পেনশন ফাইল এজি অফিসে পাঠানোর পূর্বে প্রস্তুতকরন
পেনশন ফাইল এজি অফিসে পাঠানোর পূর্বে প্রস্তুতকরন।আমার ঘনিষ্ট জনের মাধ্যমে দাবি করা হয়ে। এটা নাকি বর্তমানের দর।কাজটি করা তার দায়িত্ব।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পেনশন ফাইল এজি অফিসে পাঠানোর পূর্বে প্রস্তুতকরন।আমার ঘনিষ্ট জনের মাধ্যমে দাবি করা হয়ে। এটা নাকি বর্তমানের দর।কাজটি করা তার দায়িত্ব।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে এসে ঢাকাতে ১৫০০ টাকা আর স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল এ ১৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি জোয়ারা সাহারা বিআরটি এ বাইকের ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেছি, প্র্যাকটিক্যাল দেওয়ার সময় পরিক্ষা যে-ই লোক নিতাছে, সে আমাদের কাছ এসে জিজ্ঞেস করতেছে, এখানে কারা কারা কনটাক্ট করে আসছে, মানে দালাল এ-র বলতেছে, যারাই না বলতেছে যে দালাল দরি নাই, তখন বলতেছে চলে যান,আর যাঁরা দালাল ধরছে তাদের এক পাসে দাড় করাইতেছে, আমার সামনে ৩৬ জন পরিক্ষা দিছে ১ জন পাস করছে, যে-ই লোক পাস করছে সে আর্মির ড্রেস এ আসছিলো, বাকি ৩৫ জন ফেল, আমার সিরিয়াল যখন আসছে, বাইকে এ-র হ্যান্ডেল খালি ধরছি,বাইকের হ্যান্ডেল খুলে গেছে,মানে কি বলবো বুঝতে পারছি না, তখন দলাল বললো যে ফেল, তখন বুঝলাম কেনো দালাল বলছিলো, যাঁরা দালাল ছাড়া আসছে চলে যেতে, আর সে-ই লোক যে বাইকের সাথে কিছু করে রাখছে সেটাও বুঝলাম, পরে সেই লোক বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়া লাগছে,
আমি পাসপোর্ট নতুন করার জন্য সবকিছু নিয়ে যাই,কিন্তু ততক্ষণে দূপুর ১ টা বেজে যায়,ওরা বললো সব ক্লোজ হয়ে গেছে এখন হবেনা, আপনি আগামী রবিবারে আসেন।কিন্তু পাশ থেকে এক আনসার সদস্য আমাকে ইশারা দিয়ে ডাকলো এবং ৪৫০০ টাকার বিনিময়ে ১০ মিনিটের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেলো।
Birth certificate applications for 2 family members...! In total they demanded more than 4000bdt and we had to pay about 4000 in total. First they came up with an issue in the process and kept asking for more money gradually. Finally they demanded another 1500 bdt while handing over the birth certificate.
SB paper thik thakar por . online copy dekhaisi bole .taka nilo .main copy chay .ki a job sesh asi.
বাংলাদেশে যে সব বিভাগে কাস্টম হাউস (শুল্ক স্টেশন) আছে সে সব অফিসে আমদানিকৃত ও রপ্তানিকৃত পণ্য ছাড় করতে ফাইল প্রতি ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ বা তার অধিক টাকা ঘুষ দিতে হয়। যদি ঘুষের টাকা না দেয় তবে আমদানিকারকের হয়রানি করা হয়। সব থেকে এ অফিসে ঘুষ লেনদেন হয় বেশি।
আমার কাছে অরিজিনাল ন্যাশনাল আইডি কার্ড ছিল না। এ কারণে আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র উত্তরা অফিসে জমা নেই নাই । পরে নিচের তলাতে এক পাসপোর্ট অফিসের কর্মীকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কিভাবে আমার কাগজ পত্র জমা দিতে পারি, যেহেতু আমার কাছে অরিজিনাল আইডি কার্ড নাই। তিনি বলল আমাকে ২০০০ টাকা দেন আমি ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। পরে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিয়েছি ।সে আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র অফিসের জমা দিয়ে দেয়।
ময়মনসিংহ সিটিতে মিশুক ৮০০৳, অটো ১৫০০৳ এবং ড্রাইভারদের কাছ থেকে ৫০০৳ করে নিয়েছে কিন্তু এই টাকার বিপরীতে কোন টাকার রশিদ প্রদান করেনি। এইসব অটোর মালিক এবং ড্রাইভার অসহায়ের মতো টাকা দিতে হয়েছে। যদি এটা লিগাল হতো তাহলে কেন টাকার বিপরীতে টাকার রশিদ দেয়নি। এই টাকাটা এই টাকার বেশিরভাগাংশই তারা লুটেপুটে খাবে। কয়েক কোটি টাকার একটা লেনদেন হয়ে গেল কিন্তু একটা টাকাও ভাউচার দেয়নি। আপনারা যাচাই করে দেখতে পারেন আমার এই অভিযোগ সত্য না মিথ্যা। সত্য হলে প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি ১৯৭৭ সালের একটি দলিলেরসার্টিফাই কফির জন্য আবেদন করেছিলাম আমার নিকট থেকে ২৭০০ টাকা নেওয়া হয়েছে অনেক বেশি। সরকারি পি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৮০০ টাকা হইতে পারে। কিন্তু আমার থেকে নেওয়া হয়েছে ২০০৭০০ টাকা।
নামজারি করতে গেলে বলে এই দাগে সমস্যা আছে তাই ১ লাখ টাকা লাগবে। কী সমস্যা তা বলে না। আগের মালিক কীভাবে নামজারি করেছিল জানতে চাইলে বলে সেও টাকা দিয়ে নামজারি করেছিল। এইভাবেই নাকি চলতে থাকবে আজীবন। আমার যেহেতু নামজারি করা জরুরী ছিল তাই ফেলে না রেখে তাদের দাবি মেনে নিয়ে কাজ সম্পন্ন করেছি।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসে আমার আব্বার চিকিৎসার জন্য একটা আর্থিক আবেদন করতে গিয়েছিলাম। তিনি ব্রেইন স্টোক করে প্যারালাইসড হয়ে গিয়েছিলেন। ত আমাদের আবেদনের ফাইল সমাজসেবা অফিসারের কাছে জমা দেয়না অফিস সহায়ক। সে বেশ কয়েকবার ডেট দিয়েও অফিসারের কাছে ফাইল জমা করেনা। শেষে ৫০০ টাকা চা খাওয়ায় বিল চেয়ে বসল। কিন্তু খারাপ লাগাটা ছিলো ওই অফিস সহায়কের টেবিলে লিখা ছিলো হযরত আলী রাঃ এর ঘুষ লেনদন করা কতটা জঘন্য কাজ এ সম্পর্কিত একটা বাণী। অনেকটা নিরুপায় হয়ে দিতেই হলো টাকাটা।
এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে কোন একটা বিদ্যালয়ে যোগদান করি। যোগদানের পরবর্তী ৩ মাসের বকেয়া বিল পাওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসের (রাংগামাটি)একজন চাকমা কর্মকর্তাকে ৩ হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছে।
আমি দালাল ছাড়া নিজে নিজে ড্রাইভিং এর ব্যবহারিক এবং লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর রেজাল্ট বোর্ডে গিয়ে দেখি আমি ফেল তাই পরবর্তীতে দালাল দিয়ে বারো হাজার টাকা দেওয়ার পর দেখি পরীক্ষা দিয়ে পাস দিয়েছে
আমি বিদ্যুৎ এর খুঁটির জন্য আবেদন করি । এবং এটি মঞ্জুর হওয়ার পর আমাকে খুঁটি দেওয়া হয় না। তাদের কল দিলে শুধু তারা আজকে না কালকে আসব এটা বলে। পরে একদিন বলে ১৫০০ টাকা রেডি রাখেন আমরা আসতেছি। অবশেষে আমর ১৫০০ টাকা দিয়েই কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
আমি একটা ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল ক্রয় করি এবং তার মালিকানা পরিবর্তনের জন্য আমি সরকারের সমস্ত ফ্রি পেমেন্ট করি। কিন্তু বিআরটি তে যে দেখলাম তারা বলে এই কাগজ ঝামেলা ওই কাগজের ঝামেলা কাগজ ঠিক করে নিয়ে আসেন। আমার কাগজ সবই ঠিক ছিল। তারপর আমি BRTA তে দুই দিন গেলাম আমি বুঝতে পারিনি তারা টাকার জন্য এরকম করছে। পরে বড় ভাইয়ের কাছে ফোন দিলাম। পরে আমাকে জানালো এখানে নিজের কাজ নিজে করা যায় না। পরে একটা দালাল ধরলাম।এবং সরকারি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা পেমেন্ট করার পরেই আমার কাজ দশ মিনিটের মধ্যে সমাধান হয়ে গেল।
তাদের এক্সট্রা টাকা দেয়ার অনেক ঘটনায় আছে কিন্তু বর্তমানে ঘটা ঘটনাটি , হচ্ছে অনেক আগে জন্ম নিবন্ধন করা ছিল সেটা এখন বাংলায় ও ইংরেজি করার জন্য ডিজিটাল করতে গেছিলাম বা অনলাইন করতে গেছিলাম তখন এই ঘটনা ঘটেছিল ।
notun passport korar jonno passport officer dalal der 1500 tak ghus ba service charge dite hoyeache
আমি একটি মর্টগেজ দলিল সম্পাদন করতে জামালপুর সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যাই। পরে ভিতর থেকে মুহুরীকে বিশেষ উপায়ে জানানো হলো ৩৫০০০ টাকা না দিলে কাজ হবে না। সর্বশেষ আমি দিতে বাধ্য হই।
টিকিট পেতে ও ডা দেখাতে সুযোগ পাওয়া তে টাকা দাবি করে। জনগনের সাথে চরম খারাপ আচরন করে। রোগী সেবা পায় না।