বর্ধিত ইনক্রিমেন্ট লাগানো
দুটি অনুমোদিত ইনক্রিমেন্ট শুধুমাত্র আইবাসে হালনাগাদ বাবদ দেওয়া টাকা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৮৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দুটি অনুমোদিত ইনক্রিমেন্ট শুধুমাত্র আইবাসে হালনাগাদ বাবদ দেওয়া টাকা।
পিজি হাসপাতালে একজন আনসার এসে বলতেছে, আমরা তো আপনাদের সেবা করি। আমাদের একটু সেবা করুন।
খিলক্ষেত এসি ল্যান্ড অফিসে আমাদের উত্তরার ফ্ল্যাটের মিউটেশন ইস্যুতে এই টাকা চাওয়া হয় উত্তরাতে মৌজা ঝামেলার কথা বলে।
একটা মসজিদ এর উন্নয়ন এর জন্য অনুদান এবং গণকবরস্থান বাঁধানোর জন্য অনুদান বরাদ্দ করার জন্য মোট ১২০০০০/- দাবি করেছে। আমি দেইনি । স্থগিত আছে ।
ভুল নাম জারি তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে ও নামজারি বাতিল করবে তা করতে ঘুষ দিতে হবে, তারা প্রথমে সরাসরি টাকা চায়না, অনেক ঘুরানোর পর বলে এইভাবে (অফিসিয়াল) ভাই খালি ঘুরবেন ই কাজ এগবেনা। তদন্ত অফিসার ও শংস্লিস্ট অন্য অফিসার এবং মেজিস্টেট এরা নিজেরা এক, তারা কখনো টাকা দাবি করেনা, পিয়ন বলে আমাদের কিছু চা নাস্তার বেবস্থা কইরেন কাজ ১৫ দিন এ হয়া জাইবো। পরে কত লাগবে বললে বলে ২ লাগবে, আমি বললাম ২০ হাজার? বলে না- ২ লাখ।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য আমি নিজে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যাই। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি সরাসরি হয়রানির শিকার হই। আমার অভিযোগ হলো, আবেদনকারী নিজে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গেলে ফাইল গ্রহণ ও বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) দেওয়ার আগে একটি **গোপন কোড/চিহ্ন** আছে কি না তা যাচাই করা হয়। ওই কোড না থাকলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে আবেদন গ্রহণ করা হয় না এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয় না। আমি নিজেও এর ভুক্তভোগী। শুধু আমি নই, আমার সামনে থাকা অন্যান্য আবেদনকারীদেরও একইভাবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে বলে আমি প্রত্যক্ষ করেছি। অর্থাৎ সরকারি নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও স্বাভাবিকভাবে পাসপোর্টের আবেদন জমা দিতে এবং বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে।
প্রতি বছরই ফায়ার লাইসেন্স করি যার জন্য ফি সহ ৫০০০ টাকা পরিশোধ করি। গত দুই বছর থেকে লাইসেন্স করতে গেলে অনেক ঘুরাঘুরি করে। অনেক হাইকোর্ট দেখায়। পরবর্তীতে বছর আগের বকেয়া সহ ২০০০০ টাকা পরিশোধ করা ছাড়া লাইসেন্স দিবে না। বাধ্যগতভাবে দিতে হয়। কারন ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করলে সরকারি অনেক লাইসেন্স রিনিউ করা যায় না। চলতি বছর ৮০০০০ টাকা চায়, নয়ত ৫-৭ লাখ টাকার ফায়ার সেফটি ক্রয় করতে হবে। বর্তমানে ব্যবসার যে পরিস্থিতি আমি কোনভাবেই এই টাকা দিতে পারব না। এক্ষেত্রে ঘুষের রেইট ১০ হাজার হলে আমি রাজি আছি।
জমির খাজনা দেয়ার জন্যে যাই, কাগজপত্র সব দেখে ১৪ হাজার টাকা দিতে বলে. রিসিটে কত লিখবেন বা খাজনা কত জিজ্ঞেস করাতে বলে, খাজনা ১৪ হাজার ই, পরে টাকা দেয়ার পর ৪২৭ টাকার রিসিট দেয়। লেগে গেলাম ঝগড়া, পরবর্তীতে সবাই আমাকে উল্টা বকাঝকা করে বের করে দিল। পরে আমিও থামিনাই, জোর জবরদস্তি বলেন আর শোরগোল বলেন। এটা করে দুই হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে। আর তখন ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তা, সুন্নতী লেভাস ধারী বলে, এবাএই শেষ তাই বেশি নিতেছি, দুইদিন পর সব অনলাইন হয়ে গেলে ত আর নিতে পারবোনা।
আমি একটি সরকারি দপ্তরের উপজেলা শাখায় কর্মরত আছি। পারিবারিক কারণে পরিবারের কাছাকাছি থকতে নিকটবর্তী কোন একটা শাখায় বদলি হতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় প্রধান কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটা হচ্ছে না। কারণ জানতে চাইলে আমার কাছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বদলি করিয়ে দেওয়ার শর্তে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করি।
আমার প্রাইভেট কারের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে গেছিলাম, গাড়ি তে সামান্য স্ক্র্যাচ থাকার কারণে বলল কালার ঠিক করে আবার আসেন। পরে একজন বলল ২৫০০ টাকা দিলে স্যার কে দিয়া সাইন করিয়া দিব, না হলে হবে না। টাকা না দিয়া উপাই ছিলো না কারণ ওইটুকু স্ক্র্যাচ খুব সাধারণ বিষয়। মূল বিষয় টাকা ছাড়া হবেই না
আমার শ্বশুর বাগেরহাট ডাক বিভাগে পোস্টমাস্টার পদে কর্মরত ছিলেন এবং অবসর-পরবর্তী পেনশন ভোগরত অবস্থায় **২২ আগস্ট ২০২৫** মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী আমার শাশুড়ির নামে পারিবারিক পেনশনের আবেদন করা হয়। দুঃখজনকভাবে, বাগেরহাট জেলা ডাক বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রায় এক বছর ধরে আবেদনটি প্রক্রিয়াকরণে হয়রানি ও বিলম্ব করেন এবং **৫০,০০০ টাকা** দাবি করেন। পরবর্তীতে **৩৫,০০০ টাকা** দেওয়ার পর আবেদনটি প্রক্রিয়াকরণ করে ঢাকায় পাঠানো হয় এবং **আগস্ট ২০২৬**-এ পেনশন অনুমোদিত হয়। কিন্তু বর্তমানে গত এক বছরের প্রাপ্য **প্রায় ১.৫ লাখ টাকা বকেয়া পেনশন** প্রদান করা হবে না বলে তারা জানাচ্ছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রাপ্য বকেয়া পেনশন দ্রুত পরিশোধ এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহ
আমার বাবা মা দুজন মিলে একটি সম্পত্তির ক্রয় করে। সেখান থেকে কিছু অংশ বিক্রি হয় কিছু অংশ আমার বোনকে হেবা করে দেওয়া হয় (মায়ের অংশ থেকে পাঁচ শতাংশ এবং বাবার জিবিত থাকতে ওনার অংশ থেকে এক শতাংশ)। বর্তমানে আমার বাবা নেই মারা গেছে না। এখন বাবার অবশিষ্ট অংশ পরে সূত্রে আমরা ভাই-বোন মা পাই। অবশিষ্ট মায়ের অংশ এবং বাবার অংশ আমার বোন সহ আমার নামে হেবা করে দিছে। এখন নামজারি করতে গেলে বলা হচ্ছে আমার বাবার অংশের এত জমি নেই কিন্তু মায়ের অংশে জমি বেশি দেখাচ্ছে তারপর আমি আমার বাবা-মায়ের যৌথ দলিলে আমার বোনকে হেবা করে দেওয়া জমির দলিলের কপি যখন দেখাই তখন বলে এটা ভুল হয়েছে এটা ঠিক করতে ৪০ হাজার টাকা লাগবে। এখন আমি কি করতে পারি?
জন্ম নিবন্ধন করতে গেছি বাচ্চার। অমুক তমুক সমস্যা বের করতে করতে অনেকদিন ঘুরাইছে। টাকা ২ হাজার দেওয়ার সাথে সাথে ১ দিন নিবন্ধন করে দিছে। টাকা দেওয়াতে সব সমস্যা সমাধান।
সরকারি সকল বিল তুলতে গেলে ৫-১০% ষুষ এবং সকল প্রজেক্টের অডিট টিমকে টাকা দিলে মেরে খাওয়া টাকা বৈধ হয়
এন আইডি কার্ডে ঠিকানা সংশোধনের জন্য আবেদন করি। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পার হলেও আবেদন এপ্রুভ হয়না।পরে উপজেলা নির্বাচন কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে, এক কম্পিউটার অপারেটর উনার কাছে যেতে বাধা দেয়।
আমার মনে হয় সকল সরকারি অফিসগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ
NGOAB অডিট বিভাগের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মী অডিট রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য নিয়মিত অর্থ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু অর্থ নেওয়ার পরও তিনি রিপোর্ট নিয়ে অযথা জটিলতা সৃষ্টি করেন এবং বারবার নতুন নতুন আপত্তি তুলে হয়রানি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
Police Clearance korte gele computer operator — ghus nei, Tk na dile kaj kore na r tui kore kotha bole... chatmohar thana, pabna
রাজউক থেকে লীজ নেওয়া জমি যখন নিজের নামে নামজারী করতে যাই, তখোন এই ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় যে, এভাবে না করলে বছরের পর বছর ধুরলেও নামজারী পাবোনা।
পোস্টিং। টাকা নিয়ে জেলা টু জেলা পোস্টিং দেয়। অথচ গোপনে আবার অন্য রেঞ্জে পোস্টিং দিয়ে আমার সেই ভেকেন্সিতে আবার নতুন লোক পোস্টিং দেয়। কত বড় গাদ্দারী বাটপারি চিটারি। বিভিন্ন অফিসে পানিশমেন্টের নামে এভাবেই সরিয়ে টাকা নিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দেয়