নামজারি
নামজারি করার জন্য অন্য এক থার্ড পারটির মাধ্যমে চাওয়া হয়েছে। আমি এখনও দেই নাই। আগে একই কাজ করে দেয় নাই
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি করার জন্য অন্য এক থার্ড পারটির মাধ্যমে চাওয়া হয়েছে। আমি এখনও দেই নাই। আগে একই কাজ করে দেয় নাই
Jomir kagoj niye gecilam tik kore dibe bole taka dite hobe na hole hobe na
দলিল লেখক কর্তৃক ট্যাক্স বাবদ 30,000/ অতিরিক্ত নিয়েছে যা সে সরকারি কোষাগারে জমা না করে নিজের পকেটে ভরেছে । ঘটনাস্থল - সিরাজগঞ্জ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিস, দলিল রেজিস্ট্রির সময় 27 এপ্রিল / 2026 । এই দুর্নীতি সাব রেজিস্টার এর সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে ।
শিক্ষা সংক্রান্ত ( নতুন এমপি ও বিএড স্কেল উচ্চতর গ্রেড সহ আরও যে কোন ফাইল পাঠাতে গেলেই টাকা ছাড়া ফাইল পার হয় না ।) বিনা কারনে রিজেক্ট করা হয়, টাকা দিলেই পার হয়।
জমি খারিজ করার জন্য দুই লক্ষ টাকা নিছে ৭ দিনে করে দিবে বলে এখন ৬মাস হয়েছে এখনো কাজ হয় নাই চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি
Notun Passport korte geci. Sob document thik thaka sotteo file received kore nai.
আমার পাসপোর্ট এ বয়স ভুল হয়েছে, ঠিক করতে 60 হাজার চেয়েছে,, আমি বলছি লাগবে না,, এভাবে রয়েছে
এইখানে প্রতিটা নামজারির জন্য ৫০০০-১০০০০ টাকা চাওয়া হয়। — নামে এক সাবেক ছাত্রলীগের লোক আছে,সে নায়েবের সাথে যোগাযোগ করে সব কন্ট্রোল করে।
বগুড়ার উপজেলা শিক্ষা অফিসার বি এড স্কেলের ফাইল ফরোয়ার্ড করতে প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল। প্রথমবার না দেওয়ায় ফাইল রিজেক্ট করে দিয়েছিল। পরের বার পুনরায় বি এড স্কেলের অনলাইন আবেদন করলে আবার ঘুষ দাবি করেছিল। সেখানে কাকুতি মিনতি করে ২০০০ টাকা দিলে ফাইল ফরোয়ার্ড করেছিল।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
আমি কিশোরগঞ্জ থেকে কমলাপুর যাচ্ছিলাম রেলগাড়ির ভিতর একজন আমার কাছ থেকে টাকা নেই পরে উনি আমাকে একটি রিসেট দিবেন বলে সামনে যান এবং পরে উনি আসেন নাই ঠিক তার পরেই আমি বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে নেমে পড়ি সেখানে একজন টিকেট চেকার আমাকে বিভিন্ন রকম হুমকি এবং চোর বাটপার এরকম কথা বলে ৩০০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়ে নেয় এবং আমাকে একটি রুমে নিয়ে তারা বিভিন্নভাবে মানসিক টর্চার করে
National university gazipur theke certificate tumar jonno principal forwarding soho kagoj pathanor jonno
মোট বিলের ৫% দিতে হয়
আমি অনলাইনে আবেদন করি নিজেই। পরে অফিসে খোজ নিতে যাই যে, আমার পরিক্ষা কবে। ২০২১ সালে নারায়ণগঞ্জ অফিসে ফা নামক ব্যাক্তি আমাকে বলে যে, এভাবে পরিক্কজা দিলে পাশ করলেও আপনাকে পাশ করাবেনা। সে আমার কাছে টোটাল ৮৫০০ টাকা দাবি করে, নয়তো পাশ হবেনা বলে দেয়। BRTA এর অফিসের প্রত্যেকে দূর্নীতিবাজ। অবশেষে আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশ্যে গত ২৩ আগস্ট রোহিতপুর-কেরানীগঞ্জ BMET অফিসে ট্রেনিংয়ের জন্য ভর্তি হতে গেলে অফিস থেকে নির্ধারিত কিছু কম্পিউটার সেন্টারের তালিকা দিয়ে সেখান থেকে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে বলা হয়। নির্ধারিত দোকানে গেলে তারা জনপ্রতি ২,৫০০ টাকা ভর্তি বাবদ দাবি করেন। বিষয়টি অফিসে এসে জানালে পরিচালক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে উল্টো তাদের কাজের প্রশংসা করেন এবং এটিকে সেন্টারের পারিশ্রমিক বলে জানান। বেশ কয়েকবার পরিচালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশিক্ষককে বিষয়টি জানানোর পরও তারা লিখিত অভিযোগ দিতে এবং ভর্তি বাতিল হলে তাদের পক্ষ থেকে কোনো করণীয় থাকবে না বলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
মাদ্রাসায় এন টি আর সি এর সুপারিশক্রমে জয়েন করেছি। এম পি ও করার জন্য সুপার বলেছিল শিক্ষা অফিসে ঘুষ না দিলে কাজ হবেনা। এমনিতেই ৪ মাস ধরে বিনা বেতনে চাকুরী করছিলাম।ভাব্লাম এদের সাথে ঝামেলা করলে আরো কালক্ষেপন হবে এজন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছিলাম।
সরকারি বন বিভাগের সাথে আমার রেকর্ডের জমিতে আমি নতুন বাড়ির কাজ শুরু করেছি মৌচাকের বিটের কয়েকজন গার্ড সে আমার কাছে 130000 টাকা চাঁদা দাবি করে তা নাহলে আমাকে আমার ঘর করতে দিবে না এবং কাজ বন্ধ করে দেয় পরে তারা ৯০০০০ হাজার টাকা নিয়ে আমার ঘর তৈরী করতে দেয় । অথচ উত্তর মৌচাক, কালীয়াকৈর গাজীপুর যুবদলের সদস্য সচিব এ্যাড. —ের নেতৃত্বে — গং সরকারী জায়গা দখল করেই যাচ্ছে মৌচাক বীট কর্মকর্তা —ের সহায়তায় মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এটা নিয়ে গাজীপুর বন বিভাগ নিরব। ঘুস পেলে তারা সব কিছু করে আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই অত্যাচার থেকে মুক্তি চাই
আমি আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য বিএসটিআইয়ের অফিসে গিয়েছিলাম আমার একটা খদ্য পন্য বিএসটিআই নেওয়া জন্য কিন্তু তারা আমার কাছে তিন লক্ষ টাকা চায় আমাকে বলছে আমি না করি কিন্তুু অফিসারের কথা হলো বিএসটিআই লাইসেন্স করতে হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়তে হবে তা না হলে লাইসেন্স হবে না তারপর আমি রিকোয়েস্ট করে আবেদন করি এই বিষয় আমি ঢাকায় বিএসটিআইয়ের হেড অফিসে অভিযোগ করি কিন্তুু কোন সুরাহা পাইনি এখনো আমার আবেদন বহাল আছে বিএসটিআই অফিস থেকে এখনো কোন অফিস্যার আসে নাই আমাদের কারখানাতে ভিজিট করতে আসে না আগে টাকা তারপর কাজ এই হলো আমাদের সোনার বাংলাদেশ তাহলে সাধারন মানুষ কিবাবে ব্যবসা করবে বলোন
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
গত ২৮ জুলাই ২০২৬ নাঙ্গলকোট সাব রেজিস্ট্রার অফিসে একটা হেবা দলিল হয় আমার। দলিলের খরচ নিয়েছে ৮০০০ (আট হাজার) টাকা। একই দিনে উক্ত দলিলের নকলের জন্য নিয়েছে আরো ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা।