নামজারি
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারি ফি ১১৭৫ টাকা কিন্তু কেউ এ-ই টাকা দিয়ে নাম জারি করেছে আমি শুনিনি।
ব্যাংক ড্রাফ ফি ছিল ৫৭৫০ টাকা দিয়ে আমি নিজে নিজে কোন দালাল ছাড়াই গিয়ে জমা দেই জমা দেওয়ার সময় ওরা আমার ফাইলটি রিজেক্ট করে দেয় এই প্রবলেম ওই প্রবলেম বলে । তারপর আমি দালালের সহযোগিতায় সেইম ফাইলটি আরো ২২৫০ টাকা এক্সট্রা দিয়ে যখন জমা দেই তখন তারা আমার ফাইলটি একসেপ্ট করে
বেসরকারী স্কুল শিক্ষকের এমপিও আবেদন এপ্রুভ করার জন্য উজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে ২০০০ টাকা দাবি করে। ২০০০ টাকা প্রদানের পর এমপিও আবেদন এপ্রুভ করে। এই অফিসে টাকা না দিলে কারো এমপিও আবেদন ফাইল/বকেয়া ফাইল এপ্রুভ করেনা। এটা ঐ এলাকায় ওপেন সিক্রেট।
কোনো রিসিট প্রদান ছাড়াই, অফিস খরচের নামে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি সেবা গ্রহীতা একজন ষষ্ঠ গ্রেডের সরকারি ক্যাডার কর্মকর্তা।
তেজগাঁও পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট করেছি, ৩০১ নাম্বার রুম থেকে। এক্সপ্রেস ডেলিভারিতে খরচ ৮০৭০ টাকা, আমার কাছে টাকা নিয়েছে ১২৫০০/- টাকা কিন্তু সরাসরি অফিসার নেয়না, টাকা নেয় কম্পিউটার দোকানদার। ওদের সিন্ডিকেট আছে। ওদের দোকান থেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে করলে সেবা ভালো পাওয়া যায়। খরছ আনুমানিক ৪০০০+ বেশি লাগে। অন্যথায় আপনি বেশ কয়েকদিন ঘুরেও পাসপোর্ট হাতে পাবেন না। আপনার সময় নষ্ট হবে। অফিস থেকে কি বার বার এরকম ছুটি দিবে? তাই আমি বলি কি, তাদের সেবা নিন, ভালো থাকুন, সময় বাচান।
দলিল রেজিস্ট্রির সময় অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা দাবি সাব রেস্টার
আমার মায়ের পাসপোর্টে ওনার বাবার নামের ভুল সংশোধনের জন্য পুলিশ ভেরিফাইয়ের প্রয়োজন হয়েছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার অনেক ডকুমেন্টস চায় সামন্য ভুলের জন্য সব দেয়ার পর আবার কোর্ট affidavit চায় তাও দেয়ার পর বলে তা হবেনা মেজে স্ট্রিট এর স্বাক্ষর লাগবে সর্বশেষ বলে ভেরিফিকেশনের একটা খরচ আছে ওটা দাও। অনেক করে বলেও কাজ হয়নি সর্বশেষ ৫০০ হলেও দেয়া লাগবে। দিতে হলো।
আমি ৪ শতক একটি জমির কারণে খারিজ করতে চাই। ঐ সময় আমার কাগজে ভুল আছে কিনা সেটা যাচাইয়ের জন্য আমাকে ডেকে নেওয়া হয়। তারপরে আমাকে সাড়ে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয় পরবর্তী আমি ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই!
প্রথম সব ডকুমেন্ট জমা দেয়ার পরেও উনি আমার কাছ থেকে এক্সট্রা পেপার চায় যেগুলা অপশনাল. এমনকি সে বলে বাবা মায়ের nid কার্ড এর তথ্য কেনো দেইনাই এপ্লাই এর সময়. এইগুলা সব optional but he reject করে দেয়. পরে একলোক বললো সে kore দিতে পারবে but 2000 tk extra লাগবে. Tk দেওয়ার পর ওই লোক নিজেই টোকেন নিয়ে আসলো আমাদের লাইনে ও দাড়ানো লাগে নাই.
আমি সাধারণ ডেলিভারির পাসপোর্টের আবেদন করি পরে অফিসে ফিঙ্গার দিতে গিয়ে দেখি আমার আবেদন নিচ্ছে না তাদের কম্পিউটারে দেখাচ্ছে আরো টাকা লাগবে পরে আমি সেই টাকা পরিশোধ করে ৬ দিন ঘুরে আজকে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে আসলাম। তারা আমাকে প্রতিদিনি বলত সার্ভার বন্ধ।
গাজীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসে পাওয়ার অব এটর্নি দলিল সম্পাদন গেলে সাবরেজিস্টার টিআইএন এর জমা স্লিপ দেখাতে বলে। আমি টিআইএন এর জমাস্লিপের ফটোকপি দেখালে তা অনলাইনে যাচাই না করেই ৫০০০/- টাকা দাবী করে। আমি এ টাকা না দিলে কাজ হবে না বলার পর চলে আসার সময় আমার এক শুভাকাঙ্ক্ষীর পরামর্শে পরবর্তী হয়রানী হতে রেহাই পেতে টাকা দিয়ে কাজটি সম্পাদন করি, যা আমি এখনো মেনে নিতে পারছি না। উল্লেখ্য, ব্যক্তি জীবনে আমি ঘুস লেনদেনের চরম বিরোধী হওয়া সত্তেও বাধ্য হয়েই ঘুস দিয়ে কাজটি করেছি।
গাজিপুর ভ্যাট সার্কেলে ভ্যাট জমাদানকৃত প্রতিষ্ঠান সমূহের নাম লিষ্ট করা আছে যে মাসিক কোন প্রতিষ্ঠান কত টাকা দিবে। মাস শেষ না হতেই ক্লার্ক বা পিয়ন দিয়ে ফোন দিয়ে এই টাকা নিয়ে থাকে। পরিশোধ না করলেই কোন না কোন ভাবে সেই প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করে।
ওয়ারিশান জমি(২.৩ শতক মূল্য ৪ লক্ষ টাকা) নিজের অংশ টুকু নামজারি করতে অফিসে গেলে ইনিয়ে বিনিয়ে কথা বলে; আমি চাইলে কাজটি দিয়ে যেতে পারি কিন্তু সময় বেশি লাগবে ভাবে প্রকাশ করে। পরে ওখানে একজন অফিসের বাইরে একটি ফটোকপির দোকান দেখিয়ে দিলো।পরে সেখানে কাজটি করার জন্য ২০০০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তিতে কাজটি করার জন্য ১২০০০ টাকায় বাধ্য করা হয়। ঐ দোকানদার বলে আমার অংশ সীমিত, বড় অংশ বাবুদের পকেটে ডুকে।
car er tax token renue korte gele amar personal TIN block kore rakhe. r bole proti bochor 2000 taka kore dite hobe. Amar personal TIN block rakhe meyad purtir age joma dite geleo.
আমি ড্রাভিং লাইসেন্স করার জন্য প্রথমে কোন ধরনের ঘুষ না দিয়ে চেষ্টা করি কিন্তু আমাকে ফেল দেখায়। পরে দালালের মাধ্যেমে ঘুষ দিয়ে পরিক্ষা দেয় আমি পাস করে যায়।
আমি পাসপোর্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সহ পাসপোর্ট এর আবেদন পত্র জমা দেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ময়মনসিংহ পাসপোর্ট অফিসে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জমা দেই। আবেদন পত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা আমাকে কাগজপত্রের বিভিন্ন ঘাটতি দেখিয়ে বিভিন্ন টেবিলে ঘোরাঘুরি করিয়ে নাস্তানাবোদ করে। পরে আনসার কে ও অন্য আরেকজনকে ৫০০ টাকা দেওয়ার পরে আমার পুরাতন কাগজ দিয়েই কাজটি সম্পন্ন হয়।
একটি ট্রেড লাইসেন্স এর ঠিকানা পরিবর্তন করতে গেলে টাকা লাগে ৩০০ টাকা তারা আমার কাছ থেকে ২৫০০ টাকা নিয়ে নিয়েছে, বলেছে টাকা না দিয়ে অনেক সময় লেগে যাবে সব অফিসারদের টাকা না দিলে কেউ স্বাক্ষর করে না।
সব কাগজ পএ ঠিক ছিল কিন্তু তারা বলতেছে, এগুলো হবে না, চেয়ারম্যান সাটিফিকেট লাগবে বাপের নামের বানান ভুল, কিন্তু পরবর্তী তে টাকা নেওয়ার পর সেইম কাগজ দিয়ে, পাসপোর্ট ফিঙ্গার করে,সাবমিট করে দিছে, টাকা নিছে বাহিরের দালালের মাধ্যমে, দালাল কাগজ এর মধ্যে ভিন্ন রকম একটা দাগ দিয়ে দিছে কাজ হয়ে গেছে,
একটি বিল্ডিংয়ে দশটি ফ্লাট ছিল সেই যৌথ ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাট গুলো একটি বন্টন দলিল এ ভিডিও এর মাধ্যমে নিজেরা নিজেরা তৈরি করে ভোগ করতে ছিল। যেটা রেজিস্ট্রি কৃত তো ছিল না । এখন ফ্লাট রেজিস্ট্রেশনের সময় রেজিস্টারের লোক বলেছে। দ্রুত বন্টন দলিল রেজিস্ট্রি নাই তাই এই ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না। ৮০ হাজার টাকা দিতে হবে। তারপর অনেক দেন দরবার করে পাচ চ্চল্লিশ হাজার টাকায় রাজি করানো হয়।
চাকরির পুলিশ ভেরিফিকিশন এর জন্য টাকা চায়, না দিলে খারাপ রিপোর্ট দিবে, মিষ্টিমুখ করার জন্য টাকা চায়। ১০০০ দিলে নেয় না, পরবর্তীতে ২,০০০ টাকা দেওয়া হয়। বি:দ্র - ছবি, ডকুমেন্টস এড করার পদ্ধতি থাকলে ভালো হতো।