Office of the Registrar of Joint stock companies and firms
Office of the Registrar of Joint stock companies and firms. অডিট রিপোর্ট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর পকেট খরচ না দিলে জীবনে পাশ হয় না।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Office of the Registrar of Joint stock companies and firms. অডিট রিপোর্ট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর পকেট খরচ না দিলে জীবনে পাশ হয় না।
ডিফেন্স সাইড এ দেখা যাই যারা রিট্যার্ড করেন তাদের পেনশন এর টাকার জন্য ৫০০ -২০০০০+ ঘুষ প্রদান করা হয়। যদি না দেওয়া হয় তাহলে কাজ গুলো প্রক্রিয়াধিন থেকে যাই। বি: দ্র: মানুষ তার নিজের কাজ টা বেতন এর বাহিরের টাকা ছাড়া কবে থেকে করবে??
ইউনিয়ন অফিসে চেয়ারম্যান একটা স্বাক্ষর জন্য গ্রাম পুলিশকে দিতে হয়েছে মারিয়া ইউনিয়ন অফিস
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে
ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়ে ২০০ ঘুষ যাকে বকসিস বলে
আমি একজন বাংলাদেশী এবং সিংগাপুর প্রবাসী, গত 2020 সালে আমার ডিজিটাল পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমি চিন্তা করি নতুন করে , ই পাসপোর্ট করতে আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলার পাসপোর্ট অফিস এ যাই এবং আমার সকল ডকুমেন্ট ফাইল জমা দিলে বলে সেখানে র একজন দায়িত্ব রত অফিসার যে আপনার পাসপোর্ট নবায়ন হবে না যদিও জিঙগেস করেছিলাম কি কারণে হবে না, কোনো সুদূর উত্তর দেননি, কিন্তু যদি আপনার আর্জেন্ট হয় তাহলে আমাকে 17000হাজার টাকা দেন আমি করে দিতে পারি, না হলে আপনাকে চাপাইনবাবগঞ্জ যেতে হবে কাগজ ঠিক করতে, যখন আরেক অফিসার কে বললাম আমার টা কেনো হবে না সে বলে আমাদের জুনিয়র অফিসার যা বলে তাই করেন আপনার সাথে এতো কথা বলার সময় নাই, শেষ পর্যন্ত 17000 হাজার টাকা দিয়ে ই পাসপোর্ট নবায়ন করি
আমার আব্বাকে গত 1/9/2026 সকাল ১০ ঘটিকায় ফ্যাক্টরিতে কাজ করা অবস্থায় বাম হাতের দুইটা আংগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, থানা সদর হসপিটালে ইমার্জেন্সি থেকে রেফার্ড করে সিরাজগঞ্জ সরকারি মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করে, তাদের ইমার্জেন্সিতে ৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সময় ক্ষেপন করে ডাক্টার আসবে আসতেছে এমন করে ষ্টাফ কর্তৃক ১০০০ টাকা ঘুষ আদায় ও ১২৬০ টাকার মত টেষ্ট মত করেও রিপোর্ট ও সার্জারী পেতে পেতে সন্ধ্যা হবে বলায় ,রোগিকে তাদের দেখানো পার্শ্ববর্তি বেসরকারি মেডিকেলে ১৫০০০ টাকায় অপারেশন করানো হয়... কিন্তু দেরি হওয়ায় বিচ্ছিন্ন আংগুল আর জোড়া দেওয়া সম্ভব হবে না বলে ডাক্তার জানায়। যদি এটাই কারন হয় তবে কেন ৬ ঘন্টা রক্ত পরা অবস্থায় রোগিকে ৬ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হলো?
বিষয়: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ এবং অনলাইন নবায়ন অপশন পুনরায় চালুর দাবি আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের Citizen Charter অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী গ্রহণ করার কথা এবং অনলাইন নবায়নের ক্ষেত্রে Rocket ও T-Cash-এর মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। নবায়নের নির্ধারিত সেবা সময় ২ কার্যদিবস। কিন্তু বাস্তবে আমার অভিজ্ঞতা/অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য মোট প্রায় ১১,০০০
শতকরা ৫% ঘুষ না দিলে কোন বিল পাস হয় না
বলেছিল আপনাদের বকেয়া বিল করতে হলে ৫% দেওয়া লাগবে। না দিলে বিভিন্ন হয়্রানি করবে এবং পরবর্তীতে অনেক জামেলা করবে।
জেলা প্রাইমারি অফিস হতে প্রথমে ফাইল বিভাগে পাঠানো হয় কিন্তু বিভাগ থেকে আর ফাইল পাশ হয় না। এভাবে নয় মাস পর দফারফা হয়।
একটা ক্রয় কৃত জমি পরবর্তীতে খতিয়ানে "ভেস্টেড প্রপার্টি" হিসেবে খতিয়ানের মন্তব্য কলামে লিপিবদ্ধ থাকায় নামজারি/জমাখারিজ করে খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য নিয়েছে।
জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার কর্তৃক। টাকা গ্রহণ করা হয় এবং পাসপোড প্রদান করা হয়। এবং পুলিশের ভেরিফিকেশনের জন্য মোট টাকার পরিমান দিছি।
আমি ৩৮ সেন্ট জমি খারিজের জন্য ভূমি অফিসে গেলে কাগজ পত্র যাচাই করে সঠিক আছে বলে জানান। তিনি খরচ পাতি হিসাবে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বললাম সরকারি ফি ১১০০ লাগে।আপনি ৫০০ টাকা বকশিস নেন। তিনি বললেন কানুন গো এবং এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয়না। তারপর ৬৫০০ টাকা নিলেন।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার সময় আমার হাতে লেখা জন্ম সনদ ও সারটিফিকেটে জন্ম তারিখের মিল না থাকার কারনে ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ দিলে কাজ হবে, না হলে কাজ হবে না।
অভিযোগ ভিত্তিতে আসামির বাড়ি যাওয়ায় পুলিশ আসা যাওয়ার খরচ বাবদ টাকা দাবি করে কমপক্ষে ২০০০। অথচ সরকারি পুলিশের গাড়ি দিয়ে ১ কিমি এর ভেতর গিয়েছে।
ভুমি অফিসের ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলতে হয় কর দেওয়ার জন্য, আর একাউন্টি মুলত অফিস থেকে ফ্রিতেই করে দেওয়ার কথা, এবং এটা করতে কোন টাকা লাগে না, কিন্তু অফিসের কর্মকর্তা ৪০০ টাকা নিছে
মেহেরপুর জেলা পাসপোর্ট অফিস এ, আমার ছোট ভায়ের জন্য পাসপোর্ট করতে গেলে, নানা অজুহাতে, আমাদের ঘুরাতে থাকে,শেষে যখন হলো না, আমরা তাদের বললাম, কি করলে আজকে, ফিংগার, হয়ে যাবে, তখন তারা পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে একটা কম্পিউটারের দোকানে পাঠিয়ে দিলো, ওই খানে গিয়ে বললাম, আজকেই ফিংগার দিয়ে যাবো, বললো ১৫০০ টাকা লাগবে, আমরা ১০০০ টাকা দিতে চেয়েছি হয়নি, ওই দিন আমরা ঘুরে চলে আসছি, কিন্তু তার পরের দিন একি রকম হয়রানি, শেষে ১৫০০ টাকা দিয়ে কাজ করে চলে আসছি
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে সনদে বাবার নাম ভুল থাকাতে আবেদন করেছি পরবর্তী কারেকশনের পরে সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে গেলাম। তখন টাকা না দিলে বিভিন্ন তালবাহানা করতেছিল। পরবর্তীতে টাকা দেয়ার পরে অফিস শেষ করে সনদগুলা বুঝিয়ে দিল।
প্রথমে আমি গেলাম ভূমি অফিসে ওনারা বল্ল বহিরে দোকানে গিয়ে অনলাইনে কর পরশোধ করে নিয়ে আসেন।তার পর গেলাম পরিশোধ করে আনলাম বলে জমির দাগ নাম্বার টিক নায় আবার গেলাম দোকানে আবার চেক করলাম দেখি সব টিক আছে। পরে দোকান দার ওয়ালা বল্ল ঘুষ দিলে এখন সাতে টিক করে দিবে আপনি পিওন কে বলেন ওনি দর দাম টিক করে ওখানে। পরে ওনার কথা মতো আবার গেলাম বলে আমি স্যারের সাতে কথা বলে দেখি কি হয়। একটু পর বের হয়ে বলে কিছু কর দিতে হবে। আমি বল্লাম কতো ২০০০ টাকা। পরে আমি বল্লাম সরকার পাচ্চে ১৮৪ টাকা আর আপনারা ২০০০ টাকা সরকার কে তো আপনারা চলান মনে হয়।এটায় দেশের অবস্তা।