ট্রেড লাইসেন্স করা
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করেছিলাম। অনুমোদন করতেছিল না। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ করে দিছে। মুল খরচ ছিল ৩৫০০ এর মত। বাকিটা ঘুষ
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করেছিলাম। অনুমোদন করতেছিল না। পরে ৭০০০ টাকা দেওয়ার সাথে সাথে কাজ করে দিছে। মুল খরচ ছিল ৩৫০০ এর মত। বাকিটা ঘুষ
কোর্টে যাবিন পাওয়ার পর আসামিকে ঘুষ ছাড়া ছেড়ে দেওয়া হয় না
চেকপোস্টের কাগজে নামে হয়রানি সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও বিটের নামে ঘুষ দেওয়া লাগে আর যদি না দেই মামলা অযাজিত অনর্থক মামলা দিয়ে হয়রানি করে তাই হয় না থেকে বাঁচতে ঘুষ দেওয়া লাগে
২৫ শত টাকা না দিলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যাবে না
চাঁদপুর থানা দিন কচুয়া থানা ১১৫ নম্বর মৌজা এবং 16 নম্বর মৌজা নাম খারিজ করার জন্য এবং রেজিস্ট করার জন্য এই টাকা পরিশোধ করেছি
Dhaka Jurain alakai passport police varification er somoi apnak fon diye bolbe apnar passport er varification korar jonno ei document golo bikrumpur or ei market er niche niye ason. Je kono akta address dibe. Then bolbe taka din tee/nasta khete. 1,2,3,4 hazar taka ditei hobe. Manos boje tara taka adai kore. Noito voi dekhai passport pabe na. Vlo report dibe na.
ধরুন একটা জমির মালিক বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি টি মিউটেশন করে আমাদের ভাই-বোনদের নামে আনার জন্য তশিলদার এসিল্যানড অফিস তারা ঘুষ ছাড়া মিউটেশন করে না আর যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তাহলে হয়রানির পর হয়রানি করতেই থাকে তাদের কাছে হাজিরার নামে দিনের পর দিন দিন ধার্য করে ।
লটারিতে কাজ পাবার পর RHD/PWD executive engineer এর জন্য ৫%+ division এ ২%+ circle এ ৩.৫%+ Sde ও SAE ১০% ছাড়াও প্রতিটি স্টাফ টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা না দিলে ব্যবহারও খারাপ করে। মূলত ঠিকাদারদেরকে জিম্মি করে ঘুষ আদায় করে। যারা ঘুষের টাকার অংকের কিছু ডিসকাউন্ট চায় বা কম দিয়ে ম্যানেজ করতে চায় তাদেরকে executive engineer-রা গোপনে তালিকাভুক্ত করে পরবর্তীতে আর কোন কাজ দেয় না। এমন খারাপ ব্যবহার করে যেন তাদের কাছে ভিক্ষা চাইতে গেছি! জঘন্য অবস্থা এই দেশের। এই দেশে কোন সুস্থ বা সৎ মানুষের বসবাস করার কোন সুযোগ নাই সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারণে। খুবই হতাশাজনক। মাঝেমধ্যে মনে হয় এমন দেশে কেন জন্মগ্রহণ করালো মহান আল্লাহ..??!
প্রতিবার আমার বাবার পেনশনে টাকা উত্তলন করতে গিয়ে ৫০ বা ১০০টাকা দিতে হইতো
ঢাকা মেডিকেল কলেজে ঘুষ ছাড়া রোগী ভর্তি করে সিট পাওয়া অসম্ভব। আমি একজন গরীব রোগী নিয়ে ভর্তি করে ৫০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে একটা সিট পেয়েছি তার জন্য।
রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এস এস সি নাম্বার পত্র, প্রসাংশা পত্র বাবদ প্রতি জন ১০০০ টাকা নিআ্চ
DB পুলিশ আমার ভাইকে আটক করে রিমান্ডে নেয়।রিমান্ডে না মারার পতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেয়।
জাহাজ থেকে সাইন অফ করতে গেলে ১০০০ টাকা দিতে হবে।পিয়ন ওই টাকা নিবে।তারপর আপনার কাজ করে দিবে।আর পিয়ন ওই টাকা থেকে একটা অংশ ওইখানে চাকরি করে সবাইকে দিবে।জাহাজ থেকে Voyage করে নামার পর যে ওইটা অনলাইন করা ওইখানে অনলাইনে উঠানোর পর ওনাকে ২০০ টাকা দিতে হবে।আবার পোর্ট হেলথ্ CDC বা নাবিক বই এ Endorsement করাতে চাইলে ২০০ টাকা আবার অনলাইনে করাতে ৪০০ টাকা এগুলো এখন ঘুষ না Rules করে ফেলছে।আপনি টাকা দিলে কাজ হয়ে যাবে নইলে আপনাকে অযথাই বসিয়ে রাখবে।এভাবে নৌ পরিবহন অধিদপ্তরে ঢাকা চট্টগ্রাম অফিসে মেরিনারদের সাথে প্রতিনিয়ত এমন হচ্ছে
আমি পাসপোর্ট করার জন্য বাইরে থেকে অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই সেখানে গিয়ে হয়রানির শিকার হই। তারা বলে তাদের কাছ থেকে অনলাইন করিনি তাই তারা ওটার আর কোন কাজ করবে না। ঐদিন সারাদিন ঘুরাইছে পরে বাড়িতে চলে আসি। দেন পরের দিন আবার যাই সেখানে গিয়ে একটা লোককে ধরে 2400 টাকা দেই। তারপরেসে এক ঘন্টার মধ্যে পাসপোর্ট এর যাবতীয় কাজ করে দেয়
নামজারি জমা খারিজ করতে অনলাইনে আবেদন করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে নায়েব সাহেব প্রস্তাব পাঠায় এসিলেন্ট অফিসে কিন্তু এসিল্যান্ড অফিস থেকে নামজারির আবেদনটি বাতিল করে। দ্বিতীয়বার আবেদন করে নায়েব সাহেবের কাছে গেলে নায়েব সাহেব পরামর্শ দেয় এভাবে খারিজ হয় না। অতিরিক্ত টাকা লাগে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলে কিছুদিন পরপর উপর মহল থেকে অডিটের নামে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করে তাই বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা নিতে হয়। অবশেষে ১৮ হাজার টাকা দিয়ে খারিজ করা লাগছে।
দলিলে জায়গার পরিমান ভুল ছিল ঠিক করার জন্য আবেদন করা হয়। এরপর ভূমি অফিসে গেলে সব কাগজ-পত্রের কথা বললে তা দেওয়া হয় এবং এক পিওন খরচ বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বলে। সবাই যেহেতু ১০০০/২০০০ দেয় এইরকম কাজের জন্য, আর না দিলে যদি কাজ ঠিকভাবে না হয়, তাই দিয়ে দিলাম। বাংলাদেশের সব ভূমি অফিসেই কম বেশি এরকম টাকা নেয়। তারা কাজের বাহানায় অতিরিক্ত টাকা নেয়াটা একটা একরকম জায়েজ মনে করে।
স্থায়ী ঠিকানা চাঁদপুর থেকে পুলিশ বিকাশে ঘুষ চায় পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার জন্য।
আমার একটা জমি আমার এক দাদারা বেশি করে খাজনা খরচ করে নিয়েছে আমি সেই কাজ বাতিলের জন্য খেলে আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা আবদার করা হয় এবং আমি সেটা কাউকে পরিশোধ করি না তার পরেও আমার জমি এখন পর্যন্ত থাকবে হাদিস দিতে পারিনি সেই তো সিলদার ভূমি অফিসার আমার টাকা খেয়ে বসে আছে আমার সবকিছুই আসল তারপরেও আমি সেবা পাচ্ছি না আমার বাড়ি সুজানগর কুড়ি পাড়াতে থানা সুজানগর জেলা পাবনা সুজানগর ভূমি অফিস এখানে সর্বক্ষণ অনিয়ম চলে সবাই এখানে টাকা খায় টাকা ছাড়া কোন কাজ করা যায় না
নামজারি অনলাইনে ৩বার করেছি নামঞ্জুর করে দিয়েছে, শেষে ১০ হাজার নিয়ে তাও আমাকে এখনো একটা নামজারি খারিজ করেনি।এ যেন এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। আল্লাহ হেদায়েত দিক।
২৩৫ টাকা ডি সি আর নবায়ন ফি ,যা রশিদে উল্লেখ করা থাকে কিন্তু তা ৫০০০ টাকা দিলে নবায়ন হয় অন্যথায় হয় না।