বাংলাদেশ পুলিশ মামলা বানিজ্য
২০১৯ সালে আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। পুলিশ আমার থেকে অসদুপায়ে কোন টাকা নিতে না ফেরে আমাকে রিমান্ডে নেয়। এবং না মারার কথা বলে আমার দরিদ্র বাবা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এস আই জাহিদ। চাঁদপুর সদর ডিবি অফিস
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
২০১৯ সালে আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। পুলিশ আমার থেকে অসদুপায়ে কোন টাকা নিতে না ফেরে আমাকে রিমান্ডে নেয়। এবং না মারার কথা বলে আমার দরিদ্র বাবা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এস আই জাহিদ। চাঁদপুর সদর ডিবি অফিস
চাকুরীর প্রথম থেকে অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন হওয়া বেতন বৃদ্ধি মুলবেতনের সাথে যোগ করে মুলবেতন পুনর্নির্ধারণ ও বকেয়া বেতন পরিশোধ করা
নিউ পাসপোর্ট করার সময় আমাকে অযথা কিছু কাগজ নেই বলে ফিরিয়ে দেয় অফিসার। তারপর আনসারকে ২৫০০ টাকা দিয়ে আমি পাসপোর্টটা করি। ওই আনসার র সাথে পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা জড়িত। এটা কদমতলী যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট যৌন অফিস।
আমি ঢাকা শহরে থাকি। ঢাকায় আমার বর্তমান ঠিকানা আর নওগাঁয় আমার স্থায়ী ঠিকানা। ভেরিফিকেশন এর সময় ঢাকায় চা পানি বলে মুলিয়ে মালিয়ে ৫০০ নিয়েছে নইলে দেরী হবে এই হবে সেই হবে। আর নওগাঁয় ঠিকানায় না গিয়ে অফিসে ডেকে সরাসরি বলেছে যাদের পাস্পর্ট অন্য বিভাগে বা অন্য জেলায় ৪৫০০ করে জমা করে নিশ্চিন্তে চলে যান। নইলে একটাও আগাবে না। (সাল - ২০২৪)
আমার ট্রেড লাইসেন্সে দেওয়ার সাইট ঠিকানাটি পরিবর্তন জন্য যাই। দায়িত্বরত অফিসার আমাকে একটি লোক দেখিয়ে দেয়। তার সাথে কথা বলেন সে নিজে কথা বলে না। ওই লোক আমাকে হিসাব করে জানায় সরকারি খরচ বাবদ প্রায় ১২০০ টাকা খরচ হবে। কিন্তু অফিস খরচ বাবদ ২৫০০ টাকা দিতে হবে। এটার কোন ভাউচার হবে না। এই কাজটি করার জন্য মোট ৩৭০০ টাকা দাবি করে। অনেক দরাদরি করে এটি ৩০০০ টাকায় করতে বাধ্য হই।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড এ জাতীয় নাগরিকত্ব সনদ তুলতে যাই। লোক আমার কাছে ২০০ টাকা চায়। বলি এইটা কিসের জন্যে। লোক রেগে যায় এবং বাহানা দিতে থাকে। প্রচন্ড দুর্ব্যবহার এর শিকার হই। শেষ পর্যন্ত টাকা দিয়ে কাজ তা করতে হয়।
আমি দিতে বাধ্য হয়েছি তা না হলে ওরা আমার কাজ ফেলাই রাখত। কাজ হতো নাহ। আমি মজলুম। নায়েব তারক চন্দ্র ও নাজির এই দুইজন বেশু ঘুষ খাই।এদের জন্য অন্যরাও ঘুষ খাওয়ার সুযোগ পায়।
ফাইল অডিটে ফেলে, মিথ্যা অজুহাতে বিকাশে/নগদে টাকা নেয়
নিয়ম অনুযায়ী খতিয়ান অনলাইন এ সাবমিট করলাম এবং ভূমি অফিস এর এপ্রুভাল এর অপেক্ষা করলাম এপ্রুভাল আসার পর যেইখানে খাজনা আসার কথা ১৫০-২০০ টাকা, সেই madarcud রা ১৫ হাজার টাকা something এন্ট্রি দিয়েছিল। এই বিষয়ে কুত্তার বাচ্চাদের সথে কথা বললে বলে যে এইটা কম করা যাবে না । অতঃপর আমাকে গুষ দিতে বাধ্য করলো madarcudera
আমাদের বাসার হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের সময় রেভিনিউ সুপারভাইজার বিশ হাজার টাকা দাবি করেছিল উনি বলেছিল যে আমাদের হোল্ডিং ট্যাক্সের ট্যাক্স কর উনি কমিয়ে দিতে পারবেন অথচ আমরা জানতাম সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী ট্যাক্স রেট কমানোর আবেদন করলে কমানো যায়। কিন্তু উনি আমার বাবাকে ভুলভাল বুঝিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছিল পরবর্তীতে আমরা দশ হাজার টাকা দিয়ে আর ট্যাক্স কর কমিয়ে ছিলাম এছাড়া আমাদের অন্য কোন উপায় ছিল না কারণ একমাত্র উনার মাধ্যমে আমাদের পর পরিশোধ করা সুযোগ ছিল, অন্য কারো মাধ্যমে নাকি জমা নিবে না।
রায় হয়েছে , সে রায় নিন্ম আদালতে পাঠাতে ।
আমি পরপর ২ বাই ড্রাইভিং লাইসেন এর জন্য আবেদন করি, লিখিত পরিক্ষা দেই কিন্তু রেজাল্টে আমার নাম আসেনা। আমি এক জন জিপিএ ৫ পাওয়া ছার, এখানে এমন কোনো প্রশ আসেনা যার উত্তর দেওয়া কঠিন। সহজ প্রস্ন যা মোটা মোটি সবাই পারবে। অথচ তারা পাশ করায় না। এর পরের বার আমি একজন দালাল ধরলাম আর তাকে ২৫০০ টাকা দিলাম ( তার দাবি ওনুযায়) , তার পরের পরিক্ষায় আমি শুধু অংশগ্রহন করি, প্যটিক্যাল ও ভাইভা পরিক্ষা দেই নি। বাসাই চলে আসি। পরের দিন আমাকে ফোন দেই, আপনার কাজ হয়ে গেছে, কাল এসে আপনার মূল লাইসেন এর টাকা জমা দিয়ে যায়েন। এই হল অবস্থা।
প্রাইমারি স্কুলের চাকুরি ছেড়ে দিবো। তাই ২০ দিনের বেতন পাইতাম। বেতন পাশ করার জন্য ১০০০ টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে।
সরকারি চাকরিতে জয়েনের মেডিকেল ফিটনেস গ্রহণ করতে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের স্বাক্ষর নিতে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটরকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমার বাবার জমি আমাকে বাবা দান করবেন, বাবা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারেন না, কথা বলার সময় আওয়াজ কম হয়, তাই ৫০০০০ টাকা চাইছেন,
yearly audit renewal
প্রতিস্থাপক স্বাপেক্ষে বদলীকৃত বিদ্যালয়ে আসার সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ঘুষ দাবি করে বলে ডিপিও সে ভাগ নিবে।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর (https://doga.gov.bd/)- এই অফিসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের আবাসন/কোয়াটার বরাদ্দ প্রদান করা হয়। লোক দেখানো লটারির আয়োজন করা হয় বাসা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য। কিন্তু সরকারি সকল বিধি মেনে আবেদন করার পরেও এবং বাসা খালি থাকার পরেও প্রধিকারভুক্ত বাসা বরাদ্দ পাওয়া যায় না। শুধুমাত্র যারা অনৈতিকভাবে টাকা দিবে তারাই পাবে সরকারি বাসা। সরকারি চাকরিজীবী হয়েও সরকারি চাকরিজীবী ঘুষখোরদের হাতে জিম্মি আমি এবং আমরা।
৩ বছর পর পর সব ডাক্তার ও সিভিল সার্জন অফিসের কর্মী, স্বাস্থ্য মহাপরিচালক অফিসের সকল কর্মচারী অন্য জেলায় ট্রান্সফার করলে এমনিতেই health দুর্নীতি কমে আসবে, ডাক্তার রা মন্ত্রনালায়ে টাকা দিয়ে ট্রান্সফার আটকে দেয়।সরকারী ডাক্তার গন বিশেষ করে UHFPOগন দেশের সকল বেসরকারী clinic এ-র মালিক বা পার্টনার, এদের জন্যই বেসরকারী clinic গুলা আইন মানে না, তাই জুনিয়র ডাক্তার দের চাকরী হয় না, এ-ই UHFPO গন প্রায় সকলেই একই উপজেলায় ৩ বছরের আধিক সময় চাকরী করছেন। সিভিল সার্জন অফিসের নিম্ন সারীর কর্মীগন সিভিল সার্জনকে দুর্নীতির পথে চিনিয়ে দেয়, বা দুর্নীতি করতে বাধ্য করে।
[redacted] called from this number, and demand from me 25 lac taka, othwise my company name: XYZ limited will be audited and cased for 1 crore taka case. This number name —, PS of Tax ad commissioner. — Tax zone 25, tax circle 487. This Man, — was the Most corrupted tax cader of Awamealeage time, now he is the don of NBR. He should be punished otherwise we will punish him.