যে কোন কাজে ঔষধ পসাশন অধিদপ্তর চাইতে দুর্নীতি বাজ লোক আর কোথাও নাই
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঔষধ প্রশাসন এর top to bottom সবাই দুর্নীতি বাজ
আমার আইডি কার্ড সংশোধন করা দরকার হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সরকারি ফি লাগে এটা আমি জানি। তবে ওনি এটা করতে পারবেন না।ওনাকে করাতে হলে দশ হাজার টাকা দিতে হবে তাহলে ওনি করে দিবেন।ওনি উপজেলা নির্বাচন কমিশনের অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান করছি।
২১/৮/২০২১ সালে বাগমারা প্রায় বিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরিতে যোগদান করে অনেকে, সেই চাকরি নিতে বড় এমাউন্টের ঘুষ দিতে হয়।তার পরে বেতন করতে গিয়ে ও বড় এমাউন্টের টাকা ঘুষ দিতে হয়।
আমি আমার শাশুড়ি জমি নামজারি করার জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু নাগ ডেমরা ইউনিয়নের তোশিলদার বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নামজারি খারিজ করে দেয় পরবর্তীতে আমি আবার আবেদন করি আবেদন করে আমার খালা শাশুড়ির ছেলের মাধ্যমে ৪০০০ টাকা দেওয়া হলে ৪০০০ টাকা নেওয়া সময় সে বলছে এই টাকাটা আগে দিলেই নামজারী এটা খারিজ হতো না খুব মজার বিষয় হলো নামজারিটি পরবর্তীতে মনজুর হয়েছে এই টাকার বলে টাকার শক্তিতে তো এভাবেই চলছে ভূমি অফিস সাঁথিয়া উপজেলার শুধু নাকডাঙ্গা ইউনিয়ন নয় প্রত্যেক তোহশিলদার সহ সারা বাংলাদেশের তোশিলদারের একই অবস্থা টাকা ছাড়া কোন নামজারীর প্রস্তাব ছাড়তে চায় না।,,,,,,,,,,,দুঃখের বিষয় হল আমিও একজন ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারণ পাবলিকের কি অবস্থা
বাংলাদেশ আনসার এ চাকরি বিষয়ে জন প্রতি ৪,০০,০০০ লাখ টাকা করে দিতে বলে।
Land documents verification. Waiting 1 months. Only got answer in serial. want unnecessary documents. Then ask for 500/ to sub land officer-. Then verification was sent to AC Land office and got the service.
I tried to heba registration for my wife, they asked for 65000 take but I was not able to do that, finally they did for 35000 taka.
টাকা না দিলে এলপিসি পাঠাতে ৩/৪ মাস সময় লাগায় বেতন আটকে যায়
ইউনিয়, চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জন্য ঘুষ দিতে হয়। চান্দিনা পৌরসভা।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য ফর্ম এর সাথে আসল জন্ম নিবন্ধন দেখাতে হয় কিন্তু আমি সেটি নিতে ভুলে গিয়েছিলাম তাই ঘুষ দিতে হয়েছে।
প্রতিটি ১লক্ষ টাকার সঞ্চয় পত্র কেনার জন্য ১২০০ টাকা করে নেয় ,রাউজান পোস্ট অফিসের কর্মকর্তারা।টাকা না দিলে কাজ করে না।
পাসপোর্টের ভেরিফিকেশনের জন্য নােয়াখালি সুধারামপুর থানায় গেলে সেখানকার একজন এসআই এর সাথে যোগাযোগ করলে প্রথমে কাজ হয় নি ৫দিনেও।তারপরে ৫০০ টাকা দিলে কাজ ওকে হয়।
Family relationship certificate 613 tk cilo tokhon. But oi lok 900 -1000 tk nei sokoler kaj theke, ei babe onna kajeo besi tk dabi kore and na dile kaj korena. Onar picture ace amar kace
নামজারি করার জন্য নিয়েছে। তহশীলদার এখন তিনি বদলি
সেচ মিটার দিয়ে অটো চার্জ করায় মিটার খুলে নিয়ে যায় এবং ৬৫০০০ হাজার টাকা চায় পরে আমি ১৫০০০ হাজার টাকা দেয়
আমি এক জন রুগি কে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যাই ডাক্তার দেখানোর পরে রোগীকে ভর্তি করে দেয় এখন কোন সিট পাইনি বলে কেবিন খালি আছে কেবিন নিতে হবে কিন্তু কেবিনে ভাড়া অনেক তারা অনেক গরিব মানুষ ছিল অনেক চেষ্টার পরে একটি বেড ম্যানেজ করে দিবে বলছেন কিন্তু টাকা দিতে হবে।
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য। আমি আরো কম দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু সেই সাত হাজারের নিচে নিতে রাজি হয়নি। উল্লেখ্য : আমার সব ধরনের ডকুমেন্ট ঠিকঠাক ছিল। সিটি কর্পোরেশনে চাহিদা অনুযায়ী সাবমিট করেছি তারপরও ঘুষ দিতে হয়েছে। জানিনা আমাদের এই দেশ থেকে কবে এই প্রথা বন্ধ হবে আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।
তাদের দাবী ছিলো মোট উত্তোলন যোগ্য পেনশনের ৩০% পরিশোধ করা। পরবর্তীতে তাদের সাথে অনেক কথাবার্তা বলে ৮১০০০ টাকায় ফাইল প্রসেস করতে রাজি করিয়েছিলাম। তারা বলছিলেন তারা নাকি সচরাচর ফাইলের মূল্যের উপর ৩০% চার্জ করেন।
ইউনিয়ন কমপ্লেক্স গত দুই বছর আগে আমার বাবার মৃত্তুর সনদ তুলে নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু ঘর থেকে সেই সনদ হারিয়ে গেছে কিছু দিন আগে সনদ টার প্রয়োজন হয়েছিলো তাই ইউনিয়ন কমপ্লেক্স এ গিয়ে বলার পরে তাদের সারবার থেকে শুধু বের করে বের করে ফোট কপি করে দিয়ে ২০০ টাকা দাবি করে আমি পতিবাদ করি কারণ আগে থেকে করা সনদ শুধু ৫ টাকা লাগা কথা ফটোকপি খরচ পরে আমার কাছে ১৫০ টাকা নিয়ে সনদ দিয়েছে।
নামজারি করতে গেলাম সরকার এতো গর্ব করে বলে নামজারি করতে লাগে ১১৭০ টাকা কিন্তু দাবি করলো ২২০০০টাকা আমি তো অবাক ।সব থেকে মজার বিষয় এটা যে অফিসার রা নিজেই টাকা খায় বাট সেটা পিয়ন এর মাধ্যমে খায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি বিষয়টা গর্ভারমেন্ট এর মেইল এ বিষয়টা মেইল করছি কিন্তু কোন উওর নাই ।