পাসপোর্ট নবায়ন
পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে উনারা বলে আপনার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। কিন্ত কি সমস্যা সেটা বলেনা। পরে উনারা ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করলে আর কোন সাকুমেন্টস লাগেনি।
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে উনারা বলে আপনার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। কিন্ত কি সমস্যা সেটা বলেনা। পরে উনারা ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করলে আর কোন সাকুমেন্টস লাগেনি।
ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে শুধু গাড়ি দেখবে আর ফিটনেস প্রিন্ট করে দেবে টাকা প্রথমে দিতে না চাওয়য়ায় সারাদিন অপেক্ষায় করাইছে বলে আজ হবে না আগামীকাল আসেন একজন দালাল এর ২০০০ টাকা চায় তখন ১২০০ টাকা দেই তখন ৫মিনিটে কাজ হয়ে যায়।
শেরপুর নির্বাচন অফিস এ নতুন ভোটার যারা আছে কেউ ঘুস ছাড়া nid করতে পারছে না। সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ফেছ ও ফ্রিঙ্গার নেওয়া হয় না ঘুস ছাড়া। আমার কাছে থেকে ৫০০০টাকা দাবি করে এবং সেই টাকা পরিশোধ করার পর ফেছ ও ফ্রিঙ্গার নেওয়া হয়। আইনি ভাবে তাদের উপর ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
এখানে আদলতের কোন পার্ট রাখা হয়নাই,কোর্টে একটা মামলা চলাকালীন সময়ে,ফেসকার, পিয়ন,নথিকারক যে পরিমান প্যারা দেয় টাকার জন্য সেটা বলাবাহুল্য, মামলার একটা নতুন পেপার জমা দিতে গেলে নথিকারককে ৭০০-১০০০ দিতে হয়,স্বাক্ষি বা জবানবন্দি হলে পিয়ন আর ফেসকার কে আলাদা আলাদা টাকা দিতে হয়,না হলে স্বাক্ষর নিবেনা,একটা নথি দেখতে চাইলে ৮০০-১০০০ টাকা দিতে হয় না হলে কথাও বলেনা,এই হলো স্বাধিন দেশের আমরা পরাধিন জাতী,আমার মনে হয়ে একজন বিচারকের থেকে একজন,ফেসকার আর নথিকারক কয়েকগুন বেশি টাকা কামায়,প্রতিদিন মিনিমাম ১০-১৫ টা নথি রিসিভ করলে হিসাব আপনারাই করেন।
ওয়ারিশ এবং ক্রয়কৃত জমি নামজারি করতে, কূষ্টিয়া সদর উপজেলার ৫নং আলামপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়। তারা কাগজপত্র ঘাটতিসহ বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে মাস খানেক হয়রানি করে। পরে ঘুষ দিলে কাজ করে দিয়েছে, কিন্তু কোন নতুন কাগজ/দলিল দেওয়া লাগেনি। এতে বোঝা যায়, আমার কাগজপত্রে কোণ সমস্যা ছিল না, মূলত ঘুষ খাওয়ার জন্য তারা আমাকে হয়রানি করছিল আগে।
২০২৫ সাথে সেপ্টেম্বর মাসে কিশোরগঞ্জ নিকলি হাওরে যাওয়ার সময় বাইক এক্সিডেন্ট করি। আমার পকেট থেকে ফোন পরে যায়। ফোনের মডেল আইফোন ১২। ওই এলাকার কিছু লোক আমার ফোন টা চুরি করে। আমি প্রায় ১ মাস চিকিৎসা শেষে আমি কটিয়াদি থানায় জিডি করতে যাই। জিডি করার পরে বলে জিডিতো সবাই করে ফোন বের করতে হলে টাকা লাগবে ৮ হাজার। পরে আমি ৩ হাজার টাকা দিয়ে আসছি। আমার ফোন আজ ১ বছর আজো অয়াইলাম না। ফোন হারানোর ৩ মাস পরেও ফোন কল ঢুকেছে আমার ই সিম লাগানো ছিলো। এক্সিডেন্ট এর ১ সপ্তাহ পরে ফোন খুজে দিবে এই বলে মিরপুর ১০ নাম্বারে একজন ডিবির লোক ১ হাজার টাকা নিয়েছে পরে আর খোজ খবর নাই। আর জীবনেও খু*ন হয়ে গেলেও থানায় যাবো না, আমার সাথে অন্যায় হলে সাথে সাথে নিজ থেকে প্রতিবাদ করবো
ভূমি অফিসের আসে পাসের কম্পিউটার দোকান গুলোর কাছে ভূমি অফিসের সাভারেরে এক্সেস থাকে, আমি নিজেই লক্ষ করেছি। পিওন থেকে শুরু করে, দলিল লেখক, সাভেয়ার, কম্পিউটার দোকান সমূহ সকলেই যোগ-সাযোগ থাকে। সবনিম্ন ৫০০০ টাকা না দিলে আপনার কাজ হবে না। ফাইল হরিয়ে ফেলবে, খুজার বাহানা করবে, ডেট দিবে আমুক দিন আসুন। পিওন এর ব্যবহার যেন অফিসার মোত।
প্রাথমিক বদলি একই স্কুল থেকে অন্য স্কুলের ট্রান্সফারের জন্য আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছিল আমি সেখানে ১০০০০ টাকা দিয়ে বদলির কাগজপত্র দিয়ে আসছি
গতকাল আত্মীয়র চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল এর Emergency ৩য় তলায় গেলে ENT OT রুমে ৫০০০ টাকা চায় এবং না দিলে সেলাই করবে না বলে জানায় ।রোগী সিরিয়াস থাকায় বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে সেলাই করতে হয়েছে।
পাসপোর্ট এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য টাকা দাবি করা হয়। ইমার্জেন্সি কাজের ভিসায় দেশের বাহিরে যেতে হবে। ২ মাস আটকে রাখা হয়। তারপর টাকা দিলে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এইটা পুলিশ টাকা নিছে
ইউনিয়ন ভূমি অফিস মুক্তাগাছা মানকোনে যাই,২৯ শে জুন ১১.০০ শে,দাখিলা করতে কৃষি জমির। কাজটা খুবই দ্রততায় করে দিছে, রিসিটে ১০ টাকা লিখা আমার কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়েছে, আমি অসম্মতি জানিয়েছি সে বলছে ২০০ না দিলে পরবর্তীতে আপনাকে ভালো সেবা দেওয়া হবে না। আমার ক্লাস থাকায় আমি কথা না বাড়িয়ে টাকাটা দিয়ে চলে আসছি। তাদের ঐখানে সিসি টিভি ফুটেজ হয়তো কাছে,আমার কাছে দাখিলার কাগজ আছে।
আমি একজন সহকারী শিক্ষক। আমার GPF একাউন্ট অপেন করার জন্য আবেদনের সবকিছু অনলাইন থেকে ফ্রিতে করে দেয় শিক্ষা অফিস। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মহোদয়, স্বাক্ষর করে দেন। অতঃপর ডকুমেন্টস হিসাবরক্ষণ অফিসে জমা দিতে গেলে, টাকা খোঁজে। আমি ৫০০ টাকা দিয়েছি। টেকনাফ হিসাবরক্ষণ অফিস।
পটুয়খালী ডিসি অফিস এর ভূমি অধিগ্রহন শাখা থেকে ইপিজেড এর টাকা উত্তোলন এর জন্য তখন যে সার্ভেয়ার ছিল তাকে ফাইল জমা দেয়ার অনেক মাস পরেও সে আমার ভুমি রিপোর্ট করে না । পরে আরেকজন পিয়ন জানায় খরচপাতি দিলে করে দিবে । আমি জইজ্ঞেস করলাম কত সে বললো মোত টাকার ৩-৫ %। আমি এরপর তাকে ৩৪ হাজার টাকা দেই । পটুয়াখালী ডিসি অফিসের ভূমি অধিগ্রহন শাখায় এইটা একেবারে কমন প্রাক্টিস
এখানে দালালের মাধ্যম ছাড়া গেলে না ধরনের করা হয় এবং সঠিকভাবে কাজ করে না তাই আমাকে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়
ভাইদের মধ্যে বন্টননামা দলিল। এক টাাও লাগার কথা না। টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ঠ্রি করবে না বলেছে।
আমি স্বাভাবিক নিয়মে আমার বিস্তারিত লিখে পাসপোর্ট ফরম জমাদিই।,আমার বাসা গ্রামে তাই হোল্ডিং ম্বর নেই ,তাই হোল্ডিং এর জায়গা ফাঁকা রেখেছিলাম। ১০০ জনের লাইন ক্রশ করে আমার ফাইলের কাছে যেতেই,তারা হোল্ডিং এর জায়গায় ০১ লেখা লাগবে বলে ফাইলে কলম দিয়ে ক্রস মার্ক করে দেয়।আমি বললাম এখানে ফাঁকা আছে ০১ লিখে দিই? ওনারা বললেন,সাইডে যান আরো লোক আছে।আমি বুঝলাম এটা ফাঁদ।পরে বাইরে আসতেই ওখানকার সিকিউরিটি গার্ড আমাকে বলেন,কি সমস্যা?আমি বললতেই ঊনি ৩০০০ টাকা চেয়ে বসলেন,বললেন কিচ্ছু লাগবেনা টাকা দেন ওইটাতেই হয়ে যাবে।বুঝলাম এটাও চক্রের লোক।ইমার্জেন্সি থাকার কারনে,ওই ১০০ জনের লাইনে আর দাঁড়াইনি,টাকা দিতেই উনি আমাকে ফিংগার আর ছবির লাইনে দাঁড়াতে বললেন,আর ফাইল নিয়ে একদম রুমে ঢুকে গেলেন। এগুলার শেষ কোথায়?
প্রথমে আমি আমার আবেদনপত্র জমা দিই এবং তারা আমাকে জানায় যে দুদিন পর তা সংগ্রহ করতে পারব। দুদিন পর আমি সেখানে যাই, কিন্তু তখনও সেটি যাচাই করা হয়নি; তখন আমাকে পরদিন আসতে বলা হয়। পরদিন গিয়েও দেখি কাজটির কোনো সুরাহা হয়নি এবং আমার ফাইলটি তার ডেস্কে আগের মতোই পড়ে আছে। আমি জানতে চাইলাম কেন আমাকে এভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এরপর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই যাচাই-বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করার বিনিময়ে তিনি ১০০০ টাকা দাবি করলেন।
১ সেট (৩ টি) সিলিন্ডার টেস্ট ফি হলো ৬০০ টাকা,, ৬০০ টাকার পরিবর্তে আমার থেকে ৩০০০ টাকা জোর পূর্বক নেওয়া হয়,, নইলে রেজাল্ট ফেইল দেখাবে টেস্ট রিপোর্টে,, LGED অফিসের ল্যাব টেকনিশিয়ান সহ সকল উর্ধতন কর্মচারি জরিত,,
গাড়ির কাগজ সঠিক থাকার পরেও ওরা বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে গাড়ির কাগজ দিতে চায় না এবং দালালের মাধ্যমে নিতে হয় এবং বড় অঙ্গের টাকা দাবি করে
পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করার জন্য আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে নবায়ন করার জন্য যাই। তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সকল কাগজপত্র নিয়ে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে। অফিসে গিয়ে আবেদন জমা দিলে তারা আইডি কার্ড চায়। তখনও আইডি কার্ড পাইনি তাদের জানাই এবং স্লিপ দেখাই। তখন তারা জন্মনিবন্ধন চায়। বললাম আবেদনের সাথে দেয়া আছে। দেখে বলে এইটা হবে না। অনলাইন জন্মনিবন্ধন লাগবে। তখন সবে মাত্র অনলাইন জন্ম নিবন্ধন শুরু হয়েছে। পরে আবার অনলাইন করে নিয়ে আসি। তখন তারা বলে বাংলা হবে না ইংরেজি টা লাগবে। ইংরেজি করে আনালাম।। সর্বশেষ তারা বলে আপনার ১৮ বছর হয়ে গিয়েছে এখন আর জন্মনিবন্ধন দিয়ে নবায়ন করা যাবে না। আইডি কার্ড ই লাগবে। কিন্তু দালাল কে ৫০০০ টা দেয়াতে কোন কাগজ ছাড়াই নবায়ন করতে পারি।