাহেব ১৫০,০০০/= দাবি করেন যার মধ্যে ৫০,০০০/= বিচারকের পছন্দ মত প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়ে, সেটা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে পত্রিকার কপি সহ আবেদন করতে হবে । পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের জন্য দাবি করা হল অতিরিক্ত ৩০,০০০/= । সব কিছু প্রত্যাখ্যান করে চুপ করে বসে আছি বিগত ৬ বছর যাবত ।
আমি সকল সঠিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে, পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। কিন্তু সারাদিন আমাকে হয়রানি করে। বিভিন্ন ধরনের অপ্রসংগিক ভুল ধরে। যখন আমি দালালের মধ্যমে তাদের কাছে পাঠাই তারা টাকার বিনিময়ে দশ মিনিটে কাজটি করে দেয়
Court er pion r peskar Naogaon joudge court er kub besi tk khai....per mamla filing er Jonno peskar 100 tk nai and abar sign korar somoy pion Abar 200 tk nai...tacara sing nai na....ghurai manus... follow plz Naogaon joudge court
বিদেশে যাওয়ার জন্য, এবিএম ইটি কাড রেজিষ্ট্রেশন করতে
আমার কাছে টাকা চেয়েছিলো নতুন পাসপোট করতে বাদ্য হয়ে দিয়েচি
পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে সব কাগজ দিওলেও বলে সমস্যা, লাষ্টে বাধ্য হয়ে এক আনসার এর মাধ্যামে করছি
ছাড়পত্র নবায়ন এর জন্য এই টাকার সরাসরি আবদার করা হয়। টাকা না দিলে ছাড়পত্র নবায়ন হবে না এবং হয়রানি করা হয়।
খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর ১৮ নং ওয়ার্ড এর ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করতে গেলে বলে - ৳৩৫০০ লাগবে। আমি জানি ২৭০০+ লাগবে। তবুও বাধ্য হয়ে ৳৩৫০০ দিলাম। পরে বলে খরচ ৳৩৫০০ আরো ২০০ দেন। বাধ্য হয়ে দিতেই হলো।
আমি নামজারি করতে আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছি পরে তারা নামজারি করতে ২০,০০০ টাকা দাবি করে। আমি তাদেরকে ১৮,০০০ টাকা দিয়ে আমার কাজ সম্পন্ন করেছি।
মিরকাদিম পৌরসভার হোল্ডিং ট্যাক্স পূর্বে ছিল ২,৫০০/ । পরবর্তীতে ৪০,০০০/প্রতি বছর পরিশোধ করতে হবে। ৫০,০০০/- টাকা ঘুষ দিলে ১০,০০০/ টাকার কম করে দিবেন। বাধ্য হয়ে ৩ বারে ৩৫,০০০/- টাকা দিই। কিন্ত ফাইনাল্লি ২১,০০০/- টাকা করে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
পাসপোর্ট ফাইল জমা দেওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসের বিশেষ একটি কোড ব্যবহার করে জমার জন্য ২০০০/- করে নেয়,,এবং আমিও তা দিয়েছি,,,না দিলে সরাসরি ফাইলটা বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে বাতিল করে দেয়।
টাংগাইল জেলা সখিপুর উপজেলাধীন নিম্ন ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধিনে সাড়াসিয়া বাসারচালা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৯০০০০০ টাকার দূর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে ৩ জন অযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখানে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য করা হয়। প্রধান শিক্ষক হলেন ৬ নং কালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ২০ বছরের দায়িত্ব পালনকারী সভাপতি। সহকারী প্রধান শিক্ষক ১ নং কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সহকারী শিক্ষক হলেন,,সখিপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক। ৫ম শ্রেণি পাশ করেনি এমন ব্যক্তিকে ভোয়া সনদ বানিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।এলাকা প্রতিবাদ করলে এর প্রতিকার পাওয়া যায়নি।হামলা-মামলার হুমকি দেওয়া হয়। দ্রুত বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
সাবরেজিস্ট্রেশন অফিসে টাকা বেশি নিচ্ছে, কারণ বলছে সাবরেজিস্ট্রারকে বেশি বেশি ভাগ দিতে হচ্ছে৷ জেলা৷ রেজিস্ট্রারকে। তার নাম —, জেলা রেজিস্ট্রার, রাজশাহী।