NID নেয়ার ঘুষ
টাকা না দিলে NID দিবে না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা না দিলে NID দিবে না
আমি সার্টিফিকেট সংশোধন এ গেলে কর্মকর্তা চা-পানি খাওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। আমার জরূরী ভিত্তিতে NID তৈরির জন্য আমি তাকে তা দিতে বাধ্য হই।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে।
ভূমির নামজারির জন্য নিজে উপস্থিত হয়ে কয়েক দিন চক্কর কাটা এভয়েড করতে এক হাজারের স্থলে সাত হাজা টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
আমি একটা ঠিকাদর কোম্পানির ফাইনাল বিল আনতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পটুয়াখালী জেলা অফিসে গেলে হিসাব রকক্ষক — আমার কাছে দশ হাজার টাকা দাবী করলে আমি অস্বীকার করি।পরে তিনি তার মসজিদের ইট কেনার জন্য টাকা দাবী করলে আমি তাকে ঘুস বাবদ দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি করিয়ে আনি।
যখন আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল ও কলেজ) প্রেক্টিকাল খাতা নিতে যায় তখন দফতরি আমার কাছ থেকে ৩০ টাকা এক্সট্রা খুজে বিষয়টি ছোট মনে হলেও তিনি এটা প্রায় করেন। যখন ব্যবহারিক পরীক্ষা হচ্ছিল তখনো সবার থেকে টাকা খুজেছিলেন।
সে বলল, "আপনার ১৬.৫ শতাংশ জমির নাম জারি করতে ৬০০০ টাকা লাগবে, তাছাড়া করা সম্ভব নয়। অন্যেরা এর চেয়ে বেশি নেয়। আপনি পরিচিত তাই কম নিচ্ছি।
আমার পারিবারিক উত্তরাধিকারি সুত্রে পাওয়া জমি গুলো নামজাড়ী করতে পারছিলাম না, কারন কোন বন্টননামা দলিল নাই। টাকা দিলাম আর এক দিনে নামজারী হয়ে গেল।
My tax file was selected for an audit, and despite having all the required documentation, the officials refused to review my proof. Instead, they demanded bribes of ৳15,000 for the DCT and ৳4,000 for the staff. I was forced to pay them off to avoid a bogus fine of around ৳1,00,000."
ফেনীর ভ্যাট অফিসার এবং তার অফিসের সদস্যরা মিলে মানুষকে ভ্যাটের নামে নাজেহাল করতেছে।সরকার যে ভ্যাট আরোপ করছে সেটা যদি সবাইর থেকে সেইম ভাবে এবং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় তাহলে আপত্তি নাই। এখন উনি যেই প্রতিষ্ঠানকে ধরে ওইটা থেকে কিছ টাকা বাংকে দিয়ে বাকিটা নিজের জন্য রাখি দেয়।আমি ২ টা প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫০০০০ টাকার মত পরিশোধ করছি কিন্তু উনি ওই টাকার কোন ইনভয়েচ দেয় নাই।
আমি সরকারি দেওয়া সকল নিয়ম মেনে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। আমার আবেদনে সব ঠিক ছিলো। আর এই আবেদনটি আমি নিজে করেছিলাম এটাই আমার ভুল। কোনো কারন ছাড়াই আমার আবেদন জমা নেয়নি। কিন্তু তারপর এক দালাল আসলো। তিনি বললো ভাই আপনার সব ঠিক আছে কিন্তু আপনার ভুল হলো আপনি নিজে আবেদন করেছেন। আমাকে(দালাল) ১৫০০ টাকা দেন ২০ মিনিটে কাজ হয়ে যাবে। আমি দলাল কে ১৫০০ টাকা দিলাম তিনি আবেদনে কোনো কিছু পরিবর্তন না করে । একটি গোপন কোর্ড নাম্বার লিখে দেয় আর ১০ মিনিটের মধ্যে আমার আবেদন টি জমা নিয়ে নেয়। এটা শুধু কুমিল্লা না। রাজশাহীতে এক ফ্রেন্ডের পাসপোর্ট করাতে গিয়েছিলাম সেখানে ও সেইম কান্ড। দালাল কে ১৫০০ টাকা দেওয়া লাগে। দালালের গোপন কোর্ড নাম্বার দেওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে আবেদন জমা নেয় কর্মরত অফিসার।
প্রতিটি এক্সপোর্ট ডকুমেন্টস এর সাথে ১ টা করে সিও/ সাফটা লাগে, যা ৩ টি টেবিল হয়ে ই পি বি থেকে পাশ করতে হয়। সরকারী ফিস ছাড়াও অতিরিক্ত আর ১৫০০ দাবি করে, যা শেষ পর্যন্ত কোম্পানির স্বার্থে এক্সপোর্ট বাধাগ্রস্ত যাতে নাহয় সেজন্য দিতে হয়। যা নিয়মে পরিণত হয়েছে।
ডিসি অফিসের নাম সংশোধন সংক্রান্ত নথি যিনি জমা নেন উনি প্রথমে বলেছিলেন দেড় মাস পর সংশোধন করা হবে, টাকা জমা দিলে ৩ দিনেই সংশোধন।
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত এফসি আর্মি লগ অফিসে ঠিকাদারি বিল সহ যেকোন বিল পাশ করাতে ০. ৮% করে টাকা দিতে হয়। অফিস সহায়ক থেকে অফিস প্রধান সবাই ভাগ পেলে বিল পাশ করায় অন্যথায় বিল ফেরত দিয়ে দেয়। অভিযোগ জানালেও কাজ হয়না।
ডাইরেক্ট টাকা চাইছে দিতে হয়েছে। না দিলে লাইন দিবেনা
Passport renew korte gele amake bole 6 month chara hobe nah Fingerprint dite 2 months time lagbe then 4 months lagbe aro in totall Passport pete 6 Months lagte pare but 10.000 taka extra dile dile 15 days por pabo.....(kichu Police boshe thake + Ansar ora ai danda ta kore )
চাকুরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে পুলিশকে টাকা দিতেই হবে না হলে রিপোর্ট খারাপ দিয়ে দেবে।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে বলছিল। পরে বন্ধুর সহায়তায় টাকা ছাড়াই হয়েছে
হাউজিং অফিসে যে কোন মানুষ যদি সেল পারমিশন বা নামজারি বা আনুষঙ্গিক যে কোন কাজ করতে যায় তার এই টাকা পরিশোধ করতেই হবে। আমাকে ও করতে হয়েছে।
পিতা তার সন্তানদের জমি দানপত্র করার জন্য মহেশপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়েছিল, মোট পর্চা ছিলো ৩টা, প্রতি পর্চায় ৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে... পিতা তার পিতার থেকে ওয়ারিশ সম্পত্তি পেয়েছে। মূল নাম ঠিক থাকলেও নামের আগে ও পরে বেগম/খাতুন এই ধরনের ইস্যু ছিলো...