পাসপোর্ট তথ্য সংশোধন
পুর্বের পাসপোর্টের সাথে নতুন আবেদনে বয়স সংশোধন ছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পুর্বের পাসপোর্টের সাথে নতুন আবেদনে বয়স সংশোধন ছিল
নাগরিক আইডি খুলেছি। সেখানে নামজারির নাম্বার অ্যাড করেছি। খাজনা পরিশোধ করার জন্য, কিন্তু ভুমি অফিস থেকে সেটা অ্যাপ্রভ না করে রেখে দেয়। পরে স্ব শরীরে গিয়ে হাজার টাকা দিয়ে কাজ টা করতে হয়।
বারবার হয়রানি হওয়ার পর সাধারণ চিকিৎসা অনুদান এর আবেদন অনুমোদন করানোর জন্য ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
এনজিও কার্যক্রম এর তদন্ত রিপোর্ট ডিসি অফিস থেকে ইউএনও অফিসে দিয়েছে। তিনি তদন্ত করে রিপোর্ট দিবে জন্য ডেকে পাঠিয়েছে। এবং সরাসরি টাকা চেয়েছে।
পটুয়াখালী পৌরসভার সকল শাখা ঘুষের বানিজ্য
Ami amar flat bashar jonno 2 ta mitter laganor jonno 55000 ghush deyesi. Akhono mitter lagi nai.
আজ ২৪ আগস্ট ২০২৬ সকালে আমি হানিফ ফ্লাইওভারের দনিয়া কলেজ এক্সিট থেকে বের হবার সময়, ট্রাফিক পুলিশ আমাকে আটকায় দ্বিতীয়বার। প্রথমবার আটকায় নীমতলিতে, যেখানে আমার সব কিছু ঠিক সাব্যাস্ত হয়। দনিয়া কলেজ রোডে পুলিশ আমাকে বলে আমার গাড়িরর জানালায় নাকি টিন্ট করা। এক গাড়ি ঢাকায় ৮ বছর চালাচ্ছি। গাড়ির ভেতর পরিস্কার দেখা যায়। উনি দাবি করলেন না এটা টিন্টই করা। আমার গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। বিধায় পাশে পুলিশ বক্সে নিয়ে গিয়ে আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা ঘুষ আদায় করে।
My wifes and babies passport was deliberately being refused stating that their permanent address is not in Dhaka and they cannot renew according to present address. The first day was gone roaming and requesting from table to table with my 2 year old.
সকল ডকুমেন্টস সঠিক থাকার পরেও বিগত ১ বছর ঘুরার পর নামজারি হয়নি বার বার ক্যাসিল হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে নামজারি করানো লেগেছে। যা আমরা নিরুপায়।
বলা হয়ছে না দিলে পরিক্ষায় ফেল দেখাবে না প্রেট্রিকেল ফেইল দিবে
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
চট্রগ্রামের রাউজান উপজেলায় পৌরসভা এলাকায় আমি বাড়ি করতে চায়, সেখানে বাড়ি করতে পৌরসভার অনুমোদন প্রয়োজন, তারা অনুমোদন দেয়ার জন্য ৫০০০০ টাকা ষুষ চাই
আমার থিম পার্কের লাইসেন্স প্রতি তিন বছর পর পিরভ রিনিও করি ২০ হাজার টাকা নিয়মিত ফি দিয়ে।২০২৫ এ এ বাবদ ১৪০০০০ টাকা দাবী করা হয়।ডি সি অফিস এ কাজ করে।এ ডি সি জেনারেল নিজেই ঘুষ নেন।
গাজীপুর জেলায় বনবিভাগের জমিতে বাড়ি করতে দেয় বনবিভাগের লোকজন।বনকর্মী,বিট অফিসার সহ।একটি পাকা ঘর করতে নেয় ৩০০০০ টাকা।এভাবে গাজীপুরে থাকা বনভূমিতে হাজার হাজার বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে প্রতিদিন।বিষয়টি অতিব জরুরি।টাকা নেয়ার কোনো প্রমাণ রাখে না।টাকা না দিলে বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।প্রতি সপ্তাহে এ ব্যাপারে "ঘটনার আড়ালে" পত্রিকা নিউজ করছে কিন্তু সবাই নিশ্চুপ।
কিছুদিন আগে আমি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে যায়, টিকিট কাউন্টারে আমি আমার বক্ষব্যাধি জনিত সমস্যার কথা জানালে উনি আমাকে জেনারেল ফিজিসিয়ানের টিকিট দেন, উক্ত টিকিট নিয়ে আমি লম্বা সিরিয়ালে দাঁড়ায়। সেখানে হস্পিটালের আইডি পরিহিত একজন আমাকে বলেন, "নাস্তা করার টাকা দেন রেফার্ড সিস্টেম ছাড়ায় সরাসরি বক্ষব্যাধি ডাক্তার দেখিয়ে দিচ্ছি।" আমি সেটা প্রত্যাখান করে হসপিটাল ত্যাগ করেছিলাম।
E fire license এর জন্য চেয়েছে, আমি দিতে বাধ্য, তা নাহলে লাইসেন্স দিবেনা, আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।
সিরিয়াল ওভারল্যাপ করে এক্সরে করা
সকালে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন হয়রানিকার করেছে এরপর যখন বাহিরের দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে সাথে সাথে করে দিয়েছে।
টাকা ছারা পাসপোর্ট আবেদন জমা নেয় না।