নাম খারিজের খতিয়ান সংশোধন ও জমির দলিলে নামের আক্ষরিক বানাব ভুল
ভেড়ামারা উপজেলা চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন তশিলদার অফিসের দাইক্ত শীল অফিসার দলিলের নামে আক্ষরিক ভুল ধরে। বলেন যে ১০০০ টাকা না দিলে নাম খারিজের আবেদন বাতিল করা হবে এবং বার বার হয়রানি করা হবে
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ভেড়ামারা উপজেলা চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন তশিলদার অফিসের দাইক্ত শীল অফিসার দলিলের নামে আক্ষরিক ভুল ধরে। বলেন যে ১০০০ টাকা না দিলে নাম খারিজের আবেদন বাতিল করা হবে এবং বার বার হয়রানি করা হবে
বিবাহ সনদ সত্যায়নের জন্য মাই গফটের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল, 15 দিনেও সত্যায়ন টি এপ্রুভাল দেওয়া হয়নি, যোগাযোগ করলে ১০ হাজার টাকা দাবি করে, পরে পাঁচ হাজার দেওয়ার পর এক ঘন্টার ভিতরে আপ্রুবাল দিয়ে দেওয়া হয়, ৩৩৩ কল করে অভিযোগ জানালেও আজ পর্যন্ত কোন সারা পাওয়া যায়নি।
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রুগি নিয়ে যাওয়া পরে, বেডা খালি থাকাতেও আমাদের বল হয় বেড খালি নাই। পরে ওয়াড ভিতরে যারা থাকে ওদের সাথে কথা বলার পরে ১ হাজার টাকা বিনিময় ওয়াডে সিট পাইছি এবং হসপিটালের ভিতরে ঔষুধ কম্পানি লোক প্রেসক্রিপশন ছবি তুলে নিয়ে যায়
রেওয়ের হিসাব রক্ষণ অফিস যেকোন কাজে ৩% হারে ঘুস নিয়ে থাকে, তা ছাড়া কারো কোন কাজ করতে চাইনা ওই অফিস।
নতুন বেতনের পে ফিক্সেসন করতে গেলে এবং টিএ/ডিএ করতে গেলে
আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে আছি। আমার স্রীর ভোটার আইডি কার্ড নেই। আমার আর আমার স্রীর জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আমার সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করতে যা যা লাগে সব নিয়ে যাই। তারা জানাল আমাদের জন্ম নিবন্ধন ইংরেজিতে নেই, আগে ইংরেজি করতে হবে। অতঃপর আমি বল্লাম করেন। যিনি টাইপিং করল উনি নিল ৩০০। ২ টা পেপার দিয়ে বল্ল সচিবের কাছে যান, সচিব নিল ২০০। আবার এই পেপার গুলো উপজেলা পরিষদ এ জমা দিতে বল্ল। উপজেলা পরিষদ এর সচিব নিল ৬০০। আজ ১ মাস হয়ে গেল এখনও জন্ম নিবন্ধন গুলো ইংরেজি হয় নি। উপজেলা পরিষদ এ আজকে যাওয়ার পর বল্ল ২০০ টাকা দিতে।
আমি নটরডেম কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই, সামনে ৩ দিনের ভিতরে ভর্তি হতে হবে। কিন্তু আমার সার্টিফিকেট তুলা হয়নি। তাই মাদ্রাসার কেরানী কে বললাম সার্টিফিকেটের কথা, তিনি বললেন ৩ হাজার টাকা না দিলে সার্টিফিকেট তুলে এনে দিবে না। মূলতঃ ঐ প্রতিষ্ঠান টি আলিম শাখা ছিলো তাই দাখিল এর সার্টিফিকেট তুলতে হয় না। তাই আমাকে বাধ্য হয়ে কেরানী কে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি মার্কেটিং জব করি। দৈনন্দিন কাজের জন্য বাইক নিয়ে বাহিরে বের হই, আকবরনগর বাজার কাছাকাছি গেলে ভৈরবের ট্রাফিক পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাইক থামায়, কাগজ পত্র দেখতে চায়, আমার সকল ডকুমেন্ট ঠিক ছিল।ড্রাইভিং লাইসেন্স টাকা জমার প্রাপ্তি রশিদ ছিল, স্মার্ট কার্ড হাতে পায় নাই। এটা না থাকায় আমাকে ১০ হাজার টাকার মামলার ভয় দেখায়, পাশ থেকে ইমরান নামে একজন সদস্য আমাকে বলে ২০০০ হাজার টাকা দিলে আপাতত ১০ হাজার টাকার মামলা থেকে বেচে যাবেন। তখন আমি নিরুপায় হয়ে ঝামেলা না করে ৫০০ টাকা নগদ দিয়ে চলে আসি। তারা সারাদিন এভাবে সকল গাড়ীর আটকিয়ে এভাবে চাদাবাদি করে।
ফরাসগঞ্জ ইউনিয়ন জন্ম নিবন্ধনে বাবা মা এবং নামে ভুল করে সংশোধনের জন্য বলা হলে 1000 টাকা চায়
রুগি হাতে ব্যাথা পেয়েছিলো। রক্তক্ষরণ হওয়ায় বহির্বিভাগ এর ডাক্তার ওটি তে নিতে বলেছিলো। ফাইল এর টাকা পরিশোধ করে যখন ওটি তে গেলাম আমার থেকে ওষুধ এর নাম করে ২৫০০ চাইছিলো পরে ১০০০ দিয়ে স্যাটেল করি।
খাজনা প্রদান ও ভূমি জরিপ কেরানীগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে আমাদের অফিসের একটা লাইসেইন্স দরকার ছিল। এর জন্য অধিদপ্তর যোগাযোগ করা হলে তারা আমাদেরকে বলে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমরা তাদের বলি ভাই এইটা একটা ছোট অফিস ৭-৮ জন লোক কাজ করে। কিছু কোম্পানির কমপ্লান্স চাহিদানুযায়ি আমাদের ডুকুমেন্ট দরকার । তারা আমাদেরকে জানায় তাইতো ১০ চাইছি অন্যজনের কাছ থেকে ৩০-৩৫ হাজার টাকা নেই। সব থেকে অবাক করা বিষয় হল লাইসেন্স ফি মাএ ৫০০ টাকা। একটু ভেবে দেখেন ৫০০টাকা একটা সরকারি কাজের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে হল। তারা সবার সামনে অপেনে ঘুষ চাচ্ছে। ৭১ গেল ,২৪ গেল কই পরিবর্তন কি হল? আমরা ভেবেছিলাম ২৪ এর পরে হয়তো দুর্নীতি , ঘুষ, কোটায় অযোগ্য লোকের চাকুরি এই গুলো থেকে সাধারন মানুষ রেহাই পাবে। বরং আরও ব্যাপক আকারে বেড়েছ।
মামলার তদন্তের জন্য, ভুমি অফিস হতে জজকৌর্ট সরেজমিন পরিদর্শন রিপোর্ট।
প্রতি মাসে এই পরিমাণ টাকা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপ কমিশনারকে দিতে হয়। নাহলে কাজে ঝামেলা করে।
চাকরির জন্য সনদ প্রয়োজন তাই বাধ্য হয়ে নেয়া লাগলো।আগে এইটা আমার এলাকা থেকে ফ্রি দিতো
Vua mamlai nam katanor jonno dite oaddho hoachi.
টাকা ছাড়া কাজ করবেন না। মানসিক চাপ এবং অপমান
একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েক দিন যাওয়ার পর বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে অবশেষে পাসপোর্ট বানাতে পেরেছি, টাকা দেয়ার পরে কাগজ পত্রে আর কোন সমস্যা নাই, সব সঠিক হয়ে গেছে অটোমেটিক। নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসের সব কর্মকর্তাই এই কাজের সাথে জড়িত। সবচেয়ে বেশি খারাপ হচ্ছে লেবাজধারি শয়তান, তাকে দেখতে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। তাকে কিভাবে একটা অফিসের প্রধানের গুরুদায়িত্ব দেয়া হলো সেটাই বড় প্রশ্ন।
নতুন পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে, একের পর এক সমস্যা দেখিয়ে কয়েকদিন অতিবাহিত হওয়ার পরে বাধ্য হয়ে পাসপোর্ট অফিসের দালাল দিয়ে কোন ঝামেলা ছাড়াই সম্পন্ন করতে হলো। মূল কর্মকর্তা সহ সবাই এর সাথে জড়িত, প্রধান যিনি তাঁকে দেখলে মনে হবে পীর সাহেব, কিন্তু আপাদমস্তক একটা দূর্নীতিবাজ ভন্ড। লেবাজ ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত অপকর্ম করে যাচ্ছে।
সেপ্টেম্বর মাসে আমি আমার সদ্য কেনা গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য উত্তরা BRTA অফিসে যাই। আমার গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র যাচাই করা হলেও, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেদিন আমার কাজটি করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আমাকে অনলাইনে আবেদন করতে বলেন এবং জানান যে এই কাজ একদিনে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একজন আমার কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য ৫,০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেই টাকা দিতে সম্মত হই। এরপর আমার মালিকানা পরিবর্তনের কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়া হয়।