জমি রেজিষ্ট্রেশন
জমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমি রেজিষ্ট্রেশন সংক্রান্ত
নোয়াখালী হাউসিং এস্টেট (দ্বিতীয় পর্যায়ে) জমির কেনার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এস্টেট), চট্টগ্রাম হাউসিং স্টেট, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তরের অনুমতি, নামজারীর অনাপত্তি প্রদানের জন্য ঘুষ দিতে হয়েছে। পরবর্তীতে বিল্ডিংয়ের প্লেন পাশের জন্যও ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।
আমি একটি NID সংশোধন কাজে গেছিলাম যেটা আমার জন্য খুব জরুরি,তারা যখন বুঝতে পারলো যে বিষয়টা জরুরি তখন ৪৫০ টাকার কাজ ৪০০০ টাকা চাচ্ছে 😡। এতো দুর্নীতি হলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
আমার মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন ছিলো না ট্রাফিক সাজেন্ট না*মু* গাড়ি টা ধরছে। ধরে বলে লাইসেন্স নাই কেনো। তার পর বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে মামল্ হবে তোর ৫ বছর জেল হবে। হয় ১৫০০০ হাজার টাকা দিবি না জেলে যাবি। সেই ভয়ে কুত্তার বাচ্চাকে পনেরো হাজার টাকা দিয়েছিলাম
পুরানো মামলার সইমোহর তুলতে
ঢাকা মিরপুর বিআরটিএ তে আমার একটি কাভার্ড ভ্যান পিকআপ গাড়ির সরকারের কাছে জমা নথিগুলো পাওয়া যাচ্ছিল না। এজন্য আমার গাড়ির মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। পরবর্তীতে ঘুষের বিনিময়ে গাড়ি মালিকানা বদলি করতে সক্ষম হই । এতে আমি ঘুষ দিতে বাধ্য ছিলাম বিগত ছয় বছর যাবত আমার মালিকানা বদলি হচ্ছিল না। সিলেট এবং ঢাকা দৌরিতে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছিলাম পরবর্তীতে আমি ঘুষ প্রদান করতে বাধ্য হই
কিটনাশক আমদানীতে প্রতি ফাইলে ৪০০০+৪০০০ টাকা দিতে হয় RO+Aro এবং প্রতিটা ফাইলে একটা টাকা দেওয়া বাদ্ধতামুলক
ফ্যাক্টরি লাইসেন্স নবায়ন করতে এই পরিমান টাকা দাবি করা হয়।
বাবা অসুস্থ দ্রুত সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাই।সেখানে গিয়ে দেখি বেড খালি নাই। বেড সংগ্রহ করতে হলে টাকা লাগবে তা না হলে ফ্লোরে বিছানা করে থাকতে হবে।যা খুবই একজন রোগীর জন্য কষ্টদায়ক বিষয়।
অফিস স্পেসের নামজারির জন্য ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে । আমি বাধ্য ছিলাম
সঞ্চয়পত্র ক্রয় করতে গেছিলাম, ফরম দিবে এমন সময় মিষ্টি খেতে ১০০০/- চাইছে। আমি আর ফরম ক্রয় করিনি।
BRTA license paoar jonno must ghush dite hoy, nahole kono na kono vabe fail koraye dey, nij joggotay license paoa khub rear. amaro deoa lagse.
Ami nid er jonn apply korsi then amk form joma dawar jonno 3k chaise
মিষ্টি খেতে টাকা চেয়েছিলো।আমি এড়িয়ে চলে আসি।
ফায়ার লাইসেন্স করার জন্য প্রতি বছর ২৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়, না দিলে তারা বলে ফায়ার এক্সিট প্লান করায় নিয়ে আসেন , আর যদি ফায়ার এক্সিট প্ল্যান করা হয় তারপর আরও কিছু করতে বলে যা সকল ব্যবসায়ীর জন্য কস্টকর ।
ইমারজেন্সি ছিল মালিকানা পরিবর্তন। মিরপুর বিআরটিএ তে ৪০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা কে।
৬ শতক বসতভিটা নামজারি তথা এসিল্যান্ড যাচাই করতে প্রথম দপে ২০০০ ২য় দপে ৮০০০ দাবি করে এবং পরিশোধ করি। এর আগে একই জায়গা বায়নানামা করতে ৪০০০০/- নিয়েছে। এখনো নামজারি হয়নি বরং জেলা অফিসে আটকে রাখা হয়েছে সেখানেও প্রাথমিকভাবে ১০০০০/- দেয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নামজারি বা কোনো সূরতহাল দেখা যাচ্ছে না, বরং ফাইল কোন স্তুপে পড়ে আছে তাও জানিনা।
টাকা চেয়েছিল অনেক কিন্তু আমি দেই নি।
Protibondhi sonaktokoron civil cerjon office
মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের নাইয়েব — ৪ শতাংশ একটি নামজারীতে ৩০ হাজার টালা ঘুষ দাবি করে তা না হলে নাকি ফাইল হবে না