মোটরসাইকেল ড্রাইভিং এর পরীক্ষা
আমি বিআরটিএ অফিসে পরীক্ষা দিয়েছি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং আমাকে বারবার ফেল করায় আমি যখন দুই হাজার টাকা বেশি দিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিলাম তখন আমাকে পাশ করায় দিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি বিআরটিএ অফিসে পরীক্ষা দিয়েছি মোটরসাইকেল ড্রাইভিং আমাকে বারবার ফেল করায় আমি যখন দুই হাজার টাকা বেশি দিয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষা দিলাম তখন আমাকে পাশ করায় দিল
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর সেটা জমা দিতে যাই তাদেরকে বলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজটা করেন। তারা বিভিন্ন অজুহাত দেখায় এবং বলে যে রেগুলার পথে যা আছে সেটাই কাজ হবে এত এত সময় লাগবে। তারপরেও তাদেরকে বলার পর বলে যে টাকা তো আমরা একা নিই না বিভিন্ন ধাপে ধাপে বিভিন্ন খাতে দিতে হয় আমরা না হয় ফ্রিতে করে দিলাম কিন্তু অন্যরা ফ্রিতে করে না। সবাইকে দিতে হয় এটা বলে দুই হাজার টাকা নেই অনেক কমিয়ে। এর জন্য নাকি সবাই আরো বেশি দেয়।
রাতের বেলা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিসিইউতে নতুন ভর্তি রোগীর ইসিজি করা লাগে এবং যে ওয়ার্ড বয়/খালা ইসিজি করে তাকে ১৫০টাকা দিতে হয় প্রতি ইসিজিতে কিন্তু সরকারি দাম ৮০টাকা।এভাবে বিকাল এবং রাতে নেয় শুধু সকালে টেকনিশিয়ান যারা আছে তারা ৮০টাকা নেয়।
আমার বাবা ১৯৮৩ সালে জমি ক্রয় করেছেন, রেকডিয় মালিকের কাছ থেকে,এবং বায়া দলিলও আছে, এই জমি আমরা ৪৩ বছর যাবত ফসল করে আসছি, অর্থাৎ আমাদের দখলেই জমি, বাবা কৃষক মানুষ হওয়া তিন আর খারিচ করে নাই। ফলে ২০২১ সালে এই জমি আবার আগে মালিকের মেয়ে খারিচ করে নিয়ে চলে গেছে। পার্বতী আমরা খুজ পেয়ে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে যাই, ওখান থেকে এসিলেন্ড অফিসে একটা মিস কেইস করতে বলে। তাই করি, কিন্তু, এই মামলা এ্যাসিলেন্ড বাতিল করে দেই, কোনো তদন্ত ছাড়াই। পরবর্তী ভূমি অফিসের নায়েব আমাদের কে বলে ৮০ হাজার টাকা দিলে সে এবং এ্যাসিলেন্ড মিয়ে এইটা করে দিবে, আমার বাবা এত টাকা দিতে অপারকথা শিকার করে তারপর ৬০ হাজার টাকা দিলে করে দিবে। এর নিচে হলে পারবেনা। এবং এই জমিও আমরা পাবনা বলে ভয় দেখাই।
The present and permanent addresses mentioned in the NID are different; however, both addresses are permanent. I have never visited or lived in the village. Despite submitting a permanent residence certificate issued by the City Corporation, they asked me to provide a permanent residence certificate from the village as well. However, after paying the demanded amount to the middleman (dalal), the entire process was completed smoothly without any further complications.
গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনায়, প্রতি সপ্তাহে গরু জবাই হয়, আনুমানিক ২০/৩০ টা সব গরু থেকে সিটি কর্পোরেশন এর নামে ঘুষ তোলে গোস্তর মান যাচাইর নামে ১০০০ টাকা করে নেয় কিন্তুু মান যাচাই না করে ১০০০ টাকা দিলে গোস্ত এর মান ঠিক, আমি দেইনি আমি যাদের কাছ থেকে কিনেছিলাম, তখন আমার সামনে নিল, পরে জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা, গোস্তো বিক্রেতা খুলে বলল, স্থান গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা বেরাইদেরচালা, প্রতি শুক্রবার এই ঘুষ তোলেন মোটরসাইকেল এ করে, মাঠ পরযায়ে দেখতে পাবেন, যেহুত তিনি কন্টিয়াস ঘুষ নিচ্ছেন, হাতে নাতে ধরতে পারবেন
কামরাঙ্গীরচর কুড়ারঘাট বিদ্যুৎ অফিসে প্রত্যেকটা নতুন প্রিপেইড মিটার কেনা ও লাগানোর জন্য সর্বনিম্ন ১২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়, বাধ্য হয়ে তাদের কথামতোই বিল্ডিংয়ের জন্য বিভিন্ন সময়ে ১ টি প্রিপেইড মাদার মিটার এবং ৮ টি প্রিপেইড মিটার কেনা হয়েছে প্রায় ১.৫ লক্ষ+ টাকা দিয়ে।
আমার দাদার নামের সম্পত্তি, সেগুলো আমার বাবা আর কাকার নামে নামজারি করব । সেজন্য আমাকে ৩৬০০০ টাকা দিতে বাধ্য করে । আমি দিতে রাজি হইনি কিন্তু আমাকে নানা ভয় দেখিয়ে কাজ টাকা দিয়ে করতে বাধ্য করে
জমি খারিজ করার জন্য ৮000 tk নিছে
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম দালাল ছাড়া, হয়নি পরে ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর হয়ে গেছে। কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস, প্রত্যেকের থেকে টাকা নেয়। দয়া করে এগুলো বন্ধ করেন
ভুমি রেকর্ড জরিপ রেকর্ড করার জন্য দুজন সেটেলমেন্ট অফিসার তাদের দুজনের কাছে আলাদা আলাদা খতিয়ন রহিয়াছে — ১,৫০,০০০/- টাকা দাবি করে ও — সেটেলমেন্ট অফিসার ৫০,০০০/- টাকা দাবি করে তারপর আর টাকা দিয়ে খতিয়ান স্বাক্ষর করাইবা। [redacted] — [redacted] —
আমার একজন শিক্ষকের কাছে এমপিওর ফাইল ছাড়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। তিনি অনেক শিক্ষকের নিকট থেকে এভাবে অর্থ আদায় করেন।
Police clearance er somoy thank dekechilo.Tokhon boltese Taka poysa diben na kisu!pore 500 taka dite hoyeche
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধনে জন্ম সালটা ভুল ছিল আমি মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং মেয়ে জন্মের পরে হসপিটাল থেকে যে কপিটাতে সেটাও প্রমাণ করেছি | এরপর তারা ঘুষ চায় তারা বলতে 27 নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস প্রশাসক | তিনি আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে |
দালালের মাধ্যমে পরিশোধ করি
৪ বার ঘুষ ছাড়া চেষ্টা করেছিলাম। কোন কারণ ছাড়াই ফেল করিয়ে দেয়। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছিল।
Bond license renewal korte taka
নামজারি আবেদনের বিষয়গুলো তারা এন্ট্রি দিয়ে আবেদন করে দিয়েছে। বলেছে, তহশিল অফিস টাকা নিবে কিন্তু আমি জানি নলছিটির তহশিল অফিসের মধ্যে ভালো কে আর কে খারাপ। এখানে যারা ভালো তাদের প্রতি দোয়া রইল আর যারা তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য ঘুষ নিল, আল্লাহ তাদের বিচার করবেন।
আমি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের ট্যাক্স জমা দিতে গেলে, ২৫০০ টাকা সরকারি ট্যাক্স এর বাইরে আমার থেকে ঘুষ নেওয়ার হয়েছে। কোনো উপায় না থাকায় আমি তা পরিষদ করি। অফিস চৌদ্দগ্রাম কর অঞ্চল-৪, কেরানী ও সহ কারি কর কমিশনার এর সাথে জড়িত।
ইউটার্ন নিষেধে ইউটার্ন নিয়েছি।