Birth Registration
For my childs birth registration approved.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
For my childs birth registration approved.
No one interested to run the ETP. Because even if your ETP will work, without bribe report will be bad. So we suggest to give the lab test of water to independent lab, like SGS, TUV ot Intertek.
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় 2 ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে 2-3-5 হাজার দেয় ।তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই ।তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি 500 । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
ঢাকা মহানগর পরিবেশ আদালতের একটি চেকের মামলা প্রায় 10 বছর ধরে চলার পর রায়ের জন্য রেখেছে, 2 দিন পর্যন্ত রায়ের তারিখ কজলিস্টে না বসিয়ে আমাকে পেশকার ডিরেক্ট প্রপোজাল দিয়েছেন 3 লক্ষ টাকা দিলে আজকেই রায় করিয়ে দিবেন। পরে আমি না দেয়ার কারণে আমার রায় টা আটকে দিয়েছেন।
আমার ফ্যক্টরির ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে স্থানীয় ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর এই টাকা দাবি করে সরকারি ফি এর বাহিরে। আমি অন লাইনে আবেদন করে প্রায় ২ মাস অপেক্ষা করি কোন পদক্ষেপ নেয় নাই। তখন ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলে সে এসে টাকা দাবি করে। তখন কোন উপায় অন্ত না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
টাকা ছাড়া বিলই পাশ করেনি
প্রথমত আমি নিওম অনুযায়ী অনলাইন এর মাধ্যমে আমার ডকুমেন্টস সহ ১৫০০ টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। এরপর নির্ধারিত আমি নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সেই থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত কম্পিউটার অপারেটর এর কাছে যাই, বিস্তারিত বলি এবং তিনি একটা পর্যায়ে আমাকে বলে আপনার আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন কারণ দেখান এবং বলেন সব কিছু নতুন করে আবেদন করতে হবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিতে হবে।আমার হাতে সময় ছিলনা, ভিসার তারিখ কম থাকায়, আমি তার সাথে আর কোন আরগুমেন্ট এ না গিয়ে টাকাটা দিয়ে দিতে বাধ্য হই। আমি আরো কয়েকজন এর সাথে কথা বলে বুঝলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন হেনস্তার শিকার হচ্ছে সেবা গ্রহিতারা।
বিল উত্তোলনের জন্য ট্রেজারি অফিসে প্রয়োজনীয় MB Book ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বিলের টাকা উত্তোলনের জন্য প্রতি ১ লাখ টাকায় ১০০ টাকা প্রদানের দাবি করা হচ্ছে। উক্ত টাকা প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানালে MB Book ও চেক প্রদান করা হচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও আমার বিলের টাকা উত্তোলন করতে পারছি না এবং পেমেন্ট প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আমিসহ আরো ১০ জন একসাথে ২০২৪ সালে দক্ষিন কোরিয়ার ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলাম। কোরিয়া যাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে প্রত্যেক চাকুরী প্রার্থীকে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে হবে। প্রত্যেকের নিজ জেলার সিভিল সার্জন সেটাকে অনুমোদন করবে। এবং কোন কোন টেস্ট করানো লাগবে সেটা বোয়েসেলের নোটিশে বলা ছিলো। আমরা সকল টেস্ট সম্পন্ন করে রিপোর্ট নিয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গেলে উনার পিয়ন প্রত্যেকের কাছথেকে ৩,০০০ করে চায়। অথচ, সরকারি ফি-২৫০টাকা। যেহেতু, আমাদের এই রিপোর্ট সাবমিট করার লাস্ট ডেইট ছিলো তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে স্বাক্ষর নিতে হয়েছিলো। আর হ্যাঁ উনি আমাদের জেলার তৎকালীন সিভিল সার্জনের পিয়ন। মানে টাকাটা সিভিল সার্জনই নিয়েছিলো।
আমি ৫০০০০ টাকা সোনালি ব্যাংক এ ঋণের জন্য জন্য আবেদন করি সেখানে দালান ছাড়া কাজ হয়না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
পৈতৃক সম্পত্তি। তিন জনের নামে দলিল হইছে। বি.এস. সবার নামে দিয়ে দিছে ভূমি অফিস। তা ঠিক করে খারিজ করতে আড়াইলক্ষ টাকা চাইছে পরে দুই লক্ষ দশ হাজারে রাজি হইছে
একটি প্রতিষ্ঠান এর মেইন রোডের পাশে ১৯ শতাংশ জমি রয়েছে যার বিগত ৯ বছরে ল্যান্ড ট্যাক্স এসেছিল ২১,০০০/- টাকা মাত্র৷ এস্টেট ডিপার্টমেন্টে থাকার কারণে সেই টাকা জমাদান এর সময় তারা অনেক ঘোড়াঘুড়ি করায়৷ সহজে সমাধান করে দিতে চায় না৷ পরবর্তীতে একজন এর মাধ্যমে একটি প্রস্তাব আসে৷ ভাই বিশ হাজার আমাদের খরচ হিসাবে দিয়ে দেন, আমরা আপনার ২০২৬-২৭ অর্থবছর পর্যন্ত খাজনা আপডেট করে দিবো৷ অবাক হয়ে দেখলাম যেখানে অফিসিয়ালি খাজনা আমার ৯৫০ টাকা হয় বছরে সেখানে তাড়া মাত্র ৪০ টাকা করে দিয়েছেন এবং খাজনা আপডেট করেছেন৷ অর্থাৎ এই ৪০ টাকা সরকার কে দিয়ে বাকী টাকা টা সরকারী কর্মকর্তা তাদের পকেটে ঢুকিয়েছে৷ সরকার আমারদেয়া খাজনা থেকে বাজেয়াপ্ত হইলো শুধুমাত্র কিছু অসত সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের জন্য৷ খারাপ লেগেছে খুব
”আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে আমি কার মাধ্যমে আবেদন করেছি, আমি বলি আমি একা আবেদন করেছি অনলাইনে সকল শর্ত মেনে আবেদন নিজে থেকে দাখিল করেছি এবং জিগজ্যাগ টেস্ট ফেস করার জন্যেও প্রস্তুত। তবে, আমাকে টেস্ট এ পাশ করবার জন্য টাকা দাবি করা হয় । নয়তো ফেল আসবে। ওখানে টেস্ট দিতে আসা একজনের কাছে জানতে পারি সে কয়েকবার পরীক্ষা দিয়েও পাশ করতে পারেনি।
নামজারি করার সরকারী ফি সব ইঙ্কলুডেড ১১৭০ টাকা। কিন্তু আমার কাছে ১১০০০ টাকা দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে নয়তো বিভিন্ন ঝামেলা দেখিয়ে নামজারী হোল্ড করে রাখা হবে।
কালিহাতী ভূমি অফিসে নামজারির জন্য 70 হাজার টাকা চেয়েছিল নাজির সাহেব।
নাম জারি করতে দিরঘ দিন ঘুরে না পেরে
তারা আমাকে বলেছিল সরকারি ভাবে যদি করতে চান তাহলে কখনো হবে না । আমাদের কি খরচ দিয়ে দেন তাহলে তাড়াতাড়ি করে দেবো। শুধু আমাকে না আমার এলাকার আরো ১৫/২০ জনকে
মাসিক ভ্যাট রিটার্ণ জমা দেয়ার সময় প্রত্যেক মাসেই ১০০০ টাকা চাওয়া হয় এবং এটা পরিশোধ করা লাগে, পরিশোধ না করা হলে পরবর্তীতে রিটার্ণের ফাইল টা অডিটের জন্যে সিলেক্ট করে হয়রানি আর অনেক বেশি ডিমান্ড করে। এটা ভ্যাট অফিসের রেগুলার ঘটনা।
LGED-এর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর (XEN) অফিস ও উপজিলা ইঞ্জিনিয়ার এর অফিসে প্রতি বিলের ৪% টাকা প্রদান করতে অস্বীকার জানাই। ফলে, জুন ক্লোসিং এর সময়ে আমাকে বিল প্রদান না করে টাকা ফেরত পাঠায়। এখন চলতি মাসের শুরুতে আমার প্রকল্পের ফান্ড এসেছে কিন্তু আমি টাকার জন্য প্রতিদিন জুতা ক্ষয় করছি তারপরও টাকা পাচ্ছি না। উল্লেখ , আমার বিল পাস হয়েই আছে।
আমি পুলিশের চাকুরী চুত সদস্য আমার চাকুরি কালীন জমানো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে একলাক্ষ টাকা ঘুস চায়।যেখানে আমার মোট টাকায় ছিলো আড়ায়লক্ষ মাএ । আমি দেখলাম চুকরী যাদের চলমান তারাও টাকা ছাড়া বিল পায় না। এর জন্য জেলা একাউন্ট অফিসে কর্মরত পুলিশ সদস্যরাই টাকা ছাড়া বিল দেয়না। যায় হোক আমি রাজি হয়েও ঘুষের টাকা পরিশোধ না করাই যে বিলটা পেতে ১০থেকে ১৫ দিন সময় লাগে ঐ বিলটা ৮মাস ঘুরতে ঘুরতে পেয়েছি।