Boiler Registration Fee
Boiler Registration Purpose.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৫৩১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Boiler Registration Purpose.
My wife and her family inherited the property and the sub-registered office demanded Tk. 200000 (twenty lacks) but eventually agreed to complete the registration in Tk. 300,000. I was there on 11 June when my wife made the payment in a nearby restaurant close to Sylhet sub register office. The office clerk purchased a file, put the all money there and left. He said, “people will not suspect anything if they see a file in his hand”.
৩ বছরে ডিপ্লোমা নার্সিং পাশ করার পর হাসপাতালে ৬ মাস ইন্টার্নশিপ করতে হয়। সেখানে প্রতিমাসে ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার কথা। কিন্তু ৫ মাস চলছে তাও কোন টাকা পাইনি। এসবের জন্য নাকি খরচ দিতে হয় পরিসংখ্যান বিভাগে যে কাজ করবে তাকে। আমরা ৬৯ জন শিক্ষার্থী মিলে ১৮ হাজার টাকা দেই কিন্তু এখনোও কোন ভাতা আমাদেরকে দেয়নি।
জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধ এর কারনে মিথ্যা জিডি করেছিলো, আদালত তা তদন্তের জন্য হাতিয়া উপজেলা জাহাজমারা তদন্তে কেন্দ্রে পাঠায়, এসআই আমার বাবাকে হুমকি দামকি দিয়ে টাকা ২০০০০(বিশ হাজার) আদায় করে।পরে তদন্ত রিপোর্ট মিথ্যা লিখে রিপোর্ট প্রদান করে।আর হাতিয়া জাহাজমারা ইউনিয়ন এ থানাটির পুলিশ এর আচরণ জানোয়ারের চেয়েও খারাপ।
প্রথমবার ব্যক্তিগতভাবে নিজের পাসপোর্ট আবেদন করে অফিসে গিয়ে ছবি তোলাসহ সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসি। কিছুদিন পর এসবি থেকে একজন সদস্য আমাকে ফোন করে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে ডাকেন। আমার কাগজপত্র সব চেক করে কোনো অসংগতি না পাওয়া গেলে আমি স্বাক্ষর করে চলে আসতে থাকি। এমতবস্থায় পিছন থেকে তিনি পূনরায় ডাক দেন এবং তার চা নাস্তা খাওয়ার টাকা দাবি করেন। প্রথমবার ৫০০ টাকা দিলে তিনি অফিস খরচ বাবদ আরও ৫০০ টাকা দাবি করেন। পাসপোর্টের বর্তমান এবং স্থানী ঠিকানা আলাদা হওয়ায় তখন দুইজন পুলিশ সদস্যের চেম্বারে গিয়ে তাদের চা নাস্তা খাইয়ে আসতে হয়েছিল।
আমি রংপুর সরকারী মেডিকেলে গেছিলাম এক পরিচিত রে দেখতে। সে সেখানে ভর্তি আছে ঠিকই কিন্তু বেড পায়নি। আরেক দালাল আমায় এসে বলবো, বেডের জন্য তো রুগী অসুস্থ হয়ে যাবে। বেড লাগলে কইয়েন। উপ্রের স্যারদের বলে ব্যবস্থা করে দিবো।
ঊনাকে ঘুষ না দিলে উনি পানির টেস্ট রিপোর্ট চেঞ্জ করে দেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, কাকরাইলের সিনিয়র কেমিস্ট —। । ভালো পানিকে উনি খারাপ বানায়ে দেন। যেকেউ যাচাই করে নিতে পারেন।
গাজীপুর ২ নং ওয়ার্ডে বিডিএস জরিপ চলছে। এখানে জরিপের নামে ভুমি মালিকদের থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হচ্ছে। জরিপে ইচ্ছেকৃত ভুল করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। প্রতিটি দলিলের বিপরীতে ১০ / ২০ থেকে শুরু করে জমির পরিমান অনুযায়ী ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। না দিলে রেকোর্ডে ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে। অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার কারন জানতে চাইলে তারা বলেছে আমরা একা খাইনা। আমাদের উপরের স্যার। স্থানীয় সরকার দলিও লোক পুলিশ এবং সাংবাদিক সবাই মিলেই খাইস আমি নিজ চোখে বিজয় টিভির সাংবাদিক, দৈনিক সরজমিন পত্রিকার সাংবাদিকদের অস্থায়ী ক্যাম্পে আসা যাওয়া করতে দেখেছি।
বিদ্যুতের খুটিসহ লাইনের আবেদন করি ২৩ সালের আগস্ট মাসে এর পরে গত জুনে নির্বাহী প্রোকৌশলী আমাকে বলেন চলমান প্রজেক্ট এর আওতায় খুটিসহ লাইনের আবেদন করতে। আবেদনের পরে উনি আমাকে কল দিয়ে অফিসে যেতে বলেন। তার পরে বলেন এই লাইন নিতে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা খরচ হবে আপনি যেহেতু আপনার ভাই কে দিয়ে বলিয়েছেন আপনি ১০০০০০/- টাকা দিয়েন জুন মাসেই করে দিবানে। আমি বলে ছিলাম স্যার টাকা কোথায় পাবো। আমি সরকারী কর্মচারী লোনের টাকায় বাড়ি করতেছি। এটা তো আমার নাগরিক অধিকার। এখানে টাকা লাগবে কেন। তখন তিনি আমাকে বললেন প্রতিমন্ত্রীর সুপারিশ রয়েছে কয়েকটা সেগুলো বাদ দিয়ে আপনার কাজ টা করে দিবানে।
আমার কলেজ থেকে প্রশংসাপত্র তোলার সময় টাকা নেয়, সেটা রশিদ কেটেই টাকা গ্রহণ করেছে৷ তবে মূল সমস্যা হল যখন বোর্ড থেকে মেইন সার্টিফিকেট আসলে তখন সব ডকুমেন্ট + আবেদন দেখানোর পরেও কর্মচারী ২০০-৩০০ টাকা দাবী করে, উল্লেখ্য যে বোর্ডের মূল সার্টিফিকেট এর খরচ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ই নেওয়া হয়ে থাকে তারপরেও এটা হয়। এই টাকা কলেজের ওই কর্মচারী রশিদ বিহীন ভাবে গ্রহণ করে তারপর সার্টিফিকেট প্রদান করে। বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি স্কুল কলেজেও বোর্ড সার্টিফিকেট তুলার সময় এভাবে রশিদ বিহীন টাকা নিয়ে থাকে যার কাছে থেকে যেমন পারে নিতে।
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে আমার আব্বা ১৬ নম্বর সেক্টরে ৫ কাঠা প্লট বরাদ্দ পান। ৩ টি কিস্তির টাকা পরিশোধ করার পরেও রাজউক থেকে প্লট বুঝিয়ে দিচ্ছিলো না। ২০২০ সালে আব্বা মারা যান। তারপর আমি, আমার দুই বোন, আমার মা - এই চারজন ওয়ারিশের নামে প্লট বুঝিয়ে দেয়া/দলিল করে দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, প্রথমে ঘুষ না দেয়ায় আমাকে প্রায় দেড় বছর ঘুরিয়েছে রাজউক থেকে। অবশেষে রাজউকের দায়িত্বশীল ব্যক্তি আমাকে সরাসরি ঘুষের অফার দেয় এবং বলে যে, ঘুষ না দিলে এই জমি আমরা ৫০ বছরেও পাবো না। অবশেষে তার দাবিকৃত আড়াই লাখ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেয়ার পর অবশেষে সেই জমি আমাদের নামে দলিল করে দেয় রাজউক।
Nam correction korte hobe tar jonno 1500 tk gush chay. na dile kaj hobe na or onk dari hobe. ty 1500 diye e kaj korate hoice. 2025 at gotona.
নামজারি করাতে গেলে নায়েব অফিস থেকে শুরু করে এসি ল্যান্ড অফিসে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে এ ভুল সে ভুল বলে কেস খারিজ করে দেয়।
মোকামতলা মহিলা ডিগ্রী কলেজে (অনার্স) সৃষ্ট পদে নতুন শিক্ষক নিয়োগে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করা হচ্ছে। সভাপতি ও এমপি জড়িত। এছাড়া মীর শাহে আলম আব্দুস সাত্তার তালুকদার নামে নতুন একটি কলেজেও একই ধরনের অনিয়ম চলছে।
ছিল, মৌখিক ভাবে, প্রদান করি।
গাড়ির কাগজ থাকার পরও
সাভার আয়কর অফিসে একজন কর্মকর্তা আমার থেকে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেছে , বলেছে ১৫ লক্ষ টাকা দিলে আমার ফাইলে ট্যাক্স হবে ৫ হাজার টাকা, আর যদি তাকে ১৫ লক্ষ না দেই তাহলে ফাইলে ট্যাক্স হবে ৮০ লক্ষ টাকা
রোডস এন্ড হাইওয়ে ঠিকাদারি লাইসেন্স করার জন্য অন্যান্য ডকুমেন্টসের সাথে রোলার সরবরাহের একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হয়, সেটি সংগ্রহ করতে হয় টাংগাইল পৌরসভা কার্যালয় থেকে। এই কাগজটি ইস্যু করে টাংগাইল পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী(যান্ত্রিক), —। গতকাল সরকার নির্ধারিত অফিস টাইমে ওনাকে অফিসে পাওয়া যায়নি আজকে ও যোগাযোগ করা হলে তিনি লাঞ্চ টাইমের কথা বলে প্রায় ৩ ঘন্টা পর এসে উক্ত প্রত্যয়ন পত্রের জন্য সরসরি ১৫০০ টাকা দাবী করেন, উত্তরে আমি বলি মানি রিসিট দেন টাকা দিচ্ছি। উনি পরবর্তীতে টাংগাইল জেলা বিএনপির অনেক রাজনৈতিক নেতার নাম বলেন সবাই নাকি উনার কাছ থেকে টাকা দিয়েই প্রত্যয়ন পত্রটি সংগ্রহ করেছেন এটাই নিয়ম। সকল ঠিকাদারকেও ১৫০০ টাকা দিয়েই প্রত্যয়ন পত্রটি সংগ্রহ করতে হয়। সরসরি দূর্নীতি গ্রস্থ।
টোটাল ৮০০০ টাকার বিনিময়ে বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্সে পাই। পুরাটাই একটা গ্রুপ, আগে ২ বার ভাইভা ফেল করে দিছিল। টাকা দেয়ার পর পাশ।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে mpo সংক্রান্ত প্রতিটি কাজে ঘুষ দিতে হয়।। অফিস স্টাফদের মাধ্যমে ঘুষ নেয়। হয়তো অফিসের উর্ধতনরা জানেই না বা তার আদেশে ছোট স্টাফরা ঘুষ আদায় করে। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যতবার গেছি টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না