গাড়ি
প্রতি মাসে ট্রাফিক পুলিশ হাইওয়ে পুলিশকে প্রতি গাড়ি প্রতি ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য থাকি।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রতি মাসে ট্রাফিক পুলিশ হাইওয়ে পুলিশকে প্রতি গাড়ি প্রতি ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য থাকি।
নোয়াখালী সদর উপজেলার ৮ নং এওজবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে আমার ভাতিজার নতুন জন্ম নিবন্ধন করার পরে প্রিন্ট স্বাক্ষর ও সিল করতে গিয়ে আমার কাছ থেকে টাকা চায়,( অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের সবকিছুই করা হয়েছে 45 দিনের মধ্যে করলে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না নবজাতক শিশুর জন্য) টাকা দিতে অস্বীকার করায় খারাপ ব্যবহারও করে। সবার কাছ থেকেই চশমা পরা এই সচিব টাকা খায়। আর টাকা না দিলে খারাপ ব্যবহার করে। এখন চিন্তায় আছি সামনে আমার নিজের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে মায়ের নামের কিছু ভুল রয়েছে এখন সেখানেও প্রিন্ট করার সময় টাকা চেয়ে বসে কিনা।
If you goto bmdc , make sure you carry about 500000 . There are two office boys, 2nd floor in glass box with aircon . For any work in bmdc you need to goto them. They will not move a hair without some payment(at least 15000 taka) and won't even look at you, where their job is to look after your demands. Then in the third floor the assistant registrar who verifies documents of foreign students he will find out faults you will not believe are faults. He will scold you and will send you back and you must pay the two guys in the second floor a huge sum of money , I had to pay 50000 taka because I did mbbs from China and I was not able to produce online class make up certificate.
বাসা বরাদ্ধের জন্যে ক্লার্কের মাধ্যমে টাকা চাওয়া হয়েছিল। তাছারা রেলওয়ের বাসাগুলোও বসবাসের অযোগ্য। মেরামত করার কোন তাগিদ নাই। হয়তো মেরামতের জন্যে গোপনে টেন্ডার হয় বা অন্যভাবে বরাদ্ধ হয় যা মেরামত না করে কর্মকর্তারা টাকা উঠিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করে।
জমি খারিজ করতে গিয়ে শুনানির দিন টাকা লেগেছিলো নয়তো তা বাতিল করে দিতো।
BMDC, Bangladesh medical and dental council, has to be the top 1 most corrupt organisation in the world. I was asking 3 lakh but because I did not have eligibility certificate as a foreign student for attending the RQE exam, which is not needed anymore. They will deny you services and bring out problems about you which really don't matter or aren't related. The person's occupying top position will question your document and your existence and until you pay the office boys sitting in second floor they will not clear you for exams or document approval . If my post reaches out to everyone who has faced BMDC, I am sure everyone would vote 100 times over to my comment.
সরকারি ফিসের বাহিরে ১২০০০ টাকা নিয়েছে। সরকারি ফিস ১১৫০ টাকা
আমার জমির হোল্ডিং খোলার প্রয়োজন ছিল ভূমি অফিসে যাওয়ার পর তারা বলেছিল এসি ল্যান্ড এর কাছে যেতে এবং এতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে কিন্তু আমার হোল্ডিং নাম্বারটি অতি শীঘ্রই প্রয়োজন ছিল তখন তারা ব্যবস্থা করে দিতে চাইল এবং যে পিওন আছে সে এর বিনিময়ে কিছু অর্থ দাবি করেছিল না দিয়ে কোন উপায় ছিল না কারণ কাজটি করা আমার দরকার ছিল. আরো অনেকবার ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম কোনো বারোই সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে কাজ করতে পারিনি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে
ই-নামজারী (খারিজ) করতে গিয়ে , সার্ভেয়ার, রৌমারী ভূমি অফিস এ 5000/- দিতে হয়েছে। দালাল দিয়ে ভর্তি দালাল ছাড়া কোন কাজ করা যায় না রৌমারী ভূমি অফিসে।
আমার এন আইডি কার্ডে আমার নামের MD এর পরে কোনো ডট নেই কিন্তু ভিলে পাসপোর্ট অ্যাপ্লাই করার সমসয় ডট দিয়ে ফেলছি, এটার জন্য সেখানে থাকা অফিসার তা প্রত্যাক্ষাণ করে একজন দালালের সাথে কথা বলতে পাঠিয়ে দেয় এবং সেই দদলাল ৩০০০ টাকা দাবি করে, শেষমেষ সময় স্বল্পতা থাকায় ২৫০০ টাকা পরিশোধ করে কাজটি আমাকে করতে হয়
আমার মোটর বাইকের রেজিস্ট্রেশন করার সময় গাড়ির কাগজপত্র কুষ্টিয়া বিআরটিএ জমা দিতে যায় তখন তারা বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে আমার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে তারা বলে এটা অনেক সময় লাগবে মিনিমাম ১০ থেকে ১৫ দিন পরে ওখানকার একজন দালাল আমাকে বলে এটা আমি করে দিচ্ছি বিনিময়ে মোট ১৪ হাজার টাকা তাকে দিতে হবে পরে ওই টাকা বিআরটিএ এর লোকদের সাথে কথা বলে এবং ওই কাজ আমার ওই দিনই সম্পন্ন হয় তাই আমার অভিজ্ঞতাই দালালদের মাধ্যমে যে কাজ একদিনে হয় দালাল না ধরলে ওই কাজ ১৫ দিনে সম্পন্ন হয় না এটাই সরকারি অফিসের কার্যপ্রণালী
পুলিশ কেস তদন্ত সম্পন্ন করার জন্য মেডিকেল সার্টিফিকেট তোলার জন্য প্রতি মেডিকেল সার্টিফিকেট-এর জন্য ২০০০-৩০০০ টাকা দিতে হয়।
একটি মামলা প্রক্রিয়া অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে মামলা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলে ৬০ হাজার টাকা চুক্তি করে আমাকে সেই মামলার ভুল সবকিছু বলে সাধারণ মামলা করে আমাকে হয়রানি করিয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষ কোর্টে যাই একটু সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় সেখানে অ্যাডভোকেটরা যা দুর্নীতি করে সেটা এই বাংলাদেশের নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য অসহনীয়, ধন্যবাদ সবাইকে।
আমার বাবা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ICU তে ভর্তি ছিলেন। বাবার অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলে জেনারেল ওয়ার্ডে transfer করা হয়। একজন ওয়ার্ডবয় বাবাকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে যান এবং আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি থাকে ২০০ টাকা দেওয়ায় রেগে যান এবং আমি ৪০০ টাকা দিতে বাধ্য হই। হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় দেখলাম টাকা ছাড়া ওয়ার্ডবয় ও আয়াদের দ্বারা কোন কাজ করানো যায় না। এমনকি ICUতে রোগীদের সাথে দেখা করা বা খাবার পাঠাতে হলে আনসার ও ওয়ার্ডবয়কে টাকা দিতে হয়।
আমার এক ভাগিনার পাসপোর্ট করা প্রয়োজন ছিল। আমি আমার পার্সোনাল ই-মেইল ব্যবহার করে পাসপোর্ট আবেদন করি। সেটি মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে জমা দিলে তারা (কর্তৃপক্ষ) জানায় আবেদনে যে মেইল ব্যবহার করা হয়েছে তা দিয়ে পাসপোর্ট করা যাবে না। পরবর্তীতে পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মচারী জানায় 2200 টাকা দিলে সে কাজটি করে দিবে। আমার ভাগিনা নিরুপায় হয়ে বাধ্য হয়ে তার মাধ্যমে কাজটি করায়। প্রশ্ন হলো যে কাজটি অফিসার না করে দিল হবে না, সেটি 2200 টাকার দেওয়ার পর কিভাবে হলো। মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিস দুর্নিতীর আখড়া।
পাসপোর্ট রিনিউ আমার কাছে ১৩০০০ টাকা দাবি করে এবং বলে টাকা না দিলে কাজ হবে না শুধু শুধু ঘুরে হয়রানি হবেন। তারপর আমি দিয়ে দেই ১৩০০০ টাকা।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড হল ঘুষের আকড়া। এমন কোন কাজ নেই যেটা টাকা ছাড়া হয়। পিয়ন, অফিসার মোটামুটি সবাই জড়িত। অফিসাররা একেকজন জমিদার। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি। প্রতি পদে পদে টাকা দিতে হবে। নইলে দূর দুরান্ত থেকে আসা ছাত্রদের ফিরে যেতে হবে। আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছিল।
আমি নতুন পাসপোর্ট বানাতে গেলে ৫৭৫০ টাকার চালান আমার কাছে ১১০০০ টাকা দাবি করা হয়। দিতে রাজী না হওয়ায় প্রতারণার অন্য ফাঁদ করে আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেয়। আমাকে বলে পেশা কী দিবেন আমি বলি স্টুডেন বলে আইডি কার্ড জমা দিতে হবে স্টুডেন এর। আইডি কাড না থাকায় বলেন আমার বেতরে লোক আছে ৩ হাজার টাকা দেন আমি ব্যবস্থা করে দিতেছি। তারপর ২ হাজার এ রাজী হই। তিনি কাওকে কিছু না বলে না করে এই টাকা ঘুস নিল।
আমি পেনশন আসার সময় আমার কাছে দাবি করেছে। না দিলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তিনগুন টাকা কম দিতো।
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আমার সমস্ত কাগজপত্র এবং সকল ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পড়ে ও আমার থেকে 3500 টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয় জেই পর্যন্ত টাকা না দেই তারা এমন এমন ভুল ধরতেছিল যা অকল্পনীয়