পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে ও সেই টাকা দিলে পরবর্তীতে সেই কাজ করে দেয়।
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে ও সেই টাকা দিলে পরবর্তীতে সেই কাজ করে দেয়।
আমি একটা নতুন জমিয়ে রাখি কিন্তু জমিটা নাম জারি করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে আবেদন করা হয় কিন্তু সেটা থেকে আমাকে বারবার আবেদন হবে না নাম ধরে হবে না বলে জানিয়ে দেয় কিন্তু অবশেষে জানতে পারলাম সেখানে সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী ১৬০০ সাম্থিং টাকায় নাম জানি হয় কিন্তু উনি এই জমির জন্য আমার কাছে ৫ শতাংশ হাজার টাকা করে ঘুরছে একপর্যায়ে আমি তাকে ৪৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়
বেশ কিছুদিন আগে আমার দাদিকে নিয়ে বরিশাল হসপিটালে গিয়েছিলাম, ওখানে যতগুলো টেস্ট দিয়েছে সবগুলো আমার বাহিরে করানো লাগছে, বাহিরে যেতে হলে হুইল চেয়ার বা ট্রলি ভাড়া নিতে হয়, সেখানে ১৮ দিনে প্রায় আমার তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে চলে গেছে শুধু একটা বিষয় বাকিগুলো তো বাদই দিলাম
ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস তহশিলদার ও তার সহকারী নামজারির খসড়া খতিয়ান প্রস্তাব এর জন্য 2500 টাকা দাবী করে। আমি 2000 টাকা দিছি কিন্ত তারা খতিয়ান প্রস্তাব না করে প্রতিবেদন দেয়া, ফলে আমার নামজারি টা বাতিল হয়ে যায়।
আমি নিজে আবেদন করছি একা একা পাসপোর্ট করবো কিন্তু আমাকে দেওয়া হয়নি বিভিন্ন অজুহাতে আমার থেকে ২০০০টাকা নিয়ে তারপর পাসপোর্ট এর ফিংগার নিয়েছে
নকল নবীশ কারী দলিল তল্লাশি সাল প্রতি 200 টাকা ও প্রতিটা দলিল নকল উত্তোলন এর জন্য 2300 টাকা হারে দাবী করে । যেহেতু আমার খুব দরকার ছিল আমি টাকা দিয়ে নকল কপি সংগ্রহ করি।
Cumilla Barura te amar Passfort er jonno verify korte police bollo thana te jaite gelam tokhon bollo 500 taka dite Cha khabe
ট্রেনে টিকিট না তাকায় রেলওয়ে পুলিশ টাকা দাবি আমাদের চট্টগ্রাম থেকে ককসবাজার নিয়ে আসবে বলে। পরিশেষে আমরা ৫ জন ১৫০০ টাকা দি। রেলওয়ে পুলিশ হলো ২ জন। ২ জনই টাকা নেয় টিকিট ছারা যাত্রী র কাছ থেকে। ৩১ দুপুর ১২ টার ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে ককসবাজার আগত পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের পুলিশ। একজন নীল পোশাক ও অন্যজন সবুজ ডীপ কালার পোশাক পরা পুলিশ।
জমির খাজনা দিতে চাচ্ছি। উনি আমাকে জানিয়েছে উনার সারভারে সমস্যা। এটআ হবে না। পরে এলাকার পরিচিত একজন একটু নেতা টাইপ। উনাকে নিয়ে গেলাম উনি গিয়ে বল্ল খাজনা দিব জমির বল্ল হবে। টাকা লাগবে কিছু বেশি। ৫ মিনিটের ভিতরে কায হয়ে গেল। কিন্তু আমি যখন বললাম সারভারে সমস্যা বাহিরের দোকান থেকে করে নেন কত রাস্তা দেখায়ল। এখন ৫০০ টাকা বেশি নিয়ে কায করে দিল?
Ami giyechilam passport office a tarpor amar kache get man anser tk nilo
ফুলছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসে আমার মায়ের পারিবারিক অবসরভাতা উত্তোলন করিবার জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং সর্বশেষ ১২০০০ টাকায় কাজ করে দেয়।
নতুন পাসপোর্ট করার জন্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সাবমিট করেছি, বিকাশের মাধ্যমে পাসপোর্ট এর ফি জমা দিয়ে পাসপোর্ট আবেদন ফরম ডাউনলোড করে ফাইল বানিয়ে জমা দিতে গিয়েছি গোপালগঞ্জ সদর পাসপোর্ট অফিসে, কোন ভুল না থাকা সত্ত্বেও তারা দুটি খালি ঘরে দাগ দিয়ে বলেছে ভুল আছে পরে অডিট অফিসারের ওখানে যাওয়ার পর বললাম আবেদন ফর্মটি ওই দুটি জায়গা সংশোধন করে দেওয়ার জন্য, যেহেতু ফি জমা দেওয়ার পরে এক্সেস একমাত্র তাদের কাছেই থাকে সংশোধন করার, সেই অফিসার সাফ না করে দিলেন বললেন যেখান থেকে আবেদন করেছি সেখানে গিয়ে সংশোধন করতে যেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়, পরবর্তীতে সেই ভুল সংশোধন করার কোন প্রয়োজন হয়নি দুই হাজার টাকার বিনিময়ে সেই অফিসে ফাইল পাস করে বায়োমেট্রিক এবং ছবি উঠানোর কাজ শেষ করতে হয়েছে, ২০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছ
আমি সৌদি তে হজ করার উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট বানানোর জন্য যাই। আমার সব কাগজপত্র ঠিক ছিল। শুধু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সার্টিফিকেটটা ছিল না। তো তারা আমাকে বলল এই সার্টিফিকেট নাকি লাগবে। যেকোনো ব্যক্তিগত কারণে আমি সেই কাগজটি আনতে ব্যর্থ হই। তারপর তারা আমার কাছে ৬ হাজার টাকা দাবি করে। এবং টাকা দেওয়ার পর আমি দেখলাম শুধু আইডি কার্ড দিয়ে আমার পাসপোর্টটা হয়ে গেল। যদি শুধু আইডি কার্ড দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায় তাহলে এটা কেমন হয়রানি।
আমার গাড়ির কাগজ করতে যেয়েমেহেরপুর বিআরটিএ তে অতিরিক্ত ৫০০০ টাকা দিতে হইছিলো। একজন অফিস ক্লার্ক নিয়েছিলো ঘুস টা।
অনলাইনে সংশোধন এর জন্য আবেদন করার পরে শিক্ষা বোর্ডের সামনের কম্পিউটার এর দোকান থেকে মূলত ঘুষের সিন্ডিকেটটা রান করে। শিক্ষা বোর্ডের লোকজন তাঁদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করে।
গ্রহিতার আইডি কার্ডে মায়ের নাম রোকিয়া খানম, দাতার আইডিকার্ডের নাম রোকিয়া বেগম।
নাম সংশোধন করতে গিয়েছিলাম, রামছাম বুঝিয়ে ১ সপ্তাহ ঘুরাইছে, তারপর দালালের মাধ্যমে ১ দিনে সংশোধন করে দিছে। বিদেশ যেতে হবে বিধায় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে ঠিক করাইছি,,নাহলে ঘুয দিতাম না!
আমার মা এর জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম সেখানে বললো খুজে বের করে দিতে হবে। জিজ্ঞাস করলাম কতক্ষন লাগবে? বললো কতক্ষন লাগবে জানিনা আজ নাও হতে পারে। তবে 100 টাকা দিলে এখনই করে দিবো। তার পর বললো কম্পিউটারের দোকনে যান (ওই দোকান তার ছোট ভাইর)। ওখানে 100 টাকা। তারপর একজন মহিলার কাছে সেখানে 100 টাকা। অথচ পরে জানতে পারলাম এটা করতে কোন টাকা লাগে না। এত ছোট বিষয় তুলে ধরার কারন হলো যে এই ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান গুলোতেও ছোট ছোট অনেক ঘুসের কাজ চলে। কারো কাছে 300 টাকা কম হতে পারে তবে আমার ইনকাম দিনে 500 টাকা, আমার জন্য 300 টাকা অনেক কিছু।তাছাড়া একটু চিন্তা করে প্রতিদিন যদি একটি ইউনিয়ন পরিষদে 300 টাকা করে 10 জনের কাছ থেকে নেয় তাহলে এক দিনে 3000 টাকা যা মাসে দারায় 90000 হাজার টাকা। তাছাড়া ইউনিয়নে তো আর একটা কাজ না
আমার টিকিট আমার এক ভাই সংগ্রহ করে দিয়েছিল তার বন্ধুর কাছ থেকে। সেটা চেক করে বলেছে ব্লাক এ টিকেট কাটছেন। আমাকে জরিমানা করা হয় টিকেটের দ্বিগুণ মূল্য(360), যা আমার কাছে ছিলনা বলে আটকে রাখে বিমানবন্দর স্টেশনে,আমার ব্যাগ চেক করে ২০০ টাকা পায় ও সেটা রেখে দেয়,কোনো রিসিপ্ট ছাড়া আমাকে ছেড়ে দেয়।এটা ঘুষ ছিলনা ছিল ডাকাতি
driving licence korar jonno 12000 taka purki mara khaisi