পাসপোর্ট বানানোর জন্য
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয় যা নিয়ে একাধিক বার অভিযোগ রিপোর্টে ও হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার হয় নাই।
আমার সন্তানের নতুন ভোটার আইডি কাড করার জন্য। আমার কাছে সব ডকুমেন্ট ছিলো স্কুল সাটিফিকেট জন্ম নিবন্ধ, মারক সিট,বিদ্যুৎ বিল,সব থাকা সত্ত্বেও আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি।বার বার আমার পেপার রিজেক্ট করা হয়েছে শেমুলি অফিস থেকে। বাড়ি ভাড়া চুক্তি পত্র লাগবে দিলাম।আবার বাড়ি ওয়ালার সব কিছু লাগবে হোল্ডিং ফি,টেক্স পেপার ইত্যাদি। বাড়ি ওয়ালা এগুলো কোন ভাবেই দিবে না।আবার অফিসে গিয়েছি কোন পাত্তাই দিচ্ছে না জাস্ট বল্লো আপনার এলাকায় খোজ নিন।এলাকায় এসে খোজ নিলাম ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে ১টাকাও কম হবে না।বাদ্য হয়ে দিলাম কাজ শুরু করেছে ফোনে অফিসের কমকর্তাকে বলে দিয়েছে আগামীকাল একজন যাবে তার কাজ শেষ করে পাঠিয়ে দিবেন তারাতাড়ি। চমৎকার বিষয় হলো পরেরদিন অফিসে জেয়ে পেপার দেয়া হলো ৫মিনিট পর ছবি তুলে ছেড়ে দিয়েছে ২ দিনে ক
ভুমি অফিসের দলিল লেখকের মাধ্যমে ঘুষ নেন তারা
আমি প্রথমে অফিসে সব কাগজ পাতি নিয়ে যাই, কিছুক্ষণ ঘোড়াঘুড়ি করি কিন্ত তারা একসেপ্ট করলো না তারা বলে দিলো বাহির থেকে আবেদন করে আসুন। তারা একটি দোকানের নাম বললো,সেখানে গিয়ে তাদের সাথে কথা বললাম তারা,বলে দিলে ১৪৫০০টাকা লাগবে অনেক রিকুয়েষ্ট পর তারা এক হাজার টাকা কমিয়ে ১৩৫০০ টাকায় করতে রাজি হয়। কিন্তু আমি নিরুপায় হয়ে করতে বাধ্য হয়। এখন
আমার একটি কলেজে ভর্তির জন্য যাবতীয় যত রিকোয়ারমেন্ট ছিল সবই আমি পূরণ করেছিলাম(মার্ক+gpa)।এখন আরেক কলেজ থেকে আমি ট্রান্সফার হয়ে এই কলেজে আসতে চাচ্ছিলাম।তবে সাধারণভাবে আসতে পারলেও এই কলেজের কিছু বা কোনো অফিস স্টাফ আমাদের থেকে এই টাকাটা চায়।আমি ছাড়াও বলতে গেলে যারাই টিসি নিয়ে এই "সরকারি" কলেজে ট্রান্সফার হয়ে আসতে চায় সবার থেকেই কমবেশি 12-30 হাজার পর্যন্ত টাকা দাবি করা হয়ে থাকে।শুনেছি এই টাকা না দিলে নাকি ট্রান্সফার করাবেই না,বা করালেও নানাবিধ সমস্যা করবে।তাই টাকা দিয়ে ভর্তি হয়েছিলাম,কেননা আমার জন্য এই কলেজে পড়া স্বপ্ন ছিল।
পাওয়ার দলিল থেকে সাব কবলা দলিল করতে লাকসামের সাব রেজিস্ট্রার প্রত্যেক দলিলে অতিরিক্ত ২০ হাজার,৩০হাজার,৫০হাজার দাবি করে।
ভূমি কর দিবো তাই আবেদন করেছিলাম। তার এপরোভ করতে প্রতি খতিয়ানের জন্য ৩০০ থেকে কোনোটাতে ৩০০০ চাই। যা আমি ২০০ এবং এক খতিয়ানে ২০০০ নেয়।
২০২০ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে যাই, অফিসের লোকের কোন সহযোগিতা না পেয়ে বাধ্য হয়ে, দালালকে ৮৫০০ টাকা দেই লাইসেন্স করার জন্য, ড্রাইভিং এবং লিখিত পরিখা দিয়েছি, এখন পর্যন্ত আমি লাইসেন্স পাই নাই, বলে ফিনগার আমার আসে নি,তাহলে এখন আমি কি করতে পারি
আমি একটি ব্যবসায়ের কাছে টিম সার্টিফিকেট উঠাতে যাই। তারা আমার কাছ থেকে ১৪৫০০ টাকা দাবি করে। তারা নানা অজুহাত দেখাতে শুরু করে। তখন আমার খুব প্রয়োজন ছিল। তখন আমি দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
মোটরসাইকেল জিগ্জ্যাগ টেস্টে আমরা প্রায় 100 জনের উপরে পরীক্ষা দিলাম মোটরসাইকেল চালানোর গ্যাপ অনেক কম করে দিছিল তাই মাত্র সাত আট জন পাস করছিল। কিন্তু রেজাল্ট এ দেকলাম ৮০% পাস। সবাই কোন না কোন মাধ্যম ধরে টাকা দিয়ে পাস করিলো।
তাড়াতাড়ি লোন দেয়ার কথা বলে ৫০০০ টাকা নেয়। পরবর্তীতে বাড়ি দেখে এসে বলে আপনার বাড়িতে আপনার মা থাকেন, বউ থাকেন না তাই লোন দেয়া যাবে না। তখন আবার ৫০০০ টাকা নিয়ে লোন দিয়ে দেয়।
সব কিছু পাশ করলাম, ভাইভায় গিয়ে নাটক করলো, ফেল করে দিবে আরো আনেক কিছু,,,, পরে ১০ জন মিলে চুক্তির মাধ্যমে ২৫,০০০ টাকা দিয়েছি
আমার নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ করেছিল, যেটি যাচাই বাঁচাই না করে, আমার নামে মামলা নিল পুলিশ। পরে আমি থানায় গিয়ে কথা বললাম, একটি যাচাই করার জন্য। ওনার রাজি হন নি। তো আমি যেহেতু মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত হতে চাই না। তার জন্য আমাকে টাকা দিতে হয়েছে, এখন নাম দিবেনা।
আমরা ভাই-বোন আমাদের জমি হিস্যা অনুযায়ী বন্টন নামা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করব। এজন্য হয়তো সব মিলিয়ে প্রায় ৫-৬ হাজার টাকা লাগবে কিন্তু মুহুরি ও সাব রেজিস্ট্রারকে ৫০ হাজার টাকা না দিলে জমি রেজিষ্ট্রেশন হবে না। তাই আমি ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো রেজিষ্ট্রেশন হয়নি।
HSC practical পরীক্ষায় সাবজেক্ট প্রতি ২০০ টাকা করে মোট ১৫০০ টাকা প্রতিটা শিক্ষার্থীর দিতে হয়েছে। শিক্ষকরা এখান থেকে টাকা রেখে বাকি টাকা নিয়ে হল সুপারকে কিনে নিয়েছে ফলে তারা পরীক্ষার হলে কোনো গার্ড না দিয়েই সরাসরি দুর্নীতি করেছে।
আমার মেয়ের জন্মের ৬ষ্ঠ দিনে জন্ম নিবন্ধন করাতে যাই। চার্ট অনুযায়ী ৪৫ দিন পূর্বে ফ্রী তে করার কথা। আমার কাছে ২২০ টাকা চাই। পরিশোধ করিনি চার্টারে যা আছে তার বাইরে দিব না বলে ফরম জমা দিয়ে চলে আসছি। ৪ মাস ঘুরাই জন্ম নিবন্ধন না পেয়ে বাধ্য হয়ে ২২০ টাকা দেই। টাকা জমা দেওয়ার ৪ দিনের মাথায় জন্ম নিবন্ধন পাই।
আমি শুনানির জন্যে উপজেলা এসিল্যান্ড অফিসের সার্ভেয়ার এর কাছে গেছিলাম।তখন অনি কিছু অর্থ দাবি করেন।না নিলে তিনি বলেন যে আপনার শুনানির প্রতিবেদন ধীর গতিতে হবে।আমি বললাম কেন ধীরে হবে।অনি বলেন যে বুঝো না বিষয় টা।তারপর আমি কথা না বাড়ায় ১ হাজার দিলাম আর 5 মিনিটে আমার প্রতিবেদন তৈরি করে নিজে এসিল্যান্ড স্যারের কাছে গিয়ে জমা দিলেন।
আমার ছোট ভাই কে আধামরা (অজ্ঞান) অবস্থায় দড়ি দিয়ে বেধে পুকুরে পেলে দেয়ার সময় অর্ধ মৃত অবস্থায় দুই তিন জন লোক তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করে। এই বিষয়ে মামলা করার জন্য থানায় গেলে তারা মামলা গ্রহণ না করে কোর্টে মামলা দেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। আমার ছোট ভাই জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বরারর অভিযোগ দায়ের করে। ম্যাজিষ্ট্রেট অভিযোগ গ্রহণ করে বিষয়টি তদন্তের জন্য মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করেন। কিন্তু আইও তদন্তের সময় আমার ছোট ভাই ও তার সাথে থাকা বড় ভাইয়ের কাছে ১০,০০০/- ঘুষ দাবি করেন। ৫০০০ টাকা দেয়া হয় এবং রিপোর্ট দেয়ার সময় ৫০০০ টাকা দেয়ার কথা ছিল। অপর পক্ষ কর্তৃক ম্যানেজ হয়ে মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছেন।
খারিজ বাতিলের আবেদন করার জন্য আমার থেকে পঁচিশ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে আমি টাকাটাও দিয়ে দিছি টাকাটাও দিয়ে দিছি তারপরেও আমার কাজ হচ্ছে না আমাদের সুজানগর উপজেলায় ভূমি অফিসের সবাই ঘুষ খায় ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয় না ওখানে গেলেই ঘুষ দিতে হয় সাধারণ মানুষ কি করবে বলুন এর বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না সরকার