নামজারী
বটিয়াঘাটা উপজিলা ভূমি অফিসে (AC Land Office) জমির নামজারী করার জন্য দালাল মারফত অফিস খরচ বাবদ ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা দেওয়ালাগে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বটিয়াঘাটা উপজিলা ভূমি অফিসে (AC Land Office) জমির নামজারী করার জন্য দালাল মারফত অফিস খরচ বাবদ ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা দেওয়ালাগে।
আমার জমির নামজারি, ও বাবার যে জমি আছে কিছু দাগ নাম্বার ভুল আছে, এগুলো সঠিক করে দিবে যদি ১ লক্ষ টাকা দেই তাহলে। পরে আমি টাকা দেইনি এখনও আমার কাজ ও হয়নি।
দাবী করা হয়েছিল। মা তার সম্পত্তি দুই মেয়েকে দিবে, যেহেতু তার কোনো ছেলে নাই। এই সম্পত্তির ভাগ যেন কেউ না পায়। মা অসুস্থ ছিল তাই অফিসে যেতে সক্ষম ছিল না। এটাই মায়ের অপরাধ।
হিসাবরক্ষণ অফিসের নামে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ক্রান্তি বিনোদন ভাতা বাবদ ২০০ করে টাকা নেয়া হচ্ছে । তারা বলছে এটি এজি অফিসে লাগবে ।
সরকারি ফি হিসাব করে এবং ব্যাংক ড্রাফ সবকিছু বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা নিয়েছে
ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য লাগে ২৭০২ টাকা আমার থেকে নিছে ৬০০০ টাকা
মোটরসাইকেল চালানোর পরীক্ষাতে পাস করা সত্ত্বেও আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য ৳3000 এক্সট্রা নিয়েছে।
পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে রোগী ভর্তি করানোর সময় সিট পেতে হলে টাকা দিতে হয় দালালকে, অন্যথায় মেঝেতে শুতে হয়।
আমার বাবার পৈতৃক সম্পদ আমাদের ভাই দের নামে আলাদা নামে নামজারি বা খতিয়ান তৈরি করার জন্য আবেদন করেছিলাম। সরকারি নির্ধারিত অনলাইনে নামজারি বাবদ ফি প্রতিজনে ১১৫০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও মাধাইয়া ভূমি অফিস ( চান্দিনা ভূমি অফিসের একটা শাখা) সেখানে দায়িত্ব রত কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। এবং এটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে তারা কোনো কাজ করতে পারবে না সরাসরি জানিয়ে দেন। তাদের ব্যবহার খুবই জঘন্য। এমন কোনো কাজ নেই তারা ঘুষ না নিয়ে করেছে। সরকারি ফি র কথা বললে তারা বলে সরকারের ঘর থেকে গিয়ে করে আনতে। তারা যেটা সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের সকল ভাইদের ৩৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের চা- নাস্তার জন্য।
আমি রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইতিহাস বিষয় নিয়ে অনার্স শেষ করেছি। ইমপ্রুভ দেওয়ার কারনে আমার সার্টিফিকেট কলেজে আসে নি। ইতিহাস ডিপার্টমেন্ট এ অনেক ঘুরাঘুরির (২ মাস) পর একটা সমাধান হয়। পরে আবেদন ফর্ম পূরন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র শুধু মাএ সত্যায়িত করতে ক্লার্ক আমার কাছে ১০০০ টাকা ঘুষ নেয়। পরে ঐ সকল কাগজপএ নিয়ে জাতীয় বিদ্যালয় গাজীপুর থেকে সার্টিফিকেট উওোলন করতে হয়। এ রকম হাজারো শিক্ষার্থী কত না হয়রানির শিকার হয়েছে, এ রকম অমানুষদের কারনে।
আমাদের মসজিদে এমপি,র কোটায় সংস্কারের জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে ১ম কিস্তির ১ লক্ষ টাকা পেতে ৬০০০/ টাকা বিভিন্ন টেবিলে দিতে হবে বলে জেলাপরিষদ সার্ভেয়ার ৬০০০/ টাকা নেন। কিন্তু পরবর্তী কিস্তির টাকা গত ৬ মাস যাবৎ বিভিন্ন অযুহাতে ঘোরাচ্ছে, এখন চেক রেডি করার জন্য একাউন্স সেকশনের নারী কর্মী আটকে রেখেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে ২ লক্ষ খরচ করে যথাযথ প্রমানাদি দাখিল করি। আমি নিজেও একজন সরকারি ১ম শ্রেনীর কর্মকর্তা। মসজিদের কাজে আর ঘুষ দিতে চাইনা, বার বার ফোন করছি, কিন্তু তারা তাদেরমত ঢিমে তালে আগাচ্ছে, প্রায়ই ফোন ধরে না।
নতুন আইডি কার্ডের ছবি তুলা, েটাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, তাই মেসে দেওয়ার জন্য 6000 টাকা দুটি আিইডি কার্ডের জন্য পরিশোধ করেছি। টাকা না দিলে মোবাইলে মেসে দিবে না, মোবাইলে মেসেস না গেলে ছবি তুলেতে পারে না। আমাদের হাওড়েরর যাতায়াত করা খুবই কঠিন, একদিনে যাতায়াত করা 500 টাকা লাগে। যেখানে বলে যে, আপনার ফাইল জমা দিয়ে যান, মেসে গেলে আসবেন, যা আমাদের হাওড় এলাকার জন্য খুবই কষ্টকর। তাই ঘুস দিলে আর মেসেসে জন্য অপেক্ষা করতে হেব না।
Parents birth certificate was old they didn't allow children birth certificate without money
Ami pasport banaitay gasilam amakay baolay 5 hajar dilay sob.kisu ok koray dibay
আমার ফিক্স ডিপোজিট করা ছিল টাকা এটা উঠানোর জন্য আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয়।
সরকারি বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দিবে বলে এলাকার মেম্বার ঘুষ চায় এক দরিদ্র মহিলার কাছ থেকে।
জন্ম সনদ বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ফি নাকি ৫০০ টাকা। কিন্তু ওয়েবসাইটে দেখেছি ৫০ টাকা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। না হলে কাজ হবে না। কিছুক্ষণ বসে থেকে দেখলাম সবার থেকে এমন বেশি টাকা নিচ্ছে। সিস্টেম হয়ে দাড়িয়েছে মনে হলো।
Dhaka দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এ আমার ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য 5000 টাকা দাবি করে, কম নিতে বলেছিলাম, নেয়নি। আমি সম্পুর্ন টাকা দিলাম। টাকা পরিশোধের পর বলল এক সপ্তাহ লাগবে address correction হয়ে আসতে। পরে দেখি ঐ দিন বিকেলে sms আসল ফি 320/= বাহ চমৎকার পরের দিন আমার লাইসেন্স পেয়ে গেলাম।
আমার চাচা আহত অবস্থায় মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তাকে এমবিবিএস ডাক্তার দেখে নি বা চিকিৎসাপত্র দেয়নি নার্সরা শুধু নরমাল ঔষধ দিয়ে ২ দিন পরে ছাড়পত্র দিবে বলে জানায় এবং ছাড়পত্রের জন্য ২০০০ টাকা দাবি করে টাকা না দেয়ার ছাড়পত্র দেয় নি এবং দুব্যবহার করে
ফেনী বিআরটিএ অফিসে দালালচক্র ও অনিয়মের অভিযোগ ফেনী বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং দালালদের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি নিজে আবেদন করে নিয়ম অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। অন্যদিকে, দালালের মাধ্যমে কাজ করালে সহজে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয় এবং এর জন্য প্রায় ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনী বিআরটিএ অফিসের আশপাশে দালালদের নিয়মিত আনাগোনা রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তারা সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে এবং দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য উৎসাহিত করে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।