নামজারী
আমি প্রথমে নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি তারপরে অনেকদিন পরে ( প্রায় ৩০ দিন) থাকার পর যোগাযোগ করলে কোন লাভ হয় নি। তারা ক্যানসেল ও করেনি।এরপর দালালের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,১১০ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি প্রথমে নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি তারপরে অনেকদিন পরে ( প্রায় ৩০ দিন) থাকার পর যোগাযোগ করলে কোন লাভ হয় নি। তারা ক্যানসেল ও করেনি।এরপর দালালের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেছে।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
নামজারী করতে ফেনী শহর এর ভুমি অফিস আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ টাকা এরা এক্টু ভিন্ন ভাবে ঘুস নেয় যেমন ভুমি অফিসের অপজিটে ডিজিটাল সেবার নামে দোকান খুলছে সেখানে নামজারি করে দিবে বলে ১১০০ টাকার সরকারি ফি এর বদলে ৭০০০ ৮০০০ এমনকি কাগজ ভুল হলে আরো বেশী দিয়ে ভুয়া কাগজের বিপরীতে খারিজ করে দিচ্ছে। এর সাথে ভুমি অফিসের সবাই জড়িত
আমার আব্বুর মৃত্যুতে ওনার পেনশনের কাজে আমাদের ওয়ারিশ সনদ লাগবে,তো ইউনিয়ন অফিসে গেলাম।আমাকে অনেক হয়রানি,দিনে ৩/৪ বার যাওয়া আসা। এরকম প্রায় ৩০-৩৫ দিন চললো। এদিকে আব্বুর অফিসে কাগজগুলো জমা দেওয়ার জন্যও চাপ দিচ্ছে। না হলে পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ওনারা আমাকে বললো ৪-৫ হাজার টাকা লাগবে হেনতেন বুজাইলো। আমি এডুকেটেড কত সরকারি ফি তা জানি। ওনাদেরকে বললে ওনারা আমাকে বের করে দেয়। সচিব যিনি ছিলো উনিই মূল হোতা।ওনার সাথে কম্পিউটার অপারেটরে যিনি উনিই এসব কাজ করে সচিবের কাছে পাঠায়। আর ওনারা ভাগ করে নেয় সবার সামনেই। গ্রামের লোকতো কেওই এসবকে গুরুত্ব দেয়না। ওনাদেরকে বিলিব করায় দিসে এসব সরকারি খরচ।এরকম হয়রানি প্রতিনিয়ত হচ্ছে। সরকারের উচিত এসবের দিকে জোর দেওয়া,তানাহলে জনগন মুখ পিরিয়ে নিবে একদিন।
My land mutation application has been rejected several times without any valid or clear reason. When I spoke with the AC (Land) Magistrate to understand the reason for the rejection, he was unable to provide any explanation and simply advised me to reapply. I followed his advice and submitted the application again. Since I had already left the district, my younger brother followed up with the concerned office on my behalf. However, the application was rejected once again. This has become a frustrating and seemingly endless cycle. Although the mutation application process is conducted online and all the required documents are submitted as scanned copies, applicants are also asked to submit
কৃষকের জন্য বরাদ্দকৃত সার, আমরা কৃষকরা কখনোই সরকারি দামে পাই না। সবসময় বেশী দামে কিনতে হয়। বিভাগীয় কৃষি অফিসার বস্তা প্রতি ২০ টাকা, উপজেলা কৃষি অফিসার বস্তা প্রতি ২০ টাকা এভাবে ঘুষ নেয়ার কারণে তারা সার ব্যবসায়ীদের কিছু বলেন না। ১০০০ টাকার ডিএপি এবং এমওপি সার কিনতে ১৫০০ টাকা ঘেকে ১৮০০ টাকা লাগে। দেখার কেউ নেই। আল্লাহ আমাদের বাচান।
আমি রামপাল ভূমি অফিসে আ মার কেস নং ১৫৬আর(৭২-৭৩) নবায়নের জন্য গেলে কর্মকর্তা আমার কেস টিকে কৃষি শ্রেণির বদলে বাণিজ্যিক শ্রেণীতে ফেলবে এমন কথা জানায়।তাদের চাহিদা মতো টাকা দিলে আমি কৃষি শ্রেণিতে নবায়ন করতে পারবো।যেখানে ইতিপূর্বে প্রায় ৫০ বছর আমি নিয়ম অনুযায়ী কৃষি শ্রেণিতে ডিসিআর নবায়ন করে আসছি।
এসি ল্যান্ড আগ্রাবাদ এর আদেশ তামিল সংক্রান্ত বিষয়ে ৩ বছরের ও বেশি সময় হলেও খরচের টাকা (ঘুষের অর্থ) না দেওয়ায় এখনো পর্যন্ত আদেশ তামিল করে নাই। দক্ষিন পাহাড়তলী ভুমি অফিসের কর্মকর্তা —। হাসি মুখে বলে করে দিবো, টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে।
দক্ষিন রাংগুনিয়ার,পদুয়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসে,দুই তহসিলদার, যাদের কলম টাকা ছাড়া চলেনা, আমার থেকে নামজারি প্রস্তাব পাঠানোর কথা বলে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করছে প্রথমে,যা আমি করতে বাধ্য হয়ছি,পরে আমার কাজ হচ্ছেনা বলে আবার এক লক্ষ টাকা দাবি করছে যা আমি দিতে অস্বীকার করছি,এখনো পর্যন্ত আমার কাজটি হয়নি।
ওসি এবং এসআই দুইজন মিলেই আমাদের সাধারণ ডায়রির বিপরীতে টাকা দাবি করে। আবার পরে এটাও জানতে পারি যে অপর পক্ষের কাছ থেকেও তারা ভালো অংকের টাকা খেয়েছে। এবং তারা খুবই আনন্দিত হয় যখন কোন কেস তাদের কাছে আসে কারণ টাকা একদিক থেকে না দুই দিক থেকে আসে। এটা জুলাই মাসের ঘটনা নতুন ওসিক পরিবর্তনের পর।
সাব রেজিস্ট্রার এর বিশ্রাম কক্ষে নিয়ে তার অধীন এক ইমপ্লোয়ি দাবী করে।টাকাটা অন্য মাধ্যমে গ্রহন করে।
Police clearance er jonno amr theke taka newa hoy ami jokhon kom taka di tokhon uni bole j age to 1k kore nitam ekhon komai disi tao apni eto kom dilen pore ami 400 taka disi, uni chacchilo unk 500 taka dite
জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন এ
বাচ্চাকে বিদেশে লেখাপড়া করার জন্য ফ্যামিলি সনদ দরকার হয়। যেটা ফ্রীতে দেওয়ার কথা। ৫০০০ টাকা দাবি করেছিলো। অবশেষে ৩০০০ টাকা দিয়ে সনদ নিতে বাধ্য হই।
Dinajpur Medical Hospital e taka chara kono kaj hoy na, taka chara bed pawa jay na , cabin pawa jay na. Nurse and ward boy der kono help paben na. Staff ra keu kaaj kore na, actual staff ra kaj kore na , tara abar onno lok der diye kaj koray . bed er moddhe telapoke haate.
জমি পরিমাণে কম দেখিয়ে টাকা দাবি
বিএসপি তে থাকা নির্ধারিত ফি এর বাইরে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী এই অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন। যা আমি পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করে চলে আসি।
Went for renewing tax exemption certificate. asked for 60,000/- taka then settled at tk. 30,000/-
নিয়মিত ভিজিটের অংশ ছিল, অতঃপর অনেক অনেক ধরনের সমস্যা উল্লেখ পূর্বক উক্ত টাকা দাবী করে আদায় করা হয়।
আমার নামে বিল/ সম্মানি সরকার বরাদ্দ করেছিল (১০% উৎস কর ব্যাতিত) মোট বিল এর তিন ভাগের দুই ভাগ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের, ময়মনসিংহ রেখে দেয়। যা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার উপরে, আমার মতো ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে যায়।