Holding kor
Holding kor notoun korta
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Holding kor notoun korta
দলিলের নামজারি করতে দেই আমার আম্নার কাছে। ভূমি অফিস থেকে বলা হয় আপনার দলিলের নামজারি করতে ১০০০০ (দশ হাজার) টাকা লাগবে। পরে কিছু কম নিতে বললে বলে ২০০০ হাজার কম দেন। পরে ৮০০০ টাকায় করা হয়েছে। যে নিছে তার নাম —। আবার দলিলের নকল উঠাতে গেলে ২০০০ টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকাই দেওয়া হয়। তারপর খাজনা দিতে গেলে বলে ৫০০ টাকা লাগবে। ৬ শতাংশ জমির জন্য ৫০০ টাকা নেয়।
এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারিরা যখন কোন ফাইল যেমন: (নতুন এমপিওভুক্তি, এরিয়া বিল, বিএড স্কেল, টাইমস্কেল, এমপিও কর্তন, পেনশন, ইত্যাদি) প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে তখন সেটা ধাপে ধাপে অনুমোদন হয়। প্রথমে উপজেলা পরে জেলা পরে বিভাগে এভাবে সব শেষে অনুমোদিত হয়। কিন্তু উক্ত ফাইলে সব ঠিক থাকলেও শিক্ষা অফিসারগণ টাকা দাবি করে অনেক সময় সরাসরি না চাইলেও আকার ইঙ্গিতে চায়। না দিলে অহেতুক ভুল হইছে বলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয় কিন্তু টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে যায়।
আমার বাড়ি র পেছনে সরকারী রাস্তা বন্ধ করে ড্রেন এর উপর আমার দেয়াল ব্যবহার করে কাঁচা পায়খানা বানিয়ে রাখছে প্রশাসক — এর লোক জন। এর জন্য এই ২০০ ফিট ড্রেন সংস্কার হয় নাই এমন কি বছর এর পর বছর ময়লা পরিষ্কার পর্যন্ত করে না, মশার ঔষুধ দেয় না এমন তিনটা ফাইল সম্পত্তি বিভাগ এ আটকিয়ে আছে। প্রধান নির্বাহী একবার বলল হবে পরে এখন মুখে কুলুপ এটা বসে আছে যারা অবৈধ কাঁচা পায়খানা বানিয়ে চে বস্তি বানিয়ে কারেন্ট, গ্যাস, পানি চুরি করে আছে তাঁদের সাথে সমযথা করে ফাইল আটকিয়ে রাখছে। ছবির অপশন থাকলে ছবি সংযুক্ত করতে পারতাম
বি ডি এস জরিপে টাকা না দেওয়ায় খাস হিসেবে দেখিয়েছে।।অভিযোগ করতে ১০০০টাকা নিয়েছে এবং শুনানি করতে ২০০০০ টাকা দাবি করেছে।।কক্সবাজার সদর পৌরসভা
সরকারি হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি করে তাদের সমস্ত পাওনা পরিশোধ করে সার্টিফিকেট নেওয়ার পরে তাদের কাছে জমা থাকা আমার মূল দলিল উঠাতে গেলে আমার জীবিত সব ওয়ারিশকে তাদের সামনে হাজিরা দিতে বলা হয়। অথচ ওয়ারিশরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়ানো ছিটানো! শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার জানায় ২০০০০ দিলে সব কিছু সমাধান সম্ভব। পরে তাকে টাকা দিয়ে দেই। মজার ব্যাপার হল টাকা তিনি অফিসে নেন নি, কারণ অফিসে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো, নিয়েছেন অফিসের অন্ধকার সিড়িতে।
Admit the student to VNC without an admission test.
আমি আমার 5.00 শতক জমির বি.ডি.এস খতিয়ান করার জন্য দিয়েছি আমার জমির কোন ঝামালা নেই সদ্য ক্রয় করা অন্যান্য সকল কাগজ পত্র অপটুডেইট কিন্তু বি.ডি.এস খতিয়ান করতে 5000/- টাকা দাবী করে বসে অতচ এটার সরকারী রেইট হল মাত্র 100/- টাকা।
বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফাইল আটকে রাখে। এ কাগজ নাই তো, সেটা দাও এভাবে টাকা দিলে সব ঠিক আছে
বাসা রেজিষ্ট্রি করা ছিল মারাত্মক ভুল , 11 লক্ষ্য টাকা পানিতে
আমার নামে বি আর এস রেকর্ড ভুক্ত জমি, জাল দলিলের মাধ্যমে নামজারি করেন।
ফাইল অডিটের জন্য নির্বাচন করে এবং নানা ভুল ধরে পঞ্চাশ হাজার টাকা গোচের দাবি করে, আমার জানা মতে আমার রিটানে কোন ভুল নাই, তাই আমি টাকা দিতে অস্বীকার করি, এবং দেব না কি হয় আমি দেখতে চাই।
৭৬,০০০ টাকা বকেয়া তুলতে প্রধান শিক্ষক ৩০,০০০ টাকা দাবি করলে ১৫,০০০ দিতে হয়।
বাচ্চাকে টিকা দিতে গেলে কোন টিকা কার্ড দিতে চায় না, বলে নাই শেষ হয়েছে। অথচ ১০০ টাকা দিলে তখন বের করে দেয়।
There is a electric line in front of our building but it's load capacity is not adequate. So we have applied and paid for a new pole and high capacity cable. But DESCO is not installing the said pole and we are suffering for last six months.
Kharij er jnno 5000 dabi korche....5000 er niche Tara kharij korben na ...onek hi couart dekhaiche...paper thik nai...onk Kichu...ek porjaye Ami baddho hour taka porishod korchi
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড হে আমার নাম সংশোধন করার জন্য
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে টাকা চায়। টাকা ছাড়া ফেইল করার ভয় দেখায়
একটি হেবা দলিল করলাম। আমার বাবা আর এস রেকর্ডের মালিক। রেকর্ড মূলে মালিক। আমাকে ৭০ শতাংশ জায়গা হেবা দলিল করে দিছে। এর জন্য দলিল লেখক চালান দিছে ১৩৫০ টাকা+ স্ট্যাম্প ৬০০ টাকা। কিন্তু ওনি আমার কাছ থেকে নিল ২২০০০/- ( বাইশ হাজার) টাকা। দলিল সাব রেজিস্ট্রার সাহবের কাছে জমা দেওয়ার আগে যারা চেক করে ( সরকারি কর্মচারি) তাদের দেওয়া রাগছে ৫০০০+ ৫০০ + ২২০০০ = ২৭৫০০/-
আমার ছোট ভাইয়ের নামে মিথ্যে মামলা করা হয় সুনামগঞ্জ সদর থানায়। সেখানে পুলিশকে টাকা খাইয়ে মামলা সিলেট পিবি আই এর কাছে পাঠানো হয়৷ তারপরে সিলেট পিবি আই থেকে আমাদের কল করা হয় যে আমাদের অন্যান্য আত্তীয় সহ যারা আসামী হয়েছেন মিথ্যে মামলায় তাদের নাম বাদ দেয়ার জন্য ৪৫০০০ টাকা চাওয়া হয় ( ৩ জনের নাম বাদ দিবে)। আর ৬০০০০ টাকা দিলে মামলা মিথ্যে লিখে রিপোর্ট করবে। সেখানে সুবিদবাজার লাভলি রোডের মুখে বসে ঐ পিবি আই কর্মকর্তার সাথে আলাপ আলোচনা হয়, সে খুব মোটা ও উচূ, হাইট ৬ ফুটের মতো হবে, তার নাম মনে নেই বয়স ৩৫-৪০ এর মতো হবে, ফেজার বাইক নিয়ে এসেছিলো লাল রঙের, তার মাথায় উপরে চুল নেই, শ্যমলা কালার শরীর এর রঙ। পরবর্তীতে আমরা ফিরে আসি সুনামগঞ্জে আর টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই সে হুমকি ধামকি দেয় মামলা সত্য লিখে দেব।