লাইসেন্স বানানো
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ২০,৪৪৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নিজে চেষ্টা করে কিন্তু লাইসেন্স বানাতে পারি নি।।পরে দালাল এর মাধ্যমে সব কিছু সহজে হয়ে যায়।কোন ঝামেলা ছাড়া। বর্তমানে গাড়ির নাম ট্রান্সফার করতে ও একই জিনিস ফেইস করছি।
DNCC Ward 10, Doesn't show my birth registration number had to do the whole process even though I have proof of Certificate from 2006. While trying to register through local city corporation office darussalam near police station. The office workers claim 200tk for each copy as process to just verify without any receipt calls it official fees and even gives photocopy of form to unaware public to register with 100tk. They lost my form on the 1st attempt and no response. I had to go to higher officials of DSCC to tell them to complete my work. All the office workers share this comission from each person trying to register renew or renewal. The website is shit.
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা হলেও, সংশ্লিষ্ট নারী কর্মকর্তা তাতে স্বাক্ষর করেননি। বরং, স্বাক্ষর দেওয়ার শর্তে অনানুষ্ঠানিকভাবে নগদ পাঁচশত টাকা দাবি করা হয়েছে। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, আমাকে স্বাক্ষরযুক্ত ট্রেড লাইসেন্সটি দেওয়া হয়নি। এরপর আমি দুইদিন পর গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সটি সংগ্রহ করেছি।'
পাসপোর্টে মায়ের নামের বানান সংশোধনের আবেদন নিয়ে অফিসে যাই। আমার আবেদনটি দেখছিলেন এমন একজন ব্যক্তি বলেন, সংশোধনের ফাইল আলাদা করে খুঁজে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে অতিরিক্ত ৯,৬৫০ টাকা লাগবে। তিনি এটিকে সরকারি ফি হিসেবে কোনো রসিদে দেখাতে পারবেন না বলেও জানান। ভুলটি দ্রুত ঠিক করা দরকার ছিল, তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি টাকাটি পরিশোধ করি এবং সংশোধনের কাগজ জমা নেওয়া হয়।
বিগত ৮ বছর আগে, হেবা দলিল নামজারি করার সময় আমার বাবাকে এই ঘুষ দিতে হয়েছিল। ১২ শতাংশ জমি
বিআরটিএ থেকে গাড়ির লাইসেন্সের জন্য এপ্লাই করেছিলাম। এবং সবাই বলসে দালাল না ধরলে পাস করতে দেয় না। এবং সত্যি সত্যি যেয়ে দেখলাম যারা দালাল ধরসে ওদের গাড়িতেও উঠা লাগে নাই। ওখানের যিনি প্রধান তিনি পর্যন্ত এর সাথে জড়িত। যেহেতু লাইসেন্স জরুরী তাই আমিও সেইম ওয়েতে নিয়ে নিসি ঝামেলায় না যেয়ে।
আমার পাসপোর্টের নামের বানান সংশোধনের জন্য আগারগাঁও অফিসে আবেদন জমা দিই। কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর কাউন্টারের একজন কর্মী আমাকে আলাদা করে বলেন, অতিরিক্ত টাকা দিলে সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ হবে, নইলে ফাইল অনেকদিন পড়ে থাকতে পারে। তিনি ১৮,৭৫০ টাকা চান। আবেদনটি জরুরি হওয়ায় এবং দেরির আশঙ্কায় আমি শেষ পর্যন্ত ওই অনানুষ্ঠানিক টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার আবেদনটি গ্রহণ করে সংশোধিত পাসপোর্ট দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানানো হয়।
আমি একজন প্রবাসী ২০০8 সালে ৩০ শতাংশ জমি কিনেছি তার পর আমি প্রবাসে চলে আসলাম জমি আমার নামে রেকড করতে দিলাম কিন্তু রেকোরড হল ২৮ শতাংশ আমি প্রবাস থেকে এসে দেখতে পারলাম তখন আমি জানতে চাইলাম জমি আমি কিনলাম ৩০ শতাংশ দলিলে আছে ৩০ শতাংশ কিন্তু রেকড কেন ২৮ শতাংশ আমাকে বলে সরকার রাস্তার জন্য ২শতাংশ নিয়ে গেছে জমি আমার আর সরকার নিয়েগেছে টাকা ছারা এটা কি জাইহোক আমি প্রবাসী আমার সময় নাই দৌরা দৌরি করবো আমাকে যে আবার প্রবাসে জেতে হবে কি করবো মেনে নিলাম চলেগেলাম আবার প্রবাসে আমি জমি টা ছিল রাস্তা থেকে অনেক নিচু তাই জমি টা কে রাস্তা সমান মাটি দিয়ে ভরাট করালাম আমি তো প্রবাসী দেশে না কি জরিপ হয়েছে আমি জানিনা জরিপে আমার জমি কে ২৮ শতাংশ থেকে ১৩ শতাংশ ভুমি সম্পদ দেখিয়ে ১৫ শতাংশ করে দিয়েছে আমি যখন দেশে আসলাম খাজ
আমার আবেদনটির অবস্থা জানতে কয়েকবার অফিসে যোগাযোগ করেও পরিষ্কার উত্তর পাচ্ছিলাম না। একদিন একজন দালাল আমাকে বলেন, সংশ্লিষ্ট ডেস্কে কথা বলে ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানাতে এবং দ্রুত নড়াচড়া করাতে ১১,৯০০ টাকা দিতে হবে। আমি জানতাম এটি নির্ধারিত ফি নয়, কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে রাজি হয়ে যাই। টাকা দেওয়ার পর তিনি আমাকে ফাইলের অগ্রগতি জানান এবং পরের সপ্তাহে নতুন বার্তা পাই।
পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন নিয়ে দ্বিতীয়বার অফিসে গেলে একজন মধ্যস্থতাকারী আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ফাইলে ছোটখাটো অসঙ্গতি দেখিয়ে আবেদন ফেরত পাঠানো হতে পারে, কিন্তু ৬১,২৫০ টাকা দিলে ভেতরের কর্মী সেটি ঠিকভাবে এগিয়ে দেবেন। আমি বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম না, তবু দীর্ঘ বিলম্ব এড়াতে শেষ পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করি। এরপর আমার আবেদনটি পরবর্তী পর্যায়ে পাঠানো হয়।
বায়োমেট্রিক দেওয়ার নির্ধারিত দিনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একজন কর্মচারী আমাকে আলাদা করে বলেন, নিয়মিত সিরিয়ালে আজ আমার কাজ নাও হতে পারে। ১২,৮০০ টাকা দিলে দ্রুত আঙুলের ছাপ ও ছবি নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে তিনি জানান। অপেক্ষা ও যাতায়াতের সমস্যা থাকায় আমি শেষ পর্যন্ত চাওয়া টাকাটি দিয়ে দিই। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই আমার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হয়।
বিগত সরকারের আমলে আমার জমিতে সরকারি ভাবে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে ভূমিহীনদের । কিন্তু খাস জমি যেই দিকে আছে ওই দিকে না দিয়ে আমার কিনা জমিতে এই ভূমিহীন দের বসবাস করতে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে । একই দাগে খাস জমি যেই দিকে খাস জমি ওই দিকে না করে আমার জমি তে বাড়ি করে দেওয়া হয়েছে । কিন্তু পরে আমি ভূমি অফিসে গিয়ে বিস্তারিত জানাই । কিন্তু খাস জমি যেই দিকে আছে ওই দিকে নিতে বলে ভূমি অফিসে কর্মরত অফিসার । সরকারি আমিন আমার কাছে ঘুষ চাই ১০ হাজার টাকা । আমি দিতে চাই নি তাই আমার কাজ ও হয় নি ।
পাসপোর্ট এর এন আইডি ভেরিফিকেশন করে দেয়া
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম
আমি জায়গা নামজারির জন্য কিছু দিন আগে অনলাইনে আবেদন করি আমি আবেদন কপি নিয়ে ভুমি অফিসে জমা দিতে যাই এখন থাকে আমাদের যে ভুমি অফিস থাকে কল আসে আমি অফিসে যাবার জন্য পড়ের দিন আমি গেলাম চা পানির জন্য তাদেরকে কিছু দিবার জন্য এক সময় এক জন্য ৫০০০ টাকার কম হবে না এই খানে তাদের খরছ ও আছে এই কথা বলেন,, আমি বলি আমার কাছে এতো টাকা নাই আর আমি এতো টাকা দিতে এ পারবো না বলে চলে আসি
আমাদের মরহুুম বাবা- মার জমি, ওয়ারিশ হিসেবে আমাদের নামে নামজারি করানোর জন্য ভুমি অফিসে ২ বার ৫,০০০+৭,০০০/- মোট ১২,০০০/- টাকা ঘুষ দেয়ার পর জয়কালী মন্দির ভুমি অফিসের এসি ল্যান্ড ২ বার ফাইল রিজেক্ট করে। যা ৬ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত হয়রানি করা হয়। পরবর্তীতে ৩০,০০০/- টাকা ঘুষ দিয়ে ১ দিনের মধ্যে নামজারি করে দেয়।
আমরা ৪ জন পাসপোর্ট ফাইল জমা দিতে যাই।নিজেরাই অনলাইন আবেদন করে।সব কাগজ ঠিক ছিল আমাদের । পাসপোর্ট অফিসের ১০১ এ ২ জন কর্মকর্তা রিজের্ট করেন ।দেখান যেন একজন আংকেল এর বাবার নাম উনার বাবা NId থেকে উনার NId একটা শব্দ আলাদা ছিল।তাই সবার আমাদের অন্য দিন এ ডেট দেন।পরে পরিচিত একজন আমাদের passport অফিসের পাসে কম্পিউটার দোকানে যেতে ড বলল।আমরা গেলাম ।তারা অফিসের সাথে কথা বলে ওইদিনে ফ্রিঞ্গার প্রিন্ট ও ছবি পাসপোর্ট অফিসের করে দিবে ।তবে যদি জনপতি১৩০০ টাকা দিই ।তবেই ওইদিন এ করে দিত
লাইসেন্স শাখার সবাই টাকা চায়
orem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Integer hendrerit est sed porttitor egestas. Quisque rhoncus id velit eu viverra. Mauris ac eros tempus, consequat sapien at, aliquam erat. Ut sed urna vitae diam scelerisque pellentesque. Mauris porta tincidunt leo, vel fermentum augue vulputate finibus. Integer sit amet nisl eget lectus malesuada eleifend quis nec massa. Sed ut scelerisque ipsum. Aliquam facilisis id urna sit amet bibendum. Suspendisse a viverra erat, quis sollicitudin diam. Cras eget erat neque.
আমার জমি নামজারি করার জন্য ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তা। বর্তমানে তার অধীনে কতগুলা দালাল কাজ করে সে দালালের মাধ্যমে টাকা দাবি করে অন্যথায় কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা অনিয়ম হচ্ছে রাজামহার ভূমি অফিসে। আমি তার সুস্থ বিচার দাবি জানাচ্ছি।