নামজারি করণ
ঠাকুরগাঁও সদর ভূমি অফিসে জমির নামজারি করতে গেলে ঘুষ না দিলে কাজ হয় না। একবার জমির নামজারি করার সময় সবকিছু ঠিক থাকা সত্বেও আমাকে ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। যদিও নামজারির জন্য খরচ হওয়ার কথা ১১৭০ টাকা।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঠাকুরগাঁও সদর ভূমি অফিসে জমির নামজারি করতে গেলে ঘুষ না দিলে কাজ হয় না। একবার জমির নামজারি করার সময় সবকিছু ঠিক থাকা সত্বেও আমাকে ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। যদিও নামজারির জন্য খরচ হওয়ার কথা ১১৭০ টাকা।
আমার পোষা বিড়াল কাপড় দেয়ার পর, আমি মহাখালি ইনফেকশনের ডিজিজ হাসপাতালে যাই সরকারি সেবা ১০ টাকায় পেতে, কিন্তু ডাক্তার দেখানোর পর, RiG দেয়ার কক্ষে, যে ইঞ্জেকশন দেয়, তার পাশের ব্যাক্তি আংকেল কিছু হাদিয়া দেন বলে চেয়ে বসে, আমি বাধ্য হয়ে ৫০৳ দেই। আমি এটি আশাকরিনি। আমার মত শত শত রুগি সেখানে যায়, ৫০/৪০/৬০ করে তুললে প্রতিদিন কত টাকা উঠে হিসাব টা মিলিয়ে নিন।
ভূমি অফিসে আমি জমির দাগ নাম্বার এবং খতিয়ান নাম্বার জানতে চেয়েছিলাম। আমাকে জানানো হয় এই তথ্য দেওয়া অনৈতিক। তবে কিছু টাকার বিনিময়ে তথ্য দিতে রাজি হয়। প্রস্তাব দিয়েছিলেন একটি কম্পিউটার দোকানের মালিকের মাধ্যমে। যে টাকা লেনদেন করা হয় ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে আতাত করে থাকা একটি কম্পিউটার দোকানের মালিকের মাধ্যমে। ভূমি অফিসের যিনি কর্মকর্তা, তার বিকাশ নাম্বারে আমি টাকা টি পাঠালে আমাকে তথ্য দেয়া হয়। ঘটনাটি ঘটে ২০২৩ এর দিকে।
আমার ঘর থেকে মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর আমি থানাতে জিটি করি তারপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা ডিউটি অফিসার আমার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে মোবাইল উদ্ধারের জন্য সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে টাকা না দিলে আমার কাজ করতে রাজি হয় না তাই আমি টাকা দেই কিন্তু আমার কাজ হয়নি
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরীক্ষা উর্তীন্ন হতে দেওয়া লেগেছে, টাকা না দিলে ব্যাবহারিক পরীক্ষাই ফেইল করেছিল, লিখিত ও মোখিক পরীক্ষাই সফল হবার পর ব্যাবহারিক পরীক্ষাই সফল হয়েও ফেইল করে দেন পরীক্ষক মহাদয়, বাধ্য হয়ে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে ব্যবহারিক পাস করি।
দালাল ছাড়া কোন কাজ হয়না নিজে নিজে অনেক ট্রাই করছি কিনতি তাড়া ইচ্ছা কৃত ফেল করে দেয়। যখন দালালের মাধ্যমে টাকা দিলাম সেই দিনেই আমি পাশ করলাম। আবার ফিংগার প্রন্ট দিতেও আলাদা ১০০ টাকা দিতে হয় এক কোথায় টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না
নামজারির আবেদন করার পর উপজেলা ভূমি অফিসে জমা দিই।উপজেলা ভূমি অফিস থেকে আমার নামজারীর আবেদনের ফাইলটি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই।ইউনিয়ান ভূমি অফিসের কর্মকর্তা আমাকে ফোন করে এবং বলেন আপনি নামজারির আবেদন করেছেন প্রস্তাব করব আপনি আগামীকাল আসেন। পরদিন আমি গেলাম ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আমাকে বললেন কাগজ অনুযায়ী আপনি আবেদন করেছেন কিন্তু বাস্তবে জমি কী আছে দেখতে হবে। উত্তরে আমি বললাম আমার জমি মাপা আছে এবং নকশা আছে। না এগুলো হবেনা। আপনি আনিন ঠিক করেন আমরা গিয়ে আমিন থেকে বুঝে নিব। পরদিন আমি আবার গেলাম বললাম অন্য কোন উপায় আছে। উত্তরে উনি বলল ৬০০০ টাকা দিতে হবে। আমি কিছু না বলে চলে আসলাম।পরে উনি ২ দিন পর আমার বাড়িতে আসে এবং বিকাশে টাক পাঠাতে বলে।পরে আমি নিরুপায় হয়ে টাকা দিলাম। কারণ টাকা ছাড়া কাজ হয়না।
প্রথমে কাগজাদি নিয়ে গেলে কেরানী হম্বিতম্বি করছিল যে স্কুলের এমপিও খেয়েদিবে হেডটিচারকে শোকোজ করবে ইত্যাদি ইত্যাদি মানে সত্যায়িত করে দিবে না পরে ১০০০ টাকা চায় সেটা দেয়ার পর সাথে সাথেই সত্যায়ীত করে এনে দেয় ।
আমি আমি ফিঙ্গার দিতে গিয়েছিলাম। আমাকে কয় অফিসার এখন নেই, তারপর অনেক অপেক্ষার পর তিনি (অফিসার) আমাকে বলেন, যে ৩০০ টাকা দিলে এখন ই ফিংগার দেওয়া হবে। আমার সময় ছিল না যার কারণে আমি দিতে বাধ্য হই। সময়টা হচ্ছে ৩ রা জুলাই ২০২৩।
আমার বাবার মৃত্যুর পর ৩টি খতিয়ার নতুন করে খুলতে গেলে ৫০,০০০/- দাবি করে। জানতে চাইলে বলে জটিলতা আছে। উপরে খরচ আছে নয়তো হবে না। আমারো নতুন খলো দরকার ছিল , কি করবো বলেন পরে ৫০,০০০/- পরিশোধ করা লাগছে। হায়রে সরকারী কর্মকর্তারা হায় আফসোস কি জবাব দিবে পরকালে এইটা ভেবে মায়া লাগে তাদের জন্য।
ভোটার আইডি কার্ডে এবং জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বাবার নামে হালকা একটু তফাত ছিল ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট বের করা লাগছে
বিষয়টা ঘটেছে আমাদের টঙ্গী গাজীপুর সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা। আমার ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে ,আমি মৃত্যু সনদ বানাতে গেলে কোন কারনে ফটোকপি প্রয়োজন পড়ে তখন সরকারি কর্মকর্তা যিনি আছেন তিনি আমার কাছ থেকে ফটোকপি বাবদ ২০ টাকা নিয়েছেন কিন্তু ফটোকপি আসলে দুই টাকা বা 5 টাকা হয়। তো হিসাব করলে দেখা যায় দৈনিক ১০০ উপরে মানুষ আসে সে ক্ষেত্রে টাকার পরিমান টা অনেক হয়।
একটি নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে যাই। তখন আমাকে বলে নতুন মিটার এখন নেই, যদি আপনি সাড়ে চার হাজার টাকা দিতে পারেন তাহলে আমরা জরুরিভাবে আপনাকে একটি মিটার লাগিয়ে দিব
কলেজের প্রভাসক বেতন পাশ করার জন্য। আমি ফাইনাল অনলাইনে আবেদন করি। প্রোগ্রাম অফিস থেকে কল আসে। ফাইনালে সমস্যা।কি করিবো মিষ্টি খেতে টাকা দিন।তার পর টাকা পাঠিয়েছি
এসএসসির সার্টিফিকেট আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে, আমার সকল বন্ধুদের ও আমার কাছ থেকে। এর আগেও যখন মার্কসিট আনতে গিয়েছে তখনও। কারো কাছ থেকে আর বেশীও নেওয়া হয়েছে
আমি একটা ইভ্যালি তে গাড়ি কিনছিলাম। আমার যাবতীয় কাগজ, গাড়ি পরিদর্শক দেখিয়েছিলাম, তুমি আমাকে বলে এখানে হবে না এসব আরো কতো নিয়ম কানুন বলে। আমাকে বলে এসব ভন্ডামু এগুলো সব ভুয়া গাড়ি এক জায়গায়, আরেক জায়গায় এসব কতো কিছু, বাট আমি কয়েকদিন পর, ৫ হাজার চুক্তি হলোও, সে গাড়ি পরিদর্শন হলেও। তারপর আবার কি হলোও বলে বড়ো স্যার চেন্জ হয়ে গিয়েছে, নতুন স্যার এই তো টাকা নিবে, এখন আমার গাঠি কাগজ ছাড়া গাড়ি মূল্য নাই, না ততো পুলিশ মামলা দিবে, আবার ৫ হাজার টাকা দিয়ে, আমার সবকিছু পাই। লোকটা নাম মনে নাই, চেহারা বড়ো লম্বা দাঁড়ি, কপালে নামাজ পড়ার দাগ, পাতলা করে। ওতো লম্বা হও না আবার খাটোও, । আমার কি মনে হয়, অফিস উপরের কর্মকর্তা রা সব টাকার ভাগ নিয়েছে, নিচু গুলো, । কারন ফিঙ্গার সময় কোনে টাকা লাগে না,
আমি ssc 26 batch এর বিজ্ঞান বিভাগের একজন শিক্ষার্থী । বোর্ড পরীক্ষার প্রায় এক মাস আগে আমাদের Practical খাতা তৈরি করতে বলে স্কুলের শিক্ষকরা। আমরা যথারীতিতে তা করে স্কুলে যাই । তারা খাতা দেখে এবং বলে যে সবকিছু ঠিকঠাক আছে এখন তাদেরকে প্রতি বিষয়ের জন্য 100 টাকা দিতে হবে অন্যথায় তারা খাতা স্বাক্ষর করবেন না । যার জন্য আমাকে পদার্থ বিজ্ঞান এ 100, রসায়ন এ 100, জীববিজ্ঞান এ 100, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এ 100, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এ 50, কর্ম ও জীবনমূখী শিক্ষা এ 50 এবং শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ে 50 টাকা দিতে হয়েছে। অর্থাৎ 550 টাকা। এবং এ অর্থ নেওয়ার কোনো নিয়ম শিক্ষা অধিদপ্তর বা স্কুল দেয়নি। এ নিয়ম করেছেন আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকরা ।
আমি গাড়ির রোড পারমিট, ফিটনেস সনদ ও আরও অনান্য কাজে গেলে তারা বলেন আজ সিরিয়াল নেই, কাল আসেন, ব্যাংক ড্রাফ আগে করে গিয়েছিলাম। আমাকে বলে লাইনে দাড়াতে, লাইনে দাড়ানোর পর সিরিয়াল পাওয়া যায় না, আতছ দালালকে ৫০০০ টাকা দিলেই ঔ দিন সিরিয়াল ছারা সব কাজ হয়ে গেছে।
প্রথম এ খাজনা আবেদন করিলে মোট খাজনার দাবি আসে ৩৫২৫০টাকা। পরে সহকারী ভূমি কর্মকর্তার সাথে কথা বলে মোট ১৩০০০ টাকা নিয়ে সম্পুর্ণ খাজনা পরিশোধ করে দেয়। আর আমার খাজনা পরিশোধ করা একান্ত প্রয়োজন ছিল। জমি খারিজ করার জন্য
ঘুস না পাওয়া পর্যন্ত কাজ হয়নি ঘুস এর টাকা দিয়ে কাজ করা লাগছিল