ফ্যাক্টরি লাইসেন্স
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
বাবা অসুস্থ দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই।সেখানে গিয়ে দেখি বেড খালি নাই। বেড সংগ্রহ করতে হলে টাকা লাগবে তা না হলে ফ্লোরে বিছানা করে থাকতে হবে।যা খুবই একজন রোগীর জন্য কষ্টদায়ক বিষয়।
অফিস স্পেসের নামজারির জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে । আমি বাধ্য ছিলাম
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
BRTA license paoar jonno must ghush dite hoy, nahole kono na kono vabe fail koraye dey, nij joggotay license paoa khub rear. amaro deoa lagse.
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
মিষ্টি খেতে টাকা চেয়েছিলো।আমি এড়িয়ে চলে আসি।
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
আমি কাজ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করেছি কিন্তু জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমার কাছে সব বিল বাবদ ২০০০০০/- টাকা দাবি করেন। দেই নাই বলে এখনো আমি বিল পাই নি ৬ মাস ধরে
আমার এক আত্মীয় বিদেশে থাকেন। তাঁর ঢাকা শহরে একটি বাড়ি ও গ্রামে কিছু জমি আছে। বাড়িতে ১০টি ফ্ল্যাট আছে। যার ৭টি ভাড়া দেয়া। অবশিষ্ট তিনটি ফ্ল্যাটের একটিতে আমি ও অপর দুটিতে তাঁর দুই বোন পরিবার নিয়ে থাকেন। তাঁর আয়কর ফাইল দীর্ঘ দিন যাবত একজন আয়কর উকিলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। অতি সম্প্রতি তাঁর ২০২৩-২৪ সালের আয়রক ফাইল স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে অডিটে পড়ে। যেহেতু আমার আত্মীয় একজন প্রবাসি তাই তাঁর অনুরোধে আমি অডিট নিষ্পত্তির জন্য তাঁর আয়কর উকিল ও অডিট টিমের সাথে যোগাযোগ করি। তারা সরজমিনে পরিদর্শন করে কোন অনিয়ম না পেলেও অডিট নিষ্পত্তির জন্য ৫০০০০০ টাকা দাবী করে। পরে আমার আত্মীয়ের সাথে আলাপ করে ৩০০০০০ টাকার বিনিময়ে তা ফয়সলা করা হয়।
পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়নের জন্য এই অফিসের ডি ডি, ইন্সপেক্টর, পিয়ন সবাই কে কোন কোন পর্যায়ে ঘুষ দিতে হয়, ঘুষ না দিলে তারা আপনার সাথে কথাই বলতে চাইবে না এবং আপনি আরো নানা ধরনের জটিলতায় পড়বেন।
আমার এই বছরের ট্যাক্স রিটার্ন এ ভুুল ধরা পড়েছিলো। যথাযথ কাগজ উপস্থাপন করার পরে সেটা নিষ্পত্তি না করে অন্য ভুল খুজে বের করা হয়। যেমন সরবরাহের ভ্যাট চালান। এরজন্য ২২ লাখ টাকা ভ্যাট ধার্য করা হয় এবং সেটা ১০ লাখ টাকায় সুরাহা করা হয়।
দলিল রেজেস্ট্রি করতে চেয়েছে
Ei office e every step e proti ta kajer jonno ghush neya hoy. Last time amr babar account theke mar account e taka transfer (after father died) tok money also did not pay money for 2 months. 2 months er taka mere dise.
একটি মর্টগেজ কৃত জমির ঋণ পরিশোধ হয়ে যাওয়ার পর, পাওয়ার মর্টগেজ রিডামপশন করার জন্য সরকারি ফি এর অতিরিক্ত প্রায় ১৫ হাজার টাকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ভেন্ডর এর মাধ্যমে তারা নিয়ে যায়। যেন একটা অঘোষিত আইন বাস্তবায়ন করেছে সবার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও সকল ক্ষেত্রে এটাই এটাই তারা নেয়। বাংলাদেশের ঘুষ দুর্নীতির এক নাম্বার হলো সাবরেজিস্ট্রি অফিস।
একই খতিয়ানে একাধিক মালিকের/ অংশিদার এর জায়গা। এখন একজন তার অংশের খাজনা দিবে কারণ তার জমি বিক্রি করবে। অনলাইনে আলাদা ভাবে পরিশোধ হয়না, একই খতিয়ানের সম্পুর্ণ দাগের খাজনা দিতে হয় যা ১৫০০০ টাকা। তহশিলদার বলে একজনের অংশ দিতে হলে ৫০০০ টাকা দিবেন আর আমি ৫০০ টাকার অনলাইন রশিদ দিব, কোন কথা নাই নতুবা সবই দেন। তখন বাধ্যহয়ে আমি ৫০০০ দিলাম। তারা ৫০০ টাকার রশিদ দিল। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কি।
সরকারি কলেজে শিক্ষকদের বদলী ও পদায়নে ঘুষ একটি ওপেন সিক্রেট বিষয়। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বদলীতে ২-৩ লক্ষ টাকা এবং ঢাকা মহানগরীতে ৫ লক্ষ টাকায় বদলী হয়। আমার নিজেকেও ৩ লক্ষ টাকায় এক সিটি কর্পোরেশন এর মধ্যে কলেজে বদলীর জন্য অফার করা হয়েছিল। এত টাকা আমার নেই। আর এখন টাকা দিয়ে বদলী হতেও চাই না। এই সিস্টেম বন্ধ হোক।
একইসাথে আমরা দুই বন্ধু পাসপোর্ট করিয়েছিলাম কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস থেকে। পাসপোর্ট এর কাজ শেষে, একদিন পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে। আমরা দুজনকে এক জায়গায় ডাকা হল, একটা ট্রাভেল এজেন্সির অফিস ছিল ওটা। গিয়ে দেখলাম, পুলিশ নামাজ পড়ছে। আহা।কত ভাল মানুষ।এমন পুলিশ হয়তো ঘুষ খাবেনা ধরে নিয়ে, এগোলাম। কিছুক্ষণ কথা হলো। বের হবার আগে বলে, কিছু খরচাপাতি হয়েছে, 2000 টাকা করে দিন প্রত্যেকে।। আমি অনেক অনুরোধ করে 1000 টাকায় এনেছি। আমি তো দিলেও, আমার বন্ধু কোন ঘুষ দেয়নি। পরে দেখা যায়, আমার পাসপোর্ট টা পাস হলেও, আমার বন্ধুর ঘুষ না দেয়ার কারনে পাস হয়নি। অগত্যা তার আবার কক্সবাজার পাসপোর্ট অফিস গিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হল। টাকা পরে ঠিকই দিয়েই কাজ সেরেছে।
আমি একটি ১০০% রপ্তানি কারক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কমার্শিয়াল ম্যানেজার। আমার প্রতিষ্ঠানের সহগ রিনিউ করার জন্য আবেদন করি, সব কিছু ঠিক থাকার পরো, ARO অফিসার আমার কাছ থেকে এই অর্থ দাবি করে। সে বলে এই টাকা সকল অফিছার কে ভাগ করে দিতে হবে। অফিসের পিয়ন থেকে শুরু করে মহাপরিচালক পর্যন্ত টাকা ছাড়া ১ টি স্বাক্ষর ও করে না।তার পর আমি আমার কোম্পানির মালিক কে বলে এই টাকা দিতে বাধ্য হয়। কারণ সহগ ছাড়া আমরা কোন পণ্য রপ্তানি করতে পারবো না।
আমার আম্মু আব্বুর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার জন্য, থানার কম্পিউটার অপারেটর ২০০০ টাকা দাবি করে নিছে!