নামজারি
ফাইল আটকে অর্থ দাবি। অন্যথায় নামজারি ফাইল বাতিল হবে
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফাইল আটকে অর্থ দাবি। অন্যথায় নামজারি ফাইল বাতিল হবে
জমি খারিজ করতে গিয়েছিলাম খারিজের জন্য 5000 টাকা চেয়েছে
আমার দুইটি দলিল ছিল ক্রয় কৃত জায়গার দুইটা দলিল একসাথে মিউটেশন করিয়ে দিবে এজন্য আমাকে বারো হাজার টাকা দিতে বলে আমি দশ হাজার টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে আসছি।
আমার মা চাকরি থেকে রিটায়ার্ড করেন ২০১৪ সালে। তাকে লোকাল হাসপাতাল একাউন্টেন্ট সেসময় জিনি ছিলেন, তিনি সকল কার্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ৫০, ০০০ টাকা চান। স্থানীয় নেতা দ্বারা ৩০, ০০০ টাকা নেয়ার জন্যও সুপারিশ করা হয় কিন্তু সে মায়া করেনি। ভুলভাল উল্টোপাল্টা রিপোর্ট করার ভয় দেখায় এবং ফাইল আটকে রাখে। সৎ মানুষদের এটা সহ্য করা অনেক কঠিন। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দেশের সংস্কৃতি হিসেবে মেনে নিয়ে, মাকে বুঝিয়ে তারপর ৫০, ০০০ টাকা ঘুষ দিয়ে তার কার্য প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করি। এই বিষয়টা আমাদের অনেক ব্যাতীত করেছে যায় সারা জীবন মনে রাখার মতো।
পাসপোর্ট করার পর আমার নাম জনিত কিছু সমস্যা থাকার কারনে আমি পাসপোর্ট অফিসে যাই। তারপর অফিসের কর্মকরতা সাথে সব সমস্যার বিস্তারিত কথা বলি।তখন এক কমকর্তা বলেন নাম পরিবর্তন করতে টাকা লাগবে। আমি বললাম কত লাগবে ঐ লোক টা ১ম বার ৩০ হাজার টাকা লাগবে। আমি বললাম এতো কেনো। ঐ লোকটা বললো করলে কর না করলে এখন আসতে পারেন। পরে আর কি আমি রাজি হইয়াগেছি পাসপোর্ট টাও দার ছিলো। আমার কথা হলো নাম পরিবর্তন করার জন্য ৩০ হাজার টাকা কেন লাগবে।
আমার বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার জন্য একটি ট্রান্সফর্মার স্থাপন জরুরি হয়ে পড়ে । এজন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জনাব রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকা দাবি করেন । পরবর্তীতে বিষয়টি আমার পরিচিত একজন অবসরপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে জানালে তিনি রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগ করেন । ঘুষের টাকা দুই লাখ টাকায় কাজটি করে দিতে রাজি হন। টাকা পরিশোধ করা হয় । তবে প্রতি মিটারে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা গ্রহণ করেন । দুই / তিন মাস অসংখ্য বার ঘুরতে হয় সেই অফিসে । সেখানে তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আবাসিক প্রকৌশলী হামজা ইমাম সরাসরি এসব হয়রানি মূলক কাজে জড়িত ছিলেন ।
ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা না দিয়ে পাশ
টাকা দিলে রিটেন ভাইবা পাশ করে দিবে আর না হলে পরীক্ষায় পাশ করাবে না ও লাইসেন্স সরবরাহ করবে না।
প্রতিদিন সুপ্রিম কোর্টের স্টাফ এবং বি.ও রা কয়েক কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন করে থাকে। এসকল ঘুষের টাকা জনগনের পকেট থেকেই যাচ্ছে।
কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা তে বৃহৎ করদাতা ইউনিটে বদলীর পর LPC প্রেরণ না করে পাঁচ মাস বেতন বন্ধ রেখেছিল। নতুন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ২০০০ ও পুরাতন অফিসের ক্যাশিয়ার কে ৩০০০ পরিশোধ করার পরও এল পি সি নিয়ে টালবাহানা করছিল। শেষমেষ টাকা পরিশোধে বাধ্য হয়ে বেতন সচল করি। এই পাচ মাস নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণায় পড়েছিলাম। নতুন সরকার এল পি সি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে অন্য কর্মচারীদের ও ঘুষ নিতে উতসাহিত করবে আশা করছি। কারণ অনেক কর্মচারী মনে করে সে ঘুষ দিতে বাধ্য হলে সে খাবেনা কেন?! এজি অফিস এসবের হাতেখড়ি দেই।
আমি বাইক ড্রাইভিং পরীক্ষা পাস করেও আমাকে ফেল করে দিছে এবং শেষে টাকা দিতে হয়েছে।
পুরাতন পাসপোর্ট জন্ম নিবন্ধন দিয়ে করা ছিলো । নতুন পাসপোর্ট এ এন আই ডি দিয়ে করতে গেলে সরাসরি ঐ টাকা চায়। জরুরী ছিল তাই দিয়েছি।
তিন টা দলিলের বিপরীতে আট হাজার করে (8000×3)=24000/, দিয়েছি। না দিলে করতো না।আমি সহ আমরা যে অসহায়।
ট্রেন লাইনে আমার মাত্র এক দশমিক ৯৪ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়। মোট আমাদের ১০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়, আমি সহ আমার ছোট ভাই, মোট ৮ হাজার টাকা দেই চেক বাবদ দেই ২০০০ টাকা। আমাদের এক বছরেরও বেশি সময়ই বিভিন্নভাবে ঘুরানো হয়। তারপর আমরা জানতে পারি তাদের ঘুষ দিতে হবে।
বি এস রেকর্ডের জন্য অনেকের কাছ থেকে ৫০০০/১০০০০ আরো বেশি টাকা ও তারা নিছে। আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নিয়ে বি এস রেকর্ডের জন্য।
নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে সরকারি ফি-এর চেয়ে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। বাইরের দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় এবং যারা টাকা দেয়, তাদের আলাদা রুমে নিয়ে এমনভাবে পরীক্ষা নেওয়া হয় যেন কেউ ফেল না করে
আমি হিন্দু। আমার ওয়াইফ ও বাচ্চা সহ পাসপোর্ট অফিসে সবার আবেদন জমা দিতে গিয়েছি। তখন অফিস থেকে বলে বিবাহিত সনদ দিতে কিন্তু আমি বললাম আমার বাচ্চার জন্ম সনদ আছে সেখানে আমার ও ওয়াইফের নাম আছে তাতেও কাজ হয়নি ২০০০ টাকা না দিলে সনদ দিতে হবে তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
প্রতি ১ কোটি টাকা বিলের জন্য ১ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়,সেই অনুপাতে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার ভাইগ্না পাসপোর্ট এর আবেদন করে সৌদিআরব যাওয়ার জন্য I তাকে দেখতে তার সঠিক বয়সের চাইতে ছোট মনে হয় I আমরা আবেদন করে ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে গেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিস ফিঙ্গার প্রিন্ট না নিয়ে আমাদের ডিডি এর সাথে দেখা করতে বলে I ডিডি প্রথমে আমাদের সাথে অফিসিয়াল কথা বলে না করে দেয় I কিন্তু আসার সময় সে একজন লুকের নাম বলে, আমরা তার সাথে যোগাযোগ করি এবং সে আমাদের কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে I অনেক কথা বলে ২১০০০ এ রফা দফা করি এবং সে বলে এখান থেকে ১৫০০০ টাকা DD কে দিতে হবে I
নামজারী খারিজ,টাকা দেইনি বলে বন্টন নামা আবশ্যক বলে প্রতিবেদন দেয়,তারপর ২০০০০ টাকা দিয়ে পুনরায় আবেদন করলে বন্টননামা ছাড়াই একক নামজারী হয়ে যায়