বাইক নাম পরিবর্তন
বাইক নাম পরিবর্তন, এর জন্য টাকা চাওয়া হয় সরাসরি টাকা দেওয়া হয়েছে,
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাইক নাম পরিবর্তন, এর জন্য টাকা চাওয়া হয় সরাসরি টাকা দেওয়া হয়েছে,
তিনবারে পরীক্ষা দিছি পাস করে না। টাকা ঘুষ দিয়েছি অটো পাস করাই দিছে। পরীক্ষা ছাড়া
গত ২-৩ দিন আগের ঘটনা আমার ছোট ভাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ট্রেনিংয়ে আছে তার পুলিশ ভেরিফিকেশনে একজন এসআই বাসায় আসলে তাকে সাধ্যমতো নাশতা ও যতাযত কাগজ বুঝিয়ে দেওয়ার পরেও তিনি টাকা দাবি করে ।এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় ।
01767193549 এটা হলো দুর্নিতি বাজের নাম্বার ওনার নাম উত্তম রায়
01744661365 ওনার নাম্বার এ টা দিয়ে কল দিয়েছেন
নানা রকম সমস্যা দেখিয়ে ভুল ভাল কাগজ দিয়ে হয়রানি মাধ্যমে টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ করা লেগেছিল
বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে
পাসপোর্ট রিনিউ এর ভেরিফিকেশনের জন্য ১৫০০ টাকা মিষ্টি খাওয়ার জন্য দেওয়া হয়েছিল।
ঢাকা ওয়াসার উত্তরা জোন অফিসে পানির বিলের ৫০% বাণিজ্যিক ও ৫০% আবাসিক ক্যাটাগরি থেকে ১০০% আবাসিক ক্যাটাগরিতে পরিবর্তনের জন্য যোগাযোগ করি। ভবনটি বর্তমানে সম্পূর্ণ আবাসিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম নেই। ক্যাটাগরি পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় আমার কাছে ৮০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করছি। পরবর্তীতে দর-কষাকষির মাধ্যমে ৩৫,০০০ টাকা প্রদান করার পর আমার পানির বিলের ক্যাটাগরি/সংযোগের কাজ সম্পন্ন করা হয়। অথচ পূর্ববর্তী সময়ে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক নির্ধারিত ৫০% আবাসিক ও ৫০% বাণিজ্যিক হারে যে বিলগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো আমি নিয়মিত পরিশোধ করেছি এবং কোনো বকেয়া ছিলো না।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কতৃক নিবন্ধন এর জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছিল উপজেলা যুব অফিসার।
২০১০ সালে আমি পাসপোর্ট করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসের এক ব্যক্তি আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করেন এবং এর বিনিময়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার কথা বলেন। আমি তাকে টাকা না দিয়ে চলে আসি। এরপরে আমার নিজ থানা থেকে ফোন দেয় ভেরিফিকেশনের জন্য। আমি সেখানে যোগাযোগ করলে আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা দাবি করে। তাদেরকে ২০০০ টাকা দেওয়ার পরে তারা রিপোর্ট দিয়ে দেয়। এরপর সিটি এসবি থেকে আমাকে ফোন দেয় তাদেরকেও ২০০০ টাকা দিতে হয়। এরপর আমার বর্তমান ঠিকানার থানা থেকে ফোন দেয়। তাদেরও ২০০০ টাকা দিতে হয়। ১৫০০ টাকা বাচিয়ে আমি ৬০০০ টাকায় পাসপোর্ট পাই।
অফিসার: পে ফিক্সেশন এর কাজ তো অনেক দেরি হয়।আমরা এটা জমা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা ফোন দিলে আসবেন। কাগজ পত্রের উপর অনেক লাল কালী দিলেন।আর বললেন এগুলো তাদের অধিকার। আর একদিনে তো সব অফিসার থাকে না।আপনি এক সপ্তাহ পর খোজ নিয়েন।আমার ফোন নাম্বার নিয়ে যান। আমি বললাম আমার নতুনচাকরি একটু তাড়াতাড়ি করে দিলে বেতন টা পেতাম।এমনিতে অনেক দিন হয়ে গেছে সব কাজ করতে।উনি কোন কথা শুনতে রাজি নয়।আগের কথার পূনাবৃত্তি।পাশের একজন বললেন চা নাস্তার টাকা দিলে কাজ তাড়াতাড়ি করে দিবেন। পরে অফিসারের হাতে অফিসেই ২৫০০/ টাকা দিলাম।কাজ একদিনের ভিতরে হয়ে গেছে। আবার বলে আপনার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিছু না বলে চলে আসলাম।এই হচ্ছে তাদের অবস্থা।
জমির রেকর্ড করতে গিয়ে সবকিছু ঠিক থাকলে ও তি আমার কাছে অনেক টাকা দাবি করে, পরে আর কি করবো বুঝিয়ে ৫০০০ টাকা দিয়েছি
আমি আমার গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করাতে যায় বিআরটি অফিস তখন অফিস সহায় আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে যেটা যৌক্তিক দাবি নয়, আমি সম্পূর্ণ খরচ অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভারে জমা দিয়েছি এরপরেও কেন টাকা জমা দিতে হচ্ছে, আমার মত অনেক গ্রাহক আছে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে টাকা দেওয়ার কারনে, অন্যদিকে দিও কাকে সময় আমি আমার কাজ করাতে পারছি না ও সময় ওকাঙ্ক্ষিত কাজটি হচ্ছে না।
আমাির জমির নাম জন্য কুষ্টিয়া অফিসে= 4000 টাকা এবং দৌলতপুর অফিসে =2000 টাকা মোটা 6000 টাকা ঘুষ প্রদান করেছি। ঘুষ না দেওয়ার কারনের 1 বছর ঘুরেও কাজ হয়নী । পরে ঘুস দিয়ে কাজ করে দিয়েছে।
আমার আইডি কার্ড ছিলোনা অর্থাৎ আমি বানাইনি যখন আমি পাসপোর্ট বানাতে জাই এন আইডি কার্ড লাগবে গিয়ে দেখি বাবার জন্য নিবন্ধন এ সালে ভুল মার ও সেইম নামেও ভুল যখন মা বাবাকে বলি তুমাদের নামকি এমন ভুল কেনো বাবা মা বলে আমাদের কে তখন বলছে নামকি আমরা আমাদের নাম বলছি এটাতো আমরা কাজ করিনাই অরা ভুল লেখছে আমি এনআইডি কার্ড বানাতে পারি না মা বাবার জন্ম নিবন্ধনের জন্য তাদের নামে বানান ভুল এগুলা সংশোধন করতে যায় করতে গেলে বলে ছয় মাস এক বছর লাগবে তাদের এন আইডি কার্ড ও নামে ভুল সালেও কিছুটা ভুল এগুলো সংশোধন করতে গেল বলে তিন থেকে ছয় মাস লাগবে তখন আমার ইমারজেন্সি পাসপোর্ট দরকার তারা ঘুষ চায় ৩০০০০ টাকা কিন্তু তারা সরকারি লোক পরে আমি দালাল ধরি তারপর ২৮ হাজার টাকা দিয়ে কাজ গুলা করতে সক্ষম হয় এক মাসের মধ্যে মধ্যে
ঢাকা থেকে আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিলেও লক্ষীপুর থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে ঘুষ চাওয়া হয়। না দেয়ায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আটকে দেয়। পরে দায়ে পড়ে দিতে হলো
আমি মোটরসাইকেল নিয়ে আসতে ছিলাম হঠাৎ করে এক ট্রাফিক পুলিশ আমার গাড়িটি আটক করে লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। আমি যখন গাড়ি আনতে গিয়েছি, তখন লক্ষ্মীপুর টিআই অফিসে বলতেছে ১৮০০০ টাকার কমে গাড়ি দেয়া যাবে না। গাড়ির নামে মামলা হয়েছে। এখন কথা হলো যদি মামলা হতো আমাকে তো অবশ্যই মামলার রশিদ দিত। তারপর একজন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে বলল আচ্ছা ঠিক আছে আমি গাড়ি ছাড়িয়ে দেব ১০ হাজার টাকা বের করেন। আমি বললাম স্যার আর কিছু কম নেন। পরে উনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন ঠিক আছে আচ্ছা আট হাজার টাকার কমে পারবোনা। পরে আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে স্যার আমি 5000 টাকা দেই সাথে সাথে উনি বললেন মাছ বাজার পেয়েছেন নাকি। ৮০০০ টাকার কমে ১ টাকাও হবে না। তারপর আর কি করার আমি 8000 টাকা পেমেন্ট করলাম।
নতুন বাইক কিনে মাত্র রাস্তায় নামলাম আর সেই ২০ হাজার টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে আমার থেকে ৫ হাজার টাকা নিল ,
বিদেশ যাবো পার্সপোট করাতে পুলিশ ভেরিফিকশনের জন্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসবি থেকে পুলশ বাসায় এসে চাপ দিয়ে ২৫০০ টাকা নিয়েছিলো, আরেকবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ভেরিফিকেশনের সময় পুলিশ ২৫০০ টাকা নিয়েছিলো।