থানায় সাধারণ ডায়েরি করনে
সাধারণ ডায়েরি করার জন্য উৎকোচ হিসেবে নিয়েছে ১৩০০ টাকা অদ্যবতি কোন কাজ করেনি
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সাধারণ ডায়েরি করার জন্য উৎকোচ হিসেবে নিয়েছে ১৩০০ টাকা অদ্যবতি কোন কাজ করেনি
বাৎসরিক খাজা দিতে গেছি , দেখি আরেকজনের নামে জমি খারিজ হয়ে আছে। পড়ে গেলাম বিপাকে তারপর ভূমি অফিসে যে কর্মকর্তা ছিল তাদের সাথে কথা বললাম বলল যে আপনারা জমি বিক্রি করে দিয়েছেন এই জন্যই তো আরেকজনের নামে খারিজ হয়েছে এটা মিস কেস করতে হবে। এবং অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। আর বিশেষ করে তারা টাকা খাওয়ার জন্য আমাকে কোন হেল্প করতে চাচ্ছিল না এবং দিনের পর দিন শুধু ঘুরাচ্ছিল। একটা কথা বলে রাখি তারা নিজেরাই ইচ্ছা করে এগুলো গন্ডগোল বাধিয়ে রাখে যেন সাধারণ মানুষের থেকে টাকা খাওয়া যায়। তারপর আর কি করার আছে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে নথিপত্র ঘাটাঘাটি করে কিছুক্ষণের মধ্যে সবকিছু কমপ্লিট করে দিল। শুধু শুধু হয়রানি এবং ২২ হাজার টাকা ঘুষ এর মাধ্যমে আমার কাজটি কমপ্লিট করি। আর ওদের ব্যবহার অনেক খারাপ ছিল ।
আমরা মোট ৭৬ জন ছিলাম। সবার কাছে ৩২০০ টাকা করে ঘুস নিয়েছে। শুধু পরীক্ষায় পাশ করবাবে বলে। ঘুস না দিলে অবধারিত ফেল। তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া বিল করতে উনি ৩.৫% টাকা দাবি করেন এবং কলেজের শিক্ষক গন সকলে মিলে টাকা দিয়েছেন।তাছারা প্রত্যেক বিলের পিছনে টাকা দিতে হয়
আমি সরকারি ফি প্রদান করেছি ১৫০০ টাকা।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্ন।কিন্তু আমার সব কিছু ঠিক ছিল।পুলিশ আমাকে কল দিয়ে থানায় ডেকেছে।তারপর ৫০০ টাকা পুন্দে দিয়েছে।কিন্তু বেশি চায়নাই।৫০০ ই চেয়েছিল😂
কলকারখানা অধিদপ্তরের ডিআইজি একজন মহিলা পরিদর্শকে একজন এডিশনাল ডিআইজিসহ কারখানা ভিজিটের নাম করে টাকা তোলার জন্য পাঠায়। কারখানায় একেক বার একেক ইন্সপেক্টর আসে। যেই আসে টাকা চায়। এছাড়াও তারা লাইসেন্স করার নামে আমাদের কাছ থেকে ২০,০০০/- দাবি করে। টাকা না দিলে নোটিশ করে । মামলা দেওয়ার কথা বলে।
সিরিয়াল/হোল্ডিং খোলার জন্য আমি ভুমি অফিসে যাই। অফিসের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৪০০ টাকা চাইলে আমি রশিদ দিতে বলি। তাতেই সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির দাগ নং ভুল হয়েছে। পরবর্তীতে আমি আবাও সে অফিসরে কর্মকর্তার কাছে যাই এবং সে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবী করে। আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিই এবং জমির দাগ নং সঠিক করি। আমার খতিয়ানে জমির দাগ নং সঠিক ছিল।
আমার মামলামামলা নাকি খারিজ করে দিবে বাকি আসামি দের জাবিন দিবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
আমি গাড়ি চালাতে পারি তাও আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়, এরপর ৩০০০ টাকার চুক্তিতে পাস করে দেয় দালাল। তেজগাঁও বি আর টি এ ঘটনা।
নামজারি করার সময় টাকা না দিলে হবে না
আমি যখন সার্টিফিকেট তুলতে চাই। ওই কর্মকর্তা আমাকে জিজ্ঞেস করিলেন আপনি কি টাকা দিয়েছেন আমি বললাম কিসের টাকা উনি বললেন যে সার্টিফিকেট নিতে হলে টাকা দিতে হয় টাকা না দিলে এখানে কোন সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না।
গত এক বছর আগে একটা জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ত্রি অফিসে যাই, সব কিছু ওকে করার পর জমির দলিল উঠানো টিকিট যখন দেয় তখন আমার টাকা দেওয়া লাগে, মুহুরি কে জিজ্ঞেস করলাম বলল এটাই নিয়ম আপনি ও দেন, বাধ্য হয়ে দিত হলো।
পুলিশের পুলিশ ক্লিয়ারেনস জন্য ৫০০ টাকা নিছে
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
amar mpo kagoj submit korar jonn
আমি সিঙ্গাপুর প্রবাসী। দাঁতের প্রচণ্ড ব্যথার কারণে বাংলাদেশে এসে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাই। নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পরও আমাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং কয়েকদিন ধরে ঘোরানো হয়। পরে একজন ব্যক্তি আমাকে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে যান এবং সেখানে আমার কাছ থেকে ১,৪০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কেন আমাকে ব্যক্তিগত চেম্বারে পাঠানো হলো এবং সেখানে কেন ১,৪০০ টাকা নেওয়া হলো—বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
পেনশন এর কাজ করে দেওয়ার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করা হয়ে ছিল
আমার বাইকের সকল কাগজ ছিল।কিছু না পেয়ে বলে পিছনের যাত্রীর হেলমেট নাই সেটাও ছিল। এরপর সার্জেন্ট সাহেব আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুষ চাই। আমি বলি আমি দিতে পারবো না উনি রেগে গিয়ে আমার নামে ৩ হাজার টাকার একটা হয়রানি মূলক মামলা ডায়ের করে দেয়। এটাই চুতিয়া বাংলাদেশ।
ভাইয়ের হার্টের এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করানোর পরে ওয়ার্ডবয় ২০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে হার্টে স্টেন্ট পরানোর সময় ঝামেলা করতে পারে ভেবে দিয়ে দিতে হলো, উল্লেখ্য সব রোগী থেকে বিভিন্ন অযুহাতে ২০০ টাকা করে নিচ্ছিলো। পরে রিলিজ দেয়ার সময় নার্সরা ছাড়পত্র বুঝিয়ে না দিয়ে আয়ার হাতে দেয়, আয়া হাসপাতাল বা সরকার থেকে কোন বেতন পায়না দাবি করে নার্সদের সামনেই ২০০ টাকা দাবি করে, ১০০ টাকা দিতে চাইলেও নেয়নি, দেখলাম সব রোগী থেকেই ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। পুরো সিস্টেম এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে এখানে টাকা না দিতে চাওয়াটা যেন অন্যায়!
আমার পাসপোর্ট যখন রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়ার পরে যে ডেটে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা ওই ডেটে না দিয়ে আমাকে ঘোরাতে থাকে, পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার তিন মাস পর আমার পাসপোর্ট আমি হাতে পাই। আমার সকল ডকুমেন্টস প্রথমে যখন জমা দিয়েছিলাম সেগুলো ঠিক ছিল, তখনও টাকা দাবি করেছিল, আমি দেইনি, তার জন্য আমার কাগজ জমা দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগে।