জমি হেবা
জমি হেবা করতে হবে। সব কাগজ পত্র ঠিক আছে, তবুও দুর্ত করতে টাকা চেয়ে বসেছে, টাকা না দিলে কাজ কবে হবে সেটা বলতে পারে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি হেবা করতে হবে। সব কাগজ পত্র ঠিক আছে, তবুও দুর্ত করতে টাকা চেয়ে বসেছে, টাকা না দিলে কাজ কবে হবে সেটা বলতে পারে না।
তথ্য ভুল করে এবং পরবর্তীতে অনেকটা বাধ্য করা হয়।
একটি মামলায় উকিল চেয়েছিলো ১০০০০০ টাকা একই মামলায় থানাতে দিতে হয়েছে ৫০০০০ পিবিআই নিয়েছে ২০০০০ ডিবি অফিসার নিয়েছে ৫০০০(দাবি ছিলো ৩০-৫০হাজার) যে কারণে ডিবি অফিসার তার রিপোর্বিট মিথ্যা দিয়েছে কাঙ্খিত টাকা না পেয়ে। বিএনপি নেতাদের চাঁদা দিতে হয়েছে ৫০ হাজার। দুই ব্যাক্তিকেদেয়া হয়েছে ১৬০০০ আরো অনেক জায়গায় টাকা দিতে হয়েছে।
ঠিকানায় থানা সিলেক্ট করতে ভুল ছিলো। আমি ভেবেছিলাম মিরপুর ১২, মিরপুর থানার অধিনে। কিন্তু এটি মুলত পল্লবী থানায়
ট্রেড লাইসেন্স বানাতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কিছু বখশিশ (ঘুষ) দাবি করর। কিন্তু পরে আমি শুধু কাজের বৈধ টাকাটা দিয়েই ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আসি।
Application denied or delay
পাসপোর্টি পাওয়ার জন্য দেওয়া লাগে। সেখানে অফিসে তাদের লোক সেট করা আছে।
আমার জেলার, সদর মডেল থানার পুলিশ/কর্মচারী এসআই/এএসআই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য যাকে যেমন পারে তেমন করে অর্থের দাবি করে যে, আমাদের তো বিভিন্ন জিনিস যাচাই করতে হয় এখানে যেতে হয় ওখানে যেতে হয়, তো কিছু খরচ হয় একটা আমরা নিজেদের পকেট হতে দি তো এই টাকাটা আপনি দেন, যেমন 500/700/1000 টাকা কেও না দিতে চাইলে তার আবেদনটি অনেক দিন দেরি করে সম্পন্ন করা হয়।
অর্পিত সম্পত্তি বা সরকারী ১/১নম্বর খতিয়ানের ভুমি আদালতের রায়-ডিক্রির মাধ্যমে ডিসি অফিসে জমি নামজারী কিংবা অবমুক্ত এর আবেদন করলে দায়িত্বরত কমচারী আবেদন প্রতি ৫০০০ টাকা করে দাবী করেন। টাকা না দিলে কাজ হয় না।
প্রতি ১লাখ টাকায় বিল পাশের জন্য ---- হিসাবরক্ষণ অফিসের রেট নিম্নরূপ : অডিটর ২০০/- সুপার : ২০০/- হিসাবরক্ষণ অফিসার : ৫০০/- যিনি চেক লিখেন তার পাওনা: ১০০/- এই টাকা দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিল পাস হয়ে যায়। কম দিতে চাইলে বিভিন্ন কাগজপত্রের অজুহাতে কয়েক দিন ঘুরায়।
ঠিকাদারি বিল নেয়ার জন্য উপজেলা এল জি আর ডি অফিসে ৩% এবং প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে ৫% দিতে হয় মোট বিলের প্রত্যেক ঠিকাদারকে আর ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে পিয়নদের দিতে হয় ৫০০-৫০০০ পর্যন্ত আর এ জি আফিসের পিয়ন কেও দিতে হয়।
জেটি কাস্টম চট্টগ্রামের ডেলটা জোনের সহকারী কমিশনার — পণ্য পরীক্ষণের নামে অহেতুক হয়রানি করেন। একটি পণ্য চালান পরীক্ষণে তিনি ৫০০০০ টাকা দাবি করেন।পরবর্তীতে ৫০০০০ টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়েছি।
কৃষিগবেষণা ভিতরে বহিরাগতরা ডুকতে চাইলে গেইটে যে আনসার ও সেবার লোক থাকে তাদের ৫০-৫০০ টাকা ঘুষ দিত হয়। সরকারি ছুটির দিন আরো বেশি টাকা দাবি করে।
আমি মোট জমি ৩ বিঘা চার বারে আমার জমি খারিজ বাবদ ৪০০০ টাকা করে ঘুষ বাদি করে মোট ১২০০০ টাকা সহ আরও খাজনা বাবাদ ৯৬০০ টাকা নিয়ে মাত্র ১৮০ টাকার রশিদ হাতে ধরিয়ে দিয়েছে। নতুন নামজারির হোল্ডিং খুলতে আরও ৫০০/৩০০ টাকা আদায় করতেছে প্রতিনিয়ত।
5000 হাজার টাকা দেওয়ার পরো নামজারি হয় নি, নায়েব বদলি হয়ে গেছে টাকা ফেরত পাইনি করোনিয়ো?
জমির নামজারী করা বাবদ। সরকার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নামজারী করতে গিয়ে করতে পারিনি। কোন না কোন অযুহাত দেখিয়ে তা বাতিল করে দেয় । পরে ঘুষ দিয়ে 1 সপ্তাহের মধ্যে নাম জারি করতে পেরেছি।
বাংলাদেশ কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে জয়েন স্টক সার্ভিসের কাওরণ বাজার অফিসে, ঘুষ ছাড়া কোন কাজে সম্পাদন করা সম্ভব না। প্রত্যেকটা ফাইলে সর্বনিম্ন ৫ হাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার ঘুষ লেনদেন করা লাগে। এই নিয়ে অনেকগুলো রিপোর্ট করা হলেও কোন প্রতিকার কখনোই আসে নাই।
হানিট্যাপ একটা মেয়ে সে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছে তাকে আমি নাকি বাসাতে ডেকে বিয়ের কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করেছি এবং এসব কিছুর প্রমাণ মেয়েটির কাছে আছে ঘটনা সূত্র হচ্ছে মেয়েটি তার অসহায়ত্বের কথা বলে আমার কাছে সাহায্য চেয়ে আমাদের বাসায় আসে এবং গোপন ক্যামেরায় রুমের ভিডিও করে নিয়ে যায় এবং কয়েকবার সাহায্য চাওয়ার জন্য সে আমাকে ফোন করে অসহায় তোর কথা বলে সে এগুলোকে ডকুমেন্ট হিসেবে কাজে লাগায় পুলিশ অন্য বিচার পরিপূর্ণ কথা না শুনে কোন প্রমাণ ছাড়াই আমার বাসায় এসে হাজিরা এবং যখন জানতে পারে যে আমার স্ত্রীর সন্তান সবই আছে এবং সে যে নারী নির্যাতন মামলা করতে চাচ্ছে মেয়েটি সেটা মোটামুটি অযৌক্তিক কারণ মেয়েটির বাসায় আমি যাই নাই মেয়েটি আমার বাসায় আসছিল তো নির্যাতন করতে তো নিজের বাসায় কেউ ডেকে
২০১০ সালে আয়কর অফিস থেকে ৫০০০ টাকা না দিলে অডিট এ দেয়া হবে বলা হয়। আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা অডিট এ তুলে এবং অযথা হয়রানি শুরু করে।
ট্রেডলাইসেন্স করতে হলে প্রতি ট্রেড লাইসেন্সে সব দেওয়ার পরেও অতিরিক্ত সর্বনিম্ন ২০০০- ৮০০০/- ঘুষ প্রদান করতে হয়, এখানকার বড় স্যারকে এইটাকা না দিলে লাইসেন্স হবে না।