পাসপোর্ট আবেদন
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আনসার কে ১৫০০ টাকা দিছি, সব কাজ করে দিছে। ২/৩ টা ডকুমেন্টস ছিলো না, তার পর ও সব ডকুমেন্টস ক্লিয়ার, কোন লাইনে দাড়াতে হয় নাই । VIP ট্রিটমেন্ট পাইছি। আমার সাথে অন্য একজনের ৪-৫ ঘন্টা লাগছে, আমার ৩০-৪৫ মিনিটে ছবি তোলা ও সকল কাজ শেষ।
পোলটি শরানোর জন্য ৯০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে ৩০০০০ টাকা ব্যাংক জমা দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত 10% কাজ হয়েছে বাকিটা পেন্ডিং এ আছে।
বিডিএস জরিপ এর খতিয়ান চাওয়ায় সরাসরি আমার থেকে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয় আমি দিতে না চাওয়ায় আমাকে বলা হয় জরিপ থেকে আমার জমির নাম কেটে দিবে
আমার মায়ের কেনা একটা জমি ছিল যা বিক্রি করার সময় খারিজ আর ট্যাক্স কাগজ দরকার ছিল। অনলাইনে আবেদন করার পর রিজেক্ট করে দেয়। পরে অফিশে যেয়ে ৫০০০ টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে। কোন অতিরিক্ত কাগজ চায় নাই। আগে যা দিয়েছি তা দিয়েই কাজ হয়েছে।
সিনিয়র স্টাফ নার্সদের বদলি হওয়ার পর, তাদের নিকট বিভিন্ন ভাবে টাকা দাবি করে, প্রধান অফিস সহকারী — এবং তারই নিজস্ব লোক — চুক্তি ভিত্তিক যাকে দিয়ে অফিসের যাবতীয় কাজ করানো হয়। এরা দুইজন মিলে নার্সদের বদলি হওয়ার পর, এলপিসি ও ছাড়পত্র দেওয়ার নামে প্রত্যেকের কাছ থেকে দশ হাজার করে টাকা দাবি করে এবং প্রত্যেকে টাকা দিতে বাধ্য হয়। থানচি উপজেলা হাসপাতালের এসব দুর্নিতি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
জোন ২ সার্কেল ৪২ এ 2020 - ২১ সালের অডিট দাবিতে প্রায় ৪০০০০০০ টাকা দাবিতে একটি একটু টোসিস প্রেরণ করে ৩০/০৬/২০২৬ তারিখে যাহা আইনগত ভাবে তামাদি ও বেআইনি , সেই অডিট থেকে রেহাই পেতে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে
সত্য ঘটনা মামলা করা হয়েছে সেটার তদন্তের জন্য এ এস আই আসলেন এবং আট হাজার টাকা চাইলেন। বাধ্য হয়ে টাকাটা দিতে হলো। অবাক করা বিষয়, আসামি পক্ষের নিকট হতে ও টাকা নিলেন।
ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়ে আযাচিত ভাবে সাইন বোর্ড এর সাইজ বেশি দেখানোর চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন হুমকি ধামকি আইন দেখানো হয়। যেখানে আমার সাইন বোর্ড নেই শুধু সাটারের উপর ১০*১ স্টিকার আছে সেখানে প্রত্যেক বার তার ফি দিয়ে এসেছি। এইবার সরাসরি টাকা দাবি করা হয় না হলে সাইন বোর্ড এর সাইজ বাড়াতে বলে।নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করেছি
আমি একজন পুলিশ অফিসার। বিভিন্ন মামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আমাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হয়। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমসি (মেডিকেল সার্টিফিকেট) এর আবেদন করলেও তা ১০০০/ টাকা প্রদান না করলে মাসের পর মাস ঘুরতে হয়। অপর দিকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিজ্ঞ আদালত সবাই তদন্ত রিপোর্টের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। তাদের কে এটা জানালে তারাও বলেন ম্যানেজ করো। বাধ্য হয়ে এমসি প্রতি ১০০০/- টাকা প্রদান করতে হয়। টাকা দেয়ার ১ সপ্তাহর মধ্যে কিন্তু এমসি পাওয়া যায়। এটা একটা সিস্টেম এ রূপ নিয়েছে। দেখার কোথাও কেউ নেই। বারবার বলেও প্রতিকার পাচ্ছি না।
প্রক্রিয়াটি এমন ভাবে করে রাখা হয়েছে,যে ফিল্ড টেস্ট এ কেউই পাস করতে পারবে না।10 বছর ২০ বছর ধরে গাড়ি চালিয়েও পারবেনা। সুতরাং টাকা দিতেই হবে। টাকা দিলেই পাস।
আমি ২০২১ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। লিখিত ও প্রাকটিকাল পরিক্ষায় উত্তির্ন হই। কিন্তু তার পরে টাকা না দিতে পারাই আমাকে ফিংগার দেয়ার ডেট এই ৫ বছরে দেয় নি।
Dalal Application Kore Sing kore Dile, kono kichu bole na, shathe shathe file receive kore. finger ne.
বিদেশীদের ভিসা তদন্ত রিপোর্ট ছিলো। রিপোর্টের জন্য টাকা না দিলে নেগেটিভ দেয়। আমরা কোম্পানিরা ওদের কাছে জিম্মি। তারা কয়েকজন মিলে সিন্ডিকেট হয়ে তদন্ত গুলো করে। দায়িত্ব থাকা লোক সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। সে এমনভাবে চলে মনে হয় ভালো লোক। কিন্তু সবকিছু সে নিয়ন্ত্রণ করে।
I was recommended 17 th NTRCA. For MPO enlisted and for arrest our headmaster claim money.
মোট দলিল ৬ টা, প্রতি দলিল এর নকল উঠাতে ৫০০০ করে নিয়েছে আর খারিজ করতে ২৫০০০ করে নিয়েছে।সব মিলিয়ে ৩০০০০+১৫০০০০=১৮০০০০/- নিয়েছে।
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা আনতে গেলে এই ঘুষ দাবি করে
বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাচন অফিস হতে আমার স্মার্ট এনআইডি কার্ড নিতে । দায়িত্বতর কর্মকর্তা ২০০০ টাকা দাবি করে ।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আমাদের এলাকার ২০১৮ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন হয়েছে। হঠাৎ করে ২০২৩ সাল থেকে হোলিং ট্যাক্স এর নামক আধুনিক ঘুষ দেওয়ার পরিকল্পনায় করছে সিটি কর্পোরেশনের লোক। কোন ধরনের নাগরিক সেবা পাচ্ছিনা সিটি কর্পোরেশন থেকে।আমরা আগেই ভালো ছিলাম সিটি কর্পোরেশনের হওয়ার পর থেকে সেবা না পেয়ে। তাদেরকে ঘুষ প্রদান করতে হবে ঘুষ না দিলে নানা ধরনের হুমকি বিদ্যুৎ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা পানি কোন ধরনের নাগরিক সেবা দিবে না এমন টাইপের হুমকি প্রদান করে সিটি কর্পোরেশন লোকরা।
ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)
দপ্তরে থানা যুক্ত করার অনুরোধ করছি। আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা অনেক পুরাতন। আমার মা হজ্ব এ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে দিছিলো আর সেই পাসপোর্ট ভেরিফিকাশন আসে গাবতলী থানায়। থানা থেকে ফোন দেয় সেখানে যাওয়ার জন্য। যাওয়ার পর টাকা দাবি করে তাছাড়া পাসপোর্ট হবে না বলে দেয়। হজ্ব এর কথা বলার পর ও পুলিশ ঘুষ খাইলো।