নামজারি
বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি খারিজ করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে প্রকৃত অর্থের বাহিরে ১০০০০৳ দাবি করা হয়। এবং এই টাকা না দেওয়া পর্যম্ত কাজ করে দিচ্ছিলো না। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে যা অফিসের বাহিরে নিছে আমার থেকে
19,118 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাবা মারা যাওয়ার পরে জমি খারিজ করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গেলে প্রকৃত অর্থের বাহিরে ১০০০০৳ দাবি করা হয়। এবং এই টাকা না দেওয়া পর্যম্ত কাজ করে দিচ্ছিলো না। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগছে যা অফিসের বাহিরে নিছে আমার থেকে
বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। আমার ভিসার ক্ষেত্রে পেশা দেওয়া ছিল প্রাইভেট জব কিন্তু আমি ছিলাম মূলত বেকার, বাবার জমি দেখা শোনা করি। জিজ্ঞেস করায় আমি বলি আমাদের জমি আছে ,জমি দেখাশোনা করি। তখন এই অসামঞ্জস্যতার জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশ অন্য লোকের মাধ্যমে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেয়।
জমি ক্রয়ের জন্য এক দালালকে টাকা দেই সে টাকা বা জমি কিছুই দেয়নি পরবর্তীতে মামলা করলে পুলিশ বারবার টাকা চাইতো ৩/৪ বার তাদেরকে যখন আসামীর বাড়ি, গ্রেফতার ইত্যাদি কাজে নিছি তখন ২০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত দিছি পরবর্তী যেদিন পুলিশ আসামি কোর্টে তুলছে ঐ কনস্টেবল এর সাথে দেখা তিনি আবার খরচ চাইলো কারন আসামি কোর্টে নিয়ে আসছ আমি বললাম টাকা নাই তখন বললেন যা আছে দেন তখন ১০ টাকা দিছি।
দাতা এবং গ্রহীতার উপস্থিতিতে দাগ নাম্বার সংশোধন করতে চাইলে, এজলাস এর অফিসার নাকচ করেন। পরে দলিল লেখক বলে কিছু টাকা লাগবে । আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই । পরে আমি উত্তেজিত হই। এমতাবস্থায় কয়েক জন দলিল লেখক বলেন, কিছু সময়ের জন্য আপনি বাহবা পাবেন কিন্তু ক্ষতি আপনার হবে । আমি বাহিরের দেশে থাকি তাই বাধ্য হয়েই আমাকে টাকা দিতে হয় ।
আদালতের নানা কাজে সরকারি লোক দের দেওয়া হয়েছে
আমার পৈতৃক সম্পত্তি চার ভাই-বোনের মাঝে হিস্যাানুযায়ী বন্টন করার নিমিত্তে মিউটেশন করতে যাই।আমার কাছে রক্ষিত সমস্ত কাগজ নিষ্কণ্টক, ওয়ারিশান সনদ থাকা সত্তেও আমাকে ১.৭৫১৮ একর জমি নামজারী করতে দুই দফায় ৯৫০০/=(নয় হাজার পাঁচ শত টাকা)দিত হয়েছে।
ঘটনাটা ২০২৪ সালের, পটুয়াখালীর সিভিলে সার্জন অফিসে যাই আমার ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়নের জন্য, ওখানে গেলে যে এই কাজ করে সে চা পানির জন্য টাকা চায় , এর পরে অফিসাররা ভিজিটে গেলে আবার এই টাকা দেওয়া লাগে । খালি আমার না ,শুনছি আমাগো জেলার সব ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ই এই টাকা দেওয়া লাগছে, শত শত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এটা নিয়া ভালো তদন্ত হওয়া লাগে ।
গাজীপুর বয়লার অফিসে যেকোনো বয়লার লাইসেন্স নবায়ন করতে ১০/২০ হাজার টাকা ওই অঞ্চলের ইন্সপেক্টর কে ঘুষ দিতে হয়। আমার প্রতিষ্ঠান এ ৪০টি বয়লার আছে। ঘুষ দিতে দিতে আমরা ক্লান্ত। শুধু ঘুষ না ইন্সপেক্টর এর মনোনীত কোম্পানি কে দিয়ে বয়লার টেস্ট করতে হয় আর পানি পরীক্ষা করতে হয়। হেড অফিসে এর প্রধান পরিদর্শক উনি নিজেও সাবলীল ভাবে ঘুষ নেয়। যদিও উনি প্রত্যেক বছর হজ করে। সর্বশেষ ০১/০৯/২০২৬ তারিখে ২০০০০টাকা পরিশোধ করেছি শুক্রবার বন্ধের দিন বয়লার পরিদর্শন করাবো তাই । স্যার দের অফডে টে ভিজিট করতে রেট টা একটু বেশি দিতে হয় আরকি।
বিদেশ যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে অনলাইনে সকল নিয়ম মেনে আবেদন করি ১৬ দিন ঝুলিয়ে রেখে রিজেক্ট করে দেয় পরে থানায় যোগাযোগ করলে কম্পিউটার অপারেটর ৩০০০ টাকা দাবি করলে টাকা পরিশোধ করার পরে ৮ দিনের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেয় বি:দ্র: আমার নামে কোন মামলা ছিলো না
আমাকে বলেছিল ডিলারশিপের মাধ্যমে মোটরযান রেজিস্ট্রেশন করতে। আমি নিজে নাকি করতে পারবো না। আমি বললাম আমার সব কাগজপত্র ঠিক আছে, তাহলে কেন হবে না। আমাকে বলে আপনি এত বুঝতে আসবেন না। আপনি পারবেন না। মোটরসাইকেল শোরুম থেকে করাতে হবে। তারপর টাকার ইঙ্গিত দেয় এবং ১০০০ টাকা নগদ ফাইলের সাথে জমা দেই। ঘুষ খাওয়া প্রতিষ্ঠান মোটরযান পরিদর্শক মৌলভীবাজার বিআরটিএ।
গাবতলী বাস টার্মিনালের যাত্রী ছাউনিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে যাত্রীদের হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রথমে তারা যাত্রীদের জানায় যে, যাত্রী ছাউনির ভেতরে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। এরপর হানিফ পরিবহনের টিকিটের কথা বলে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেখানে থাকা একজন মোটা গড়নের কালো বর্ণের ব্যক্তি যাত্রীকে বলে, “আপনাকে টিকিট দেওয়া হবে না, যা করার করেন।” যাত্রী সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় চক্রটির আরেকজন সদস্য এসে আশ্বস্ত করে যে, “ওরা আপনাকে বাসে তুলে দেবে।” পরে যাত্রীকে হানিফ পরিবহনের পরিবর্তে একটি লোকাল বগুড়া বাসে তুলে দেওয়া হয়, যার ভাড়া মাত্র ২৫০ টাকা। এভাবে যাত্রীদের বিভ্রান্ত করে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া এবং পছন্দের পরিবহনের পরিবর্তে অন্য বাসে তুলে দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক
আমি রাতে ২.০০ টার দিকে আমার কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলাম। মেট্রোপুলিশ কাগজ দেখতে চাইলে কাগজ দেখালাম। সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কোর্টের মাধ্যমে নোটারী করা(এপিটওপিট)। পুলিশ কাগজপত্র চেক করে বলে মানি না। এইগুলা সব ভূয়া তুই চুরি করছোস। পরে তিন হাজার টাকা ঘুষ চায় না হলে চুরি সহ অন্য মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে ওইবারের মত বাচি
নামজারির জন্য সরকারি ফি সহ ১৮০০০ টাকা চেয়েছিল। পরে ১২০০০ টাকা নিয়ে কাজটি করে দিছে।
রোগী দেখতে গেলে আনসার বাহিনী বলে ডুকার পারমিশন নাই, পরে টাকা চায়, দিলে যেতে দেয়।
Dalal k tk dite hoise driving license er jonno
অভারসিজ ছুটি মঞ্জুরের জন্য মিনিস্ট্রির কেরানী ফাইল আঁটকে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে।নইলে ফাইল ছাড়বে না
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স উঠাতে গিয়ে এই টাকা প্রয়োজন হয়ে ছিল।
জমির নাম জারি করার জন্য বিকাশে নিয়েছে
আমার ই-পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করি, বাবার নামে সামান্য ভূল থাকার জন্য ৫০০০ টাকা পরিষোধ করতে হয়।
ডাকায় ১কাঠার ও কম জায়গায় ছোট একটা ২তলা বাড়ি আছে যেটার উপর তলায় আমি আর আমার মা থাকি আর নিচতলায় ভাড়াটিয়া। প্রতিমাসে পানির বিল একটু একটু বাড়াচ্ছিল মিটার রিডার সে মিটার না দেখেই বিল করছিল। আমি তাকে এই বিষয়ে বললে সে বলে অফিসে গিয়ে কথা ১৫০০-২০০০ টার বিল যখন এভাবে বারিয়ে ৪০০০ করে গেলে তখন বাধ্যহয়ে আমি যাত্রাবাড়ীতে ওয়াসা অফিস যাই কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি জিনি বিল করেন (ইন্সপেক্টর) উনি নিজেই ঘুস উনিই বলেন মিটার রিডার কে মাসে ৫০০ দিবেন বিল ১০০০ করে দিব। আমি চলে এসেছি যা বুঝলাম এই দেশে থাকলে ঘুস দিয়েই থাকতে হবে এরপর থেকে প্রতিমাসে ৫০০ করে দেই কারন এছাড়া আর উপায় নাই কিছু করার নাই কারন আমি common man।