Mutation
Family property mutation procedure e 1.00lac+ niyeche aro dabi kore delay kortece.
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Family property mutation procedure e 1.00lac+ niyeche aro dabi kore delay kortece.
রংপুরের শালবন পৌর ভূমি অফিস রংপুর সদর উপজেলা ও মহানগর ... টাকা ছাড়া তারা কোনোভাবেই, মিউটেশন খতিয়ান আবেদন DCR নতুন জমা নেনে না। অফিসে এ গেলেই চুক্তি করে এতো টাকা লাগবে। তাও ৩ মাস পরে কাজ করে দিসে। বিশেষ করে মুরুব্বি দেড় ঘুরে, ইয়ং হইলেও টাকা আবদার করে, টাকা ছাড়া কোন কাজ এ হবে না।
আমার পি এস সি এবং জেএসসি সার্টিফিকেটে বাবা এবং মায়ের নামের বানানে সামান্য ভুল থাকায় তা সংশোধন করার জন্য যাই,বিভিন্ন রকম ঝামেলায় পড়ে কোনো উপায় না পেয়ে ১৫০০০ টাকা চুক্তিতে কাজটি করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।কিন্তু বাবার নাম ঠিক করলেও এখন পর্যন্ত মায়ের নাম ঠিক করেনি,এইসব অনিয়মে অতিষ্ঠ হয়ে আমিও আর যোগাযোগ করিনি।ঘটনা ২০২১ সালের।আজ০২-০৯-২০২৬
আমার এমআরপি পাসপোর্টে বাবার নাম মায়ের নাম নিজের নাম জন্মস্থান ভুল ছিল , মানে প্রথমবার দালাল পাসপোর্ট বানানোর সময় সব কিছু ভুল দিয়ে বানিয়েছিল , আমার লিগাল সবকিছু দিয়ে যখন আমি ই পাসপোর্ট করতে যাই , পাসপোর্ট অফিসের লোকেরা অফিসাররা বলে, আমার পাসপোর্ট হবে না। কিন্তু অফিসের সহকারি একজন ( তিনি ভিতরেও কাজ করেন এবং বাইরে তার দোকান আছে) তিনি আমাকে প্রথমে ২০ হাজার টাকার বিনিময় পাসপোর্টটা করে দিতে পারবে বলে , তারপর আমি ২০ হাজার টাকা দিলে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর কিছুটা ধাপ এগিয়ে যায় , তারপরে একটা পর্যায়ে বলে আরও এক লক্ষ টাকা লাগবে , তারপর প্রায় চার মাস ঘুরার পর , এলাকার মেম্বার এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে নিয়ে তার কাছে গেলে ৬০ হাজার টাকায় রাজি হয় ,কয়েকদিনের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই ।
আমাদের একটি ভেজা বেড এবং যেখানে ফ্যান ছিল না এমন একটি জায়গা দেওয়া হয়েছিল রোগীকে পরবর্তীতে চেঞ্জ করে দিতে বললেও আমাদের কথায় কান দেয় নি।১০০ টাকা হাতে দেয়ার পর সে সমস্যা সমাধান করেছে। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ঘটনা।
নতুন ঠিকাদার তালিকাভুক্তির জন্য। অফিস খরচের কথা বলে নগদ গ্রহন করেছে। সরকারি ফি আলেদা সে অর্ডারের মাধ্যমে দিয়েছি। অফিস খরচ (ঘুষ) বাবদ অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেছি।
২০২১ সালে চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয় সর্বপ্রথম উনি আমাকে বলে এই পেপার গুলো স্পষ্ট নয় তারপর বলে তুমি কোথায় কাজ করো এখানকার আইডি কার্ড লাগবে আমি বলতেছি আমি স্টুডেন্ট এখন বলে স্টুডেন্ট কার্ড লাগবে ওই মুহূর্তে আমি কার্ড কই পাব তারপর আমাকে ডেকে উনার পাশে প্রায় এক ঘন্টা পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে রেখেছে পরবর্তীতে আমি বিরক্ত হয়ে ওখান থেকে বের হয়ে গেছি কাগজ নিয়ে ছোটাছুটি করতেছি একজন পুলিশ বলতেছে তুমি এজেন্সি ছাড়া আসছো তোমার কাজ হবে না তুমি কাজ করতে চাইলে আমার সাথে কথা বল তখন আমি উনাকে ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি এরপর উনি আমাকে বাইরে একটা লোকের কাছে নিয়ে গেছে উনি কাগজপত্র যাচাই করে দেখে কাগজ গুলা সঠিক কিনা তারপর উনি একটা স্বাক্ষর দিয়েছে এরপর পুলিশ আমাক সবকিছু সহযোগিত
বিদেশে আসতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গিয়েছিলাম , তারা ক্লিয়ারেন্স দিবে না ৪০০০ টাকা ছাড়া। যাই হোক সে টাকা দিলাম তারপর সে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেপার আনতে আবার ও ৫০০ টাকা নিয়েছে । ২০১৪ সালে ।
Police clearance certificate. Sp office gele bivinno document dimand kore. Dalaler maddhome korle sudhu taka lage, onno kisu lage na.
শুধু টলি ওয়ালেকেই আমার 600 টাকা দিতে হয়েছে আর কোন চিকিৎসা করাইতে পারি নাই টাকা দিয়ে সিট না কিনতে পেরে বা কোন ক্ষমতা বান ব্যাক্তি দিয়ে ফোন না দিতে পেরে। আমার পরে জারা গেছে ম্যানেজ করে তারা সিটের ব্যবস্থা নিছে। আমার কাছে টাকা ছিলো না কিন্তু টলি ওয়ালা খুব খারাব ব্যবহারের কারনে এম্বুল্যান্স ড্রাইভারের কাছ থেকে হাওলাদ নিয়ে দিতে হইছে। তেমন কিছু না তবে আমি আমার মনের রাগ টা ঝারলাম এখানে
আমার মায়ের নতুন জন্ম নিবন্ধন, এবং আমার জন্ম নিবন্ধন, সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে করতে হয়েছে,
আমি আদালতের রায় ডিগ্রি মূলে নিজ নামে খতিয়ান করার জন্য ভূমি অফিস যাই।ভূমি অফিস থেকে আমাকে মিস কেস করতে বলে।মিস কেস করার পর একেক বার একেক দরনের কথা বলে আমাকে ঘুরাইতে থাকে দীর্ঘ চার বছর এবং আমাকে দিয়ে তিন বার মিস কেস করায় এবং নানান অজুহাতে ৫০০-১,০০০ টাকা করে চার বছরে প্রায় ১৭০০০টাকা নেয়। কিন্তু দিন শেষে আমার কোন কাজ হয় নাই। পরে অফিসের একজন বলে ভাই এভাবে আসবেন যাবেন টাকা দিবেন কোন কাজ হবে না আপনি উনার সাথে কন্টাক করেন কাজ হয়ে যাবে। পরে ঐ অফিসারের সাথে কথা বলে কন্টাক করি ৪০,০০০ টাকা তার পর মাত্র ৭ দিনে আমার কাজ হয়ে যায়। যদি শুরুতে আমি কন্টাক করে কাজটা করতাম সময় বাছতো হয়তো এতগুলো টাকাও লাগতো না। এখন নিজে নিজে অঙ্গীকার করছি বৈধ ভাবে আর কোন কাজ করাবো না।কারন এই দেশে বৈধ কাজ করাতে গেলে জুতার তলা ক্ষয়
ধর্মপাশা উপজেলার টেন্ডারে একটি জলমহালের রিপোর্ট দেয়ার জন্য সহকারী কমিশনার ভূমি তিন লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করা হয়। এটা গত ফেব্রুয়ারির ঘটনা।
Proti dolil er 5-7percent
নিয়োগের পত্র আনতে গিয়ে দেখি কেরানী ড্রয়ার খুলে রাখছে।সবাই ৫০০,১০০০,২০০০ দিয়া সহকারী শিক্ষক এর নিয়োগপত্র নিচ্ছে।১৬ বছর আগের কথা।কিন্তু এখনো মনে পরে।
টাকা না দিলে রেজিস্ট্রি করে দিবে না
i applied for my police clearance certificate and paid the govt's fee of 500bdt. The officer in charge literally took weeks before he issued it. i usually never pay bribes, but this was for my visa application, so i paid and voila! i received the pcc the next day.
ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৫০০ টাকা চাইলো।
একটি ফ্ল্যাট এর নামজারি করতে আমার ২৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছে
আমি একটি মামলা জামিন সংক্রান্ত কারনে আমার জেলার দায়রা ও জজ আহালতে যাই, সেখানে পেশকার জামিনের দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময় আমার কাছে ওনার জন্য ১০০০/- এবং পিওনের জন্য ২০০/- টাকা দাবি করে না দিলে কাজ হবে না আমি নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই। তখন আমি ভিবিন্ন এজলাসে গিয়ে এমন টাকা দাবি করার বিষয় দেখতে পাই। জি আর ও অফিস থেকে শুরু করে জুডিসিয়াল কোটেও। তখন একজন আইনজীবী সহকারীকে ঘুসের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে ওনি যানায়। জামিনের দরখাস্ত জমা, নকল উত্তলন, হাজিরা জমা, মামলা পাইলিং, মামলার আদেশ, জামিন নামা জমা, নথি তল্লাশি সহ যেই কাজই করে না কেন কোটের পেশকার,পিওন, লিপিকারক, জারি কারক, অফিস সহায়ক সহ সবাই টাকা দাবি করে আর ওনাদের দাবীকৃত টাকা না দিলে নানা ভোগান্তিতে পরতে হয় এবং নিরুপায় হয়ে ওই টাকা পরিশোধ করা লাগে।