ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন
প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন এর জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে পনের হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
প্রতিষ্ঠানের ফায়ার লাইসেন্স পুনঃ মূল্যায়ন এর জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে পনের হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।
ntrca থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের ফাইল পাঠানো হলে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস থেকে এমপিওর জন্য ২০০০০ আর এরিয়ার জন্য ১০০০০ ঘুষ চেয়েছিল। দুই ধাপে আমি ২৭০০০ টাকা ঘুষ পরিশোধ করেছি তারপর আমার ফাইল ঢাকা পাঠানো হয়েছিল।
warish jomi namraji korte dite hoyeche, ghush chara diyechilam hoi nai, but jokhon ghush dilam tokhon 1 week er moddhei hoye gelo.
ব্যক্তি রিটার্ন এর প্রতিটা সার্টিফিকেট এর জন্য 2000 টিকে করে দিতে হয়, শুনেছি এই টাকা নাকি ফাইল এর উপর নির্ভর করে। বড় ফাইল হলে বেশি টাকা। ছোট ফাইল হলে কম।
হাজার হাজার মানুষ থেকে ১৫০ টাকা করে বাড়তি টাকা নেই।বাড়তি টাকা না দিলে কাগজ রিসিভ করে না।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়ন পরিষদ হতে কোন প্রত্যয় নিতে গেলে যেমন নামের ভুল, ওয়ারিশান সনদ ইত্যাদি। কম্পিউটার অপারেটর সাহেব,। উনি প্রতীকাগজে ২শত টাকা করে ঘুষ দাবি করেন।
নোয়াখালী সদর উপজেলার ইজিপি টেন্ডার ইস্যু করা হয় মেসার্স হারুন ট্রেডার্স নামে ২৫-২৬ অর্থ বছরে, সরজমিনে কাজটি সম্পাদন করার পরে । নোয়াখালী সদর উপজেলা সাব এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার — বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে আমার কাজের বিল বন্ধ করে রাখে। আমার প্রাপ্য বিলের এক পারসেন্ট তাকে দেওয়ার শর্তে বিলটি ফাইলটি সে স্বাক্ষর করে অন্য টেবিল হস্তান্তর করে ( তাকে ৬০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি )। এরপর কম্পিউটার অপারেটর — বিলের তৈরি জন্য১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। সহকারী একাউন্ট —কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। মূল অ্যাকাউন্টস এর দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা বলেন অফিসে সকলের জন্য বিলের ২.৫০% দিতে ২৬০০০ ঘুষ দিতে হবে। তা দিয়ে কাজ সম্পন্ন করিতেছি 😭😭
উনি একজন ভুমি অফিসের নায়েব, ১১৭০/- টাকায় নামজারি করা হলেও, উনি ৫০০০ টাকার কমে নামজারি করেছেন এমন কোন তথ্য পাওয়া যায় নি।।
নামজারি করা সময় আমার দলিল এবং খতিয়ান এবং আইডি কাড এ তিন যায়গায় তিন রকম নাম আমি এবিড এভিড কপি দিছি কিন্তু তারা টাকা দাবি করছে কাজ টা করে দিয়া জন্য নায়েব চাইছে
উত্তরা দিয়া বাড়ীতে আমার বাইকের কাগজ যাচাই করছে,এই সময় আমার টেক্স টোকেন এর Date ছিল না,তাই পুলিশ সার্জেন্ট — ৫০০০ টাকার মামলার ভয় দেখায়, পরে অন্য ট্রাফিক পুলিশ বলে ১০০০টাকা দিলে ছেড়ে দিবে,পরে৫০০টাকা ঘুষ দিয়ে চলে আসছি।
জিপিএফ ফান্ডের টাকা উঠাতে গিয়েছি। ২লাখ টাকা। ১২ হাজর টাকা ধাবি। চেয়েছে প্রধান অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অফারেটর।
জমি খারিজ করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, কিন্তু তারা ফাইলটি আটকিয়ে রাখেন, আমার জমি জরুরী ভিত্তিতে বিক্রি করার জন্য শেষমেশ আমি ৮০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে নামজারি করতে বাধ্য হই,,
আনুমানিক ২০১৯ সালে ফেনী পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজপত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা জমা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সেখানকার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ফেনী শহরের ভেতরের এক দালাল দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ৩,০০০ টাকা নেয়।
নামজারি করার জন্য, সাইট ভিজিট করবে তাই বাইকের তেল খরচ।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
আমার আম্মার জায়গা, আম্মার ভাই দিতে চায় না, মামা নিজের নামে নামজারি করতে চায়, এটা অভিযোগ দিলে, ভূমি অফিসের লোকজন বলে, ২লক্ষ দিলে তারা এটার ব্যবস্থা করবে। আমার জায়গা আমি চায়তে, ঘুষ দিতে হচ্ছে, বাহ। I hate Bangladeshi system যদিও এদেশ তত ভালো না, I hate Bangladesh too
বিল প্রসেস করার জন্য মিষ্টির টাকা দাবি করেছিল সিএফও পররাষ্ট্র অফিস।
সেবাটি ছিলো ঘুষ দিলে ফিল্ড টেস্ট পাস ঘুষ না দিলে পরিক্ষা ফেইল। আমি ঘুষ দিইনি আমি ফেল করি কিন্তু যারা পাস করে তারা সবাই ফেইল কেউ কেউ দুই সাইডের খুটি ভেঙ্গে ফেলে তারপরও তারা পাস। আমি স্মুথলি সব কিছু করার পরেও রেজাল্ট চেক করে দেখি আমি ফেইল।
রেলওয়ে ভূসম্পত্তির যে খাজনা তা পরিশোধ করার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই,কারণ বেশ কিছু বছরের খাজনা বাকি ছিল, সেখানে প্রথমে একজন পাচ হাজার টাকা দাবি করে, তারপরে পাশের টেবিলের লোকের কাছে যাওয়ার পর দশ হাজার টাকা দাবি করে। এরপর উপায় না পেয়ে আমরা লালমনিরহাট রেলওয়ে কানুনগো অফিসে যাই, সেখানে গিয়ে দেখি সেখানকার অবস্থা আরো বেশি খারাপ, আমার সামনেই একজন রেলওয়ে কর্মকর্তা কর আদায় করে তারা সবার কাছ থেকে ঘুষ চাচ্ছে, কেউ যদি বলে একটু কমান, তখন সাথে সাথে উনি বলে কথা বললেই আরো ১০০০ টাকা করে বাড়বে, আর এই লোক গাইবান্ধারই সেই লোক ছিলেন। পরে আমার খাজনাটা অন্য এক লোকের কাছে দেই সহ সে আমাদের কাছে টোটাল ৯০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছিল, যার মধ্যে পরিশোধিত রিসিটে আমাদের খাজনা ছিল ৪৯ হাজার
যে কোনো নতুন পাসপোর্ট বানাতে বা রিনিউ করতে গেলে এই টাকা দেওয়া লাগে। তাছাড়া কাজ হয় না। টাকা আগে পরে কাজ। না হলে ৭-৮ দিন পর ডাকে। সাধারণ মানুষকে ঘুরাই।