উন্নত বেতন স্কেল প্রাপ্তির ফাইল ও উপজেলা শিক্ষা অফিস ও জেলা অফিসের অনুমোদন জন্য ঘুষ প্রদান
বুড়িচং উপজেলার ৭০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট হতে সিলেকশন গ্রেড বেতন স্কেল প্রাপ্তির শিক্ষক প্রতি ২৫০০ টাকা নিয়েছে।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বুড়িচং উপজেলার ৭০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিকট হতে সিলেকশন গ্রেড বেতন স্কেল প্রাপ্তির শিক্ষক প্রতি ২৫০০ টাকা নিয়েছে।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করার সময় আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নিছে এবং পাসপোর্ট আনার সময় তারা বলে যে ৫০০ টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিবেনা
পাসপোর্ট এর জন্য যখন গিয়েছিলাম তখন তারা আমার কাছে গিয়েছিল ১২০০০ টাকা থেকে এক টাকা কম দিলেও তারা লাইসেন্স করে দিবে না তারা আমাকে সামনের কম্পিউটার দোকানে পাঠিয়েছিল সেখানে তারা একটা আমার যাবতীয় কাগজপত্রের সঙ্গে কিছু সাংকেতিক চিহ্ন এবং চিরকুট লিখে দিয়েছিল তারপর পাসপোর্ট পাই
আমার সাথে হেলমেট ছিল না এবং এরকম কথা বলে আমাকে ১২ হাজার টাকার মামলা দিতে চায় কিন্তু পরে আর একজন তিন হাজার টাকা দাবি করে তাহলে মামলা দিবে না পরে আমি ৩০০০ টাকা দিয়ে ১২ হাজার টাকার মামলা থেকে বেঁচে গেছি
এমপিও বেতন/বকেয়া/বিএড স্কেল চালু।শিক্ষা কর্মকর্তার পছন্দের দোকান থেকে ৩০০০/- দিয়ে আবেদন করতে হয়।আবেদন ফরওয়ার্ড করতে ৫/৬ হাজার নেন।
সদরঘাট খেওয়া পারাপার এর সময় থেকে নামার পরে অতিরিক্ত ৫ টাকা দিতে হয় কিন্তু সপকানে কোনো টার্মিনাল নাই
আমি জমির খতিয়ান করতে দিয়েছিলাম।সরকারি খরচ ১১৭০/-টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ১২০০০/- টাকা তারপরও ভুল।আবার আমাকেই সংশোধন করতে হবে টাকা দিয়ে।
আমার ভূমি অফিসে খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম তাড়া ৫০০০ হাজার টাকা দাবি করছে
দলিল করতে সাব রেজিস্টার কে ঘুষ দিতে হয়েছে
আমি ওয়ারিশ সম্পত্তি নিজ নামে খারিজ করতে ভুমি অফিসে গেলে সেখানে নানা অজুহাত আর নানা ভুল বের করে ।পরে দশ হাজার টাকায় কাজ করে দিতে রাজি হয়।
মোটরসাইকেল চুরি হয়েছিল। জিডি করতে গিয়েছিলাম জিডি করে নাই টাকা নিছে
আমি জমি ক্রয় করেছি, নামজারিও করছি কিন্তু নতুন রেকড আসছে ওরা বলতেছে ওদের টাকা না দিলে আগে যাদের জমি ছিলো তাদের নামেই রেকড হয়ে যাবে। আমাদের এলাকার সবায় তাদেরকে টাকা দিতেছে তাদের ক্রয় করা জমির জন্য
্সিলেট চোহাট্টা টে দায়িত্তরত পুলিশ নিয়েছে
পাসপোর্ট রেনুও করতে ১৫০০০ হাজার নিয়ে দালাল চক্র আমার পাসপোর্ট ফাইল এন্টি দেয় আমার পাসপোর্ট কিছু সংশোধন চিলো সেই কারনে
আমার আগের পাসপোর্ট এর মধ্যে কিছু নামের সংশোধন ছিল। সংশোধনের জন্য এরা অনেকগুলো কাগজপত্র ডকুমেন্টস চেয়েছে সেগুলো দিয়েছি এবং ২২ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে এগুলো সংশোধন করার জন্য। আমার পাসপোর্ট করাটা জরুরি ছিল তাই ঘুস দিয়ে করতে হয়েছে।
বিষয়: অতিরিক্ত অর্থ দাবি, হুমকি প্রদান এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ। আমার দাদার সম্পত্তি পরবর্তীতে আমার বাবা, চাচা ও অন্যান্য ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ-বণ্টন করা হয়। ভাগ-বণ্টনের মাধ্যমে আমার বাবা যে জমি পান, সেই জমি নামজারি করার জন্য আমরা ভূমি অফিসে যাই। নামজারির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা আমাদের কাছে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকায় নামজারি করা সম্ভব নয়। অথচ নামজারির জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি মাত্র ১,১৭০ টাকা বলে আমরা জানতে পারি। বিষয়টি নিয়ে আমি তার সঙ্গে কথা বললে একপর্যায়ে তর্কের সৃষ্টি হয়। তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন যে, আমার জমিগুলোকে খাস জমি হিসেবে দেখিয়ে দখল করে নেবেন এবং আরও বিভিন
টাকা চেয়েছে অন্য কোথায় থেকে নাকি ফাইল তুলতে হবে। তারপর তাদের অনেক খাটাখাটুনি করতে হবে এগুলো বলে।
আমি বনানীতে একটা ব্যাংকে গেছি বাট সব জায়গায় তো জ্যাম থাকে যে কারণে একটা ভিতরে রোডে যেখানে গাড়ি চলাচল করেই না মোটামুটি কিছু গাড়ি রাখে আমি ওখানে গাড়ি আমার ড্রাইভার সহ রাখছি পাশেই সাথে সাথে গাড়িতে থাকা অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ তাকে ধরে জরিমানা আমাকে কল দেয় সাথে সাথে আমি চলে আসি আসার পরে ৫ মিনিট লাগছিল উনাকে বললাম যে আপনি তো এভাবে দিতে পারেন না আমার তো বেশি সময় লাগে নাই পাশে তো অনেক গুলা গাড়ি আছে সরকারি গাড়ি এগুলো তো আপনি দিচ্ছেন না এটা এক মিনিটের জন্য আপনি এভাবে দিবেন বলল আপনার নামে আগে মামলা আছে এখন দিলে ৬০০০ টাকা হবে দেন আমি তাকে তিন হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম
মুন্সীগঞ্জে এর টংগীবাড়ী থানাধীন হাসাইল বাজার ভূমি অফিস এর অফিসার আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য ১০০০০ হাজার টাকা দাবী করে (আমাদের ৫ভাই্য়ের সম্পতির খাজনা) পরে আমি ১০০০০ টাকা দিয়ে খাজনা অনলাইন করে নিই।
বন্ধুকী দলিলের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা দলিলে অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় ।সরকারি ফিস পে অর্ডার এর মাধ্যমে জমা দেয়া হয়। পরবর্তী রেজিস্ট্রেশনের পর তারা ক্যালকুলেটর টিপে একটা টাকা চাই। এক্ষেত্রে তাদের টানানো হিসাব অনুযায়ী এটা কোনক্রমে ৩০০০ টাকার বেশি হবে না ।কিন্তু প্রত্যেকবারই অনেক বেশি টাকা নেয়া হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সাড়ে ১৪ হাজার টাকা চাওয়া হলেও ১৩০০০ টাকায় দেয়া হয়েছে।