জানিনা
কিছু অর্থের লেনদেনে হাই স্কুলের সভাপতি বা কমিটি তৈরি করা হচ্ছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কিছু অর্থের লেনদেনে হাই স্কুলের সভাপতি বা কমিটি তৈরি করা হচ্ছে
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স ফি ২৩০ টাকা কিন্তু তারা ১০০০ টাকা নেয়, নবায়ন করার সময় এই ১ হাজার দিতে হয়।
আমি এবং আমার ড্রাইভার ০৪/০৮/২৬দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ তিঘরিয়া নামক এলাকায় একটি ট্রাক দুর্ঘটনায় আমার ড্রাইভারের মৃত্যু হয় এবং আমি গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি হয়। ২ দিন পরে আমার জ্ঞান ফেরে। তারপর কেরানীগঞ্জ থানাধীন বিআরটিসি অফিসে উপস্থিত হয়ে সব ধরনের ডকুমেন্টস দিয়ে আর্থিক অনুদানের জন্য আবেদন করি। তারা জানায় ৭০ দিনের মধ্যে ফোন করে মিটিংয়ে ডাকবে, ৫ মাস পার হওয়ার পরও কিছু জানানো হয়নি।আমরা যোগাযোগ করলে অফিস থেকে আমাদের কাছে ১ লক্ষটাকা দাবি করে। ১ লক্ষ টাকা না দিলে তারা আমারদের অনুবাদ বাস্তবায়ন করবেনা বলে জানায়।
তারা আমাকে বলেছিল আপনি যদি ৫শ,১হাজার, টাকা দেন, তার বিনিময়ে রোগীর জন্য এক্সট্রা সার্ভিস দিব।
সেবা নেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম,বলেছে কাগজে ঝামেলা, ওই লোকের সাথে কথা বলেন,লোক মানে দালাল। তো দালাল বলে টাকা পাবেন ১০ লক্ষ খরচ হবে ৪০ হাজার, রাজি থাকলে ১০ টাকা দেন বাকি কাজ শেষে নিবো।বা! কি কান্ড দুদিনেই কাজ ওকে
🚨 ঘুষ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ 🚨 আমরা যারা সরকারি চাকরি করি, বিশেষ করে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক, আমাদের কি সরকারি দপ্তরে নিজের ন্যায্য কাজ করাতেও ঘুষ দিতে হবে? অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে বলতে হচ্ছে—রংপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করা, কোনো কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি অনুমোদন, একাডেমিক স্বীকৃতি, ছাত্র-ছাত্রীদের সার্টিফিকেট উত্তোলনসহ বিভিন্ন কাজে গেলে অফিসের পিয়ন-কর্মচারীদের টাকা দিতে হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কখনো ৫০০ বা ১,০০০ টাকা, আবার কখনো ২,০০০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের ধরন অনুযায়ী আরও বেশি টাকা দেওয়ার দাবি বা চাপের মুখে পড়তে হয়—এমন কি দিতে হয়। ✊ ঘুষ বন্ধ হোক। হয়রানি বন্ধ হোক।
বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করতে আমার ষাটোর্ধ বাবা-মা সিটি কর্পোরেশন (DNCC) অফিসে যান। অফিসের চতুর ও দূর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা ভুলভাল বুঝিয়ে আমার বাবা-মায়ের কাছে ২,৩০,০০০ টাকা দাবী করেন। পরবর্তীতে আমি সঠিক হোল্ডিং ট্যাক্স হিসাব করে বাবাকে বুঝিয়ে আবার অফিসে পাঠালে ঐ কর্মকর্তা ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন যে ২,৩০,০০০ টাকা না দিলে নিয়মের মারপ্যাচে আরো বেশি হোল্ডিং ট্যাক্স ধরবেন। তাই বাধ্য হয়ে আমার বাবা-মা ২,৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে আমি সিটি কর্পোরেশনের পোর্টালে লগইন করে রিসিপ্টে দেখতে পাই ঐ কর্মকর্তা মাত্র ৫০,০০০ টাকা জমা দিয়েছেন এবং বাকি ১,৮০,০০০ নিজেরা ভাগ করে খেয়েছেন।
আমাদের Natun বাজার ,vatara এলাকায় আগস্ট ২০২৬ মাসে প্রায় ১৫ দিন ধরে নিয়মিত পানি সরবরাহ ছিল না। পানি সরবরাহের জন্য আমরা একাধিকবার WASA-এর কল সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ ও সিরিয়াল প্রদান করেছি। কিন্তু প্রতিবার সিরিয়াল নেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অনেক সময় অভিযোগ করার পর প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের সাড়া বা সমাধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে পানির তীব্র সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে WASA-এর ১,০০০ লিটারের পানির ট্রাকের মাধ্যমে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। সাধারণত যে পানির মূল্য প্রায় ৩০০ টাকা হওয়ার কথা, সেই পানির জন্য আমাদের কাছ থেকে ১,২০০ টাকা দাবি করা হয়। পানির জরুরি প্রয়োজনের কারণে বাধ্য হয়ে ১,২০০ টাকা পরিশোধ করে পানি সংগ্রহ করতে হয়েছে।
BSTI CM লাইসেন্স – প্রক্রিয়াগত উদ্বেগ আমরা BSTI-এর নির্ধারিত সকল ডকুমেন্টেশন সম্পন্ন করেছি, প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করেছি, পণ্যের নমুনা জমা দিয়েছি এবং নির্ধারিত BSTI মান অনুযায়ী সন্তোষজনক পরীক্ষার ফলাফল পেয়েছি। কিন্তু সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরও CM লাইসেন্স ইস্যুতে বারবার বিলম্ব হচ্ছে এবং কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই প্রতিশ্রুত তারিখ পরিবর্তন করা হচ্ছে। ফলোআপের সময় লাইসেন্স দ্রুত পাওয়ার জন্য অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদানের ইঙ্গিত/অনুরোধের সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি, অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ ছাড়া অনলাইন সিস্টেমে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতেও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমরা BSTI-এর সকল নিয়ন্ত্রক শর্তকে যথাযথভাবে সম্মান করি এবং কোনো ধরনের বিশেষ সুবিধা প্রত্যাশা করি না।
গত ২২ মে ২০২৫ তারিখে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনতাই হলে আমি ইপিজেড থানায় জিডি করতে যাই। কিন্তু ডিউটি অফিসার ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে এবং টাকা ছাড়া জিডি নিতে অস্বীকৃতি জানালে আমি বাধ্য হয়ে তা পরিশোধ করি। জিডি সম্পন্ন হওয়ার পর ফোন উদ্ধারের দায়িত্ব প্রাপ্ত এসআই আমার কাছে চা নাস্তার কথা বলে তাৎক্ষণিক ৩০০০ টাকা নেন এবং ফোন উদ্ধার হলে আরও ৬০০০ টাকা দেবেন বলে শর্ত দেয়। আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬। দীর্ঘ ১৫ মাস পার হয়ে গেলেও তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। উল্টো যখনই যোগাযোগ করি, দেখা করার নাম করে প্রতিবার ৫০০/১০০০ টাকা দাবি করেন। বারবার ঘুষ দিয়েও ফোন উদ্ধার না হওয়া এবং অব্যাহত হয়রানির মুখে আমি এখন ফোনটি ফিরে পাওয়ার আশা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছি।
আমি স্টুডেন্ট আমি আমার কলেজের ঢাকা সিটি কলেজ দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে পড়ালেখা করার উদ্দেশ্যে চলে যাচ্ছিলাম মূলত আমার ক্লাস ছিল এই মাঝখানে আমাকে পুলিশেরা ধরেছিল আমার ঐদিন পরীক্ষা ছিল পুলিশ মামাকে রিকোয়েস্ট করছিলাম আমার গাড়িটা ছেড়ে দিন নাহলে আমি লেট হয়ে যাব আমি পরীক্ষাটা দিতে পারবো না পরে পুলিশ মামা না আমাকে আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার গাড়িটাকে রেখে দিয়ে পরবর্তী আমার বড় ভাই টাকা দিয়ে পরে আমার গাড়িটাকে ফেরত আনায়।
বাটোরানামা দলিল করার জন্য গেলে, ৪০০০০/= রেজিস্ট্রার সাব কে দেওয়া লাগবে বলে নেওয়া হয়। বাকি ১৭০০০/= চালান, লেখক, ইত্যাদি।
নামজারির শুনাননি ছিল
আমি নিজে করলে ১ -২মাস ঘোরা লাগবে
অনলাইনে নামজারি আবেদনের পর কাগজপত্র, দলিল সহ অন্যান্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমা দিতে হয়। সেখানে নির্দিষ্ট অর্থ না দিলে সেটি এসিল্যান্ড অফিসে যায় না বা সার্ভারে পাওয়া যাচ্ছে না অথবা বিভিন্ন অজুহাতে ক্যান্সেল করা হয়। খাজনা দিতে হলে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে তারা উল্টাপাল্টা অর্থ দাবি বা হয়রানি করে। নামজারি হয়ে গেলে হোল্ডিং খুলতেও এক হাজার টাকা নেয়া হয়।
২০১৭ সালে নতুন পাসপোর্ট করতে সকল বৈধ কাগজপত্র নিয়ে, সকল কাগজ সত্যায়িত করে কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যাই। সকল কিছু ঠিক থাকার পরও আমাকে পাসপোর্ট করতে দেয় নাই। পরে পাসপোর্ট অফিসের দালাল ৭০০০-১০০০০ টাকার মতো নিয়ে পাসপোর্ট করে দেয়। আমার সকল কাগজপত্র ফেলে দেয়। পরে তারা নিজেরা নতুন করে ফরম পূরণ করে এবং নিজেরা সত্যায়িত করে। ৭ থেকে ১৫ দিনের মাঝে পাসপোর্ট পেয়ে যাই।
মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, কিন্তুু গিয়ে ঘুষ দিতে হবে, ১০০০ টাকা না দিলে হবে না,,,, চলে এসেছি নিবন্ধন করাই নি এখনো,,
মাল ছাড়াতে টাকা চেয়েছে
Bollo nam vol ace kinto chilo nasob thik chilo Taka dawat por kaj hoichilo
চাকুরী ভেরিফিকেশনের জন্য দুইজনের জন্য মোট ১২ হাজার টাকা দাবি করে নইলে ভুলভাল ভেরিফিকেশন পাঠিয়ে দিবে, একপ্রকার চাপ প্রয়োগ করে ৯০০০ টাকা নিয়ে যায়। এস আই শেরপুর সদর থানা তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন।