বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ঘুষ দাবি।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এমপিও করার জন্য ৫০০০০ টাকা ঘুষ চেয়েছিল
Regular gush, proti masey gie die asa lage na hole company te audit a fele harrasment kore,
ভোটার আইডি কার্ডে বাবার নাম সংশোধন করার জন্য ৩০,০০০ টাকা চেয়েছে পরে আমি তা প্রত্যাখ্যান করেছি
আনুমানিক ২০২২-২০২৩ সালের দিকে সরকার পক্ষ থেকে শিক্ষথীদের ইউনিক আইডি দেয়ার উদ্যোগ নিয়ে ছিল যার কারণে সকল শিক্ষথীদের জন্মনিবন্ধন অনলাইন করাতে হয়ে ছিল। আর এই প্রক্রিয়ার করতে গিয়ে আমি সহ আমার মোট ০৪ ভাই -বোন দের জন্য ৫০০ টাকা করে মোট ২০০০ টাকা এবং পরবর্তীতে একটি সংশোধন এর জন্য আরো ২০০ টাকা মোট ২২০০ টাকা নিয়েছে। তা ছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকে।
for getting occupancy certificate from RAJUK
আমার সার্টিফিকেট অনুযায়ী নিজের নাম ও বাবার নাম NIDতে ভুল ছিলো। সার্টিফিকেট অনুয়ায়ী NID করতে উক্ত ৮০০০ হাজার টাকা চেয়েছিলো। আমি দিয়ে করে নিছি।
কাজটি সম্পন্ন করার জন্য 5000/- বেশি চেয়েছেন.
আমার বাবার নামে, নামকজারি করবো জায়গা, এতে করে ওসখালী ভূমি অফিস থেকে ১২০০০ টাকা চাওয়া হয়, বললাম কিসের টাকা এইটা, ওনারা বলে সরকারি ফিস, সাথে আমরা যে যাবো সেই খরচ
মূত্য সনদ তুলতে ২০০০ টাকা চায় মেম্বার
খাজনা টাকা দেওয়া হয়েছে ৪০০০ খাজনা পরিশোধ করেছে মাত্র ৭০০ টাকা। বাকি টাকার কোন কাজ আর রশিদ নাই এবং টাকাও নাই।
টিটসি ময়মনসিংহ আগামি মটোর ড্রাইভিং কোর্সের আবেদন এ-র জন্য ফর্ম তুলার সময় সবার কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছিলো
SFC, বাংলাদেশ নেভিতে যারা সরবরাহের কাজ করেন, তাদের বিল প্রদান করেন। SFC, মিরপুর-১৪ অবস্থিত। বিল নিতে হলে বিল একাউন্ট এর উপর ১% হারে টাকা দিতে হয়, যারা বিল প্রসেস করবে। আর চেক এর জন্য মহিলাকে প্রতি লাখে ২০০/ টাকা দিতে হয়।
Driving license এর জন্য ১০০০০ টাকা খরচ করতে হয়েছে । এই টাকা এক দালাল কে দেওয়া হয়েছে
আমি ফ্যামিলি কাড তথ্য সংগ্রহ কারি হিসাবে আবেদন কারি পরিক্ষা দেই সব কিচু অনেক ভালো হয়েছিলো। তার পর স্থানিয় বি.এম.পির নেতা বাড়িতে এসে বলে যদি তথ্য সংগ্রহ কারি হতে চাই তাহলে তাকে ২০০০০ টাকা দিতে হবে না হলে জিবনে হবেনা। আমার থেকে অনেক খারাপ স্টুডেন্ট এর হল আমার হলো না। এমন কি যারা পরিক্ষা দেয় নাই তাদের ও হলো। যদি চাকরি এমনি হয় তাহলে এত নাটকের কিছু ছিলো না
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
একটি পুরনো জমির দলিল তোলার জন্য। দুইটা শাল খুঁজতে লাগবে সর্বোচ্চ সরকারি ফিস ৪০০ টাকা তারা নিয়েছে এক হাজার টাকা। শুধু সরকারি ফিস দিলে পারে তারা বলে পাওয়া যায় নাই। কিন্তু বাড়তি টাকা দিলে ঠিকই পরে সেটা খুঁজে পাওয়া যায়।
সর্বপ্রথম আমি ওখানে পাসপোর্ট বানাতে চাই তখন একজন এসে বলে যে খুব দ্রুত পাসপোর্টটি আমরা করে দেবো । কিন্তু পাসপোর্ট বানাতে যে পরিমাণ টাকা লাগে তার থেকে দ্বিগুণ তারা টাকা চাচ্ছে । ঘটনাটি হচ্ছে ২০১৮ সালের
নামজারি মিসকেইসের মালালা করে সকল দলিলাদিসহ প্রমান সরূপ প্রদান করার পরও নামজারি বাতিল করে দিচ্ছেন না। বিবাদির নিকট হতে ঘুস নিয়ে জমির ন্যায্য হিস্যা অনুযায়ী বাদিদের ফরায়েজ করে দিচ্ছেন না।
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।