নামজারি
নামজারি করতে টাকা লাগে সাধারণত ১২৭০৳ নিয়েছো ৬২৭০৳
19,073 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি করতে টাকা লাগে সাধারণত ১২৭০৳ নিয়েছো ৬২৭০৳
দলিল ও সরকারের বিভিন্ন নিয়মের জটিলতা উল্লেখ পূর্বক ২ মাস জমি রেজিস্ট্রি আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
Akta Mr mamlar report dete amer teke 10 hjr tk ghush nease,
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি করাতে হলে একটি বেড পাওয়ার জন্য ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফ/মাসিদেরকে ১০০টাকা করে চাদা দিতে হয়।তারা প্রত্যেক রোগির কাছ থেকে জোর করে এই চাদা আদায় করে থাকে।চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ করে।সম্প্রতি আমি ১৯ নং ওয়ার্ডে (নাক,কান, গলা)বিভাগে ভর্তির জন্য গেলে এই ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি।এবং বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা চাদা পরিশোধ করেছি।যদি চাদা পরিশোধ না করি তাহলে তারা আমাকে বেড দিবে না বলে জানিয়ে দেয় ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করার পরে আমাকে থানায় ডাকা হয়। এরপর আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। পরবর্তীতে ১০০০ টাকায় নিতে রাজি হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমাকে অনেক ভোগান্তি করেছে,,প্রতিদিন যায় কিন্তু কাজ হয়না, তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি
আমার সকল ডকুমেন্টস ঠিক করে নিয়ে অফিসে যাই, অফিস কর্মচারী আমার ডকুমেন্টস চেক করে ফর্ম এর উপর কাটাকাটি করেন এবং অপ্রযোনিয় অতিরিক্ত কিছু ডকোমেন্টস চাই। বাহিরে আসতেই কয়েকজন দালাল এগিয়ে আসে এবং অতিরিক্ত 1500 টাকা লাগবে জানাই। আমি রাজি হলাম। উল্লেখ্য: দালাল নতুন ফর্ম পূরন করে একই ডকোমেন্টস আটাস করল এবং একটা মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলল অফিসের ভিতরে গিয়ে এই নাম্বারে কল দিবেন। আমি অফিসে গিয়ে কল দিলাম আমার ফাইল নিয়ে গেল এখন সবই ওকে। আমার ফর্ম নির্ভূল ছিল, ডকোমেন্টস ঠিক ছিল। শুধু মাত্র ঘুশ খাওয়ার জন্য পাসপোর্ট অফিসার কাহিনি করছিল।
শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়ায় ইমার্জেন্সি রোগীকে নিয়ে উপরে ওঠা নামার জন্য ট্রলি চাইলে ওয়ার্ড বয়/ঝাড়ুদার/অন্যান্য স্টাফ টাকা দাবী করেন। রোগী জরুরী অবস্থায় থাকায় প্রতিবার ২৫০ টাকা করে তিনবার উঠানামা করে ৭৫০ টাকা দিতে হয়েছে এবং ৪র্থ বার দামাদামি করে ১৫০ টাকায় রফা হয়। প্রতিবাদ করার উপায় বা সময় কোনটাই ছিল না কারণ পেশেন্টের অবস্থা খারাপ ছিল। অথচ হাসপাতালের প্রতিটি কোনায় কোনায় লাল কালি দিয়ে লিখা ট্রলিম্যানদের ৩০ টাকার বেশী দিবেন না..
আমার একটা জমির রেজিস্ট্রেশন করার জন্য হল নাগাদ ২০২৬-২৭ দাখিলের প্রয়োজন হয় । আমার ২৫-২৬ পর্যন্ত পরিশোধ ছিল। কিন্তু ওই দাখিল আমার লাগবেই, সেটা না হলে রেজিস্ট্রি হবে না। ওরা বললো সার্ভার ডাউন। তারপর লোক মারফত বললো ২০০০/- টাকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবে । আমি সব বুঝেছি, কিন্তু কি আর করব । আজ পর্যন্ত ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করাতে পারিনি।
আমি পাঁচদোনা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম জমি নামজারি করতে আমার সাথে আমার দাদাকেউ নিয়ে গিয়েছিলাম, আমাদের কাছে সর্বপ্রথম ১০ হাজার টাকা চেয়েছে পরবর্তীতে আমরা ৯০০০ টাকা দিয়ে করাই, আমার দাদা আমাকে বলছে এদের সাথে বেশি ঝামেলা করলে পরে জমি খারিজ করতেই পারবে না! তাই আমি বেশি ঝামেলা করি নাই ,আমি জানি যে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা, আমার ফোনে এসএমএস আসছিল যখন জমি নামজারি সম্পন্ন হয় তখন আমি ওয়েবসাইট থেকে উনাদেরকে না জানিয়েই ফারিজ ডাউনলোড করে নেই, উনাদেরকে সম্ভবত অগ্রিম ৫ হাজার টাকা দিয়ে আসছিলাম, আমি ভেবেছি জমির খারিজ তো এসেই পড়েছে বাকি টাকাটা না দিলেই তো হবে, পরে জানতে পারলাম ভূমি অফিসে নাকি এটা তাদের খাতায় উঠাতে হবে তাই বাকি টাকাটা পরে ওনাদের বিকাশে পাঠিয়ে দিয়েছি, এভাবেই আমার জমির নামজারি করেছি।
সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের অব্যবস্থাপনা ও হয়রানির বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আমার মায়ের পাসপোর্টের কাজ করতে গিয়ে এক তিক্ত ও হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখোমুখি হই। আমাদের অ্যাপ্লিকেশনে এলাকার নামের আগে জেলার নাম উল্লেখ করায় সেটাকে "ভুল" হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু সমস্যাটি সমাধানের পরিবর্তে সেখানকার কর্মকর্তাদের আচরণ ছিল অপেশাদার এবং আপত্তিকর। আমি যখন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে যাই, ১০১ নম্বর কাউন্টারে বসা এক দায়িত্বশীল ব্যক্তি (যিনি দেখতে ধর্মীয় লেবাসধারী) আমার সাথে চরম দুর্ব্যবহার করেন। আমি কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেন— "তোমার মায়ের সামনে তাই তোমাকে অপমান করলাম না।" একজন সেবাপ্রার্থীর সাথে এমন অহেতুক ও আক্রমণাত্মক আচরণ কোনোভাবেই
পে ফিক্সেশন থেকে শুরু করে ইনক্রিমেন্ট চালু করা , এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়
জমির নামজারি (Mutation) করার জন্য আমার কাছে ২৫,০০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে এবং টাকা না দিলে ফাইল pending রেখে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অনলাইন নামজারি আবেদন করেও ফাইল pending রাখা এবং আপনাকে অফিসে ডেকে ২৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করা।
পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন ফর্ম হাতে লিখে পূরণ করে যাই। সকল তথ্য ঠিক থাকার পরও ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে সাইন করবেন না বলে জানতে পারি। অনেক রপকোয়েস্ট করেও কাজ হয় নাই। এটা ২০১০/১১ সালের ঘটনা। তখন পুলিশ ভেরফিকেশনে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
১১০০/- টাকার নামজারী ৭৫০০/- টাকা ছাড়া করা সম্ভব না। দাবীকৃত টাকা না দিলে নামজারী করে না। হাজার হাজার মানুষ বাধ্য হয়েই দাবীকৃত টাকা দিয়ে নামজারী করছে।
ইউনিয়ন বোডে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে, গেলে নানা ধরনের অজুহাত দেখিয়ে, ব্যক্তিগতভাবে করে দেওয়ার কথা বলে বাড়তি টাকা আদায় করে.....
অভিযোগের প্রতিবেদন বিষয়: নাম ট্রান্সফার না থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক ১,৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ। আমি সিলেট থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে মাধবপুর এলাকায় পৌঁছালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা আমার গাড়ি থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করেন। এ সময় তারা জানান যে গাড়িটির নাম ট্রান্সফার করা হয়নি এবং এ কারণে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্যরা আমার কাছ থেকে ১,৫০০ (এক হাজার পাঁচশত) টাকা দাবি করেন। কোনো আইনগত প্রক্রিয়া বা রসিদ প্রদান না করে পরিস্থিতির কারণে আমি তাদের দাবিকৃত ১,৫০০ টাকা প্রদান করতে বাধ্য হই। টাকা নেওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আমি মনে করি, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে এভাবে টাকা নেওয়া অনিয়ম ও ঘুষ গ্রহণের মধ্যে পড়ে। তাই বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট পুলি
পুলিশ এস আই অনেক সময় ধরে গল্প করতেছিলো, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পরিচয় দেওয়ার পর উনি সম্ভবত বুঝে উঠতে পারছিলোনা কিভাবে টাকা চাইবে। পরে বলল এটা নাকি অফিসের নিয়ম। যেসব অফিসার ভেরিফিকেশনে যায়, সবাইকে একটা নিদিষ্ট পরিমান টাকা অফিসে জমা দিতে হয় হেন তেন গল্প! পরে দিয়ে দিলাম। আমি শুধু ওয়েট করতেছিলাম কিভাবে ঘুষ চায় এটা দেখার জন্য। স্টুডেন্ট অবস্থায় এক হাজার টাকা আমার জন্য অনেক।
জমি খারিজের জন্য যাই।কেনা জমিটা ২ দাগে এবং শেষ পয়েন্ট আকারে থাকায়।ইউনিয়ন ভূমিকা কর্মকর্তা তার অফিসের পিয়ন দিয়ে আমার সাথে কন্টাক্ট করায়। শুরুতে ৭ হাজারে কন্টাক্ট হয় ১ মাস সময় চায়। ৪/৫ মাস অভার হলে কাজটা হয় বলে কল দেয়। তাকে কাজে আগে ৪০০০ হাজার টাকা এবং দোখানে আবেদনের ৫০০ টাকা দিয়ে আসি। এখন সে ফোন করে বলে তাকে ৩৫০০ টাকা দিয়েছি।বাকি ৩৫০০ এবং কাগজ সংশোধন করতে আরো ১৫০০ লেগেছে সেটাও দিতে। অর্থাৎ আবহের ৪৫০০ দেওয়ার পরে এখন থাকে আরো ৫০০০ দিতে বলছে। তাহলে মোট টাকা হবে ৯৫০০ টাকা। উল্লেখ্য যে, এখানে মোট জমি ৪.০১২ শতাংশ।
আমরা জানি জমির নামজারি করতে সরকারি ফি, ১১৫০ টাকা,, কিন্তু ভোলার দৌলতখানঁ থানার এসিল্যান্ড প্রধান নির্বাহী আমাদের জমি নামজারি ১৫০০০ টাকা নেয়,, এবং সরকারি ১১৫০ নিতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এই শুধু আমাদের না, বাংলাদেশের সকল জায়গায় ভূমি এবং এসিল্যান্ড অফিস সবথেকে বেশি ঘুষের বানিজ্য করে।