নতুন পাসপোর্ট জমা
নানান অজুহাত দেখিয়ে ঘুরানোর পর দালারের মাধ্যমে জমা দেওয়া
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৯৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নানান অজুহাত দেখিয়ে ঘুরানোর পর দালারের মাধ্যমে জমা দেওয়া
আমার বকেয়া খাজনা ভূমি অফিস অনলাইন বা অফলাইন এ রিসিভ করছিলোনা, হোল্ডিং নম্বর এর জটিলতা দেখিয়ে, তৃতীয় পক্ষের সহযোগিতায় ১৪,০০০/- ঘুষ প্রদান করে আমাকে খাজনা হালনাগাদ করতে হয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা এবং পাসপোর্ট অফিসে ১২০০ টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছে।
জেলা থেকে সরাসরি বলে দিলো ৫০০,০০০/ লাগবে।
১ হাজার টাকা দিলে তিন দিনের ভিতরে নামজারি মঞ্জুর হয়ে যাবে। টাকা না দিলে কবে হবে এটা বলতে পারব না। এই টাকা দাবি করে কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকা এক ব্যক্তি। আমার মনে হয় কোন অফিসার ঘুষ খায় না। ঘুষ খায় দ্বিতীয়/তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা
থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পাচলাইশ এর কেরানি টাকা ছাড়া কোন কাজ করেন না। বার্ষিক জিপিএফ এর কর্তণের হার বৃদ্ধির জন্য আবেদন করলে অফিস খরচ বাবদ 500 টাকা নিয়ে নেয়।
রেজিস্ট্রেশন হবে না মর্মে জানানো হয়
আমার কোম্পানি একটা ডিভাইস ইম্পোর্ট করে থাকে যাতে প্রতিবার ডিভাইস কম পাওয়া যায় আর এবার ১২টা ডিভাইস কম পাইছি যার মূল্য ৩০০০০ টাকা যার কারনে আমার ডিভাইসের দাম বাড়াতে হইছে ।
সেবা টি ছিলো আয়কর অডিটসংক্রান্ত,আপিস নোটিশ করলে যোগাযোগ করি,প্রথমে পেশকার বলে কর পরিদর্শক রিপোর্ট দিবে তাকে ম্যানেজ করতে হবে, তার পর ডিসিটি স্যার কে তারপর সার্কেলের পেশকার, পিয়ন,ষ্টোনো,কে দিতে হবে,তারপর যুগ্ম কর কমিশনার স্যার ও তার অফিস, তার পর কমিশনার স্যার ওতার অফিস সব ম্যানেজ করতে হবে তা না হলে আপনার অনেক বড় সমস্যা হবে এই বলে টাকা চাওয়া হয়।
আয়কর রিটার্ন সার্টিফাইড কপি ঘুষ দিয়ে উঠাতে হয়।ঘুষ ছাড়া উঠানো যায় না।
আমার একটা পণ্যের স্যাম্প্ল এসেছিলো। সেটি বিএসটিআই এর যাচাই করে নাকি ঢুকতে হয় যেখানে সে পণ্যের আই এস ও সনদ রয়েছে। এতে বি এস টি আই কে নাকি ম্যানেজ করতে হবে। সুতরাং সেটি বাবদ ৪০০০ টাকা স্যাম্পলের জন্য চাওয়া হয়েছে। যেটি অন্যায়। আমি মনে করে কাস্টম বা পণ্য আনা, লাইসেন্সিং আরো সহজ হওয়া প্রয়োজন। ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, তা নাহলে উদ্যোগতা সৃষ্টি হবেনা।
আদালতের CR মামলা তদন্ত দেওয়া হয়েছে পুলিশের একটা সংস্থা বা ইউনিট কে,তদন্তকারী কর্মকর্তা আমার সত্য, সঠিক কাগজপত্র বা ডকুমেন্ট থাকার পরেও আমার কাছে টাকা দাবি করে বলেন যে আমি যদি টাকা দেই তাহলে আমার পক্ষে পজেটিভ রির্পোট দিবে। আমি রাজি না হওয়াতে আমার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ওনার পক্ষে রির্পোট দেয়।
ভোলা সদর উপজেলা, ১নং রাজাপুর ইউনিয়ন, কন্দকপুর মৌজায় ভূমি জরিপ চলমান, সেখানে একর প্রতি ৫০০০০ টাকা ষুষ লেনদেন হচ্ছে, —, মোবাইল :—
বোয়েসেলের মাধ্যমে সিজনাল শ্রমিক হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার জন্য সরকারি এজেন্সি বোয়েসেল নিয়োগ সার্কুলার দেয়। কিন্তু নিয়োগকর্তা তথা যারা ইন্টারভিউ নিয়ে সিলেক্ট করবে তারা ফোন দিয়ে ২৫০০০০ টাকা দাবি করে সিলেক্ট করার জন্য
nijer legal jomi kharij korar jonno era tk chara diccilo na...1st 10k, then 30k tk niye then kore diche.
সরকারি চাকররি বেতন চালু করতে চা নাস্তার খরচ বলে ২০০০ টাকা নিয়েছিলো না হয় কাজের অগ্রগতি করবে না বলেছিলো। প্রতি টিএ বিলে ৫% এবং শ্রান্তি বিনোদন ভাতায় ৫% নেওয়া হয়েছে। না হয় বিল আটকিয়ে রেখেছিলো। এসব কাজ এখনো চলমান
আমার ছেলের জন্ম নিবন্ধন সনদ দুই বছর আগে ( —ের জমানায়) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন হতে গ্রহণ করেছিলাম। পাসপোর্ট অফিসে এটি দাখিল করা হলে সেটি প্রত্যাখান করে। কারণ সনদটি পাসপোর্ট অফিসের সারভারের সাথে কানেক্টেড নয়। ফলে অন লাইনে সনদটি দৃশ্যমান নয়। যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট শাখা জানায়, " আরো সময় লাগবে। এ কারণে আমার ছেলের পাসপোর্ট করা সম্ভব হয় নি। মাস খানেক পূর্বে সিটি করপোরেশন একজন মশক নিধন কর্মী জানায় ২০০০ টাকা দিলে সে অন লাইন সনদ এনে দিতে পারবে। বাধ্য হয়ে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিই। এক সপ্তাহ পর সে আমাকে অন লাইন সনদ বাসায় পৌঁছে দেয়। র
আমাদের পাঁচ জনের বদলী জনিত কারণে এক স্টেশন হতে অন্য স্টেশনে গমনের প্রাক্কালে ভ্রমণ ভাতা হিসেবে দাবি করা হয় ১,০৩,৩৫৭. ০০ টাকা। নিয়ম মোতাবেক ভ্রমণ বিলটি সঠিক এবং আমরা প্রাপ্য। কিন্তু এই বিলটি পাস করার জন্য এফসি আর্মি পে-২ এর অডিটর আমাদের কাছ থেকে ১৫% হিসেবে ঘুষ দাবি করে। আমরা ঘুষ দেওয়ার পরে কথা প্রকাশ করায় সে আমাদের বিলটি পাশ করছে না। ১৫০০০/- টাকা ঘুষ দিলে বিলটি পাস করবে।
ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আমার বাবার একটা কাজের জন্য এও — স্যারের শরনাপন্ন হই ।তিনি আমার বাবার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কাজটি সম্পাদন করিয়ে দিতে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চেয়েছে ।আমি হতবাক তাহার এ প্রস্তাবে ।আমি বলেছি ২০ হাজার টাকা হলে আমার জন্য ভালো এর বেশি দেওয়া সম্ভব না ।পক্ষান্তরে তিনি বললেন এটা কি মাছের বাজার পেয়েছেন যে দর কষাকষি করছেন ।টাকা দিতে পারলে কাজ হবে নতুবা হবে না ।এমতাবস্থায় আমি কি করতে পারি ।
একটি ভ্যাট নিবন্ধন বন্ধ করার জন্য ৬-৭ মাস আগে দরখাস্থ করা হয়েছে । এই ঘুষ না দেয়ার কারনে বন্ধ করা হয় নাই এখন পর্যন্ত । যার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই নাই এখন, সে ভ্যাট দিবে আর কি ?